নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলহামদুলিল্লাহ। যা চাইনি তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন প্রিয়তম রব। যা পাইনি তার জন্য আফসোস নেই। সিজদাবনত শুকরিয়া। প্রত্যাশার একটি ঘর এখনও ফাঁকা কি না জানা নেই, তাঁর কাছে নি:শর্ত ক্ষমা আশা করেছিলাম। তিনি দয়া করে যদি দিতেন, শুন্য সেই ঘরটিও পূর্নতা পেত!

নতুন নকিব

যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।

নতুন নকিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

বদর প্রাঙ্গনে সংঘটিত ইসলামের প্রথম সম্মুখ সমরে অকুতোভয় যে ৩১৩ জন নিরস্ত্র সাহাবা অনুগামী হয়েছিলেন রাসূলে আরাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের; তাদের নামের তালিকা

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৪২



বদর প্রাঙ্গন। ১৭ মার্চ, ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দ। হিজরি ২য় সালে সেদিন ১৭ রমজান। মুসলমানদের নাম নিশানা পৃথিবী থেকে চিরতরে মুছে দেয়ার বাসনায় মক্কাবাসী অবিশ্বাসীগন মদিনার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। অস্ত্র শস্ত্রে সুসজ্জিত ১০০০ সেনার বিশাল বাহিনী তাদের। পক্ষান্তরে মুসলিমদের সংখ্যা মাত্র ৩১৩ জন। তারাও বলতে গেলে প্রায় নিরস্ত্র। সুসজ্জিত এই ১০০০ সেনার সাথেই সংঘটিত হয় মাত্র ৩১৩ জনের অসম লড়াই। আর আল্লাহ পাকের অবারিত সাহায্যে এই যুদ্ধে মুসলিমরা সংখ্যায় অনেক কম হয়েও মক্কার অবিশ্বাসী শক্তিকে পরাজিত করে ইসলামের স্বর্নোজ্জল ইতিহাসের গোড়াপত্তন করেন। এর মাধ্যমে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য সূচিত হয়ে যায়। এজন্য এই যুদ্ধকে সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী বলা হয়। আল-কুরআনে এই দিনকে ইয়াওমূল ফুরক্বান বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

সত্য মিথ্যার ফায়সালাকারী এ সম্মুখসমরের পূর্বে ৬২৩ থেকে ৬২৪ সালের মধ্যে মুসলিম ও অবিশ্বাসীগনের মধ্যে বেশ কিছু খন্ডযুদ্ধ হয়।

যুদ্ধে মুসলিমদের প্রধান প্রতিপক্ষ আবু জাহল লজ্জাজনকভাবে দু'টি বালকের হাতে নিহত হয়। এ যুদ্ধে অবিশ্বাসীদের ৭০ জন মারা যায় এবং ৭০ জন বন্ধি হয়।

মুহাজির এবং আনসার সাহাবীদের ভেতর থেকে যারা এ সমরে রাসূলে আরাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুগামী হয়েছিলেন তারা ছিলেন ইসলামের প্রথম সারির মর্যাদাবান। আল্লাহ পাক তাদের মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন। রাসূলে পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সুউচ্চ মর্যাদা ব্যক্ত করে ইরশাদ করেন-

'লাআল্লাহু ইখতা-রা আলা আহলি বাদরিন। ফাক্কা-লা ই'মালূ- মা- শি'তুম ফাইন্নি- ক্কদ গফারতু লাকুম।'

'হে বদরের সাথীগন, আল্লাহ পাক তোমাদের নির্বাচিত করেছেন। কারন, আল্লাহ পাক ঘোষনা করেছেন- তোমরা যেমন খুশি আমল কর, আমি তোমাদের ক্ষমা করে দিয়েছি।' আল হাদিস।

বদরের প্রান্তরে দ্বীনে হক্ককে টিকিয়ে রাখার সংকল্পে যারা জীবনের মায়া ত্যাগ করে রাসূলে পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুগামী হয়েছিলেন, আসুন, তাদের বরকতময় নামের পূর্ণ তালিকাটি দেখে চক্ষু শীতল করি-



মুহাজির সাহাবী:
১. হযরত আবু বকর (রাঃ)
২. হযরত উমর ফারুক (রাঃ)
৩. হযরত উসমান (রাঃ)
৪. হযরত আলী মোর্তাজা (রাঃ)

৫. হযরত হামজা (রাঃ)
৬. হযরত যায়েদ বিন হারেছা (রাঃ)
৭. হযরত আবু কাবশাহ সুলাইম (রাঃ)
৮. হযরত আবু মারছাদ গানাভী (রাঃ)

৯. হযরত মারছাদ বিন আবু মারছাদ(রাঃ)
১০. হযরত উবাইদা বিন হারেছ(রাঃ)
১১. হযরত তোফায়েল বিন হারেছ(রাঃ)
১২. হযরত হুসাইন বিন হারেছ (রাঃ)

১৩. হযরত আউফ বিন উসাসা (রাঃ)
১৪. হযরত আবু হুযায়ফা (রাঃ)
১৫. হযরত ছালেম (রাঃ)
১৬. হযরত সুহইব বিন সিনান (রাঃ)

১৭. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন জাহাশ(রাঃ)
১৮. হযরত উক্বাশা বিন মিহসান(রাঃ)
১৯. হযরত শুজা’ বিন ওহাব (রাঃ)

২০. হযরত ওতবা বিন রবীআহ (রাঃ)
২১. হযরত ইয়াযীদ বিন রুকাইশ (রাঃ)
২২. হযরত আবু সিনান (রাঃ)
২৩. হযরত সিনান বিন আবু সিনান(রাঃ)
২৪. হযরত মুহরিয বিন নাজলা (রাঃ)

