নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলহামদুলিল্লাহ। যা চাইনি তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন প্রিয়তম রব। যা পাইনি তার জন্য আফসোস নেই। সিজদাবনত শুকরিয়া। প্রত্যাশার একটি ঘর এখনও ফাঁকা কি না জানা নেই, তাঁর কাছে নি:শর্ত ক্ষমা আশা করেছিলাম। তিনি দয়া করে যদি দিতেন, শুন্য সেই ঘরটিও পূর্নতা পেত!

নতুন নকিব

যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।

নতুন নকিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

চীনে হাজার হাজার মসজিদ ধ্বংস, ১০ লক্ষাধিক মুসলিমকে ধর্মত্যাগে বাধ্যকরণঃ

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১০:২১

বুলড্রোজার দিয়ে একটি মসজিদ ভাঙ্গার দৃশ্য, ছবি সূত্রঃ বুলডোজার দিয়ে মসজিদ ভাঙছে চীন

চীনে হাজার হাজার মসজিদ ধ্বংস, ১০ লক্ষাধিক মুসলিমকে ধর্মত্যাগে বাধ্যকরণঃ

শিনজিয়াং প্রদেশের হাজার হাজার মসজিদ একেবারে গুঁড়িয়ে বা ক্ষতিগ্রস্থ করে দিয়েছে চীন। সেইসঙ্গে প্রায় ১০ লক্ষ মুসলিমকে জোরপূর্বক তাদের ধর্মীয় আচার পালন ত্যাগ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউটের (এএসপিআই) রিপোর্টে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।

স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত ছবি বিশ্লেষণ করে এএসপিআই রিপোর্ট বলছে, গত তিন বছরে প্রায় ১৬ হাজার মসজিদ পুরোপুরি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্থ করে দিয়েছে চীন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিনজিয়াংয়ে মসজিদের সংখ্যা ছিল প্রায় ২৪ হাজারের বেশি। এর মধ্যে ৮৫০০ মসজিদ পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট ১৫ হাজারের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্থ করে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, এসব মসজিদ পুরোপুরি ধ্বংস করে না দিলেও মিনার ও গম্বুজ ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে।

চীন সরকার উইঘুর মুসলিমদের এসব ধর্মীয় স্থাপনা সুরক্ষিত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

ঐ প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, উইঘুর মুসলিম ও তুর্কিভাষী ১০ লাখের বেশি মুসলিমকে রাখা হয়েছে বন্দিশিবিরে। এসব মুসলিমদের জোর করে ধর্মীয় কাজকর্ম ও ঐতিহ্য ত্যাগ করতে বাধ্য করা হচ্ছে।

রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, উইঘুরদের ধর্মীয় স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলেও খ্রিস্টানদের গীর্জা এবং বৌদ্ধ মন্দিরের কোনওটিই ক্ষতিগ্রস্থ বা ধ্বংস হয়ে যায়নি।

এএসপিআই'র তাদের প্রতিবেদনে আরো জানিয়েছে, শিনজিয়াংয়ে মুসলিমদের এক তৃতীয়াংশ ধর্মীয়স্থান- মাজার, কবর ও তীর্থের পথ মুছে দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকক পোষ্ট, গার্ডিয়ান, এপি,



নির্যাতিত উইঘুর মুসলিমদের পাশে নেই আরব দেশগুলো, ফেরত পাঠানো হচ্ছে চীনেঃ

নির্যাতিত উইঘুর মুসলিমদের পাশে নেই তাদের স্বজাতি আরব দেশগুলো। তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়ানোর পরিবর্তে বরং কোনো চাইনিজ মুসলিমকে আশ্রয় কিংবা সামান্য সহযোগিতা না করে তাদেরকে ধরে ধরে ফেরত পাঠানো হচ্ছে চীনে। এর কারণ হচ্ছে, আরব দেশগুলো উদীয়মান পরাশক্তি চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে অধিক মনোযোগী। উইঘুর মুসলিমগণের বাঁচা মরা তাদের কাছে নিতান্তই গৌণ এক্ষেত্রে। এ কারণে আরব দেশগুলো এখন চীনের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের পদক্ষেপ হিসেবে পালিয়ে আসা অভিবাসী প্রত্যাশী উইঘুর মুসলিমদের গ্রেপ্তার করে চীনে ফেরত পাঠাতে শুরু করেছে। অবশ্য এসব অভিযোগ বরাবরের মতই প্রত্যাখ্যান করেছে আরব দেশগুলো এবং চীন।

