নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কলমই শক্তি

সৎ ভাবে চলা। দেশের জন্য কাজ করা। অপরের সাথে শেয়ার করা।

কলম বক্তা

প্রকৌশলী ।

কলম বক্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আগামি নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবো ।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:২২

"খালেদা জিয়া ও জামায়াতের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও পাকিস্তান। তারা এদের বিষয়ে একত্রিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে জামায়াতে ইসলামী একটি উদার ইসলামী পার্টি”। এই বক্তব্যটা ফেইস বুকে দিয়েছেন আমারি বন্ধু জনাব লতিফ । ছাত্র জীবন থেকেই একাধারে ছাত্রদল ও বিএনপির রাজনীতির সাথে সংপৃক্ত আছে । খুবই ভাল লোক । এবার বিএনপি থেকে মনোনয়নও চাচ্ছে । আমরাও চাই তিনি মনোনয়ন পাক । তবে তিনি অতিশয় জমাত দুর্বল লোক । তাই উপরের বক্তব্যটা আনন্দের সাথে দিয়েছেন । অন্য প্রসঙ্গে আমাকে আগেই একবার বলেছে যুদ্ধাপরাধীর বিষয় ভুলে যেতে । এটা কি করে সম্ভব ? যাক, আসল কথায় আসি ।

উপরের বিষয়ে তিনি আশা করতে পারেন । আশা করতে তো আর টাকা লাগে না। আমার কথা হল গত পাঁচটা বেগম জিয়ার বিভাগীয় জনসভায় শিবির জমাত প্রকাশে লাটি, বাঁশ, ইট দিয়ে ছাত্রদল - বিএনপিকে পিঠাল এবং মেরে জনসভা থেকে বের করে দিল । তারপর মঞ্চের চতুর্দিক দখল করল - শিবির জমাত এর লোকজন । টি ভি তে লাইভ দেখানো হল এবং জাতীয় পত্রিকায় স্থান পেল – এই জাতীয় নিউজ । তারপর বিএনপির হাই কমান্ড শিবিরের ছেলেদের কাছে হাত জোর করে এবং অনেকটা ক্ষমা চেয়েই দলের লোকদের সমাবেশে বসার অনুমতি নিল । জনসভা হল । বিএনপি নেত্রী বেগম জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের রাজবন্ধি হিসাবে অভিহিত করে মুক্তি দাবি করল । এখানেই আমাদের আপত্তি । আমরা কোনভাবেই যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করতে পারি না। এটার সাথে আমাদের স্বাধীনতার অবমাননার বিষয়ে জড়িত । যেমনটা সপ্তাহ দুইয়েক আগে ইতালির জনগণ ১৯৪৫ সালের দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় সংগঠিত মানবতা বিরুধি অপরাধের কারনেই এক যুদ্ধাপরাধীর ইতালির মাটিতে কবর হয়নি । এখন প্রশ্ন হল – তাহলে ইতালির জনগণ কি ভুল করল ? নাকি এদেশের যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিপক্ষে কথা বলতেছে – তারাই ভুল করতেছে ?

আমার বন্ধুকে আগেও বলেছি এবং আবারও বলছি – “রাজাকার” একটা শব্দ। যে শব্দ ডিকশনারী তে ভাল মত স্থান পেয়েছে । এটার একটা আবিধানিক অর্থ আছে । যা ভালভাবে বুঝলে – অন্তত আর যা হউক – জমাত শিবির বা যুদ্ধাপরাধীদের বিষয়ে ধরনাটা পরিষ্কার হতো । তাতো হচ্ছে না । তাওই আমাদেরকে বার বার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়ে বলতে হচ্ছে । একই ভাবে “মীরজাফর”এরও একটা আবিধানিক অর্থ আছে, যাও একই ভাবে ডিকশনারী তে স্থান পেয়েছে । সেই অর্থটার পেক্ষাপটও অনেকেই বুঝার চেষ্টা করেনি বলেই – তারা রাজাকারের অর্থ বুঝতে পারতেছে না। এখানেই আমাদের জাতীয় সমস্যা । যেখান থেকে আমরা বের হতে পরতেছি না। ফলে দেশের একটা বড় অংশ যুদ্ধাপরাধী কারা এবং কেন তাদের বিচার হতে হবে – তা বুঝতে পারতেছে না। আর তাই কেউ কেউ “খালেদা জিয়া ও জামায়াতের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও পাকিস্তান” এটা শুনে মহা খুশী । ভাব দেখে মনে হল – ক্ষমতায় চলেই গেল । তার মানে যুদ্ধাপরাধীদেরকে হাতে নিয়ে এবং যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সাথে আঁতাত করে এবং ১৯৯১ সাল ও ২০০১ সালের মত পাকিস্থানের আই এস আইয়ের আর্থিক ও জঙ্গি সহায়তার মাধ্যমেই বিএনপি তথা বেগম খালদা জিয়া ক্ষমতায় আসতে চায় । তা হলে যুদ্ধাপরাধীদের গাড়িতে আবারো জাতীয় পতাকা ? যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মামলার কি হবে ? এখানেই যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দিবো ? এটা কি করেই সম্ভব ? তাই দেশের আপামর জনগোষ্ঠীর কাছে – বুঝার বিষয়টা হল – যুদ্ধাপরাধীদের গারীতে আমরা আবার জাতীয় পতাকা দিতে পারি কিনা ? এই সিদ্ধান্তটাই দেশ বাসীর হাতে । ভোটাধিকারের মাধ্যমেই এর সুরাহা করতে হবে দেশবাসীকে ।

