| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমাদের বাংলাদেশ;
মুসলমান উনাদের দেশ
এ বাংলাকে বন্দে মাতরম বলা যাবে না।
হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান, ইহুদী
তোরা কাফির গং
মুসলমানগনের দেশে তোদের
এত কিসের ঢং।
ছিঃ ছিঃ ছিঃ
যবন, ম্লেচ্ছ, তোরা খবিস
লজ্জা তোদের কোথায়?
মুসলিম দেশে বহাল বেশে?
ভাঙ্গছিস মুসলমান উনাদের হৃদয়!
নাস্তিক তোরা
নাস্তিকতার শাস্তি বেঘোরে
পেতে যদি না চাস।
ফিরে যা, ফিরে যা
এদেশ ছেড়ে পালিয়ে যা স্বদেশ।
এ বাংলা
শুধু মুসলিম জাতির;
ওলী আল্লাহ উনাদের বঙ্গভূমি।
নয় ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ছূ’দের,
নয় মুনাফিকের
নয় বেদ্বীন, বদ্বীন, কাফিরদের।
চলে যা এদেশ থেকে
ভারত যা;
এ বাংলাকে
বন্দে মাতরম বলা যাবে না ।
ছিঃ ছিঃ ছিঃ
সুদখোর ইউনূস দূর হ’
তোর কলঙ্কিত ইতিহাস
কে শুনাবে কাকে?
-দ্বীন ইসলাম উনার
নাফরমানী করে কাট্টা মুনাফিক
হলি জাতির কাছে।
ছিঃছি ছিঃছি
কিভাবে বলিস--- বন্দে মাতরম!
ধিক্কার তোকে,
তোর সাথে যারা লেজুর রেখেছে
যবন, ম্লেচ্ছ, অশ্লীল সাজে;
হিন্দু সহ
বদ্বীন জাতি সবে।
ধিক! ধিক! ধিক!
স্পর্ধা কত!
মুসলমান উনাদের দেশে থেকে,
মুসলমান উনাদের খেয়ে পড়ে,
দেশের সর্বস্ব চুরি করে
কত বড় সাহস তোদের!
তোরা বাংলা ছাড়।
অলী আল্লাহ উনাদের দেশ
সোনার বাংলাদেশ।
মুসলমান উনাদের দেশ
তোমার- আমার দেশ।
হিন্দু নয়, বৌদ্ধ নয়
খৃস্টান, ইহুদী তোরাও নয়
নয় তো তোদের আবাস এটা।
এ আমাদের বাংলাদেশ
মুসলমানগনের সেরা দেশ।
কত বড় সাহস তোদের;
মুসলমানদের দেশে বসে
কুৎসা রটাস জনে জনে!
দূর হয়ে যা।
শিয়াল কুকুরের লুইচ্যা চেলা
বাড় বেড়েছে অনেক বেলা;
বাংলা ছাড়
ভাড়ত যা।
ধৈর্য মোরা কম ধরিনি।
ভারতের বুকে মুসলমানদের
অত্যাচার কম করিসনি;
মা, শিশু, বৃদ্ধা, যুবা
একে একে মারছিস তোরা।
জালিম তোরা,
অত্যাচারে নিষ্পেষিত করছিস তোরা।
কত বড় সাহস তোদের
মুসলমান উনাদের মেরে মেরে
এ বাংলারই ঘরে বসে
হুমকি-ধামকি দিচ্ছিস ভবে;
দূর হয়ে যা;
ইবলিসেরই সব চেলারা
হুমকি-ধামকি এখানে নয়।
তোদের দেশে জলদি পালা।
ছি ছি ছি ছি
যবন, ম্লেচ্ছ, হিন্দু, জাতি।
ধিক্কার তোদের!
তোদের সাথে মিলবে যারা
উলামায়ে ছু, মুনাফিক যারা
ক্ষমতালোভী শাষক যারা
ধিক্কার তোদের।
তোদের কারণে ঈমানহারা
হতে হয়েছে শত শত।
তোদের কারণে মুনাফিক গং
ক্ষতি করেছে মুসলিম কত!
বিশ্বাসঘাতক, বেঈমান জাতি
ধোকাবাজী তোরা করেছিস জানি
গুটি কয়েক হিন্দু, কাফির
তারপরও দাপট কত!
ছিঃ ছিঃ ছিঃ
লজ্জা নাই;
এ দেশেরেই ফসল খেয়ে
এ মাটিতে আঁকড়ে থেকে
এ দেশেরই মুসলমান উনাদের
হেয় করিস কোন সাহসে?