জানা গেছে, বেইজিংয়ের সঙ্গে মিলে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিসরসহ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলো অনেক উইঘুর শিক্ষার্থী ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিদের হয়রানি করছে। এক উইঘুর নারীর অভিযোগ, নিজের স্বামীকে পাঁচ বছর ধরে দেখছেন না তিনি। সৌদি আরবে হজ পালনের সময় গ্রেপ্তার করে তার স্বামীকে চীনে ফেরত পাঠানো হয়।

বর্তমানে তুরস্কে অবস্থান করা ওই নারী বলেছেন, আমাদের সন্তানেরা পিতৃহীন হয়ে পড়েছেন। আমরা নিজ থেকেই এখানে চলে এসেছি। চীন সরকার ২০১৪ সাল থেকে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জিনজিয়াং প্রদেশে স্বাধীনতাকামী উইঘুর মুসলিমদের ওপর নিপীড়নমূলক অভিযান চালিয়ে আসছে। কিরগিজস্তান, কাজাখস্তান ও মঙ্গোলিয়া সীমান্তঘেঁষা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলটি ১৯৪৯ সাল থেকে চীনের নিয়ন্ত্রণে।



বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জিনজিয়াং প্রদেশে প্রায় ১ কোটি উইঘুর মুসলমানের বসবাস। সেখানে তাদের আধিপত্য টেনে ধরতে চীন সরকার আদিবাসী চাইনিজ হান জাতিগোষ্ঠীর বসতি বাড়াচ্ছে। ফলে দিন দিন সংখ্যালঘুতে পরিণত হচ্ছে উইঘুররা।

অনেকের দাবি, অন্তত ১০ লাখ উইঘুরকে চীনের বিভিন্ন বন্দিশালায় আটক করে রাখা হয়েছে। তাদের ওপর নানা ধরনের নির্যাতন করা হচ্ছে বলে অনেক অধিকার সংস্থার দাবি। এমন অবস্থায় অনেক উইঘুর মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। এখন এসব আরব দেশেও তাদের স্বস্তি মিলছে না।

মধ্য প্রাচ্যের উইঘুরদের নিয়ে কাজ করা উইঘুর অধিকারকর্মী আব্দওয়েলি আয়ুপ বিবিসিকে বলেছেন, তিনি এমন পাঁচজন উইঘুরের খবর পেয়েছেন তাদের সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ তাদের চীনে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন বলে জানান আয়ুপ।

এদিকে, চীনের অনুরোধের প্রেক্ষিতে মিসর সম্প্রতি আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা অন্তত ১২ জন উইঘুর শিক্ষার্থীদের দেশে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে এবং কয়েক ডজন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও এ ধরনের খবর পাওয়া গেছে। সূত্র : বিবিসি।



সূত্রঃ Thousands of Xinjiang mosques destroyed or damaged, report finds

Thousands of mosques demolished in Xinjiang

Nearly 16,000 mosques destroyed in Xinjiang by China: Australian think tank

China accused of demolishing thousands of mosques to ‘erase’ Uighur culture

Cultural erasure

China demolished around 16,000 mosques in recent years: Report

8,500 mosques demolished in Xinjiang in past 3 years: report

China Razed Thousands of Xinjiang Mosques in Assimilation Push, Report Says

China demolished thousands of mosques in .. Read more at: Click This Link

চীনে মসজিদ ভাঙ্গার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে মুসলিমরা