জমাতের সমর্থনে এবং পাকিস্থানের আই এস আইয়ের আর্থিক ও জঙ্গি সহায়তার মাধ্যমেই বিএনপি তথা বেগম খালদা জিয়া আবার ক্ষমতায় আসলে জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি পাবে, ভোমা হামলা বেড়ে যাবে (যা গত পাঁচ বছর সম্ভব হয়নি), পুলিশ, জর্জ বা সরকারী কর্মকর্তা থেকে ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, আইনজীবী ও সাধারন জনগণ কেউ রেহায় পাবে না, সংখ্যা লঘু সহ এদেশের অতি সাধারন ও গরিব জনগোষ্ঠীর সাধারন মেয়ে থেকে কেউ ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পাবে না – যা ২০০১ সালের নির্বাচনের পর সংগঠিত হয়েছে, আবার মুদ্রা পাচার হবে – যেমনটা ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত হয়েছে, দুর্নীতিতে আবার বিশ্বে চ্যাম্পিয়ন হবে, উন্নয়ন প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাস বৃদ্ধি পাবে ও বছরের বেশির ভাগ সময় কলেজ / বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে, কৃষি অর্থনীতিক কার্যাবলীর ব্যাঘাত হবে, গার্মেন্টস এর ক্ষতি হবে, “তেতুল তত্ত্বে”র বাস্তবায়ন শুরু হবে, মেয়েদের পড়াশুনা ৪/৫ ক্লাস এর পর বন্ধ হয়ে যাবে, “সমকামিতা” বৃদ্ধি পাবে, এইডস রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাবে এবং ফলে দেশের সর্বস্তরের জনগণের মধ্যেই মরণ ব্যাধি রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, এবং সমাজে অস্থিরতা বেড়ে যাবে, বর্তমানে চলমান উন্নয়ন প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে এবং দেশ পিছিয়ে পড়বে । এমতাবস্থায় দেশকে বাচাতে হলে এবং শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হলে – আগামি নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে । তাই সবাইকে সঠিক জায়গায় ভোট প্রদানের জন্য উদাক্ত আহবান রইল । জয়বাংলা । জয় বঙ্গবন্ধু ।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:৩৭

মোহাম্মদ মজিবর রহমান বলেছেন: বিএনপি ছাড়া নির্বাচন হলে ভোট চাইতে যাইয়েন,ঝারুপেটা তৈরী হয়ে আছে।বর্তমানে গ্রাম-গন্জের অবস্থা কিন্তু এরকমই।

২| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:৩৯

আশমএরশাদ বলেছেন: আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধকেকে হৃদয়ে ধারণ করি, তখনকার ইতিহাস দেখলে আবেগে চোখের পানি চলে আসে, যারা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, কালচার কৃষ্টিতে আমরা আমাদের মতই এগিয়ে যাবো,
ভুখন্ডগত ভাবে আমাদের স্বতন্ত্রবৈশিষ্ট থাকবে সে স্বপ্ন দেখি তারা আসলেই সমস্যায় আছি।