২৫. হযরত রবীআ’ বিন আক্সাম (রাঃ)
২৬. হযরত হাতেব বিন আমর (রাঃ)
২৭. হযরত মালেক বিন আমর (রাঃ)
২৮. হযরত মিদ্লাজ বিন আমর (রাঃ)

২৯. হযরত সুওয়ায়েদ ইবনে মাখশী(রাঃ)
৩০. হযরত উৎবা বিন গাযওয়ান (রাঃ)
৩১. হযরত জুবাইর বিন আউওয়াম(রাঃ)

৩২. হযরত হাতেব বিন আবিবালতাআহ(রাঃ)
৩৩. হযরত সা’দ বিন খাওলা (রাঃ)
৩৪. হযরত মুসআব বিন উমায়ের (রাঃ)
৩৫. হযরত মাসউদ বিন সা’দ (রাঃ)

৩৬. হযরত আঃ রহমান বিন আউফ(রাঃ)
৩৭. হযরত সা’দ বিন আবু উবায়দা(রাঃ)
৩৮. হযরত উমায়ের বিনআবিওয়াক্কাস(রাঃ)
৩৯. হযরত মিক্বদাদ বিন আমর (রাঃ)

৪০. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন মাসউদ(রাঃ)
৪১. হযরত মাসউদ বিন রাবীআ (রাঃ)
৪২. হযরত যুশ্ শিমালাইন (রাঃ)

৪৩. হযরত খাব্বাব বিন আরাত (রাঃ)
৪৪. হযরত বিলাল বিন রবাহ্ (রাঃ)
৪৫. হযরত আমের বিন ফুহায়রা (রাঃ)
৪৬. হযরত ছুহাইব বিন সিনান (রাঃ)

৪৭. হযরত তালহা বিন উবাইদুল্লাহ্(রাঃ)
৪৮. হযরত আবু সালমা বিন আব্দুলআসাদ(রাঃ)
৪৯. হযরত শাম্মাস বিন উসমান (রাঃ)

৫০. হযরত আকরাম বিন আবুল আকরাম(রাঃ)
৫১. হযরত আম্মার বিন ইয়াছির (রাঃ)
৫২. হযরত মুআত্তিব বিন আউফ (রাঃ)
৫৩. হযরত যায়েদ ইবনে খাত্তাব(রাঃ)

৫৪. হযরত আমর বিন সুরাকা (রাঃ)
৫৫. হযরত ওয়াকেদ বিন আব্দুল্লাহ্(রাঃ)
৫৬. হযরত খাওলা বিন আবু খাওলা(রাঃ)
৫৭. হযরত আমের বিন রবীআহ (রাঃ)
৫৮. হযরত আমের বিন হারিছ (রাঃ)

৫৯. হযরত আমের বিন আব্দুল্লাহ্(রাঃ)
৬০. হযরত খালেদ বিন বুকাইর (রাঃ)
৬১. হযরত ইয়ায বিন গানাম (রাঃ)
৬২. হযরত সাঈদ বিন যায়েদ (রাঃ)

৬৩. হযরত উসমান বিন মাজউন (রাঃ)
৬৪. হযরত সাইব বিন উসমান (রাঃ)
৬৫. হযরত কুদামা বিন মাজউন (রাঃ)
৬৬. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন মাজউন(রাঃ)
৬৭. হযরত মা’মার বিন হারেছ (রাঃ)

৬৮. হযরত আবু উবায়দা ইবনুলজাররাহ(রাঃ)
৬৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন মাখ্রামা(রাঃ)
৭০. হযরত খাব্বাব মাওলা উৎবাবিনগযওয়ান(রা)
৭১. হযরত আবুস্ সাইব উসমান বিনমাজউন(রাঃ)
৭২. হযরত আমর বিন আবু সারাহ (রাঃ)

৭৩. হযরত সাকাফ বিন আমর (রাঃ)
৭৪. হযরত মুজায্যার বিন যিয়াদ(রাঃ)
৭৫. হযরত খাব্বাব ইবনুল মুনযির (রাঃ)
৭৬. হযরত উমায়ের বিন আবীওয়াক্কাছ(রাঃ)
৭৭. হযরত মিকদাদ বিন আমর (রাঃ)

৭৮. হযরত নোমান বিন আসার বিনহারেস(রাঃ)
৭৯. হযরত মিহ্জা’ মাওলা উমরফারুক(রাঃ)
৮০. হযরত ওহাব বিন আবী সারাহ(রাঃ)

আনসার সাহাবী:
৮১. হযরত সা’দ বিন মুআজ (রাঃ)
৮২. হযরত আমর বিন মুআজ (রাঃ)
৮৩. হযরত হারেস বিন আউস (রাঃ)
৮৪. হযরত হারেস বিন আনাস (রাঃ)
৮৫. হযরত আব্বাদ বিন বিশর (রাঃ)
৮৬. হযরত সালামা বিনসাবেত(রাঃ)

৮৭. হযরত হারেস বিন খাযামা(রাঃ)
৮৮. হযরত মুহাম্মদ বিন মাসলামা(রাঃ)
৮৯. হযরত সালামা বিন আসলাম(রাঃ)
৯০. হযরত উবায়েদ বিন তাইয়িহান(রাঃ)
৯১. হযরত কাতাদা বিন নোমান(রাঃ)

৯২. হযরত উবায়েদ বিন আউস (রাঃ)
৯৩. হযরত নসর বিন হারেস (রাঃ)
৯৪. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন তারেক(রাঃ)
৯৫. হযরত আবু আব্স বিন জব্র (রাঃ)

৯৬. হযরত আবু বুরদাহ্ হানী বিননিয়্যার(রাঃ)
৯৭. হযরত আসেম বিন সাবেত (রাঃ)
৯৮. হযরত মুআত্তিব বিন কুশাইর (রাঃ)
৯৯. হযরত আমর বিন মা’বাদ (রাঃ)
১০০. হযরত সাহল বিন হুনাইফ (রাঃ)
১০১. হযরত মুবাশ্শির বিন আব্দুলমুনযির(রাঃ)
১০২. হযরত রিফাআ বিন আঃ মুনযির(রাঃ)
১০৩. হযরত খুনাইস বিন হুযাফা (রাঃ)
১০৪. হযরত আবু সাবরা কুরাইশী(রাঃ)

