নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলহামদুলিল্লাহ। যা চাইনি তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন প্রিয়তম রব। যা পাইনি তার জন্য আফসোস নেই। সিজদাবনত শুকরিয়া। প্রত্যাশার একটি ঘর এখনও ফাঁকা কি না জানা নেই, তাঁর কাছে নি:শর্ত ক্ষমা আশা করেছিলাম। তিনি দয়া করে যদি দিতেন, শুন্য সেই ঘরটিও পূর্নতা পেত!

নতুন নকিব

যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।

নতুন নকিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

\'আঠারো হাজার মাখলুকাত\' কথাটি হাদীস নয়।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:২২



বিশ্বজাহানে 'আঠারো হাজার মাখলূকাত' রয়েছে, কথাটি ছোটবেলা থেকে আমরা শুনে এসেছি। এমনকি কথাটি শুনতে শুনতে এবং বলতে বলতে এটি এতটাই প্রসিদ্ধি পেয়েছে যে, এটাকে নির্ভরযোগ্য (অথেনটিক) বলে ধরে নেয়ার মত হয়ে গেছে। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে, এই কথাটির উৎপত্তিটা যে কোত্থেকে তা আজও অজ্ঞাত। আরও আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, এই কথাটিকে ইসলাম ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত করে বলা হলেও ইসলামের মূল উৎসধারায় এমন কথার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না। না কুরআনুল কারিমের কোনো বর্ণনা দ্বারা প্রমানিত, না হাদিসের আলোকে যুক্তিসিদ্ধ 'আঠারো হাজার মাখলূকাত' ধারণাটি।

সুবিশাল বিশ্ব জগতে কত যে বিচিত্র প্রাণির বিচরণ! আমরা তার কতটুকুই আর জানতে পেরেছি! বিশ্বজাহানের সৃষ্টিবৈচিত্রের সামনে নিজেকে নিতান্ত ক্ষুদ্র বলে মনে হয়। নিত্য নতুন আবিষ্কারের মাধ্যমে আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের জানার পরিধিকে বৃদ্ধি করে নিচ্ছি। কিন্তু আমাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা (The limitation of our knowledge) আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা মানবজাতির সৃষ্টির পূর্বেই জানতেন। আর জানতেন বলেই তিনি তা বলেও দিয়েছেন পবিত্র কুরআনুল হাকিমে-

وَمَا أُوتِيتُم مِّن الْعِلْمِ إِلاَّ قَلِيلاً

'আর তোমাদেরকে সামান্য জ্ঞানই দান করা হয়েছে।' সূরাহ আল ইসরা, আয়াত-৮৫

of knowledge it is only a little that is communicated to you, (O men!)

আর বিশ্বজাহানের সকল সৃষ্টিকুলকে মূলত: আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা মানুষের কল্যানে সৃষ্টি করেছেন। প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ, কোনো না কোনোভাবে মানুষ এদের দ্বারা উপকার লাভ করে থাকে। সৃষ্টির বৈচিত্র রক্ষা বলুন আর প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখা- যা-ই বলি না কেন, প্রকৃতপক্ষে জানা-অজানা অগণিত সৃষ্টি মানবজাতির কল্যানই করে যাচ্ছে। জলে-স্থলে মানুষের তুলনায় আকার-আকৃতিতে অনেক অনেক গুন বড় এবং বিশাল বিরাটাকায় প্রাণিকুলকে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা প্রদান করে মানুষকে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে সমাসীন করেছেন মহান স্রষ্টা বারি তাআ'লা। হিংস্র প্রাণিজগতকেও অনুগত এবং বাধ্য করার কৌশল, প্রজ্ঞা এবং জ্ঞান মানুষকে তিনি দান করেছেন। এ জন্য বলা যুক্তিযুক্ত যে, জগতের বৈচিত্রময় মাখলূকাতরাজি নি:সন্দেহে মানবজাতির প্রতি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লা প্রদত্ত অনন্য নিআমত।

এই নিআমত গুণে শেষ করা সম্ভব নয়। একথাও তিনি পবিত্র কুরআনে হাকিমে ঘোষনা করেছেন-

وَإِن تَعُدُّواْ نِعْمَةَ اللّهِ لاَ تُحْصُوهَا إِنَّ اللّهَ لَغَفُورٌ رَّحِيمٌ

'যদি আল্লাহর নেয়ামত গণনা কর, শেষ করতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।' সূরাহ আননাহল, আয়াত-১৮

If ye would count up the favours of Allah, never would ye be able to number them: for Allah is Oft-Forgiving, Most Merciful.

