নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলহামদুলিল্লাহ। যা চাইনি তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন প্রিয়তম রব। যা পাইনি তার জন্য আফসোস নেই। সিজদাবনত শুকরিয়া। প্রত্যাশার একটি ঘর এখনও ফাঁকা কি না জানা নেই, তাঁর কাছে নি:শর্ত ক্ষমা আশা করেছিলাম। তিনি দয়া করে যদি দিতেন, শুন্য সেই ঘরটিও পূর্নতা পেত!

নতুন নকিব

যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।

নতুন নকিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

হাদিসের আলোকে- মৃত্যুর পরে কবরজগতেও সওয়াব পাওয়া যাবে এমন কিছু আমল

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:২১



মৃত্যুর পরে কবরজগতেও পাওয়া যাবে যেসব কাজের সওয়াব

মৃত্যুর পরের দীর্ঘ সফরের জন্য আমাদের প্রস্তুতি নেয়া দরকার। অবরুদ্ধ অন্ধকার কবরের জীবন সঙ্গী সাথীহীন। বাতিহীন, আলোহীন ভিন্ন এক জগতের নাম কবর। ঘরের দুয়ারের পাশে মায়ের কবর, পুকুরের ধারে বাবার কবর, সকাল বিকাল পাশ দিয়ে কতবার যাতায়াত করি, কিন্ত কারও কবরের খবর নেয়ার সাধ্য নেই। পার্থিব জগতের সাথে সম্পর্কহীন এক ভিন্ন জগত কবর। যোগাযোগের কোনো উপায় নেই। চিঠি-পত্র, টেলিফোন, ইন্টারনেট, টেলিগ্রামসহ সকল কিছু এখানে অকার্যকর। প্রিয়জন শুয়ে আছেন কাছেই কিন্তু খোঁজ নেয়ার উপায় নেই।

কবর দিয়ে অনন্ত কালের যাত্রা শুরু। কবরের জীবন যার শান্তির হয়, বাকি পথ তার জন্য আরামের হবে। পক্ষান্তরে কবর যদি কারও ধরপাকড় দিয়ে শুরু হয়, তার দুর্ভোগ। সীমাহীন দুর্ভাগ্য তার জন্য। আহ! মানুষ যদি কবরের অবস্থা জানতো, তাহলে পার্থিব সকল আনন্দ মাটি হয়ে যেত।

জগতের মিথ্যে কূহক, পার্থিব বিত্ত-বৈভব আমাদেরকে মৃত্যু, দীনদারী এবং কবরের স্মরন থেকে গাফেল করে রাখে। অথচ অর্থ-বিত্ত ক্ষণস্থায়ী।

রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- ''তোমাদের মধো কে এমন আছে যার কাছে ওয়ারিসের সম্পদ নিজ সম্পদ অপেক্ষা বেশি প্রিয় ? তাঁরা উত্তর দেন, আমাদের মধো এমন কেউ নেই যার কাছে নিজ সম্পদ অপেক্ষা ওয়ারিসের সম্পদ অধিক প্রিয় । বরং নিজের সম্পদ ওয়ারিশের সম্পদ অপেক্ষাই বেশি প্রিয় । তখন নবী (স) বলেনঃ নিজ সম্পদ বলতে বুঝায় যা সে অগ্রিম পাঠিয়ে দিয়েছে । আর যে সম্পদ অবশিষ্ট তা তো ওয়ারিসের।" সহিহ বুখারী

এ হাদিস সম্পদের ব্যাপারে মানুষের মোহ ও ভুল ভাঙ্গিয়ে দিয়েছে। যে সম্পদ আমরা খরচ করি কিংবা আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করি, আমরা তো ততটুকুরই মালিক। আর যা রেখে যাচ্ছি তা তো ওয়ারিসের, তা আমাদের নিজেদের নয়। আমরা ওয়ারিশের জন্যই সম্পদ রেখে যাচ্ছি, কিন্তু সেগুলোকে নিজের সম্পদ বলে ভুল করছি।

কবরের জীবনে সওয়াবলাভের তিনটি পথ বাতলে দিয়েছেন প্রিয় নবীজী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তিনি ইরশাদ করেছেন।

"যখন আদম সন্তান মারা যায়, তখন তার সকল আমল বন্ধ হয়ে যায়। মাত্র তিনটি আমলের সওয়াব বাকি থাকে। সেগুলো হচ্ছেঃ (১) সদকাহ জারিয়াহ, (২) যে এলম দ্বারা উপকার সাধন করা যায় এবং (৩) নেক সন্তান যে মা-বাপের জন্য দোয়া করে । - সহিহ মুসলিম

