নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কলমই শক্তি

সৎ ভাবে চলা। দেশের জন্য কাজ করা। অপরের সাথে শেয়ার করা।

কলম বক্তা

প্রকৌশলী ।

কলম বক্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকতে চায় আওয়ামী লীগ /

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৪৪

আগামী পাঁচ বছর পুরো মেয়াদ ক্ষমতায় থাকতে চায় আওয়ামী লীগ। দক্ষ ও অভিজ্ঞ মন্ত্রীদের ওপর ভর করে জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতার পরিসর বাড়াতে পরিকল্পনাপত্র তৈরি করা হবে। এ ব্যাপারে ক্ষমতাসীন দলের নীতিনির্ধারক মহল থেকে মন্ত্রী-এমপি ও ঘনিষ্ঠ আমলাদের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ কারণে দায়িত্ব নিয়েই অধিকাংশ মন্ত্রী গতকাল পুরো মেয়াদ ক্ষমতায় থাকার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।



জানা গেছে, ব্যবসা-বাণিজ্যে সুবিধা দেওয়া, দৃশ্যমান উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করার পাশাপাশি দল ও প্রশাসনকে গোছানোর দিকে নজর দেবে সরকার। তৃণমূল পর্যায় থেকে জেলা-উপজেলাসহ সারা দেশে সাংগঠনিক কাঠামো জোরদার করা হবে। কাউন্সিলের মাধ্যমে ঢেলে সাজানো হবে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনকে। নজর দেওয়া হবে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের দিকে। ওয়ার্ড, থানা ও মহানগর কমিটিকে নতুনভাবে গড়ে তোলা হবে।



সরকার পরিচালনায় গতি বাড়াতে সিভিল ও পুলিশ প্রশাসনেও সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে। সিভিল প্রশাসনে কাজ করা দলের একাধিক নেতাকে সরাসরি কাজে লাগাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রভাবশালী যেসব আমলা আওয়ামী লীগের প্রতি অনুরক্ত তাদের কাজের আরও সুযোগ দেওয়া হবে। সরকারের কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়নে সমর্থ ও আস্থাভাজন কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো হবে। অবসরপ্রাপ্ত একাধিক আমলাকেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা হচ্ছে।



বিদেশে সরকারের গ্রহণযোগ্যতা অর্জনে কূটনৈতিক চ্যানেলেও সুসম্পর্ক স্থাপনে দেওয়া হবে বিশেষ গুরুত্ব। বহির্বিশ্বসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সম্পর্ক জোরদারে উদ্যোগ নেওয়া হবে। যেসব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক শিথিল হয়েছে তা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রতি দেওয়া হচ্ছে বিশেষ গুরুত্ব। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক অব্যাহত রাখা হবে। যুদ্ধাপরাধ, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলাসহ গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিচারকাজ দ্রুত শেষ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে প্রশাসন পরিচালনায় কঠোর নীতি অব্যাহত থাকবে। আগামী তিন মাস চলবে চিরুনি অভিযান। সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা কঠোরভাবে দমন করা হবে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা শুরু করা হবে। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে দৃশ্যমান উন্নয়ন কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। ঢাকা মহানগরীর সৌন্দর্যবর্ধনেও বিশেষ উদ্যোগ থাকবে। পদ্মা সেতু নির্মাণ, রাজধানীতে এলিভেটেড এঙ্প্রেসওয়ে ও মেট্রো রেল প্রকল্প ছাড়াও ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল ফোর লেনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। গ্যাস-বিদ্যুৎসহ অবকাঠামো উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। ব্যবসায়ীদের আস্থা অর্জনেও নেওয়া হবে বিভিন্ন উদ্যোগ। ব্যবসায়ী নেতাদের নিয়ে উপদেষ্টা কমিটি গঠন করে তাদের সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে। রপ্তানি সম্প্রসারণে প্রণোদনামূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে। দরিদ্র মানুষের আয় বাড়াতে নেওয়া হবে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি। গণমাধ্যমের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। নবগঠিত সরকারের মেয়াদ কত দিন হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, সংবিধান অনুযায়ীই পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবে সরকার। নির্বাচনে কে এলো, তা বড় কথা নয়। দেশের মানুষ এ নির্বাচনকে স্বাগত জানিয়েছে এটাই বড় কথা। এ সময় তিনি আরও বলেন, বিএনপি আন্দোলনের নামে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করেছিল, তা আমরা সামাল দিতে সক্ষম হয়েছি। এর পরও কেউ নৈরাজ্য করলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, এ সরকার জনগণের ভোটে পাঁচ বছরের জন্যই নির্বাচিত। ভালো কাজ করে সরকার পাঁচ বছরই পূর্ণ করবে। তবে আলোচনার দরজা এখনো খোলা আছে। সমঝোতা হলে তা পরে বিবেচনা করা যেতে পারে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, এ সরকারের মেয়াদ পাঁচ বছর। এর থেকে এক দিনও বেশি ক্ষমতায় থাকবে না সরকার।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৪৯

বেলা শেষে বলেছেন: পাঁচ বছর পরে কাকে আসা করতে পারি আমরা? আপনার কি ধারনা জাতির নাতি জয় বাবাজি নতুন দল গঠন করে নির্বাচন করবে?

২| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৫৮

পাঠক১৯৭১ বলেছেন: মন্ত্রীরা 'ভালো' কাজ হয়তো করবে; কিন্তু জাতির যা দরকার, সেটা হয়তো হবে না।

মন্ত্রীদের সবাই প্রথম ওমরাহ করে আসুক, ওটাও ভালো কাজ!

৩| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১১:১২

এম এ কাশেম বলেছেন: ১০ বছর থাকলে ক্ষতি কি?

রাজতন্ত্র ঘোষনা করলে তো আর ও ভালো ,

আমরা রানী পেলাম,

৪| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১১:২০

মোমের মানুষ বলেছেন: ৭৫ ঘনিয়ে আসছে মনে হয়.......

৫| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১১:৩১

গ্রাম্যবালক বলেছেন: চোরের মুখে রাম নাম। গত ৫ বছর বাল ফেলাইতে ব্যস্ত ছিল নাকি মন্ত্রি এমপিরা।

দেশের উন্নতির কথা কিছুই বলা হয় নাই ।আওয়ামিলিগের উন্নতির কথা বলা হয়েছে।

জনগনের ভোটার অধিকার হরন করে জনগনের উন্নতি কি ভাবে সম্ভব????

৬| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১১:৪৬

রামন বলেছেন:

সেদিন নিয়োগপ্রাপ্ত সমাজ কল্যাণ মন্ত্রীর কথা শুনলাম। উনি তো ভাল বাংলা বলতে পারেন না তাহলে এ দেশে কাজ করবেনটা কি !

যাইহোক এই সরকারের মধ্যবর্তী মেয়াদে নির্বাচন অবসম্ভাবী হয়ে পড়লে সেটা হবে আওয়ামী লীগের জন্য ভয়াবহ। তখন দলীয় নেতা-উপনেতা কেউই অস্তিত্ব সংকট থেকে মুক্ত হতে পারবেন না। কাজেই আগামী ৩ মাসের ভেতর নির্বাচনী তারিখ ঘোষণা না করে তারা যদি ৫ বছর কন্টিনিউ করার সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে সেটা হবে তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অবশ্যই চ্যালেঞ্জে জয়ী হলে তারা আগামীতেও ক্ষমতায় আসতে পারবে। বাকি সরকারের ইচ্ছা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.