চীনে হাজার হাজার মসজিদ ধ্বংস, ১০ লক্ষ মুসলিমকে 'ধর্মত্যাগ'

'হাজার হাজার মসজিদ গুঁড়িয়ে দিয়েছে তারা'

বুলডোজার দিয়ে মসজিদ ভাঙছে চীন

জিনজিয়াংয়ে কয়েক হাজার মসজিদ ধ্বংসের বিষয়ে যা বলল চীন

চীনের নিংজিয়া এলাকায় মধ্যপ্রাচ্যের আদলে তৈরি করা নবনির্মিত ওয়েইজু গ্র্যান্ড মসজিদটি তৈরিতে যথাযথ অনুমোদন না নেয়ার অযুহাতে ভেঙ্গে দেয়ার ঘোষনায় মসজিদটিকে ভেঙ্গে দেবার হাত থেকে রক্ষা করতে শতশত মুসলমান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। ১০ অগাস্ট ২০১৮ ইং তারিখ এই সংবাদটি প্রকাশিত হয় বিবিসি অনলাইনে। পরবর্তীতে এই মসজিদ এবং এর মুসল্লিদের ভাগ্য কোন দিকে মোড় নিয়েছে, চীনের কট্টরপন্থী কমিউনিস্ট শাসকদের নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ার এই দুঃসময়ে তা আর জানা সম্ভব হয়নি।

হয়তো সুদর্শন এই মসজিদটিও গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে! হয়তো এর নির্মাতা, রক্ষনাবেক্ষনকারী এবং মুসল্লিদেরও ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ডিটেনশন ক্যাম্পে!

দুর্দমনীয় চায়নিজদের থামাবে কে? ওদের এই অব্যাহত অত্যাচার, অপরিমেয় জুলূম এবং সীমাহীন বাড়-বাড়ন্তর লাগাম টেনে ধরার এই পৃথিবীতে কি কেউই নেই? কেউ নেই? কেহই নেই?

মন্তব্য ৩৩ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৩৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনার জন্য পদ্মাসেতু গড়ছে, আপনি গাড়ী চালায়ে বরিশাল গিয়ে আমড়া খেয়ে আসতে পারবেন।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:০৪

নতুন নকিব বলেছেন:



ভালো কথা বলেছেন। তবে আমড়া খেতে গেলে আপনাকে সাথে নিয়ে যেতে পারলে আনন্দটা বেশি উপভোগ্য হয়ে উঠবে। বরিশালের আমড়া অনেক মজার। অবশেষে পদ্মা সেতু হয়েই যাচ্ছে দেখে আপনি বিষন্ন? না হলে চাইনাদের মসজিদ ভাঙ্গার এই পোস্টে পদ্মা সেতু পেরিয়ে আমড়া খাওয়ার কথা বললেন কেন?

২| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:



তুরস্কে প্রাচীন গির্জাকে মসজিদ বানায়েছে, সেটা আল্লাহের কেরামত, চীনে আল্লাহের ঘর ভাংছে, ইহা কিসের আলামত?

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:১০

নতুন নকিব বলেছেন:



মহোদয়, আশপাশে নাড়কেলের শলাটলা থাকলে ভালো করে কান পরিষ্কার করে নিন, তারপরে খেয়াল করে শুনুন, তুরস্কে হায়া সোফিয়াকে মসজিদ বানানোর ঘটনা আজকের নয়, শত শত বছর আগের এবং সেটাকে মসজিদ বানানো হয়েছে সেই স্থাপনাসহ ভূমিটি ক্রয় করে নেয়ার পরে। আপনি ইতিহাস না জেনে অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়তে অভ্যস্ত।

কিছু মনে করবেন না প্রিয় চাঁদগাজী ভাই, আপনার কথাবার্তায় মনে হচ্ছে, মসজিদ ধ্বংসের ঘটনায় আপনি আনন্দিত। বিনয়ের সাথে জানতে ইচ্ছে করে, আপনি সত্যি সত্যি নিজেকে মসজিদ ভাঙ্গার পক্ষের লোক ভাবেন?