আল্লাহ পাক আমাদের এই হাদিস দু'টোর উপরে আমল করার তাওফিক দান করুন।

ছবি: গুগল।

মন্তব্য ৫৬ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৫৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৩৬

কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: আমীন।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০৭

নতুন নকিব বলেছেন:



মন্তব্যে আসায় কৃতজ্ঞতা। আপনার জন্যও একই দুআ।

২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১৬

পরবাসে বলেছেন: আচছা ভাই, মুক্তিযুদ্ধের সময় হাজার হাজর মানুষ মেরে অনেক সময় স্তুপ করে রাখতো, পরে সেগুলো চিল,শকুন খেয়ে ফেলতো! এখন আমার প্রশ্ন হলো যেহেতু ঐ সমস্ত হতভাগা মানুষ গুলোর কোন কবর'ই হয়নাই, তাদের কবর জগত কিভাবে হবে?

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:১৮

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর এবং গুরুত্বপূর্ন একটি প্রশ্ন সামনে নিয়ে আসায়। এর জবাব বুঝার সুবিধার্থে আলমে বরযখ সম্মন্ধে ধারনা থাকা আবশ্যক। মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে কিয়ামত পর্যন্ত সময়কে আলমে বরযখ তথা বরযখী জীবন বলা হয়। বরযখ শব্দের অর্থ- পর্দা। যেহেতু মৃত্যু আসার কারনে দুনিয়ার জীবন থেকে মৃত ব্যক্তির সকল অবস্থাদি পর্দাবৃত হয়ে যায়, আড়ালে চলে যায়- এ জন্য এই সময়টিকে বরযখী জীবন নামে অভিহিত করা হয়।

আর বরযখ কোন বিশেষ স্থানের নাম নয়। বরং যেখানে ব্যক্তির দেহ থাকবে সেটিই হল উক্ত ব্যক্তির বরযখী জীবনের স্থান বা কবর। কবরের মূল অর্থ হল মাটির ঘর। মূলত কবরের জীবন বলে মাটির নিচে দাফনকৃত অবস্থাই উদ্দেশ্য নয়, বরং মৃত্যুর পর ব্যক্তির দেহ যেখানেই থাকবে সেখান থেকেই তার কবরের জীবন বা বরযখী জীবনের সূচনা হয়ে যায়।

সেই হিসেবে ব্যক্তির প্রাণ যেখান থেকেই বরযখী জীবনে প্রবেশ করে তখনই তার সুওয়াল জওয়াব হয়ে থাকে। কবরে থাকলে কবরে হয়, পানিতে থাকলে পানিতে হবে। মেডিক্যালে থাকলে মেডিকেলে হবে। যেখানে থাকবে, সেখানেই তার সু্ওয়াল জবাব হবে। দলিল হিসেবে নিচে রেফারেন্স যুক্ত করা হলো-

البَرْزَخُ: مَا بَيْنَ كُلِّ شَيْئَيْنِ، وَفِي الصِّحَاحِ: الْحَاجِزُ بَيْنَ الشَّيْئَيْنِ. والبَرْزَخُ: مَا بَيْنَ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ قَبْلَ الْحَشْرِ مِنْ وَقْتِ الْمَوْتِ إِلى الْبَعْثِ، فَمَنْ مَاتَ فَقَدْ دَخَلَ البَرْزَخَ.….. الخ وَقَالَ الْفَرَّاءُ فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: وَمِنْ وَرائِهِمْ بَرْزَخٌ إِلى يَوْمِ يُبْعَثُونَ

قَالَ: البَرْزَخُ مِنْ يَوْمِ يَمُوتُ إِلى يَوْمِ يُبْعَثُ (لسان العرب-3/908)

روى هناد بن السري قال حدثنا محمد بن فضيل، ووكيع عن فطر قال سألت مجاهداً عن قول الله تعالى: {ومن ورائهم برزخ إلى يوم يبعثون} قال هو مابين الموت والبعث.

وقيل للشعبي: مات فلان.قال: ليس هو في الدنيا ولا في الآخرة هو في برزخ، والبرزخ في كلام العرب الحاجز بين الشيئين.