মূলত: যখন আমি কারও কাছে এই বর্ণনা শুনতাম যে সারা পৃথিবী তে ১৮ হাজার মাখলুক (প্রানি) আছে, আমি খুবই অবাক হতাম! কারন, একথা সবারই জানা যে, বিজ্ঞানীরা এর বেশি প্রাণী ইতোমধ্যেই আবিস্কার করে ফেলেছেন!

আসলে পবিত্র কুরআনুল কারীমে নির্দিষ্ট কোন প্রাণির সংখ্যা বলা নেই।

এমনকি এটি কোন হাদিস নয়। জাল, বানানো কোন হাদিস হিসেবে যে শোনা যায় তাও না। সবাই এমনই বলে যে ইসলামে আছে, ইসলাম বলে। প্রকৃতপক্ষে এই বর্ণনাটা সম্পুর্ণ ভুল। ইসলামের কোথাও এমন বর্ণনা পাওয়া যায় না। কোন না কোনভাবে কেউ একজন এমন কথা প্রচলন করেছিল, সেখান থেকে যাচাই-বাছাই করা ব্যাতিত এভাবেই চলে আসছে।

'আঠারো হাজার মাখলুকাত' কথাটি হাদীস নয়:
উপরের কথাটি লোকমুখে এতই প্রসিদ্ধ যে, অনেকের কাছে তা কুরআন-হাদীসের বাণীর মতো স্বতঃসিদ্ধ। কিন্তু মাখলুকাতের এই নির্দিষ্ট সংখ্যা না কুরআনে আছে, না কোনো সহীহ হাদীসে। বাস্তবতা হল, আল্লাহ তাআলা অগণিত মাখলুক পয়দা করেছেন। জলে ও স্থলে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির মাখলুক আল্লাহর অসীম কুদরতের প্রমাণ। মানুষের জানার বাইরেও রয়েছে অসংখ্য মাখলুক। আল্লাহ তাআলা কত ধরনের মাখলুক সৃষ্টি করেছেন তার নির্দিষ্ট সংখ্যা সহীহ হাদীসে বলা হয়নি। একটি ‘মুনকার’ বর্ণনায় এর সংখ্যা ‘এক হাজার’ বলা হয়েছে। কিন্তু অনেক মুহাদ্দিস বর্ণনাটিকে মাওযূ বা জাল বলে আখ্যা দিয়েছেন। (আলমাওযূআত, ইবনুল জাওযী ২/২১৬; আলফাওয়াইদুল মাজমুআ পৃ. ৪৫৮-৪৫৯) এছাড়া এই সংখ্যা সম্পর্কে কিছু মনীষীর উক্তিও রয়েছে। যেমন মারওয়ান ইবনুল হাকামের কথামতে সতের হাজার জগত রয়েছে। আর আবুল আলিয়ার অনুমান অনুযায়ী চৌদ্দ হাজার কিংবা আঠারো হাজার মাখলুকাত আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। এই বিভিন্ন সংখ্যা কিছু মনীষীর উক্তিমাত্র, হাদীস নয়। দ্বিতীয়ত তাদের বক্তব্য থেকেও অনুমিত হয় যে, নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা বোঝাতে নয়; বরং আধিক্য বোঝাতেই তারা এ সব কথা বলেছেন। তাও আবার অনুমান করে। এই কারণে এর কোনোটিকেই প্রমাণিত সত্য মনে করার কোনো কারণ নেই; বরং এ বিষয়ে ইবনে কাসীর রাহ.-এর কথাটিই মূল কথা, যা তিনি আবুল আলিয়ার পূর্বোক্ত কথাটি পূর্ণভাবে উদ্ধৃত করার পর বলেছেন। আর তা হল, هذا كلام غريب يحتاج مثل هذا إلى دليل صحيح অর্থাৎ এটি এমন একটি আজব কথা, যার জন্য বিশুদ্ধ দলীলের প্রয়োজন রয়েছে। (তাফসীরে ইবনে কাসীর ১/২৬) অতএব আঠারো হাজার নয়; বরং বলা উচিত যে, আল্লাহ তাআলা অসংখ্য অগণিত মাখলুক পয়দা করেছেন, যা আমরা গুণে ও হিসাব করে শেষ করতে পারব না।