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:১৩

নতুন নকিব বলেছেন:



ইচ্ছে করলে আমার পুরনো পোস্টটি দেখে আসতে পারেন- আয়া সোফিয়াকে লইয়া মায়াকান্নার সুযোগ নাই....

৩| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:২০

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: যতদিন না মধ্যপ্রাচ্যের রাজাবাদশারা ৪/৫টা বিয়ে করা আর কুড়ি কুড়ি সন্তান পয়দা করা বাদদিয়ে জ্ঞান বিজ্ঞান এবং মুসলিমদের ইউনিটি নিয়ে কাজ করবেনা ততদিন মুসলিমদের কোন উন্নতিও হবেনা।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৩৩

নতুন নকিব বলেছেন:



ঠিক বলেছেন। আসলে বাস্তব অবস্থাটা আমাদের বুঝে নিতে হবে। আমাদের বোধ জ্ঞান কম হওয়ায় আমরা অনেক কিছু সহজেই বুঝতে পারি না। আবার অনেক কিছু বুঝেও না বোঝার ভান করি। আমাদেরকে নিয়ে সত্যিই মুসিবত! আমাদেরই মুসিবত! আমাদেরই বিপদ!

ব্যাপার হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের রাজা বাদশাহগণ অত্যন্ত ভালো মানুষ। তারা আগেকার দিনের কিংবদন্তী কিছু রাজা বাদশাহ এবং শাসকদের মত বোকা(!) নন যে, নিজে না খেয়ে অন্যের মুখে খাবার তুলে দেয়ার মত বোকামি করবেন। নিজে রাস্তায় থেকে প্রজাদের ঘর তুলে দিবেন। নিজের অভাব গোপন করে দেশের মানুষের কষ্ট দুঃখ মোচন করবেন।

অবশ্য এমনিতে এদের বেশিরভাগ বেশ প্রজাবৎসল। ন্যায় ইনসাফের জীবন্ত কিংবদন্তী। প্রেম-ভালোবাসা আর হৃদ্যতার অথৈ আধার। তারা বিলাশবহুল এসি গাড়িতে চলেন। থাকেন অচিন্ত্যনীয় আরাম আয়েশের সকল বন্দোবস্ত সমৃদ্ধ চোখ ধাঁধানো আধুনিক নির্মাণ সৌকর্য্যে বিকশিত রাজপ্রাসাদে। এসির বাইরে জীবনে কখনো উঁকি দিয়ে দেখেন না, বাইরের প্রাকৃতিক আবহাওয়া যদি তাদের চেহারার সৌন্দর্য্য বিনষ্ট করে দেয়!

তারা বউ বলতে অন্তঃপ্রাণ। বউদের সেবায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করতেও দ্বিধাবোধ করেন না। ব্যস্ত সময় কাটান তাই গন্ডায় গন্ডায় বউয়ের খেদমতে-সোহবতে-সাহচর্য্যে। আর তারা সন্তানের প্রতি ব্যাপক মায়াশীল। তাই বউদের ঘেরাটোপে থেকে, কুড়ি কুড়ি সন্তান নিয়ে সময় কাটানোর পরে আর জ্ঞান-বিজ্ঞান এবং মুসলিমদের ইউনিটি নিয়ে কাজ করার সময় তাদের কোথায়? তাদের প্রতি আমাদের সবিশেষ শ্রদ্ধা আর অশেষ শুভকামনা।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৩৪

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ দেয়া হয়নি আপনাকে। সে জন্য আবার উত্তরে আসা। ভালো থাকবেন।

