নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলহামদুলিল্লাহ। যা চাইনি তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন প্রিয়তম রব। যা পাইনি তার জন্য আফসোস নেই। সিজদাবনত শুকরিয়া। প্রত্যাশার একটি ঘর এখনও ফাঁকা কি না জানা নেই, তাঁর কাছে নি:শর্ত ক্ষমা আশা করেছিলাম। তিনি দয়া করে যদি দিতেন, শুন্য সেই ঘরটিও পূর্নতা পেত!

নতুন নকিব

যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।

নতুন নকিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

ফিলিস্তিন, ফিলিস্তিন!

২১ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১২:২৫

ফিলিস্তিন, ফিলিস্তিন!

ছবি অন্তর্জাল থেকে সংগৃহিত।

ফিলিস্তিন, ফিলিস্তিন!
আর কত তুমি রক্ত দিবে, আর কত তোমার কাটবে এমন রক্ত ভেজা দিন?
আর কত তোমার মায়ের কোল হতে কেড়ে নিবে শিশুর প্রাণ?
আর কত তোমার তরুনী অকালে জান্নাতের পাবে ঘ্রাণ?
আর কত রক্ত? আর কত শব? আর কত প্রাণ নিবে কেড়ে?
আর কত তোমার সন্তান ওরা শেষ করবে মেরে মেরে?
আর কত লাশ? আর কত ব্যথা? আর কত কত হাহাকার?
আর কত তোমার আকাশে উঠবে ধোঁয়া, জ্বালিয়ে অগ্নিসংহার?

ফিলিস্তিন, ফিলিস্তিন!
আর কত তুমি রক্ত দিবে, রমজানেও কাটছে তোমার রক্তে ভেজা দিন।
তোমার মাটি আজ রক্তে রাঙা, রক্তগঙ্গা বইছে তোমার অঙ্গে,
তোমার বাতাসে বারুদের গন্ধ, তুমি লড়ে যাও মৃত্যুর সঙ্গে।
তোমার আকাশে মিশে আছে শুধুই মাতৃ-শিশুর কান্না,
তোমার ঘরে ঘরে শোকের ছায়া, উনুনেও হয় শোক রান্না।
তোমার আকাশে আজ শোনা যায় শুধুই আহাজারির গান,
তবুও তুমি দাঁড়িয়ে আছো, অটল, অবিচল, দৃপ্তপদ এক প্রাণ।

ফিলিস্তিন, ফিলিস্তিন!
তোমার প্রতিটি পাথর আজ এক একটি সাক্ষী,
তোমার প্রতিটি ধূলিকণা আজ এক একটি প্রতিজ্ঞা।
তোমার শিশুরা আজও হাসে, তোমার মায়েরা আজও আশা রাখে,
তোমার যুবকেরা আজও লড়াই করে, তোমার বোনেরা আজও স্বপ্ন বোনে।

তোমার প্রতিটি প্রাণ আজ এক একটি মশাল,
তোমার প্রতিটি শব্দ আজ এক একটি সংগ্রামের মন্ত্র।
ফিলিস্তিন, ফিলিস্তিন!
তোমার রক্তে লেখা ইতিহাস কেউ মুছে ফেলতে পারবে না,
তোমার সংগ্রামের গান কেউ থামিয়ে দিতে পারবে না।

তোমার আকাশে আজও উড়ে সাদা পায়রা,
তোমার মাটিতে আজও ফোটে লাল গোলাপ।
তোমার প্রতিটি প্রাণ আজ এক একটি স্বপ্নের বীজ,
তোমার প্রতিটি শব্দ আজ এক একটি বিজয়ের সুর।

ফিলিস্তিন, ফিলিস্তিন!
তোমার লড়াই শুধু তোমার নয়,
তোমার লড়াই সবার, সারা বিশ্বের।
তোমার সংগ্রাম শুধু তোমার নয়,
তোমার সংগ্রাম সবার, সারা মানবতার।