১০৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন সালামা(রাঃ)
১০৬. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন সুহাইল(রাঃ)
১০৭. হযরত সা’দ বিন মুআয (রাঃ)
১০৮. হযরত উমায়ের বিন আউফ (রাঃ)
১০৯. হযরত আমের বিন সালামা(রাঃ)

১১০. হযরত ছফওয়ান বিন ওহাব (রাঃ)
১১১. হযরত ইয়ায বিন বুকাইর (রাঃ)
১১২. হযরত সা’দ বিন উবায়েদ (রাঃ)
১১৩. হযরত উওয়াইম বিন সায়েদাহ(রাঃ)

১১৪. হযরত রাফে বিন আনজাদা(রাঃ)
১১৫. হযরত উবায়েদ বিন আবুউবয়েদ (রাঃ)
১১৬. হযরত সা’লাবা বিন হাতেব(রাঃ)
১১৭. হযরত আবু লুবাবাহ আব্দুলমুনযির(রাঃ)
১১৮. হযরত হারেস বিন হাতেব(রাঃ)
১১৯. হযরত আসেম বিন আদী (রাঃ)

১২০.হযরত আনাছ বিন কাতাদা(রাঃ)
১২১. হযরত মাআন বিন আদী (রাঃ)
১২২. হযরত সাবেত বিন আকরাম(রাঃ)
১২৩. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন ছাহল(রাঃ)
১২৪. হযরত যায়েদ বিন আসলাম(রাঃ)

১২৫. হযরত রিব্য়ী বিনরাফে’ (রাঃ)
১২৬. হযরত সা’দ বিন যায়েদ (রাঃ)
১২৭. হযরত সালমা বিন সালামা (রাঃ)
১২৮. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন যায়েদ(রাঃ)

১২৯. হযরত আসেম বিন কায়েস (রাঃ)
১৩০. হযরত আবুস্ সয়্যাহ বিননোমান(রাঃ)
১৩১. হযরত আবু হাব্বাহ বিন আমর (রাঃ)
১৩২. হযরত হারেস বিন নোমান (রাঃ)
১৩৩. হযরত খাওয়াত বিন যুবাইর (রাঃ)

১৩৪. হযরত মুনযির বিন মুহাম্মদ (রাঃ)
১৩৫. হযরত আবু আকীল আব্দুর রহমান (রাঃ)
১৩৬. হযরত আবু দুজানা (রাঃ)

১৩৭. হযরত সা’দ বিন খায়সামা (রাঃ)
১৩৮. হযরত মুনযির বিন কুদামা (রাঃ)
১৩৯. হযরত মালেক বিন কুদামা(রাঃ)
১৪০. হযরত হারেস বিন আরফাজা(রাঃ)
১৪১. হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ(রাঃ)

১৪২. হযরত মালেক বিন নুমায়লা(রাঃ)
১৪৩. হযরত খারেজা বিন যায়েদ(রাঃ)
১৪৪. হযরত সা’দ বিন রবী’ (রাঃ)
১৪৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিনরাওয়াহা(রাঃ)
১৪৬. হযরত বশির বিন সা’দ (রাঃ)
১৪৭. হযরত সিমাক বিন সা’দ (রাঃ)
১৪৮. হযরত সুবাঈ বিন কায়েস (রাঃ)

১৪৯. হযরত আব্বাদ বিন কায়েস(রাঃ)
১৫০. হযরত ইয়াযিদ বিন হারেস(রাঃ)
১৫১. হযরত খোবায়ের বিন য়াসাফ(রাঃ)
১৫২. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন কায়েস(রাঃ)



১৫৩. হযরত হারিস বিন যিয়াদ (রাঃ)
১৫৪. হযরত তামীম বিন য়াআর (রাঃ)
১৫৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন উমায়ের(রাঃ)
১৫৬. হযরত যায়েদ বিন মুযাইন (রাঃ)

১৫৭. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন উরফুতাহ্(রাঃ)
১৫৮. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিনরবী’ (রাঃ)
১৫৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিনআব্দুল্লাহ্(রাঃ)
১৬০. হযরত আউস বিন খাওলা (রাঃ)
১৬১. হযরত যায়েদ বিন উবায়েদ(রাঃ)
১৬২. হযরত উকবাহ বিন ওহাব (রাঃ)

১৬৩. হযরত রিফাআহ বিন আমর (রাঃ)
১৬৪. হযরত উসায়ের বিন আসর (রাঃ)
১৬৫. হযরত মা’বাদ বিন আব্বাদ(রাঃ)
১৬৬. হযরত আমের বিন বুকাইর (রাঃ)

১৬৭. হযরত নওফল বিন আব্দুল্লাহ্(রাঃ)
১৬৮. হযরত উবাদা বিন সামেত(রাঃ)
১৬৯. হযরত নোমান বিন মালেক(রাঃ)

১৭০. হযরত সাবেত বিন হায্যাল(রাঃ)
১৭১. হযরত মালেক বিন দুখশুম (রাঃ)
১৭২. হযরত রবী’ বিন ইয়াছ (রাঃ)
১৭৩. হযরত ওয়ারাকা বিন ইয়াছ(রাঃ)

১৭৪. হযরত আমর বিন ইয়াছ (রাঃ)
১৭৫. হযরত আমর বিন কয়েস (রাঃ)
১৭৬. হযরত ফাকেহ বিন বিশ্র (রাঃ)
১৭৭. হযরত নওফল বিন সা’লাবা(রাঃ)