৩| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:৪৭

তিক্তভাষী বলেছেন: দেশের জনগনের মন আওয়ামীদের ওপর থেকে উঠে গেছে অনেক আগেই, পাচটি সিটি কর্পোরেশেনের ফলাফল স্মরণ করুন। ভয়ে তো ঢাকা সিটির নির্বাচনই দিলো না। :((

বিদেশীদের মধ্যে একমাত্র ভারত ছাড়া আর কেউ আওয়ামীদের পক্ষে ছিলো না। সেই ভারতও পিঠটান দিয়েছে আজ!! ভারতও নাকি চায় "অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন"!!! :-B

ভারতের হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণের বিবৃতি পড়ুন।

৪| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৪:২৯

রাখালছেলে বলেছেন: ভাইয়ের জ্বর কি আবার আসছে । তাহলে ঠিক আছে । ব্যাপার না। জ্বরের মুখে মানুষ আরও কত কিছুই না বলে ।

৫| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ৯:৩৯

রাখালছেলে বলেছেন: হুমায়ুন আমাদের স্বাধীনতার পর পাওয়া এক উজ্জ্বল নক্ষত্র । তার মত মানুষ হয়ত আর পাব না ভেবে মন কেমন কেমন করে ।

৬| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ৯:৫৫

বিজন শররমা বলেছেন: ১৯৭১ সনে স্বাধীনতা যুদ্ধ কালে এবং পরে তাদের ন্যাক্কারজনক ভূমিকার জন্য বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ জামাত শিবিরকে চায় না । স্বাধীনতার পর যদি তারা ভূল স্বীকার করে তাদের ভূমিকা বদল করতো তাহলে এদেশের মানুষের মন অন্য রকম হতে পারতো । তার পরেও জামাত টিকে গেল কারন তাদের পেছনে ছিল (এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে আছে) দেশীয় এবং বিদেশী শক্তি । তাদের বড় সহায় সউদিআরব এবং আমেরিকা ।

আওয়ামী লীগ স্বাধীনতা সংগ্রামে অগ্রবর্তী ভূমিকা রাখা দল । স্বাভাবিক ভাবেই তাদের জন্য মানুষের সন্মান রয়েছে । কিন্তু পরে এই দলটি যে একটি স্বার্থপর দলে পরিনত হয়েছে এটা মুক্তবুদ্ধির যে কোন মানুষ স্বীকার করবে । ১৯৯৬-২০০১ এ আওয়ামী লীগ জামাতকে নিয়ে সরকার গঠন করেছিল । ২০০৮-২০১৩ এ জামাত বি এন পির সাথে যাবার পর তারা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা করে । এই মামলার উদ্দেশ্য কতটা সৎ আর কতটা জামাতকে দলে নেবার প্রচেষ্টা তাও বোঝা যায় না । কাজ শুরু করা হয় একেবারে শেষ কালে, পদে পদে রাখা হয় ভূল আর শৈথিল্যের চিহ্ন । বিশেষ ধরনের বিচার বলেই এখানে অপরাধের পর বিচারের নিয়ম ঠিক করাঢ় বিধান ছিল । এখানে সব কিছু সুচিন্তিতি ভাবে করা যেতো । অথচ, কঠিনতম অপরাধের জন্য চরম এবং সঙ্গে সঙ্গে তার বিকল্প শাস্তি রাখার ব্যবস্থা রাখা হয় এবং সরকারের পক্ষে আপিল করার ব্যবস্থা রাখা হয় না । জনাব শাহরিয়ার কবিরের মতন মানুষ বলেছেন যে তারা বার বার এসব দুর্বলতার কথা বলেছিলেন, কিন্তু তাদের কথা বিবেচনায় নেয়া হয় নাই । আমরা জানি পরে গনজাগরণ মঞ্চের চাপে এটা সংশোধন করা হয় । মুক্তবুদ্ধির যে কোন মানুষ বুঝতে পারে, এ সব দূর্বলতা রাখা হয়েছিল জামাতকে বিপদে ফেলে নিজ দলের দিকে টেনে নেয়ার উদ্দেশ্যে ।

বিচার বিভাগ জামাতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষনা করেছেন । এই শক্তিতে বা সরকারের নিজস্ব নিয়মে জামাতকে সহজেই নিষিদ্ধ করা যেত । নিষিদ্ধ করা হলে জামাতের কর্মী হয়তো থাকতো, কিন্তু তাদের দেশী বিদেশী অর্থায়ন সহ অনেক কিছুই বন্ধ হয়ে যেতো । তা করা হয় নি, বরঙ তাদের নানা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে যে ভাবে সহায়তা করা হয়েছে, তাতে মুক্তবুদ্ধির মানুষ আওয়ামী লীগ সম্বন্ধে যা ভাবতে পারে তাই সত্য বলে ধরে নিয়েছে ।