হিংসুটেদের শাস্তি হলো
ঈর্ষায় জ্বলে মরা;
দ্বীন ইসলাম উনার বানী শুনলে
করে তাদের জ্বালা।
রে হিংসুকেরা
ছি ছি ছি ছি
কাফির মুশরিক গং তোরা।
মুসলমানরা নাযাত পাবেই
তোরা ঈমান হারা!
মিলবে তোদের নাযাত
কখনো তা নয়
ইহকালের কিট যে তোরা
তোদের পরকাল বরবাদ।
দ্বীন ইসলান
শান্তির ইসলাম;
সুমহান মর্যাদায়
আলোকিত ইসলাম।
নাস্তিকতা সব দূর হয়ে যাক।
ইবলিসেরই ধ্বংস অনিবার্য;
এদেশে যদি থাকতে চাস
তওবা কর প্রকাশ্যে সব।
মাফ চেয়ে নে দেশবাসীর কাছে।
ধিক্কৃত তোদের নাস্তিকতা।
হে হিন্দু জাতি!
হে বৌদ্ধ জাতি!
হে খ্রীষ্টান আর ইহুদী জাতি!
হে বেদ্বীন, বদ্বীন, কাফিরেরা!
হে উলামায়ে ছু!
হে মুনাফিক গং!
হে জালিম শাষক!
কবে ফিরবি আলোর পথে?
দ্বীন ইসলাম উনার
ছায়াতলে।
যামানার হাদী অলীয়াল্লাহ উনার দেশে
তাশরীফ নিলেন বাংলাদেশে।
নাস্তিকতাবাদ দূর হয়ে যাক
জালিমের যুলুম শেষ হয়ে যাক;
আসুক শান্তি বাংলার বুকে।
আমরা মুসলিম! শান্তির জাতি;
সুখ বয়ে যাক ঘরে ঘরে।
এসো ভাই আজ
মোরা জিহাদের ডাক দেই
এখন জিহাদ
জুলুমের সাথে;
হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান, ইহুদী
পেরেছিস কি কখনো
মুসলমানদের সাথে?
লড়াইয়ে লড়াইয়ে হেরেছিস তোরা
জনম জনম ইতিহাস বলে।
শুধু চেষ্টা করেছিস ছলে বলে তোরা
ধ্বংস করতে মুসলমানদের।
এবারের জিহাদ হবে
হাক্বীকি মুসলমান গড়ার জিহাদ।
ঘরে, ঘরে, পাড়ায়, পাড়ায়,
গ্রামে-গঞ্জে, শহরে শহরে,
মসজিদে, মসজিদে; বলে দাও-
এবারের জিহাদ-
দ্বীন ইসলাম উনাকে পুনর্জিবীত করার জিহাদ
এবারের জিহাদ
সুন্নাহ পালনের জিহাদ
এবারের জিহাদ
কুফরি শিরকি ধ্বংস করার জিহাদ
এবারের জিহাদ
সত্যকে জয় করার জিহাদ।
এবারের জিহাদ
মানুষের মত মানুষ হবার জন্যে
এবারের জিহাদ-
আস্তিক বানানোর জন্যে
এবারের জিহাদ-
পশুত্বের জীবন থেকে;
শয়তানি জীবন থেকে-
ফিরে আসার জন্যে ।
এবারের জিহাদ-
মুত্তাকি বানানোর জন্যে
এবারের জিহাদ-
ওলীয়াল্লাহ বানানোর জন্যে।
হে মুসলিম জাতি
মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে দোয়া চাও-
‘হে আমাদের মাওলা;
খলিক্ব, মালিক, রব! আমাদের
মা, বাবা, ভাই, বোন, স্ত্রী, পুত্র, কন্যা
আত্মীও-স্বজন সবাইকে
হাক্বীকি মুসলিম-মুসলিমা করে দিন।
হাক্বীকি মুত্তাকী করে দিন।
হাক্বীকি আল্লাহওয়ালা-আল্লাহওয়ালী করে দিন। (আমিন)