১৭৮. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন সা’লাবা(রাঃ)
১৭৯. হযরত মুনযির বিন আমর (রাঃ)
১৮০. হযরত আবু উসায়েদ মালেক(রাঃ)

১৮১. হযরত মালেক বিন মাসউদ(রাঃ)
১৮২. হযরত আবদে রাব্বিহি (রাঃ)
১৮৩. হযরত কা’ব বিন জাম্মায (রাঃ)
১৮৪. হযরত জমরাহ বিন আমর (রাঃ)

১৮৫. হযরত যিয়াদ বিন আমর (রাঃ)
১৮৬. হযরত হুবাব বিন মুনযির (রাঃ)
১৮৭. হযরত উমায়ের বিন হারাম(রাঃ)

১৮৮. হযরত উমায়ের বিন হুমাম (রাঃ)
১৮৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আমর (রাঃ)
১৯০. হযরত মুআজ বিন আমর (রাঃ)
১৯১. হযরত মুআউওয়াজ বিন আমর (রাঃ)
১৯২. হযরত খাল্লাদ বিন আমর (রাঃ)

১৯৩. হযরত উকবাহ্ বিন আমের (রাঃ)
১৯৪. হযরত সাবেত বিন খালেদ(রাঃ)
১৯৫. হযরত বিশ্র বিন বারা (রাঃ)
১৯৬. হযরত তোফায়েল বিন মালেক(রাঃ)
১৯৭. হযরত তোফায়েল বিন নোমান(রাঃ)

১৯৮. হযরত সিনান বিন সাঈফী(রাঃ)
১৯৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন জাদ (রাঃ)
২০০. হযরত উৎবা বিন আব্দুল্লাহ্(রাঃ)
২০১. হযরত জাব্বার বিন সাখর (রাঃ)

২০২. হযরত খারেজা বিন হিময়ার(রাঃ)
২০৩. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিনহুমায়্যির(রাঃ)
২০৪. হযরত ইয়াযিদ বিন মুনযির (রাঃ)
২০৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন নোমান(রাঃ)
২০৬. হযরত জহহাক বিন হারেসা(রাঃ)

২০৭. হযরত আসওয়াদ বিন যুরাইক(রাঃ)
২০৮. হযরত মা’বাদ বিন কায়েস(রাঃ)
২০৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন কায়েসখালেদ(রাঃ)
২১০. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আব্দেমানাফ্(রাঃ)

২১১. হযরত খালিদ বিন কায়েস(রাঃ)
২১২. হযরত সুলাইম বিন আমর (রাঃ)
২১৩. হযরত কুতবা বিন আমের (রাঃ)
২১৪. হযরত আন্তারা মাওলা বনীসুলাইম(রাঃ)

২১৫. হযরত আব্স বিন আমের (রাঃ)
২১৬. হযরত সা’লাবা বিন আনামা(রাঃ)
২১৭. হযরত আবুল য়াসার বিন আমর(রাঃ)
২১৮. হযরত উবাদা বিন কয়েস (রাঃ)
২১৯. হযরত আমর বিন তাল্ক (রাঃ)

২২০. হযরত মুআজ বিন জাবাল (রাঃ)
২২১. হযরত কয়েস বিন মুহ্সান (রাঃ)
২২২. হযরত হারেস বিন কয়েস (রাঃ)
২২৩. হযরত সা’দ বিন উসমান (রাঃ)

২২৪. হযরত উকবা বিন উসমান (রাঃ)
২২৫. হযরত জাকওয়ান বিন আবদেকয়েস(রাঃ)
২২৬. হযরত মুআজ বিন মায়েস (রাঃ)
২২৭. হযরত আয়েজ বিন মায়েজ(রাঃ)

২২৮. হযরত মাসউদ বিন সা’দ (রাঃ)
২২৯. হযরত রিফাআ বিনরাফে’ (রাঃ)
২৩০. হযরত খাল্লাদ বিনরাফে’ (রাঃ)
২৩১. হযরত উবায়েদ বিন যায়েদ(রাঃ)
২৩২. হযরত যিয়াদ বিন লাবীদ(রাঃ)

২৩৩. হযরত ফারওয়াহ বিন আমর(রাঃ)
২৩৪. হযরত আতিয়্যা বিন নুওয়াইরা(রাঃ)
২৩৫. হযরত খলিফা বিন আদী (রাঃ)

২৩৬. হযরত উমারা বিন হায্ম(রাঃ)
২৩৭. হযরত সুরাকা বিন কা’ব (রাঃ)
২৩৮. হযরত হারেসা বিন নোমান(রাঃ)
২৩৯. হযরত সুলাইম বিন কয়েস (রাঃ)
২৪০. হযরত সুহাইল বিন কয়েস (রাঃ)

২৪১. হযরত আদী বিন আবুয্ যাগ্বা(রাঃ)
২৪২. হযরত মাসউদ বিন আউস (রাঃ)
২৪৩. হযরত আবু খুজাইমাহ্ বিন আউস(রাঃ)
২৪৪. হযরত রাফে’ বিন হারেস(রাঃ)
২৪৫. হযরত মুআওয়াজ বিন হারেস(রাঃ)
২৪৬. হযরত নোমান বিন আমর (রাঃ)

২৪৭. হযরত আমের বিন মুখাল্লাদ(রাঃ)
২৪৮. হযরত উসাইমা আশযায়ী (রাঃ)
২৪৯. হযরত ওদীআহ বিন আমর (রাঃ)
২৫০. হযরত আবুল হামরা মাওলাহারেস(রাঃ)
২৫১. হযরত সা’লাবা বিন আমর (রাঃ)
২৫২. হযরত সুহাইল বিন আতীক (রাঃ)
২৫৩. হযরত হারেস বিন আতীক (রাঃ)