অতএব এভাবে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো কিছু প্রচার করা অতি নিন্দনীয়, অমূলক এবং নিতান্ত গর্হিত কাজ।

ছবি: অন্তর্জাল।

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:০১

পদ্ম পুকুর বলেছেন: এ রকম প্রচুর নির্দোষ জাল হাদিস আছে। আপাত নির্দোষ হলেও প্রকারান্তরে এগুলো বিশ্বাসকে নড়বড়ে করে দেয়। ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি - 'বিদ্যাশিক্ষার জন্য প্রয়োজনে চীন দেশে যাও' 'সাহাবীরা তারকার মত, তাঁদের যে কাউকে অনুসরণ করাই যথেষ্ঠ' এ ধরনের হাদীসগুলো এখন জাল হিসেবে প্রতিপন্ন হচ্ছে।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:২০

নতুন নকিব বলেছেন:



জ্বি, ছোটবেলা থেকে শুনে আসা 'বিদ্যাশিক্ষার জন্য প্রয়োজনে চীন দেশে যাও' কথাটিও সহিহ হাদিস হওয়ার কোনো প্রমান পাওয়া যায় না। আর 'আমার সাহাবীগন তারকাতুল্য, তাঁদের যে কাউকে অনুসরণ করবে হেদায়েতপ্রাপ্ত হবে' কথাটি তাহকীক করতে হবে। এটির উল্লেখ কিতাবে পেয়েছি। সময় করে তাহকীক করে নিতে পারলে জানানোর ইচ্ছে থাকলো।

আপনার আগমন এবং মূল্যবান মন্তব্যে শুকরিয়া। অনেক ভালো থাকবেন।

২| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:০২

রাজীব নুর বলেছেন: এ মহাবিশ্বে সৃষ্ট প্রাণীর জাতি-প্রজাতির সংখ্যা হলো ১৮ হাজার। এ কথাটি একান্তই লোকশ্রুতি।

আসল কথা হলো- আল্লাহ তাআলা অসংখ্য অগণিত মাখলুক পয়দা করেছেন, যা আমরা গুণে ও হিসাব করে শেষ করতে পারব না।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:২০

নতুন নকিব বলেছেন:



সুন্দর মন্তব্যে প্রীত। কৃতজ্ঞতাসহ শুভকামনা।

৩| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:০৭

একাল-সেকাল বলেছেন:
ছোট বেলা থেকে শুনে এসেছি "দেশ প্রেম ঈমানের অঙ্গ।"
অথচ, ঈমানের ৭ টি স্তম্ভের মধ্যে দেশ প্রেমের কোন উল্লেখ নাই।

১.الايمان بالله (আল্লাহতে ঈমান বা বিশ্বাস)
২. الايمان بالملائكة (ফিরিশ্‌তাতে বিশ্বাস)
৩. الايمان بالكتب (আসমানী কিতাবাদিতে বিশ্বাস)
৪. الايمان بالرسل (রসূলগণে বিশ্বাস)
৫.الايمان باليوم الاخر (শেষ দিবসে বিশ্বাস)
৬.الايمان بالقدر (অদৃষ্টে বিশ্বাস) এবং
৭. الايمان بالبعث بعد الموت (মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত ও উত্থিত হওয়ায় বিশ্বাস)

আল্লাহ্‌ আমাদের সঠিক বুঝার তৌফিক দান করুন।

৪| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:১৪

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: অনেক কিছুই আছে যা কোরআন হাদিসের বাণী নয়।

৫| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫০

চাঁদগাজী বলেছেন:


আরবেরা সব সময় পেছনে-পড়া মানুষ ছিলো, বেদুইনদের পড়ালেখা ছিলো না; ওদেরকে অনুসরণ করছে বেকুবেরা