৪| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:৪১

রাশিয়া বলেছেন: এই বুড়া পন্ডিত নামের গন্ডমূর্খের উজবুকের মত মন্তব্য আমলে নেবেন না আশা করি। মসজিদ ভাঙ্গার ইতিহাস বিশ্বে নতুন নয় - এর আগে অনেকেই মসজিদ ও কুরআনের অবমাননা করেছে। তারা কেউই এখন আর টিকে নেই - এখন যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে জুলুম করছে - তারাও টিকবেনা।

চীন, ভারত, আমেরিকা, রাশিয়া - এইসব শক্তিশালী অমুসলিম দেশগুলো সারা বিশ্বকে একটাই বার্তা দিচ্ছে - মুসলিমদের রক্ষার জন্য এই দুনিয়াতে আল্লাহ্‌ ছাড়া আর কেউ নেই। কিন্তু আল্লাহ্‌ সরাসরি তাদের উপর গজব নাজিল করবেন না, কেননা জালিমরাও আল্লাহরই বান্দা - তার স্বীকার করুক বা না করুক। আল্লাহ্‌ সব বান্দাদের প্রতিই সমান দায়িত্বশীল। আজীজুল হাকীম।

চীনের বোঝা উচিত, জোর করে অন্য ধর্মাবলম্বীদেরকে ধর্মত্যাগ করানো যায়, কিন্তু মুসলিমদেরকে নয়। স্পেনের স্বৈরাচারি রাজা ফার্দিনান্দ সে দেশের ১০ লাখ মুসলিম ও ৫ লাখ ইহুদীকে জোর করে ধর্মান্তরিত বা দেশত্যাগে বাধ্য করেছিল - এদের সহায়তায়ই পরবর্তীতে অটোমান ও সেলজুক সাম্রাজ্য শক্তিশালী হয়েছিল। উইঘুরেরা রোহিঙ্গাদের মত অপদার্থ নয়। এরা ব্যাপকভাবে অন্য কোন দেশে মাইগ্রেট করলে অনেক এ্যাগ্রেসিভলি সব কিছু নিয়ন্ত্রণে নিতে পারবে।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৪৩

নতুন নকিব বলেছেন:



এই বুড়া পন্ডিত নামের গন্ডমূর্খের উজবুকের মত মন্তব্য আমলে নেবেন না আশা করি।

-ধন্যবাদ। আসলে তিনি এমনই। একটু খোঁচা দেয়া তার অভ্যাস। আমরাও দিই। বস্তুতঃ তার সাথে আমার গভীর আন্তরিকতা। এই যেমন, তাকে ব্লগে না দেখে কেমন একটা অস্থিরতা অনুভব করেছি আজ সকালে। তারপরেই তিনি এসেছেন।

তিনি বয়স্ক ব্যক্তি। শারিরীকভাবে কিছুটা অসুস্থ ইদানিং। তার সার্বিক সুস্থতা এবং কল্যান কামনা করি। আপনার কাছেও একই আবেদন।

মসজিদ ভাঙ্গার ইতিহাস বিশ্বে নতুন নয় - এর আগে অনেকেই মসজিদ ও কুরআনের অবমাননা করেছে। তারা কেউই এখন আর টিকে নেই - এখন যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে জুলুম করছে - তারাও টিকবেনা।

-সঠিক বলেছেন। অত্যাচারীরা কখনো টিকে থাকে না। এটা চিরন্তন সত্য।

চীন, ভারত, আমেরিকা, রাশিয়া - এইসব শক্তিশালী অমুসলিম দেশগুলো সারা বিশ্বকে একটাই বার্তা দিচ্ছে - মুসলিমদের রক্ষার জন্য এই দুনিয়াতে আল্লাহ্‌ ছাড়া আর কেউ নেই। কিন্তু আল্লাহ্‌ সরাসরি তাদের উপর গজব নাজিল করবেন না, কেননা জালিমরাও আল্লাহরই বান্দা - তার স্বীকার করুক বা না করুক। আল্লাহ্‌ সব বান্দাদের প্রতিই সমান দায়িত্বশীল। আজীজুল হাকীম।

