| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মুক্তবন্দী
নি:শ্বাস নিশে:ষ হোক সুন্দর সৃষ্টির জন্য..
একদা এক মহল্লার দখল নিয়ে দুই নেড়ির ঝগড়া শিল্পের পর্যায়ে উন্নিত।এলাকাবাসী বিরক্ত ও তটস্ত হলেও তাদের আছে শৈল্পিক সমর্থক গোষ্টি,কেননা ডাষ্টবিন দখলের লড়াইয়ে জিতে গেলে উচ্চিষ্ট ভাগে কখনো অনুদার না তারা। দখল শিল্পের বিষয়টার গাণিতিক সৌন্দর্য আবার অদ্ভুদ । নিজের পক্ষের সকল বানী গর্দভের মতো জ্বি হুজুর করতে পারলে নিজের অস্ত্র ধার দিয়েও সঙ্গী বানায় নিজেদের।বলা ভাল গর্দভদের আবার নিজের বলতে কিছু নাই, গর্দব নিজে আর তার পদলেহন কৌশল ছাড়া।সামনে আছে উদার নেড়ি আর পিছনে মরুভুমি, এমনকি বিবাহিত বউও সাথে আছে কিনা সন্দেহ।এসব গাধা আবার সব সময় নিজেকে উৎসাহিত বোধ করে, অবশ্য কারন ও আছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় একদা নেড়ির বাপের চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বাজনোর আগ্রহীরা যখন নেড়ির উদারতায় ডাষ্টবিনের অংশিদারিত্ব পায় তখন পদ লেহনের মাত্রা যত বাড়িয়ে দেয়া যায় ততই উচ্চিষ্টের নিরাপত্তা বাড়ে। দেখা যায় নিজের পেশাগোত্রের সমাজে যে পিছনের সারিতে থাকতেও সমাজ কতৃক পদযুগলের টা টা পায় পদলেহনের মাত্রাধিক্যে সে আবার ডাষ্টবিনের ও দখল পায়। ধণ্য নেড়ি তুমি ধন্য, তোমার প্রেরণায় আমি অনণ্য।এখন গাধার উন্নতি চোখে পড়ার মতো। গাধা এখন প্রতিপক্ষের কোন হোমড়া চোমড়া গুনেনা। কথায় কথায় প্রতিপক্ষের নেড়িকে মহল্লা ছাড়া করে। যেন গ্যালারির পিছন থেকে বেষ্টনি ভেঙ্গে এসে হাতে গোল দিতে পারলেই না নেড়ি কে খুশি করা যাবে, নয়তো কি? কাঠবেড়ালির বাগান ভাগ একেই তো বলে মনে হয়।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৩
ফজল মাহমুদ বলেছেন: কয়েকবার পড়েছি.. ধন্যবাদ