বি: দ্র: আলোচ্য কবিতাটি নাট্যকার পিযুষের চরম ইসলাম বিদ্বেষী একটি কবিতার প্রেক্ষাপটে লিখিত হয়েছে। কবিতাটিতে পিযুষ তার প্রকৃত রুপ প্রকাশ করেছে যে, সে সুগারকোটেড এক চরম ইসলাম বিদ্বেষী। ড.ইউনুসের ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য ‘হে বাংলা মা বন্দে মাতারাম’ বলাকে অনুসরন করে সে জিন্দাবাদকে পরিবর্তন করে বন্দেমাতারাম প্রবর্তন করতে চায়। দেশের প্রতিটি নাগরিককে একজন প্রতিষ্ঠিত নাস্তিক ড.ইউনুসের মত নাস্তিক বানাতে চায়। আর চায় এদেশটি ভারতের একটি করদ রাজ্যে পরিণত হোক। সে ৭১ সালে ভারতের সহযোগীতার কথা বলে অথচ একবারও উল্লেখ্য করেনা যে, সন্ত্রাসী ও যালিম ভারত প্রতিদিন সীমান্তে নিরিহ বাংলাদেশীদের নির্মমভাবে শহীদ করে চলেছে। তার রেকর্ডটি শুনতে এখানে ক্লিক করুন।
২|
২৮ শে জুন, ২০১৩ ভোর ৬:২১
কাজী মামুনহোসেন বলেছেন: হিন্দু নয়, বৌদ্ধ নয়
খৃস্টান, ইহুদী তোরাও নয়
নয় তো তোদের আবাস এটা।
এ আমাদের বাংলাদেশ
মুসলমানগনের সেরা দেশ।
আগে নিজে মানুষের মত মানুষে পরিণত হয়ে তারপর অন্যদের জিহাদ করার দাওয়াত দিয়েন, যত্তসব আদপাগল গুলা আমার সামনে পড়ে !!!
৩|
২৮ শে জুন, ২০১৩ ভোর ৬:৫৫
সরদার হারুন বলেছেন: ভাই, কোন স্কুলে বা মাদ্রসায় পড়ছেন? কোন দেশে বসে কবিতার নামে পাগলের প্রলাপ বলছেন ?সুফিদের অগমনের পূর্বে এ দেশে কারা বাস করতো? নিজের রক্ত পরীক্ষা করে দেখেন সে খানেও হিন্দুর
রক্তপ্রবাহিত।
আগে মানুষ হোতে শিক্ষেন পরে ধর্ম নিয়ে ঝগরা করেন। পিযুষ কি বলছে? সে কিছু বললে
তার সমালোচনা করেন। জবাব দেন । তা নাকরে কবিতার নামে বস্তা পচা কতগুলি গালি দিলেন কেন
পৃথিবীর ইতিহাস পড়ে দেখেন যে আমরা মুসলমানেরা অনেক ভদ্র । অপনার মত কিছু লোকের জন্য
আমারা সমালোচিত। যারা ইলাম জানে তাদের কাছে গিয়ে শিক্ষেন, ধর্ম কি ?
৪|
২৮ শে জুন, ২০১৩ সকাল ৭:৩৭
আতা2010 বলেছেন: সরদার হারুন রে বলি
হিন্দু , বৌদ্ধ ,খৃস্টান, ইহুদী এই কাফির গুলা মুসলমানদের গালী দিলে, হত্যা করলে , মসজিদে-কোরআনে আগুণ দিলে তখন কৈ থাকেন আপনেরা ?
মুসলমানদের গালী দিবে, হত্যা করবে , মসজিদে-কোরআনে আগুণ দিবে আর মুসলমান রা বসে বসে
"""মুসলমানেরা অনেক ভদ্র । """"
"""মুসলমানেরা অনেক ভদ্র ।
"""""""মুসলমানেরা অনেক ভদ্র ।
"""""""মুসলমানেরা অনেক ভদ্র ।
"""""""মুসলমানেরা অনেক ভদ্র । """" এই কথা বলতে থাকবে । এটাই আপনাদের চাওয়া ????????
আপনার মত কিছু কাফিরদের দালাল লোকের জন্য আজ আমরা মুসলমানরা নিপীড়িত , নির্যাতিত ।
৫|
২৮ শে জুন, ২০১৩ সকাল ৭:৪৯
আতা2010 বলেছেন: মেয়েরা নিজেরা টাইট ফিটিং বোরকা পড়লেও সে চায় না তার স্বামী দাড়ি , টুপী ওয়ালা হুজুর হোক।
Click This Link
৬|
২৮ শে জুন, ২০১৩ সকাল ৮:৪৪
মেদভেদ বলেছেন: এ সালা তো নাস্তিক, মুসলিমের নাম নিয়ে উগ্রতা ছড়াচ্ছে।
৭|
২৮ শে জুন, ২০১৩ সকাল ৮:৪৫
মেদভেদ বলেছেন: The face of Buddhist terror............