২৫৪. হযরত হারেস বিন ছিম্মাহ(রাঃ)
২৫৫. হযরত উবাই বিন কা’ব (রাঃ)
২৫৬. হযরত আনাস বিন মুআজ (রাঃ)
২৫৭. হযরত আউস বিন সামেত (রাঃ)
২৫৮. হযরত আবু তাল্হা যায়েদ বিনছাহল(রাঃ)
২৫৯. হযরত হারেসা বিন সুরাকা(রাঃ)

২৬০. হযরত আমর বিন সা’লাবা (রাঃ)
২৬১. হযরত সাবেত বিন খানছা(রাঃ)
২৬২. হযরত আমের বিন উমাইয়াহ্(রাঃ)
২৬৩. হযরত মুহ্রিয বিন আমের (রাঃ)
২৬৪. হযরত সাওয়াদ বিনগাযিয়্যাহ(রাঃ)

২৬৫. হযরত আবু যায়েদ কয়েস বিনসাকান(রাঃ)
২৬৬. হযরত আবুল আওয়ার বিনহারেস(রাঃ)
২৬৭. হযরত হারাম বিন মিল্হান(রাঃ)
২৬৮. হযরত কয়েস বিন আবী সা’সা(রাঃ)

২৬৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন কা’ব(রাঃ)
২৭০. হযরত উসাইমা আসাদী (রাঃ)
২৭১. হযরত আবু দাউদ উমাইর (রাঃ)
২৭২. হযরত সুরাকা বিন আমর (রাঃ)

২৭৩. হযরত কয়েস বিন মাখলাদ (রাঃ)
২৭৪. হযরত নোমান বিন আব্দে আমর(রাঃ)
২৭৫. হযরত জহ্হাক বিন আব্দে আমর(রাঃ)
২৭৬. হযরত সুলাইম বিন হারেস (রাঃ)
২৭৭. হযরত জাবের বিন খালেদ(রাঃ)
২৭৮. হযরত সা’দ বিন সুহাইল (রাঃ)

২৭৯. হযরত কা’ব বিন যায়েদ (রাঃ)
২৮০. হযরত বুজাইর বিন আবিবুজাইর(রাঃ)
২৮১. হযরত ইৎবান বিন মালেক (রাঃ)
২৮২. হযরত মুলাইল বিন ওবারাহ(রাঃ)
২৮৩. হযরত হেলাল বিন মুআল্লাহ(রাঃ)
২৮৪. হযরত আনাছাহ আল হাবাশী(রাঃ)

২৮৫. হযরত বাহ্হাস বিন সালাবা(রাঃ)
২৮৬. হযরত জাব্র বিন আতীক (রাঃ)
২৮৭. হযরত আবু আয়্যুব আনছারী (রাঃ)

২৮৮. হযরত খিরাশ ইবনুস সিম্মাহ(রাঃ)
২৮৯. হযরত খুরাইম বিন ফাতেক(রাঃ)
২৯০. হযরত খুবাইব বিন ইছাফ (রাঃ)
২৯১. হযরত খুবাইব বিন আদী (রাঃ)
২৯২. হযরত খিদাশ বিন কাতাদা(রাঃ)

২৯৩. হযরত খালেদ বিন সুওয়াইদ(রাঃ)
২৯৪. হযরত রাফে’ বিন আল মুআল্লা(রাঃ)
২৯৫. হযরত রুখায়লা বিন সা’লাবা(রাঃ)
২৯৬. হযরত সাব্রা বিন ফাতেক(রাঃ)

২৯৭. হযরত সুহাইল বিনরাফে’ (রাঃ)
২৯৮. হযরত সুওয়াইবিত বিনহারমালা(রাঃ)
২৯৯. হযরত তুলাইব বিন উমাইর (রাঃ)
৩০০. হযরত উবাদা বিন খাশখাশকুজায়ী(রাঃ)
৩০১. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন জুবাইরবিননোমান (রাঃ)

৩০২. হযরত আবু সালামা বিন আব্দুলআসাদ (রাঃ)
৩০৩. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আব্স (রাঃ)
৩০৪. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন উনায়েছ(রাঃ)

৩০৫. হযরত উবাইদ বিন সা’লাবা(রাঃ)
৩০৬. হযরত উমায়ের বিন নিয়ার(রাঃ)
৩০৭. হযরত মালেক বিন আবীখাওলা(রাঃ)
৩০৮. হযরত মালেক বিন কুদামা(রাঃ)

৩০৯. হযরত মুরারা বিনরবী’ (রাঃ)
৩১০. হযরত মাসউদ বিন খাল্দাহ(রাঃ)
৩১১. হযরত মুআজ বিন হারেস (রাঃ)

৩১২. হযরত মা’কিল বিন আলমুনযির(রাঃ)
৩১৩. হযরত নোমান বিন আছার বিনহারেছ (রাঃ)



আয় আল্লাহ, আপনার প্রিয় রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুগামী হয়েছিলেন মহান যেসব সাহাবা, জানি তারাও পরিনত হয়েছেন আপনার প্রিয়পাত্রে। জান্নাতে তাদের মর্যাদাকে আপনি বৃদ্ধি করুন। হে প্রিয় রব, আমরা প্রিয় নবীজিকে ভালবাসি। ভালবাসি তাঁর জন্য আত্মোৎসর্গকারী মহান সাহাবীদেরও। হে আল্লাহ, আমাদেরও আপনি তাদের অনুগামী, অনুসারী হিসেবে আপনার মাহবুব বান্দাদের কাতারে শামিলে হাল করে নিন।

ছবি: গুগল।

মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:০৩

তারেক ফাহিম বলেছেন: সত্যি চক্ষু শিতল করার মত পোষ্ট।

পোষ্টে লাইক ও ++

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৫৮

নতুন নকিব বলেছেন:



মোবারকবাদ। আপনার আগমনে কৃতজ্ঞতা অশেষ। প্রথম কমেন্ট রেখে যাওয়ায় বিশেষ ধন্যবাদ।

শুভকামনা সবসময়।

২| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:২৫

মৃত্যু হবে একদিন বলেছেন: ধন্যবাদ এই সাহসী সাহাবীদের তালিকা দেওয়ার জন্য

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:০০

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ। কৃতজ্ঞতা অশেষ।

আপনার নিকটি চমকপ্রদ। শুভকামনা।

৩| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৮

বাংলার মেলা বলেছেন: বদর যুদ্ধে যে দু'জন বালকের হাতে আবু জেহেল আপনার ভাষায় লজ্জাজনক ভাবে নিহত হয়, তারা ঐ সময়কার যুদ্ধের তিনটি আইন ভঙ্গ করেছিল, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোন এ্যাকশন নেয়া হয়নি। এ তিনটি আইন হলঃ
১। বালেগ হবার আগে কাউকে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নিতে দেয়া হবেনা। ঐ দুজন নাবালক ছিল
২। যুদ্ধ শুরু হবার আগে কাউকে আক্রমণ করা যাবেনা। ঐ দুজন যুদ্ধ শুরু হবার আগেই দৌড়ে গিয়ে অপ্রস্তুত আবু জেহেলকে আক্রমণ করেছিল।
৩। যুদ্ধে একজনের বিরুদ্ধে একাধিক যোদ্ধা লড়ানো যাবেনা। সেখানে আবু জেহেলের একার বিরুদ্ধে দুইজন কিভাবে লড়ল?

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:০০

নতুন নকিব বলেছেন:



১। যে তিনটি পয়েন্ট আপনি উল্লেখ করেছেন, এগুলো যে সেসময়কার যুদ্ধ আইনের ধারা ছিল, তার সপক্ষে আপনার কাছে প্রমান থাকলে উপস্থাপন করুন।

২। যুদ্ধ শুরু হবার আগে দুই বালক আবু জাহল এর উপর আক্রমন করেছিল, এটা তো সত্য নয়।

৩। একজন মুসলিমের বিপক্ষে যেখানে পাঁচ দশ জন অবিশ্বাসী হামলে পড়েছে তখন যুদ্ধ আইন নিয়ে তো আপনারা কথা বলেন বলে দেখি না।

শুভকামনা।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৪২

নতুন নকিব বলেছেন:



ইচ্ছে করলে পড়ে নিতে পারেন আবু জাহলের মৃত্যুর ইতিহাস। আপনার সৌজন্যে তুলে ধরছি এখানে। আর তার মত এত বড় সেনাপতির এমনভাবে বাচ্চা দুই ভাইয়ের হাতে মৃত্যুটা সত্যিই লজ্জাজনক কি না, তার বিচারের ভারও আপনার উপরেই থাকলো-

আবু জাহলকে হত্যাকারী দুই কিশোরের বীরত্বের গল্প:

বদর। হ্যা, বদর।
বদরের বিস্তীর্ন প্রান্তর। পাথুরে ময়দান। পাহাড়ি মরু এলাকা।
একদিকে মুসলিম দল। অন্য দিকে অবিশ্বাসীগন। মুসলিমদের নেতৃত্বে রয়েছেন স্বয়ং রাসূলে করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। রয়েছেন বিশ্বাসের হিরন্ময় জ্যোতিতে আলোকিত হৃদয়ের অসম সাহসী ৩১৩ জন সাহাবী। অবিশ্বাসীদের দলে রয়েছে মক্কার বড় বড় সর্দার। বহুদিন পর্যন্ত যেসব অবিশ্বাসীগন মক্কায় মুসলমানদের কষ্ট দিয়েছে, নির্যাতন করেছে, রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হত্যার চেষ্টা করেছে, তাঁদের অনেকেই এই যুদ্ধে এসেছে। বদর যুদ্ধ হলো অংশীবাদী অবিশ্বাসীদের সাথে মুসলমানদের প্রথম সম্মুখ সমর।

শুরু হয়েছে যুদ্ধ। গতি বৃদ্ধি পাচ্ছে যুদ্ধের। তুমুল যুদ্ধ চলছে। চারিদিকে শত্রুকে খুঁজে চলেছে উভয় পক্ষের সবাই। কেউ কারো দিকে নজর দিতে পারছে না। বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আ’উফ রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু এক স্থানে দাঁড়িয়ে চিন্তা করছিলেন, শত্রুকে কিভাবে ঘায়েল করা যায়। হঠাৎ দেখলেন, তার দু’পাশে এসে দাঁড়ালো দুটি বালক। দু’জনই মুসলিম।

বিশিষ্ট সাহাবী আব্দুর রহমান ইবনে আ’উফ রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু বালক দু’জনকে ভালো করে পরখ করে দেখলেন। মনে মনে তিনি হতাশ। এরা তো নিতান্তই বালক! এরা যুদ্ধ করবে কিভাবে! তিনি ভাবছিলেন, যদি তার আশে-পাশে আরো শক্তসামর্থ মুসলমান থাকতেন, তাহলে অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালানোর সময় একজন আরেকজনকে সহযোগিতা করতে পারতেন; কিন্তু সেই কাজ কি এই বালকদের দিয়ে হবে?

দুই বালক সম্পর্কে তিনি যখন এ ধরনের ভাবনা চিন্তা করছিলেন, তখনই এক বালক এসে তার হাত জড়িয়ে ধরে বলল—'চাচাজান! আপনি কি আবু জাহেলকে চিনেন?'

আব্দুর রহমান ইবনে আ’উফ জবাবে বললেন—'হ্যাঁ, চিনি। কিন্তু আবু জাহেলকে তোমার কী প্রয়োজন?’