চীনের বোঝা উচিত, জোর করে অন্য ধর্মাবলম্বীদেরকে ধর্মত্যাগ করানো যায়, কিন্তু মুসলিমদেরকে নয়। স্পেনের স্বৈরাচারি রাজা ফার্দিনান্দ সে দেশের ১০ লাখ মুসলিম ও ৫ লাখ ইহুদীকে জোর করে ধর্মান্তরিত বা দেশত্যাগে বাধ্য করেছিল - এদের সহায়তায়ই পরবর্তীতে অটোমান ও সেলজুক সাম্রাজ্য শক্তিশালী হয়েছিল। উইঘুরেরা রোহিঙ্গাদের মত অপদার্থ নয়। এরা ব্যাপকভাবে অন্য কোন দেশে মাইগ্রেট করলে অনেক এ্যাগ্রেসিভলি সব কিছু নিয়ন্ত্রণে নিতে পারবে।


-সুন্দর বলেছেন। অনেক অনেক শুকরিয়া।

আপনার কমেন্টগুলো অর্থপূর্ণ, শিক্ষনীয় এবং অনুধাবনযোগ্য হওয়ায় মনযোগ দিয়ে দেখি।

৫| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:৫৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



উইঘুরদের মানুষ থেকে দাস-রোবটে পরিণত করছে চীনা সরকার, ৪৬টি মুসলিম দেশ নীরব, সাথে সাথে চীন পাকীদের সবচেয়ে বড় বন্ধু, বাংগালীদের জেঠা।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৪৬

নতুন নকিব বলেছেন:



৪৬ কিংবা ৬৪ নিয়ে কথা নয়। কথা হচ্ছে, মানবতা দিনকে দিন বিদায় নিচ্ছে পৃথিবী থেকে। কে যে কার বন্ধু এগুলো বুঝতে হলে গভীর পর্যবেক্ষন প্রয়োজন, এসব বহু বিষয়ের বিশাল সমিকরণ!

৬| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:৫৭

নীল আকাশ বলেছেন: সরা বিশ্বে মুসলিমদের এই দুরাবস্থার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের বিশেষ করে সৌদী আরবের হারামাজাদা, নিমকহারাম, ইয়াহুদীদের চর সৌদি রাজবংশ দায়ী। এরা আছে নিজেদের ক্ষমতায় থাকা নিয়ে। আর ওয়াহাবী মতবাদ প্রচার নিয়ে।

০৫ ই অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:২৮

নতুন নকিব বলেছেন:



বিশ্বজুড়ে মুসলিম জাতির চলমান অপমান, অপদস্ততা, নির্যাতন, নিপীড়ন আর ব্যাপক অধঃপতনের পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর বিলাসিতায় গা ভাসিয়ে দেয়া শাসক বাদশাহগণের ভূমিকা অনেক। শ্রদ্ধায় তাদের পা ছুঁয়ে সালাম করতে ইচ্ছে হয়! মিয়ানমারের আরাকানের রোহিঙ্গা, চীনের উইঘুর, ইসরাইলের উৎপীড়নে বাস্তুহীন ফিলিস্তিনি, ভারতের অত্যাচারে জর্জরিত কাশ্মিরীসহ বিশ্বময় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা দেশহারা, বাস্তুহারা নিপীড়িত, নির্যাতিত হাজারো লাখো মুসলিম প্রতিনিয়ত নিজেদের অতি সামান্য জীবন বিসর্জন দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এসব রাজা বাদশাহগণের অপরিমেয় সেই ঋণের কিছুটা বোধ হয় শোধ করে যাচ্ছেন।

৭| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:০৭

নতুন বলেছেন: ক্ষমতায় যারা আছে তারা রাজনিতি করে। সৌদি বা অন্য দেশের মুসলমান নেতারা রাজনিতি করছে ধর্ম নিয়ে তাদের মাথা ব্যাথা নাই। তাই কেউই অন্য মানুষের কস্টের দিকে তাকায় না।