ومن قوله تعالى: {وجعل بينهما برزخاً} أي: حاجزاً وكذلك هو في الآية من وقت الموت إلى البعث فمن مات فقد دخل في البرزخ وقوله تعالى: {ومن ورائهم برزخ} أي من أمامهم وبين أيديهم. (تذكرة للقرطبى-157)

وفى شرح الصدور- قَالَ الْعلمَاء عَذَاب الْقَبْر هُوَ عَذَاب البرزخ أضيف إِلَى الْقَبْر لِأَنَّهُ الْغَالِب وَإِلَّا فَكل ميت وَإِذا أَرَادَ الله تَعَالَى تعذيبه ناله مَا أَرَادَ بِهِ قبر أَو لم يقبر وَلَو صلب أَو غرق فِي الْبَحْر أَو أَكلته الدَّوَابّ أَو حرق حَتَّى صَار رَمَادا أَو ذري فِي الرّيح وَمحله الرّوح وَالْبدن جَمِيعًا بِاتِّفَاق أهل السّنة وَكَذَا القَوْل فِي النَّعيم (شرح الصدور، رقم-73، صفحة-164)

فاما سؤال منكر ونكير فقال اهل السنة أنه يكون لكل ميت سواء كان فى قبره او فى يطون الوحوش أو الطيور أو مهاب الريح بعد أن أحرق وذرى فى الريح، (اليواقيت والجواهر فى بيان عقائد الاكابير-2/137)

أن الغريق فى الماء او الماكول فى بطون الحيوانات او المصلوب فى الهواء يعذب وان لم تطلع عليه، (نبراس-210)

এছাড়া বরযখী জীবনের সূচনাতেই ব্যক্তির উপর আরাম বা শাস্তির সূচনা হয়ে থাকে। আর এ আরাম অথবা শাস্তি ব্যক্তির দেহ এবং রূহ উভয়ের উপরই কার্যকর হয়ে থাকে। এ বিষয়ে কুরআন হাদিসের দলিল রয়েছে। কিছু উল্লেখ করছি-

عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّهُ حَدَّثَهُمْ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” إِنَّ العَبْدَ إِذَا وُضِعَ فِي قَبْرِهِ وَتَوَلَّى عَنْهُ أَصْحَابُهُ، وَإِنَّهُ [ص:99] لَيَسْمَعُ قَرْعَ نِعَالِهِمْ، أَتَاهُ مَلَكَانِ فَيُقْعِدَانِهِ، فَيَقُولاَنِ: مَا كُنْتَ تَقُولُ فِي هَذَا الرَّجُلِ لِمُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَمَّا المُؤْمِنُ، فَيَقُولُ: أَشْهَدُ أَنَّهُ عَبْدُ اللَّهِ وَرَسُولُهُ، فَيُقَالُ لَهُ: انْظُرْ إِلَى مَقْعَدِكَ مِنَ النَّارِ قَدْ أَبْدَلَكَ اللَّهُ بِهِ مَقْعَدًا مِنَ الجَنَّةِ، فَيَرَاهُمَا جَمِيعًا – قَالَ قَتَادَةُ: وَذُكِرَ لَنَا: أَنَّهُ يُفْسَحُ لَهُ فِي قَبْرِهِ، ثُمَّ رَجَعَ إِلَى حَدِيثِ أَنَسٍ – قَالَ: وَأَمَّا المُنَافِقُ وَالكَافِرُ فَيُقَالُ لَهُ: مَا كُنْتَ تَقُولُ فِي هَذَا الرَّجُلِ؟ فَيَقُولُ: لاَ أَدْرِي كُنْتُ أَقُولُ مَا يَقُولُ النَّاسُ، فَيُقَالُ: لاَ دَرَيْتَ وَلاَ تَلَيْتَ، وَيُضْرَبُ بِمَطَارِقَ مِنْ حَدِيدٍ ضَرْبَةً، فَيَصِيحُ صَيْحَةً يَسْمَعُهَا مَنْ يَلِيهِ غَيْرَ الثَّقَلَيْنِ ” (صحيح البخارى، رقم الحديث-1374، 1308)

اتفق أهل الحق على أن الله يعيد إلى الميت في القبر نوع حياة قدر ما يتألم ويتلذذ ويشهد بذلك الكتاب والأخبار والآثار ولكن توقفوا في أنه هل يعاد الروح إليه أم لا وما يتوهم من امتناع الحياة بدون الروح ممنوع وإنما ذلك في الحياة الكاملة التي يكون معها القدرة والأفعال الاختيارية وقد اتفقوا على أن الله تعالى لم يخلق في الميت القدرة والأفعال الاختيارية فلهذا لا يعرف حياته كمن أصابته سكتة (شرح المقاصد-3/366)