সেই বালক বললো—“আমরা শুনেছি, আবু জাহেল আমাদের প্রিয় নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কষ্ট দিত। নির্যাতন করতো সবচে' বেশি। নবীজীর নামে আজে-বাজে কথাবার্তা বলে বেড়াতো। আল্লাহর কসম! যদি আবু জেহেলকে দেখতে পাই, তবে তার জীবন খতম করার আগে আমি ক্ষ্যান্ত হবো না। যদি তাঁকে খতম করতে না পারি তবে নিজেই শহীদ হয়ে যাবো।”

বালকের কথা শুনে আব্দুর রহমান ইবনে আ’উফ রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু অবাক হয়ে গেলেন। অল্প বয়সী বালক! অথচ কী অসামান্য সাহস! বলে কি!

কিছুক্ষণ পর আরেকজন তরুণ আমার কাছে আসল। সেও আমাকে জিজ্ঞেস করলঃ 'হে চাচা! আবু জাহেল কেথায়?'

আমি তাকেও জিজ্ঞাসা করলাম, 'তার কাছে তোমার কী দরকার?'

সে উত্তর দিলঃ 'আমি শুনেছি, সে মহানবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অনেক কষ্ট দিত, নির্যাতন করত। তাই আল্লাহর নামে শপথ করে বলছি, আমি যদি তাকে দেখতে পাই, আমার ছায়া তাকে অতিক্রম করবে না, যতক্ষন না আমি তাকে হত্যা করি কিংবা সে আমাকে হত্যা করে।’

তারপর আমি লক্ষ্য করলাম যে, আবু জাহল সামান্য দূরে লোকজনদের মাঝে বিচরণ করছে। আমি তাদেরকে বললাম, 'ঐ হলো সেই ব্যক্তি যাকে তোমরা খুঁজছো।'

এই কথা বলার পর আমি আকাঙ্খা করছিলাম আমি যদি এই তরুণদের মত উৎসাহী এবং উদ্যমী হতে পারতাম। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে তারা ফিরে আসল এবং মহানবীর সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট প্রত্যাবর্তন করল।

রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জিজ্ঞাসা করলেন-‘তোমাদের মধ্যে কে তাকে হত্যা করেছো?’

মুয়ায বিন আমর বিন জামুহ বলল-‘আমি হত্যা করেছি’ এবং মুয়ায বিন আফরা বলল-‘আমি হত্যা করেছি।’

রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় বললেন, ‘তোমরা কি তোমাদের তরবারী পরিষ্কার করে ফেলেছো?’

তারা বলল, ‘না’।

তিনি বললেন- ‘আমাকে দেখাও’।

উভয় তরবারীতে রক্ত দেখতে পেয়ে বললেন, ‘তোমরা উভয়ে তাকে হত্যা করেছো।’

মুয়ায বিন আমর বিন জামুহ বলেছেন, “আমি আবু জাহেলকে আমার লক্ষ্যের কেন্দ্রবিন্দুতে নিলাম এবং তার প্রতি মনোযোগ নিবদ্ধ করে রাখলাম। তারপর যখন সুযোগ পেয়ে গেলাম, তখনই আক্রমণ করে বসলাম এবং এমনভাবে আঘাত করলাম যে, তার পা দ্বিখন্ডিত হয়ে গেল। এদিকে আমি যখন আবু জাহলকে আঘাত করলাম অন্য দিকে তখন তার ছেলে ইকরামা আমার কাঁধে তরবারীর আঘাত করল এবং তাতে আমার হাত কেটে গিয়ে চামড়ার সঙ্গে ঝুলে গেল এবং যুদ্ধের জন্য প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াল। আমি তাকে পিছনে টেনে সাধারণভাবে যুদ্ধ করতে থাকলাম। কিন্তু সে যখন আমাকে খুবই কষ্ট দিতে লাগল, তখন আমি আমার ঝুলে থাকা কর্তিত হাতের উপর আমার পা রেখে জোরে টান দিয়ে হাতটিকে শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেললাম।

এরপর আবু জাহলের নিকট পৌঁছে যান মুয়ায বিন আফরা। তিনি তাকে এত জোড়ে আঘাত করেন যে, তার ফলে সে সেখানেই পড়ে যায়। সে সময় শুধু তার শ্বাস প্রশ্বাসটুকু অবশিষ্ট ছিল।”

যখন যুদ্ধ শেষ হয়ে গেল তখন রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- “কে আছ এমন যে, দেখে আসবে আবু জাহলের অবস্থা কি হল?''

আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ তখন সৈন্যদের মধ্যে অনুসন্ধান চালিয়ে আবু জাহেলকে খুঁজে পেলেন। আবু জাহল তখন মৃত প্রায় অবস্থায় ছিলো।

এমতাবস্থায় আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ তার বুকের উপর উঠে বসলেন। আবু জাহল চোখ খুলে দেখলো- আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ তার বুকের উপর।

এতে আবু জাহল অপমানবোধ করে বললো, ‘তুমি মক্কায় রাখাল ছিলে না?’

ইবনে মাসউদ বললেন, ‘হে আল্লাহর দুশমন, আমি অবশ্যই মক্কাতে রাখাল ছিলাম।’

আবু জাহল বললো- 'হে উটপালক! তুমি অনেক বড় স্থানে চড়ে বসেছো। এত বড় সম্মানিত উচ্চাসনে এর আগে কেউ বসেনি।'

ইবনে মাসউদ বললেন, ‘আজকে কার দিন? আজকে কে বিজয়ী হয়েছে? আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিজয়ী হয়েছেন।'

সংকলিত এবং পরিমার্জিত।

৪| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৩

সাাজ্জাাদ বলেছেন: উনারা প্রতিটি মানুষ শক্তি আর বিশ্বাসে একাই একশ। তাহলে সর্বমোট দাড়ায় ৩১৩০০ জন।
১০০০ জন তো ওদের কাছে কিছুই না।
সুন্দর পোস্ট।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০৪

নতুন নকিব বলেছেন:



সুন্দর মন্তব্য রেখে গেলেন।

কৃতজ্ঞতাসহ শুভকামনা।

৫| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৫

সনেট কবি বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট। আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০৬

নতুন নকিব বলেছেন:



মুগ্ধতা প্রিয় সনেট কবি ভাই।

কৃতজ্ঞতাসহ কল্যান কামনা অনিঃশেষ।

৬| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: ছবি গুলোতে যে জায়গা দেখা যাচ্ছে সেখাই ঘটনা ঘটেছে?