বাংলাদেশের জন্মের পর ২০০৮-২০১৩ আওযামী লীগের শাসনকালে ধর্মের ক্ষেত্রে যা ঘটেছে তা অকল্পনীয় । কেবলমাত্র এই সরকারের সময়ই হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং মুসলিম এই সব কয়টি ধর্মের চরম অবমাননা হয়েছে । প্রথমে উল্লিখিত ধর্মের কথা সবাই জানেন, যে দেশে মুসলমান সংখ্যা গরিষ্ঠ তেমন দেশে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী পবিত্র কোরান প্রকাশ্যে পোড়ান হয়েছে, এটা ভাবা যায় ? এই কাজটি করেছে হেফাজত, আর এই হেফাজতকে ঢাকায় আনার জন্য সরকারের দুইজন মন্ত্রী যাবতীয় ব্যবস্থা করেছে, এটা আমরা সবাই জানি । বরং আওয়ামী লীগের বুদ্ধিমান ও বিবেকবান কিছু মানুষ হেফাজতকে ঢাকায় আসতে বাধা দিয়েছিল ।

এই সরকারের আমলে প্রশাসন সহ সর্ব ক্ষেত্রে সততার যে ধ্বস নেমেছে তা আমরা সবাই জানি । আমরা জানি, এই সরকার এই দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী দলীয়করন করেছ । প্রশ্ন হতে পারে, তাহলে সরকারের নিজের কাজে এত দুর্বলতা কেন ? (দলীয় ভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত লোকের তো দলের স্বার্থ দেখার কথা) । আসল কথা হল, স্বার্থপর লোক টাকার জন্য সব কিছুই করে । এমনকি তাদের টাকার লোভের কারনে অনেক স্থানেই অন্যায় ভাবে জামাতের লোক নিয়োগ হয়েছে । সেই বিষ বৃক্ষের ফল তো এই দলকে ভোগ করতেই হবে ।

জামাতকে নিয়ে হয়েছে এখন মহা সমস্যা । তাদের ভোটার সংখ্যা বেশী নয় । বি এন পির যে জনসমর্থন আছে তাতে জামাতের ভোট ছাড়াই তারা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে জিতে যাবে । তবে জামাতের আছে জঙ্গী কর্মী, যারা কোন কোন কাজে লাগে । আবার জামাত বি এন পির জন্য যা করেছে তাতে তাদের ছেড়ে দেয়াও বি এন পির জন্য হবে অমানবিক । কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা হলো, বি এন পি জামাতকে বাদ দেবার সাথে সাথে আওয়ামী লীগ লিখিত বা অলিখিত ভাবে তাদের সাথে নিয়ে নেবে । তিন বছর কোন দলের সদস্য থাকার বাধ্য বাধকতা বাদ দেবার এটিও অন্যতম উদ্দেশ্য ।

বিষ বৃক্ষের ফল কোন দিন ভালো হতে পারে না । আওয়ামী লীগ যে এদেশের অমুসলিমদেরকে নিশ্চয়তা দেবার মতন শক্তি বা ইচ্ছে রাখে না তারা তাদের কাজের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে । এবার যদি বি এন পি নির্বাচন বর্জন করে তাহলে ২০০১ সালের কথা মনে রেখে কোন অমুসলিমের ভোট কেন্দ্রে যাওয়া উচিত হবে না ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে এই নির্বাচনে বি এন পির জেতার সম্ভাবনা । এরপর বি এন পি জামাতকে নিয়ে কি করবে সেটা তাদের বিবেক । তবে জামাতের উপর আন্তর্জাতিক চাপ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে । বি এন পি জিতলে (০১) বাংলার মানুষ আগামীতে নতুন দলকে নির্বাচনের সুযোগ পাবে, আওয়ামী লীগ দলীয় ভাবে নির্বাচন করলে আর তা পাবে না । (০২) আওয়ামী লীগ এদেশে বিষবৃক্ষ রোপন করেছে দেশ তার অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে পারবে, আওয়ামী লীগ জিতলে তা আর হবে না ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.