০৫ ই অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:৩০

নতুন নকিব বলেছেন:



ঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ।

৮| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:




লেখক বলেছেন, "ভালো কথা বলেছেন। তবে আমড়া খেতে গেলে আপনাকে সাথে নিয়ে যেতে পারলে আনন্দটা বেশি উপভোগ্য হয়ে উঠবে। বরিশালের আমড়া অনেক মজার। অবশেষে পদ্মা সেতু হয়েই যাচ্ছে দেখে আপনি বিষন্ন? না হলে চাইনাদের মসজিদ ভাঙ্গার এই পোস্টে পদ্মা সেতু পেরিয়ে আমড়া খাওয়ার কথা বললেন কেন? "

-আপনার জন্য সেতু বানাচ্ছে চীনা, একই সাথে উহারা উইঘুরদের জন্য সেই টাকায় জেলেকারখানা বানাচ্ছে।

০৫ ই অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:৩১

নতুন নকিব বলেছেন:



আমড়া খেতে বরিশাল কবে যাবেন সেটা বলেন। বরিশাল যাবেন, না কি চীন ঘুরে আসবেন? চলেন, আমরা দুই ভাই মিলে চীনে একটা সফর করে আসি। কমিউনিস্ট চীনটা দেখা হয়নি। আপনার সুবাদে দেখে আসি।

৯| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৫৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



তুরস্ক, আজারবাইজান, আফগানিস্তান, উজবেকিস্তান, কাজাখিস্তানের উচিত উইঘুরদের চীন থেকে নিয়ে আসা।

০৫ ই অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:৩৩

নতুন নকিব বলেছেন:



কারণ কি? উইঘুররা তাদের মাতৃভূমির অধিকার কেন পাবে না? নিজ দেশ ছেড়ে তারাও কি উদ্বাস্তুতে পরিনত হবে?

০৫ ই অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:৩৫

নতুন নকিব বলেছেন:



এটা আপনার ভুল ধারণা। বিশ্বের বর্তমান উদ্বাস্তুর সংখ্যা জানেন? বিদ্যমান উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনের পাশাপাশি আর একজন মানুষও যেন উদ্বাস্তুতে পরিণত না হয় সেটাই হওয়া উচিত একমাত্র লক্ষ্য।

১০| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:১১

আমি সাজিদ বলেছেন: চাঁদগাজী সাহেবের প্রথম কমেন্টটা পড়ে এখনও হাসতেই আছি।

০৫ ই অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:৫১

নতুন নকিব বলেছেন:



তার কমেন্ট শক্ত হলেও মাঝেমাঝে রসবোধ থাকে তাতে। তবে যাই হোক, আপনি হাসতে পেরেছেন, এটাতেই আনন্দিত। হাসুন, আরেকটু হেসে নিন, প্লিজ। সুস্থতার জন্য, সুস্বাস্থ্যের জন্য হাসি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

১১| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:২০

রাজীব নুর বলেছেন: দুঃখজনক ঘটনা।
আমার খুব খারাপ লাগছে। এখন চীনের দেখা দেখি অন্য দেশ এরকম শুরু না করলেই হলো।

০৫ ই অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:৫৩

নতুন নকিব বলেছেন:



চিন্তার কারণ নেই, রাশিয়া আগেই এই কাজ সেরে নিয়েছে। ইতিহাস সাক্ষি। তারাও ইতোপূর্বে অসংখ্য মসজিদ মাদরাসা ধ্বংসের নায়ক। চাইনিজরা নতুন হালে উঠেছে।

