নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কলমই শক্তি

সৎ ভাবে চলা। দেশের জন্য কাজ করা। অপরের সাথে শেয়ার করা।

কলম বক্তা

প্রকৌশলী ।

কলম বক্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমাদেরকে বলতে হবে আমরা জয়বাংলার লোক।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:৫০

অসংখ্য ধন্যবাদ এ প্রজন্মের সব চেয়ে জনপ্রিয় লেখক জাফর ইকবাল কে । কারন আজকের বিডি নিউজ এ “ভাবনা এবং দুর্ভাবনা” এর লিখাটা লিখার জন্য । আমি সব লখাই পড়ি । এবারও পড়েছি । অনেকের মতামত পড়েছি । ইচ্ছা ছিল নামে উল্লেখ করেই ভিন্ন মত প্রকাশ করবো । কিন্তু মনে সায় দিল না। যাদের মন মানসিকতায় মধ্য যুগিয়তার চাপ - তাদের বলে কিছুই হবে । আর যারা জেগে জেগেই ঘুমায় তাদের ঘুম কোন দিনই ভাঙবে না । তা ছাড়া এদের ঘুম ভেঙ্গেই বা লাভ কি ? মননে এবং ধ্যানে যারা পাকিস্থান ও আফগানিস্থান এর মত জঙ্গিবাদকে সমর্থন করে এবং বাংলাদেশকে আফগানিস্থান এর মত তালেবানি রাষ্ট্র বানাতে চায় ।- আর যা হউক - তাদের মানসিকতার পরিবর্তন অন্তত আগামী দুই যুগেও হবে না । তাই জনপ্রিয় লেখক জাফর ইকবাল কে বলবো - এই সব সমালোচকদের কথায় কান দিয়ে লাভ নেই । মনে রাখতে হবে - ১৯৪৫ সালের দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় মানবতা বিরুদ্ধি কার্যকলাপের কারনে যে যুদ্ধাপরাধীর স্বাভাবিক মৃত্যুর পরও বর্তমান প্রজন্ম ইতালিতে তাঁর কবর দিতে দেয়নি । ঘটনা এখানে পরিষ্কার করা দরকার । তাই সবাই শুনুন ঘটনাটা কেমন ছিল - ইটালিতে ৪৫ সালের দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় গণহত্যার কারণে ইতালির রাজধানী রোমের কাছে আলবারো লাজিলা শহরে এরিখ প্রিবকে নামের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সাজাপ্রাপ্ত এক যুদ্ধাপরাধীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে গেছে। সমগ্র বিশ্ব টি ভি তে এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছে । ইটালিতে সেই যুদ্ধাপরাধীর পক্ষে কাওকে কথা বলতে দেখি নাই । এরিখ প্রিবকের লাশ বহনকারী গাড়িটি শহরের রক্ষণশীল ক্যাথলিক চার্চের সেন্ট পিউস সম্প্রদায়ের গোরস্থানের প্রধান ফটকে পৌঁছলে শত শত নবপ্রজন্মের ইতালিয়ান বিক্ষোভকারী গাড়িটির গায়ে লাথি মারেন। এ সময় তাঁরা বলেন, ‘আমাদের শহরে এই কসাইয়ের জায়গা হবে না।’ এ ছাড়া ‘যুদ্ধাপরাধীর ঠাঁই নেই’ সংবলিত একটি ব্যানারও লাশবাহী গাড়িটিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পরে পুলিশের সহযোগিতায় লাশবহনকারী গাড়িটি রোমের একটি সামরিক বিমানবন্দরে ছাউনির হিমাগারে রাখা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ফ্যাসিস্ট জার্মানির এসএস কমান্ডার ছিলেন এরিখ প্রিবকে। তিনি ১৯৪৪ সালের ২৪ মার্চ রোমের কাছে নািসবিরোধী ৩৩৫ জন ইতালীয় যোদ্ধার হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

এখন প্রশ্ন হল ইতালিতে যদি ৭০ বছর আগে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধীদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয় । তাহলে ১৯৭১ সালে সংঘটিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্বের সবচেয়ে জঘন্য ও ঘৃণিত ঘটনার জন্য যারা আজকে বিচারের সম্মুখীন, তাদের জন্য এত মায়া কেন ? তাহলে ইতালির জনগণ সঠিক পথে ? নাকি আমাদের দেশে যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রমের বিরুধিতা বা বাঁধা দিচ্ছে – তারা সঠিক পথে ? এর বিচার বাংলাদেশের জনগণের কাছেই রইল । আর সেই কারনেই আগামী নির্বাচনের মাধ্যমেই আমাদেরকে প্রমান করতে হবে – আমরা ১৯৭১ সালে সংঘটিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্বের সবচেয়ে জঘন্য ও ঘৃণিত ঘটনার জন্য যারা আজকে বিচারের সম্মুখীন – সেই সব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম আমরা এগিয়ে নিতে চাই কিনা ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে এরিখ প্রিবের বীরুধে ৩৩৫ জন ইতালীয় যোদ্ধার হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ আছে । তাহলে আমাদের কসাই কাদেরের বীরুধে ৫০০ এর বেশী লোক হত্যার অভিযোগ আজকে প্রমাণিত । তাহলে কসাই কাদেরের রায় কার্যকর হওয়ার পর – বাংলার মাতিতে কবর হয় কিভাবে ? এই প্রশ্নটাও বিবেচ্য ।

এবার প্রিয় মানুষ জাফর ইকবালকে এটা বিষয়ে অনুরধ করবো – তা হল – আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে চলমান রাখতে চাই এবং অর্জিত রায়কে কার্যকর করতে চাই । ইতিমধ্যেই বেগম খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি চেয়েছেন । এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে অনেক আগেই প্রশ্ন তুলেছেন । তাই আগামী নির্বাচনে বিএনপি – জমাত জোট ক্ষমতায় গেলে – যুদ্ধাপরাধীদের বিচারিক কার্যাবলী বন্ধ হয়ে যাবে এবং যুদ্ধাপরাধীরা মুক্তিও পেয়ে যাবে । তাই এই মুহূর্তে দরকার হল – আগামী নির্বাচনকে এগিয়ে নেওয়া এবং এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে জিতানোর জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের প্রচারের আশ্রয় নিতে হবে আমাদেরকে এবং মিথ্যাচারের বীরুধেই আমাদেরকে প্রচার কার্যক্রম বৃদ্ধি করতে হবে এবং আপনার লিখার মধ্যেই তা প্রকাশ পেতে হবে । এই মুহূর্তে নিরপেক্ষতার বান করার কোন সুযোগ নেই । তাই আগামী নির্বাচন নিয়ে আপনাকে আরও বেশী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও দায়িত্ব পালন করতে হবে । এবং বেশী বেশী লিখা দিতে হবে – যেই লিখার কারনে আওয়ামী লীগের পক্ষে ভোট বেড়ে যায় এবং মানুষ যেন নিসন্দেহে ও নির্দ্বিধায় আওয়ামী লীগকে ভোট দেয় । আমাদেরকে বলতে হবে আমরা জয়বাংলার লোক । জয়বাংলা ।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ১:৩৯

শাহীন উল্লাহ বলেছেন: হাফলাইন বোঝে
এই দেশে যুদ্ধাপরাধীর বিচার হয়নি, হইছে মানবতাবিরোধীর বিচার

কৈ থাকেন বাংলায় না বাংলাদেশে????

আর শোনেন এটা বাংলা না এটা বাংলাদেশ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.