الا ترى ان النائم يخرج روحه ويكون روحه متصلة لجسده حتى يتألم فى المنام ويتنعم؟ (شرح فقه الاكبر-101)

৩| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: কথাগুলো অনেকেরই জানা, তারপরেও খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে বলার জন্য অনেক ধন্যবাদ। গাফেল মানুষকে তার কর্তব্য সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দিয়ে আশাকরি, আপনার এ পোস্টের মাধ্যমে ২ নম্বর নেক আমলটি অর্জন করে ফেলেছেন।
পোস্টে প্লাস + +

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২১

নতুন নকিব বলেছেন:



মোবারকবাদ। আপনার আগমনে কৃতজ্ঞতা।

আপনার নিকট দুআ চাই, আমাদের প্রতিটি আমলই যেন রাসূলে আরাবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশ মত তাঁর সুন্নাত অনুসারে এবং সর্বোপরি আল্লাহ পাকের পছন্দনীয় আমল হয়ে যায়। আপনার জন্যও একই দুআ।

ভালো থাকুন, প্রার্থনা নিরন্তর।

৪| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৪

এস এম ইসমাঈল বলেছেন: সময়োপযোগী প্রয়োজনীয় পোষ্ট দিয়েছেন। আল্লাহ আপনার মন্গল করুন।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২৩

নতুন নকিব বলেছেন:



প্রিয় ভাই, ধন্যবাদ আপনাকে পাঠ এবং আন্তরিক মন্তব্যে।

অনেক ভালো থাকুন।

৫| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৮

মোঃ খুরশীদ আলম বলেছেন: অনেক ভাল লাগল। আসলেই আমরা গাফেল- নেক আমল হতে।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২৪

নতুন নকিব বলেছেন:



শুকরিয়া।

অনি:শেষ কল্যানের দুআ আপনার জন্য।

৬| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৫১

ভিন্নচিন্তা ভিন্নমত ভিন্নপথ বলেছেন: @ নতুন নকিব - জনাব, যে কোন ধর্মের সম্বল কেবল দুটি- প্রলোভন ও ভয় দেখানো। মূল লক্ষ্য মানুষকে নিয়ন্ত্রণে রাখা। তার মধ্যে মৃত্যুভয় ধর্মের সেরা হাতিয়ার। তাতে কাজ হয় ভালো। মানুষ বাস্তব ইহজগতের চাইতে কাল্পনিক পরকাল নিয়ে ভীত ও মগ্ন হয়ে থাকে।

যেমন আপনি ও আপনার মতো অনেকে।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২৬

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার মতামত আমার নিকট অনেক গুরুত্বপূর্ন। কষ্ট করে মন্তব্যে আসায় অভিনন্দন।

কল্যান কামনা আপনার জন্য।

৭| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৮

স্রাঞ্জি সে বলেছেন:

আপনি সুন্দর পোস্ট করেছেন। এখানে দুজন দেখলাম ভিন্ন মতে কথা বলল। আশা করি আপনার প্রতিউত্তর পাবো।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২৯

নতুন নকিব বলেছেন:



ভিন্ন মত থাকা ভাল। তবে ভিন্ন মতের প্রতি শ্রদ্ধাও থাকা প্রয়োজন। অন্ধকার না থাকলে আলোর দাম কি বুঝা যেত?

আপনার জন্য একরাশ শুভকামনা।

৮| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:০৬

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: নতুন নকিব,


পোস্টের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো বোল্ড করে দিলে ভালো হয়।


"যখন আদম সন্তান মারা যায়, তখন তার সকল আমল বন্ধ হয়ে যায়। মাত্র তিনটি আমলের সওয়াব বাকি থাকে। সেগুলো হচ্ছেঃ (১) সদকাহ জারিয়াহ, (২) যে এলম দ্বারা উপকার সাধন করা যায় এবং (৩) নেক সন্তান যে মা-বাপের জন্য দোয়া করে । - সহিহ মুসলিম

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৩২

নতুন নকিব বলেছেন:



অশেষ ধন্যবাদ। আপনার পরামর্শকে সম্মান জানিয়ে লেখাগুলোকে বোল্ড করে দিলাম।

আপনাকে চিনতে পারিনি প্রথমে। ছবি দেখে মনে মনে বলে উঠছিলাম, উপদেশ নিয়ে এ আবার কোন ছোকড়া?