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০৭

নতুন নকিব বলেছেন:



জ্বি, ছবিগুলো বদর প্রান্তরের।

অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

৭| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:২৪

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন: বদরের যুদ্ধে মুহাজির সাহাবীদের চেয়ে আনসার সাহাবীদের সংখ্যা ৩ গুণ বেশি ছিলো!

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:১০

নতুন নকিব বলেছেন:



জ্বি, পরিসংখ্যান তাই বলে।

অনেক শুভকামনা।

৮| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:২৯

মাইনুল ইসলাম আলিফ বলেছেন: আল্লাহুম্মা আমীন।
মহান আল্লাহর দরবারে আপনার জন্য দোয়া রইল।আপনিও আমাদের জন্য দোয়া করবেন।আর বেশী বেশী এ ধরণের পোস্ট দেবেন।আমরা আছি আপনার সাথে,ইনশাআল্লাহ।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:১২

নতুন নকিব বলেছেন:



সুন্দর মন্তব্য রেখে যাওয়ায় ধন্যবাদ আপনাকে।

নিরন্তর কল্যানের দুআ আপনার জন্য।

৯| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৫৭

চোরাবালি- বলেছেন: ধন্যবাদ এরকম লেখার জন্য।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২২

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার জন্যও হৃদয়নিংড়ানো শুভকামনা এবং কল্যানের দুআ।

১০| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৮

কানিজ রিনা বলেছেন: অসাধারন পোষ্ট,সুবহানআল্লাহ্ অনেক অনেক
ধন্যবাদ।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০৭

নতুন নকিব বলেছেন:



মোবারকবাদ।

আপনার আগমনে কৃতজ্ঞতা।

কল্যানের দুআ নিরন্তর।

১১| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬

এস এম ইসমাঈল বলেছেন: সুব হানাল্লাহ, যাজাকাললাহ

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪০

নতুন নকিব বলেছেন:



আলহামদুলিল্লাহ। জাজাকাল্লাহ। শুকরিয়া। শুভকামনা।

১২| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৪৪

হাবিব স্যার বলেছেন: জাযাকাল্লাহ.........
খুব ভালো লাগলো পোস্ট টি.......

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:১২

নতুন নকিব বলেছেন:



জাজাকুমুল্লাহু তাআ'লা আহসানাল জাজা।

আপনার উপস্থিতি মুগ্ধতা ছড়ায়। অনেক ভালো থাকুন। দুআ সবসময়।

১৩| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:০৯

মাহিরাহি বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:১৩

নতুন নকিব বলেছেন:



মোবারকবাদ।

কৃতজ্ঞতাসহ আপনার জন্য ভালো থাকার প্রার্থনা নিরন্তর।

১৪| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৩৭

বোকামানুষ বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট আগে শুধু ৩১৩ জন সাহাবীদের সংখ্যা জানতাম শুধু কয়েকজনের নাম ছাড়া আর আপনার পোস্টের মাধ্যমে সবার নাম পড়ার সুযোগ হল আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন ++++++

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:১৫

নতুন নকিব বলেছেন:



আন্তরিক মন্তব্যে আপ্লুত।

আপনার জন্য অনি:শেষ ভাল থাকার দুআ। আল্লাহ পাক আপনার কল্যান করুন।

১৫| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:০৩

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: সত্যিই চক্ষু শীতল করার মত পোষ্ট। আল্লাহ আপনার সহায় হো'ন।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৫

নতুন নকিব বলেছেন:



অশেষ কৃতজ্ঞতা, আপনার হৃদ্যতাপূর্ন মন্তব্যে।

প্রার্থনা, নিরন্তর ভালো থাকুন মহান আল্লাহর অবারিত রহমতে।

১৬| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:৩১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
লাইক ও প্রিয়তে নিলাম।

পৃথিবীর ইতিহাসে এমন বিজয় আর কখনো কেউ দেখেনি।

দারুন পোাস্ট। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিবেন।
++++

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৯

নতুন নকিব বলেছেন:



পোস্টটিতে লাইক দেয়ায় এবং এটি আপনার নিকট প্রিয় পোস্টের মর্যাদা প্রাপ্তিতে আনন্দিত। মহান সাহাবীদের জন্য বুকভরা ভালোবাসাই আপনাকে এই পোস্টের প্রতি আবেগতাড়িত করেছে, জানি।

আপনাকেও আল্লাহ পাক জান্নাতের পথের পথিক এসব সাহাবীদের কাতারে ঠাঁই করে দিন।

শুভকামনা নিরন্তর।

১৭| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০৭

নতুন নকিব বলেছেন:



সম্মানিত ব্লগারদের অনেককেই দেখেছি, এই পোস্টটিতে লাইক দিয়েছেন এবং পোস্ট প্রিয়তে নিয়েছেন। আমার ধারনা, এটা মূলত: এই পোস্টকে ভালোবেসে নয়, বরং তাদের প্রত্যেকের অন্তরে রয়েছে মহান সাহাবিদের প্রতি ভালোবাসার অদেখা টান, অদৃশ্য বন্ধন। তাই সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা।

সকলের জন্য প্রান খুলে দুআ করছি, সাহাবিদের প্রতি এই ভালোবাসা কিয়ামতের কঠিন দিনে আমাদের সকলের জন্য যেন আল্লাহ পাক নাজাতের উসিলা হিসেবে কবুল করে নেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.