৮|
২৮ শে জুন, ২০১৩ সকাল ১০:১১
ছািব্বর বলেছেন: আতা2010 বলেছেন: সরদার হারুন রে বলি
হিন্দু , বৌদ্ধ ,খৃস্টান, ইহুদী এই কাফির গুলা মুসলমানদের গালী দিলে, হত্যা করলে , মসজিদে-কোরআনে আগুণ দিলে তখন কৈ থাকেন আপনেরা ?
মুসলমানদের গালী দিবে, হত্যা করবে , মসজিদে-কোরআনে আগুণ দিবে আর মুসলমান রা বসে বসে
"""মুসলমানেরা অনেক ভদ্র । """"
"""মুসলমানেরা অনেক ভদ্র ।
"""""""মুসলমানেরা অনেক ভদ্র ।
"""""""মুসলমানেরা অনেক ভদ্র ।
"""""""মুসলমানেরা অনেক ভদ্র । """" এই কথা বলতে থাকবে । এটাই আপনাদের চাওয়া ????????
আপনার মত কিছু কাফিরদের দালাল লোকের জন্য আজ আমরা মুসলমানরা নিপীড়িত , নির্যাতিত ।
৯|
২৮ শে জুন, ২০১৩ দুপুর ১২:৪০
মুবারক বলেছেন: মুসলমান জাতি সব সময়ের জন্য শান্তি প্রিয় জাতি। মুসলমান জাতি অবশ্যই ভদ্র। এ কবিতায় মুসলমান সম্পর্কে কিছু বলা হই নি। ধর্ম সম্পর্কে আপনাদের ধারনা কম। ...জিহাদ বলতে এখানে ঢাল – তলোয়ারের জিহাদ বুঝানো হয়নি , অস্ত্রের জিহাদ বুঝানো হয়নি । বাইহাকী শরীফ , মছনবী শরীফে রয়েছে- হযরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত আসে যে, তাবুকের জিহাদ হতে প্রত্যাবর্তন কালে হযরত রসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম গণকে লকঙ্কেকরে বললেন---“ আমরা ছোট জিহাদ থেকে বড় জিহাদের দিকে প্রত্যাবর্তন করছি । জিজ্ঞাসা করা হল ,...জিহাদে আকবর বা বড় জিহাদ কি? নবীজি বললেন, নফস বা প্রবৃত্তির সাথে জিহাদ করা।” অর্থাৎ “নফস তথা কুপ্রবৃত্তির সাথে জিহাদ করাই হচ্ছে শ্রেষ্ঠতম জিহাদ।”
তাছাড়া আর রয়েছে “জালিম শাসক বা বাতিল পন্থিদের সামনে হক্ব কথা বলা উত্তম জিহাদ ।”
সূরা নহল ১২৫ নম্বর আয়াত শরীফে উল্লেখ রয়েছে,“ তাদের সাথে বাহাছ বা মুনযারা করুন উত্তম ভাবে।”
সুতরাং লিখনী বা বাহাছের মাধ্যমে জিহাদ, ইলমি জিহাদ অস্ত্রধারণ করা জিহাদের চেয়ে উত্তম। যা হাদিছ শরীফে রয়ে গেছে । আর
নফস্ কে দমন করার মাধ্যমে শয়তানী খাসলত দূর হবে। হাকিক্বী মুসলমান হওয়া যাবে।
১০|
২৮ শে জুন, ২০১৩ দুপুর ১২:৪৭
মুবারক বলেছেন: জ্ঞ্যানী ব্যাক্তিদের জন্য ইশারা যথেষ্ট।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে জুন, ২০১৩ ভোর ৬:১৮
কাজী মামুনহোসেন বলেছেন: হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান, ইহুদী
তোরা কাফির গং
মুসলমানগনের দেশে তোদের
এত কিসের ঢং।
বাহে আগে মানুষকে মানুষের মত সম্মান দিতে শেখেন, ধর্ম সম্পর্কে ধারনা অর্জন করেন, তারপর অন্যদের সাথে জিহাদ করতে আইসেন।
দেশের প্রতিটি নাগরিককে একজন প্রতিষ্ঠিত নাস্তিক ড.ইউনুসের মত নাস্তিক বানাতে চায়।
এইডা কি কইলেন ভচ, উনি কবে থেকে নাস্তিক হল ?
ভারতের প্রতি বিদ্ধেষ আছে ভালো কথা তা ভচ ফাকিস্থানের ব্যাপারে আপনার মত কি ?