| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নির্ঝর রাজু
পৃথিবী বিমুখ হয়ে মহা প্রভু মহান আল্লাহ তায়ালার প্রিয় গোলাম হওয়ার চেষ্টায় সর্বাত্মক ভাবে ব্যাপৃত....
স্রষ্টার পক্ষ থেকে আমাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ হায়াত ও অবকাশ দেওয়া হয়েছে। দিন যাচ্ছে আর আমরা একটু একটু করে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছি। হায়াতের এক একটা দিন রত্ন তুল্য; মহা মুল্যবান৷ এভাবে একদিন আমাদের প্রাপ্ত দিন গুলোর সবগুলোই ফুরিয়ে যাচ্ছে।
এমনি ভাবে হঠাৎ করে একদিন হায়াতের মেয়াদ শেষ হয়ে মৃত্যু উপস্থিত হবে সামনে। তখন আর চাইলেও ফিরে আসা যাবে না মৃত্যু থেকে। বরন করতে হবে আখিরাতের জীবনকে। তখন হিসেব হবে দুনিয়ার জীবনে প্রাপ্ত অবকাশে আমার কর্মকাণ্ড; দুনিয়ার জীবনে আমরা কতটুকু আল্লাহর সন্তুষ্টি অনুযায়ী জীবন যাপন করছি।
এর উপরেই নির্ভর করবে কবরে আমি মেহমান নাকি আাসামি হয়ে থাকবো। আর কখনোই দ্বিতীয় সুযোগ পাওয়া যাবেনা। তাই এই জীবনেই সর্বদা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করে আল্লাহর প্রিয় বান্দায় পরিনত হতে হবে।
আর হ্যা, একটা বিশেষ ব্যাপার হলো এই যে "কোন সময়ে আমাদের হায়াতের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে তা আমরা কেউই জানিনা। যে কোনো সময়ই মৃত্যু এসে উপস্থিত হতে পারে আমাদের সামনে। তাই সর্বদাই সতর্ক হয়ে থাকতে হবে আমাদের। গাফেল হওয়ার কোনো সুযোগই নেই। 
২৬ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:২২
নির্ঝর রাজু বলেছেন: সেটা হোক মৃত্যুর প্রস্তুতি।
২|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:২৭
মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: জি, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকতে চাই।
২৬ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:২২
নির্ঝর রাজু বলেছেন: ফি আমানিল্লাহ।
৩|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৪৯
:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: গাফেল হওয়ার কোনো সুযোগই নেই। কথা কিন্তু সত্য ।
(:
২৬ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:২১
নির্ঝর রাজু বলেছেন: জি ভাইজান।
৪|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:১১
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ধর্ম গুলো মৃত্যু নিয়ে ব্যাবসা করার সুযোগ করে দিয়েছে অথচ এসব ধর্মগুলো ইহলৌকিক ঘটনার বর্ননা দিতে গিয়েই ভুল করে ফেলেছে। যে জিনিস ইহলৌকিক জগত সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে পারেনি সে কিভাবে মৃত্যু এবং তদপরবর্তী তথাকথিত জীবন সম্পর্কে বলতে পারে এটা বোঝার জন্য রকেট সায়েন্টিস্ট হবার প্রয়োজন নেই
২৬ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:২১
নির্ঝর রাজু বলেছেন: অন্য ধর্মে ভুল তথ্য আছে জানি। ভুল হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারন ধর্ম গুলোই ভুল। তবে শতভাগ নিশ্চয়তার সাথে বলতে ইসলাম ধর্মে ইহলৌকিক ব্যাপার সমুহে বিন্দুমাত্র ভুল তথ্য দেয়নি। বরং কোরআন ও হাদিসে উল্লেখিত অনেক বিষয় গবেষণা করেই অনেক ক্ষেত্রে সফলতা পেয়েছে আধুনিক বিজ্ঞান। এবং নিরন্তর গবেষণা চলতেছে বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে কোরআন হাদিসের নানাবিধ হিন্টস নিয়ে। আপনার যদি জানা না থাকে তবে সেটা আপনার মুর্খতা।
৫|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:৪৩
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: অন্য ধর্ম থেকে টুকলি করেই ইসলামের কোরান লেখা হয়েছিলো। এবং তাতে যে শুধু বৈজ্ঞানিক ভুলই ছিলো তা বললেও কম বলা হবে। অসংখ্য কন্ট্রাডিক্টরী লেখা যা পরে ইজমা কিয়াস ফিকহ দিয়েও আলেমরা মুসলমানদের বহুধাবিভক্তি সামলাতে পারেনি। এমনকি ঘাদিরে খুমে নবীর যে ঘোষনা থেকেই মুসলমানদের বিভক্তির শুরু সেটা থেকেই বোঝা যায় এই কোরান ছিলো শুধুই একটা ক্ষমতা দখলের হাতিয়ার। আর এর ভুল শোধরানোর জন্য আধুনিক সমাজের মরিস বুকাইলি ডা কিথ ধর্ষক হারুন ইয়াহিয়া সহ সবাই তো চেস্টা করলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা কি হলো! এখন তো বইটি একটা হাস্য কৌতুকে পরিনত হয়েছে।
যাই হোউক বিস্তারিত আলোচনা চাইলে হতে পারে
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৫
রাজীব নুর বলেছেন: মৃত্যুর কথা চিন্তা করলেই ভয় লাগে।
আমি এখন মরতে চাই না। আমার অনেক কাম কাজ বাকি আছে।