৬| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫১

চাঁদগাজী বলেছেন:



আরবের বেদুইনরা আগেও পেছনের সারির মানুষ ছিলো, আজকের বিশ্বেও ওরা পেছনে; আমাদের দেশের বেকুবেরা আরবদের শিষ্য

৭| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৪

একাল-সেকাল বলেছেন:
পশ্চিমা দুনিয়ায় MBS খ্যাত মোহাম্মদ বিন সালমান আরবদের কে এখন নিচে নামানোর ব্যবস্থা করছেন। আর তারাও নিচে নামার জন্য প্রস্তত।

৮| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:২৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সত্যিইকি তাই?

আঠার হাজার মাখলুক আবিষ্কৃত হয়েছে?

প্রজাতি হিসেবটা কোন ধরনের? চড়ুই, কবুতর, বাজ, কাক, ময়ূর আলাদা আলাদা? না পাখি গোত্রে সব মিলেয়েএকটি?
ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া নিয়েও দেখলাম প্রতিটির ভিন্ন ভিন্ন বহু নাম। -
জীব জগতের এমন তালিকা আছে কি? শেয়ারের বিনীত অনুরোধ রইলো।

আর একটা বিষয়ে বিনিত আরজি রইলো- এখন একটা গ্রুপ খুব এক্টিভ। ইসলামের প্রচলিত বো এবং বিশ্বাস গুলো ভেঙ্গে দিতে তারা খুব তৎপর। এমনকি সেই গ্রুপের একদল এমন্ও দাবী করে- কলেমা- শুধু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়লেই হবে!!!!!
মোহাম্মদ রাসূল আল্লাহ সা: নাকি বলা যাবে না!!!!!!!!!!!!! তাতে নাকি শিরক হয়!!!!!!!!!!!!!!!!!!

তাই সাধু সাবধান! ;)

৯| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৪৯

:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: আল্লাহু আমাদের সঠিক বুঝদান করুক ।

১০| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৭:১৪

সুপারডুপার বলেছেন:



পড়তে মন না চাইলেও, লাইব্রেরিতে গেলে সবাইকে পড়তে দেখে, পড়তে মন চায়। তেমনি ধর্ম মানতে মন না চাইলেও, ধার্মিকদের দলবদ্ধ হওয়ার জায়গায় বা মসজিদ, মন্দির ,গীর্জা, সিনাগগ ইত্যাদিতে গেলে, সবাইকে ধার্মিক বিশ্বাসে দেখে ধর্মেই থাকতে মন চায়। মানুষের মনটাই এইরকমভাবে প্রভাবিত হয় । এই প্রভাব আরো তুঙ্গে ওঠে, যখন যাওয়া হয় হজের মতন কোনো তীর্থযাত্রায় যেখানে মিলিয়ন মানুষ একত্র হয়। এই জন্য তীর্থযাত্রায় তীর্থযাত্রীর মনে হয় সে কোনো অলৌকিক অনুভূতি পেয়েছে।

দেশে পথে ঘাটে বাজারে সব জায়গায় ধর্মের আলাপ হয়। যা মানুষের মনের উপর প্রভাব ফেলে। তাই , কার্যত দেশের মানুষের মন কঠোর ভাবে ধর্ম মানতে না চাইলেও, ধর্ম নিয়ে থাকবে। সেক্ষেত্রে ধর্মীয় গ্রন্থগুলো থেকে যত গোঁজামিল দূর হয় ততই মঙ্গল। মানুষ তখন কিছুটা হলেও ভ্রান্ত ও ক্ষতিকর তথ্য, ধারণা, সংস্কার ও বিশ্বাস থেকে দূরে থেকে জীবনে উন্নতি ও সমৃদ্ধি আনতে পারবে।

আঠারো হাজার মাখলুকাতের মতন আরো ভ্রান্ত বিশ্বাস দূর হোক !

১১| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:২৩

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আল্লাহ আমাদের এসব জাল হাদীস থেকে বাঁচান তাই প্রার্থনা

১২| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:০৮

ইমরান আশফাক বলেছেন: গুরুত্বপূর্ন তথ্য, আপনাকে ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.