পরে আপনার নাম পড়ে খামুশ হয়েছি।

শুভকামনা সবসময়।

৯| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:০৬

তারেক ফাহিম বলেছেন: বিষয়টির উপরে সুন্দর পোষ্ট।

পোষ্টে ++

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:০৯

নতুন নকিব বলেছেন:



অসংখ্য ধন্যবাদ পোস্টে আপনাকে পেয়ে আনন্দিত।

শুভকামনা সবসময়।

১০| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:১৮

রাকু হাসান বলেছেন:


কঠিন কবরের কথা মনে হলে মনে হয় সব কিছু ছেড়ে দিয়ে আরাধনা করি :( । পূণ্যবান পোস্ট ।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:১০

নতুন নকিব বলেছেন:



সেটাই। কবরের কথা স্মরন না করার ফলেই আমাদের অন্তরে মরিচা পড়েছে।

অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্যে আসায়।

শুভকামনা সবসময়।

১১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৩০

এ আর ১৫ বলেছেন: একবার এক মাওলানা সাহেবকে আমাদেরই এক বড় ভাই প্রশ্ন করেছিল -- কবরের আজাব সম্পর্কে ।
তিনি জানতে চেয়ে ছিলেন --
হযরত আদম (আ: ) আমল হতে যত পাপি মারা গেছে তাদের কবরের আজাব এখনো চলছে এবং কিয়ামত পর্যন্ত চলবে, একই আমাদের পালে বা আমাদের আগের বা পরের কালের সমস্ত পাপিদের আজাব কিয়ামত পর্যন্ত চলবে , ধরে নিলাম কয়েক মিলিয়ান বৎসর পরে বা তারো বেশি বা কম ।
এখন প্রশ্ন হোল যে পাপি কিয়ামতের আগের দিন মারা যাবে , তাকে আজাবের শাস্তি পেতে হবে মাত্র একদিন অতচ অন্য যে সমস্ত পাপি মিলিয়ন বৎসর ধরে আজাবের শাস্তি পেয়ে এসেছে , সেটা কি তাদের উপর অবিচার হবে না ?
এর উত্তর হুজুর দিতে পারে নি , আমার মনে হয় আপনার মত শফি হুজুরের মুরিদদের এর উত্তর জানা আছে !!
ঐ বড় ভাই হুজুরের কাছে জানতে চেয়েছিল -- হিন্দুদের তো কবর দেওয়া হয় না, তারা পুড়িয়ে ফেলে তাহোলে এদের আজাব কি ভাবে হবে ?

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:২১

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার প্রশ্নের উত্তরটা দেয়ার জন্য একটু সময় নিতে চাই।

আমার মনে হয় আপনার মত শফি হুজুরের মুরিদদের এর উত্তর জানা আছে !!

একথা বলে তো প্রকারান্তরে মেনেই নিলেন শফি হুজুরের মুরিদগন কুরআন হাদিসের জ্ঞানে এগিয়ে!!!!!!!!!!!!
আল্লামা আহমাদ শফিকে যদিও মুরব্বি আলেম হিসেবে শ্রদ্ধা করি, কিন্তু কার মুরিদ কে, আশা করি আপনিই ভালো জেনে থাকবেন হয়তো!!!!!!!!!!!!

১২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৩২

দলছুট শালিক বলেছেন: পরবাসকে বলছি : কবর বলতে মুলত: মাটির গর্তকে বোঝানো হয় না, কবর বলতে মৃত্যুর পর হতে বিচার দিবসের পূর্ববতী সময়কে বোঝানো হয়। এই সময়টাকে কবর বা বরঝখ বলা হয়ে থাকে। বিধায়, মানুষ যেখানেই যে অবস্থায় মৃত্যু বরণ করুক না কেন, এটাকে কবর বা বরঝখ এর মধ্যে গণ্য হবে।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:২২

নতুন নকিব বলেছেন:



অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্যে আসায়। সুন্দর উত্তর দিয়েছেন।

শুভকামনা সবসময়।

১৩| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৫৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আল্লাহ পাক আমাদের এই হাদিস দু'টোর উপরে আমল করার তাওফিক দান করুন।
আমীন।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:২৩

নতুন নকিব বলেছেন:



অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্যে আসায়।

শুভকামনা জানবেন।

১৪| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১০

রাজীব নুর বলেছেন: আল্লাহ আমার সমস্য গুনা মাফ করে কবরে নিক।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:২৪

নতুন নকিব বলেছেন:



আমিন।

শুভকামনা সবসময়।

১৫| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আল্লাহ তায়ালা সবাইকে কামিয়াব করুন।।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:২৫

নতুন নকিব বলেছেন:



আমিন।

অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্যে আসায়।

শুভকামনা সবসময়।

১৬| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১৪

নীল আকাশ বলেছেন: এ আর ১৫ কে বলছি:
যিনি একবার এই দেহ সৃস্টি করতে পেরেছেন, তিনি আবার এই দেহ কবরে সৃস্টি করতে পারবেন না সেটা কিভাবে বুঝলেন আপনি? কোথায় পেয়েছেন সেটা? দরকার পরলে শাস্তি দেবার জন্য আল্লাহ হাজার হাজার বার এই মানব দেহ তৈরি করতে পারেন। এই নিখিল বিশ্ব আসমান জমিন যিনি সৃস্টি করতে পেরেছেন তার কাছে মাত্র একটা দেহ আবার সৃস্টি করতে পারা কি খুব কঠিন? ভেবে দেখুন?

@ হিন্দুদের তো কবর দেওয়া হয় না, তারা পুড়িয়ে ফেলে তাহলে এদের আজাব কি ভাবে হবে ? এদের গোর আযাব এখান থেকেই শুরু হয়........ এদের দেহ কবরে আবার সৃস্টি করে শাস্তি দেয়া কি খুব বড় কিছু আল্লাহ জন্য! ভেবে দেখুন?

পরকালকে ভয় করুন। কবরকে ভয় করুন। এটাই চির সত্য। আমাদের কাউকেই ভুলে যাওয়া উচিৎ নয় যে, সবাইকে একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করতে হবে।

আল ফুরকান শরীফে আছে-
পৃথিবীর সব প্রাণীই একদিন মৃত্যু বরণ করবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর কিয়ামতের দিন তোমাদের পরিপূর্ণ বদলা দেওয়া হবে। তারপর যাকে দোজখ থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সেই সফলকাম। আর পার্থিব জীবন ধোঁকার বস্তু ছাড়া কিছুই নয়। (সুরা আল ইমরান: ১৮৫)

প্রত্যেককে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভালো দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি এবং আমারই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। (সুরা আম্বিয়া-৩৫]

তোমরা যেখানেই থাক না কেন, মৃত্যু কিন্তু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই। যদি তোমরা সুদৃঢ় দূর্গের ভেতরেও অবস্থান কর, তবুও। (সুরা আন নিসা-৭৮)

তুমি কি তাদেরকে দেখনি, যারা মৃত্যুর ভয়ে নিজেদের ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন? অথচ তারা ছিল হাজার হাজার। তারপর আল্লাহ তাদেরকে বললেন মরে যাও। তারপর তাদেরকে জীবিত করে দিলেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ মানুষের উপর অনুগ্রহকারী। কিন্তু অধিকাংশ লোক শুকরিয়া প্রকাশ করে না। (সুরা বাকারা-২৪৩)

বলুন তোমরা যে মৃত্যু থেকে পলায়নপর, সেই মৃত্যু অবশ্যই তোমাদের মুখামুখি হবে, অতঃপর তোমরা অদৃশ্য, দৃশ্যের জ্ঞানী আল্লাহর কাছে উপস্থিত হবে। তিনি তোমাদেরকে জানিয়ে দিবেন সেসব কর্ম, যা তোমরা করতে। (সুরা আল জুমুআহ-৮)


প্রত্যেক ব্যক্তির নির্ধারিত সময় যখন উপস্থিত হবে, তখন আল্লাহ কাউকে অবকাশ দেবেন না। তোমরা যা কর, আল্লাহ সে বিষয়ে খবর রাখেন। (সুরা মুনাফিকুন-১১)

নকীব ভাই, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত দারুন একটা পোস্ট দেবার জন্য।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৪

নতুন নকিব বলেছেন:



অনেক সুন্দর এবং সুদীর্ঘ কমেন্টে কৃতজ্ঞতা।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর কিয়ামতের দিন তোমাদের পরিপূর্ণ বদলা দেওয়া হবে। তারপর যাকে দোজখ থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সেই সফলকাম। আর পার্থিব জীবন ধোঁকার বস্তু ছাড়া কিছুই নয়। (সুরা আল ইমরান: ১৮৫)

প্রত্যেককে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভালো দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি এবং আমারই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। (সুরা আম্বিয়া-৩৫]