১২| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:৪৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: সব ভালো যার শেষ ভালো। মুসলমানদের বুঝতে হবে যে মুসলমানরা শুধু ইহকালের চিন্তা করে না। তাই উইঘরের মুসলমানেরা যত নির্যাতিতই হোক পরিণামে ওরাই বিজয়ী। কিন্তু আমরা ওদের সাহায্য করতে পারছি না বিভিন্ন কারণে। এটা মুসলমানদের একতার অভাবের কারণে। ওদের পাশে দাঁড়ানো উচিত ছিল আমাদের। মুসলমান হিসাবে না হোক অন্তত মানুষ হিসাবে এই মানুষগুলির প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়া উচিত সারা বিশ্বের মানুষের। তারা মুসলমান বলে কি সাহায্য করা যাবে না। ইসলামে অন্য ধর্মের কারও হক নষ্ট করলে সেই বিধর্মীর পক্ষ নিতে বলা হয়েছে ন্যায়বান শাসকদেরকে। মজলুমের ধর্ম কি সেটা বড় বিষয় না। আরবদের তেলের অহংকার মুসলিম উম্মার স্বার্থের বিপরীতে কাজ করছে। আরব বাদশাহ আর শেখরা স্বার্থের কারণে মুনাফিকি খেলা খেলছে সারা বিশ্বের মুসলমানদের সাথে। সারা বিশ্বে কোনও একক নেতা দেখা যাচ্ছে না যে মুসলমানদের একত্র করবে। চীন যা করছে উইঘরে, পশ্চিমারাও এতটা নির্যাতন নিরিহ মুসলমানদের উপর করে নি নিকট অতীতে (প্যালেস্টাইন হয়তো ব্যতিক্রম)। এখনই চীনকে না ঠেকালে ভবিষ্যতে এই চীন অন্যান্য পশ্চিমের দেশের জন্যও বিপদ হয়ে দাঁড়াবে (অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বিভিন্ন কারণে)।

১৩| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৩:৪৫

নেওয়াজ আলি বলেছেন: এমরান চাচা সব মুসলিম নিয়ে বললেও চীন নিয়ে কম কম বলে । আমরা গরিব মানুষ ভাত খাই আর ঘুম যাই এইটা ভালো

১৪| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


@নীল আকাশ,
আপনি বলেছেন, " সরা বিশ্বে মুসলিমদের এই দুরাবস্থার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের বিশেষ করে সৌদী আরবের হারামাজাদা, নিমকহারাম, ইয়াহুদীদের চর সৌদি রাজবংশ দায়ী। এরা আছে নিজেদের ক্ষমতায় থাকা নিয়ে। আর ওয়াহাবী মতবাদ প্রচার নিয়ে। "

-আপনার এই বিশ্ব রাজনৈতিক প্রজ্ঞা কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন, সৌদীরা কিভাবে চীনাদের কাজের জন্য দায়ী?

১৫| ০৫ ই অক্টোবর, ২০২০ রাত ১:১৬

নূর আলম হিরণ বলেছেন: চীনারা আসলে মানুষের কাতারে পড়ে না। এরা ব্যবসা ছাড়া আর কিছুই বুঝে না।

১৬| ০৫ ই অক্টোবর, ২০২০ রাত ৩:২৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: চাঁদগাজী বলেছেন:তুরস্কে প্রাচীন গির্জাকে মসজিদ বানায়েছে...... সারাজীবন বিরোধিতা করার পর এখন হঠাৎ চীনা পন্হী সাজলেন কেনো?
প্রাণ ভয়ে এ্যামেরিকা থেকে চীনে যেতে চাচ্ছেন নাকি?

১৭| ০৫ ই অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৭:০২

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: আল্লাহর ঘর আল্লাহই রক্ষা করবেন। মানুষের করার কিছুই নাই।

১৮| ০৫ ই অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৮:০৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আধুনিকতার মোড়কে মোড়া মধ্যযুগীয় বর্বর দেশ চীন। এই মুহূর্তে বিশ্ব মানবতার শত্রু। ওরা পারে না হেন কেন কোন কাজ নেই।

১৯| ০৫ ই অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:২৭

রাজীব নুর বলেছেন: ধরুন সারা বিশ্বে কোনো মসজিদ নেই, মন্দির নেই, তাহলে বিশ্ববাসীর কি ক্ষতি হবে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.