তোমরা যেখানেই থাক না কেন, মৃত্যু কিন্তু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই। যদি তোমরা সুদৃঢ় দূর্গের ভেতরেও অবস্থান কর, তবুও। (সুরা আন নিসা-৭৮)

তুমি কি তাদেরকে দেখনি, যারা মৃত্যুর ভয়ে নিজেদের ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন? অথচ তারা ছিল হাজার হাজার। তারপর আল্লাহ তাদেরকে বললেন মরে যাও। তারপর তাদেরকে জীবিত করে দিলেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ মানুষের উপর অনুগ্রহকারী। কিন্তু অধিকাংশ লোক শুকরিয়া প্রকাশ করে না। (সুরা বাকারা-২৪৩)

বলুন তোমরা যে মৃত্যু থেকে পলায়নপর, সেই মৃত্যু অবশ্যই তোমাদের মুখামুখি হবে, অতঃপর তোমরা অদৃশ্য, দৃশ্যের জ্ঞানী আল্লাহর কাছে উপস্থিত হবে। তিনি তোমাদেরকে জানিয়ে দিবেন সেসব কর্ম, যা তোমরা করতে। (সুরা আল জুমুআহ-৮)


প্রত্যেক ব্যক্তির নির্ধারিত সময় যখন উপস্থিত হবে, তখন আল্লাহ কাউকে অবকাশ দেবেন না। তোমরা যা কর, আল্লাহ সে বিষয়ে খবর রাখেন। (সুরা মুনাফিকুন-১১)


অনি:শেষ কল্যান কামনা আপনার জন্য।

১৭| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:২৭

হাবিব স্যার বলেছেন: আল্লাহ আপনার পরিশ্রমের উত্তম প্রতিদান দিবেন।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৬

নতুন নকিব বলেছেন:



অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্যে আসায়।

আমিন।

শুভকামনা সবসময়।

১৮| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৬

নীল আকাশ বলেছেন: নকীব ভাই, আপনাকে আমি এই পোস্টে Click This Link খুব করে আশা করেছিলাম। তখন কোথায় ছিলেন আপনি? আপনার লেখার অনুপ্রেরনা নিয়েই তো এটা লিখেছি আমি। আমি তো ইসলামিক পোস্ট লিখি না.........সেই যোগ্যতাও আমার নেই!
ধন্যবাদ।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৭

নতুন নকিব বলেছেন:



অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্যে আসায়।

পোস্টটি দেখেছি। সংক্ষিপ্ত মন্তব্যও রেখে এসেছি।

শুভকামনা।

১৯| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:০২

প্রামানিক বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট। ধন্যবাদ

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:২২

নতুন নকিব বলেছেন:



শুকরিয়া।

জাজাকুমুল্লাহ।

২০| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:২৬

বলেছেন: কবরের কথা দৈনিক অন্তত কয়েকবার মনে পড়া উচিত তাহলে ইহজাগতিক নেশা থেকে মুক্তি মিলবে।


কবর নিয়ে একটি কবিতা আজও লিখতে পারি না ---- ভাবতেই কষ্ট হয় --; জীবন কত তুচ্ছ।


আলোকিত পোস্টে আলো ছড়াক পাঠক হৃদয়ে।

ভালোবাসা।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:২৩

নতুন নকিব বলেছেন:



কবরের কথা দৈনিক অন্তত কয়েকবার মনে পড়া উচিত তাহলে ইহজাগতিক নেশা থেকে মুক্তি মিলবে।


কবর নিয়ে একটি কবিতা আজও লিখতে পারি না ---- ভাবতেই কষ্ট হয় --; জীবন কত তুচ্ছ।


আলোকিত পোস্টে আলো ছড়াক পাঠক হৃদয়ে।

ভালোবাসা।


সুন্দর মন্তব্যে কৃতজ্ঞতা অশেষ।

আপনার কবিতা মন কাড়ে।

শুভকামনা জানবেন।

২১| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৫৩

সাত সাগরের মাঝি ২ বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:২৪

নতুন নকিব বলেছেন:



মুগ্ধতা একরাশ।

শুভকামনা জানবেন।

২২| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:২৪

সেলিম৮৩ বলেছেন: অাপনার লেখা সময়পোযোগী। অাল্লাহ অাপনার মঙ্গল করুন। চালিয়ে যান।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:২৫

নতুন নকিব বলেছেন:



আল্লাহ পাকের নিকট আপনার জন্যও একই প্রার্থনা।

২৩| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:২৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: এ জাতীয় সমুদয় হাদীস বা নবীজির সুন্নাহ আমাদের যে চেতনা বিকাশের কথা বলে আমরা তাতে আসুন প্রাকটিক্যাল চর্চায় অভ্যস্ত হই।
দান, সহায়তা, বিনয়, পরোপকার, পরিবেশবাদী, মানবতাবাদী এমন সকল বিসয়োপরী আমাদের যাপিত জীবনে কর্মমূখীতার প্রমাণ করতে হবে আমরা হাদীসেক বিশ্বাস করি। শুধু ওয়াজে বা মাহফিলে আলৌচনা শেষে যেমন ঝীন তেমন কাট্‌ি বলে এনজিওরা মানুষৈর কল্যানে সুমানের ভাগীদার!
অথচ মসজিদগুলো হওয়ার কথা মানব সেবার প্রান কেন্দ্র!
পুথিগত চর্চা নয় ব্যবহারিক প্রয়োগই হোক কর্মের প্রমাণ।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:২৬

নতুন নকিব বলেছেন:



একদম হৃদয়ের কথাটাই বলেছেন প্রিয় কবি।

আপনার প্রতি অজস্র সালাম।

শুভকামনা নিরন্তর।

২৪| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:২৫

এ আর ১৫ বলেছেন: নীল আকাশ বলেছেন: এ আর ১৫ কে বলছি:
যিনি একবার এই দেহ সৃস্টি করতে পেরেছেন, তিনি আবার এই দেহ কবরে সৃস্টি করতে পারবেন না সেটা কিভাবে বুঝলেন আপনি? কোথায় পেয়েছেন সেটা?

কোথায় পেয়েছেন মানি ?? আপনি কি আমার টেক্সট গুলো বুঝেন নি বা বোঝার চেষ্টা করেন নি ? একজন বড় ভাই , মাওলানা সাহেবকে প্রশ্ন করছে , সেখান আমি কিভাবে বুঝলাম এবং আমি কোথায় পেয়েছি --- এই ধরনের প্রশ্ন আসে কি ভাবে ।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:২৮

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার প্রশ্ন পর্ব চালিয়ে যান। জীবনের কোনো এক পর্যায়ে উত্তর পেয়ে যাবেন, আশা করি।

২৫| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:৪৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
যদিও আমার এটা জানা ছিল তবুও আপনার পোস্ট পড়ে আবার নতুন করে উপলব্দি করলাম।

ধন্যবাদ।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩০

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার জানা থাকারই কথা। অনেকেই হাদিসের এসব গুরুত্বপূর্ন সহজ সরল কথাগুলো জানেন। জানা কথাগুলোই তো আমরা ভুলে যাই। ভুলে না গেলেও পালন করি না। পেছনে পর্দাবৃত হয়ে থেকে যায় অনেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

একটু চোখের সামনে নিয়ে আসার চেষ্টা বলতে পারেন।

শুকরিয়া। শুভকামনা।

২৬| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:২৮

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: অসাধারণ একটি পোস্ট। ধন্যবাদ রইলো অবিরত।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩১

নতুন নকিব বলেছেন:



মোবারকবাদ পাঠ এবং মন্তব্যে আসায়।

শুভকামনাসহ কৃতজ্ঞতা।

২৭| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৫০

মেহেদী হাসান হাসিব বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তু লিখেছেন।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৬

নতুন নকিব বলেছেন:



শুকরিয়া।

শুভকামনা।

২৮| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৪৫

নজসু বলেছেন:



আস সালামু আলাইকুম।
সুন্দর পোষ্ট।

মানুষ মৃত্যুবরণ করার পর কবরে ৭টি আমলের সওয়াব অব্যাহত থাকে-
১. যে ইলম শিক্ষা দিল,
২. যে পানি প্রবাহিত করল,
৩. কূপ খনন করল,
৪. খেজুর গাছ লাগালো (গাছ রোপন),
৫. মসজিদ তৈরি করল,
৬. কোরআনে কারিম বিতরণ করল ও
৭. এমন নেক সন্তান রেখে গেল- যে তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৯

নতুন নকিব বলেছেন:



ওয়াআলাইকুমুসসালাম ওয়ারহমাতুল্লাহ।

ঠিকই বলেছেন। এই ৭ টি মূলত: হাদিসে বর্ণিত ৩ টির আওতায় এসে যায়।

অসংখ্য ধন্যবাদ এবং শুভকামনা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.