তোমার রক্তে লেখা হবে ইতিহাস,
তোমার সংগ্রামে জ্বলবে বিজয়ের আলো।
ফিলিস্তিন, ফিলিস্তিন!
তোমার আকাশে একদিন উঠবে নতুন সূর্য,
তোমার মাটিতে একদিন ফুটবে নতুন ফুল।

তোমার শিশুরা একদিন খেলবে মুক্ত আকাশে,
তোমার মায়েরা একদিন হাসবে মুক্ত বাতাসে।
তোমার সংগ্রামের ইতিহাস একদিন লেখা হবে স্বর্ণাক্ষরে,
তোমার বিজয়ের গান একদিন গাওয়া হবে সারা বিশ্বে।

ফিলিস্তিন, ফিলিস্তিন!
তোমার লড়াই শেষ হয়নি,
তোমার সংগ্রাম চলবেই।
তোমার আকাশে আজও উড়ে স্বাধীনতার পতাকা,
তোমার মাটিতে আজও জ্বলে মুক্তির মশাল।

ফিলিস্তিন, ফিলিস্তিন!
তোমার লড়াই আমাদের লড়াই,
তোমার সংগ্রাম আমাদের সংগ্রাম।
তোমার বিজয় আমাদের বিজয়,
তোমার স্বপ্ন আমাদের স্বপ্ন।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ২:৩৬

অগ্নিবাবা বলেছেন: কবিতে ভালো হয়েছে, তবে এই হাদিস অনুসারে আল্লাহ ইসরাইলকে দিয়ে এই হত্যাকান্ড করিয়ে নিচ্ছেন, আসলে আমাদের এই ক্ষুদ্র জ্ঞান দিয়ে আল্লাহকে বোঝা সম্ভব নয়। আল্লাহ এই সব নিস্পাপ শিশুদেরকে তারাতারি বেহস্তে নিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এই সব শিশুরা এখন বেহস্তে আল্লাহর বাগানে খেলা করছে।

সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩৫/ সুন্নাহ
পরিচ্ছদঃ ১৭. তাকদীর সম্পর্কে।
৪৬৩০. আবদুল্লাহ্‌ কা’নাবী (রহঃ) ……. মুসলিম ইবন জুহানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি উমার ইবন খাওাব (রাঃ)-কে এ আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেনঃ
إِذْ أَخَذَ رَبُّكَ مِنْ بَنِي آدَمَ مِنْ ظُهُورِهِمْ
অর্থাৎ স্মরণ কর! তোমার রব আদম সন্তানের পৃষ্ঠদেশ হতে তার বংশধরকে বের করেন এবং তাদের নিজেদের সম্বন্ধে স্বীকারুক্তি গ্রহণ করেন এবং বলেনঃ আমি কি তোমাদের রব নই? তারা বলেঃ নিশ্চয়ই, আমরা সাক্ষী থাকলাম। (৭ঃ১৭২)
রাবী বলেনঃ কা’নাবী এ আয়াত তিলাওয়াত করলে উমার (রাঃ) বলেনঃ একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুনি। জবাবে তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মহান আল্লাহ্‌ আদম (আ)-কে সৃষ্টি করার পর, তার পিঠকে স্বীয় ডান হাত দিয়ে মাসেহ করেন। ফলে অনেক আদম সন্তান সৃষ্টি হয়। এরপর তিনি বলেনঃ আমি এদের জান্নাতে জন্য সৃষ্টি করেছি। এরা জান্নাতীদের ন্যায় আমল করবে। এরপর আল্লাহ্‌ তার হাত দিয়ে আদমের পিঠকে মাসেহ করেন। ফলে তার আরো সন্তান সৃষ্টি হয়। তিনি বলেনঃ আমি এদের জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি। তারা জাহান্নামীদের ন্যায় আমল করবে। তখন এক ব্যক্তি বলেঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! তাহলে আমলের প্রয়োজনীয়তা কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা যখন কোন বান্দাকে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেন, তখন তিনি তাকে দিয়ে জান্নাতীদের আমল করিয়ে নেন। ফলে, সে ব্যক্তি জান্নাতীদের ন্যায় আমল করতে করতে মারা যায়। যদ্দরুন আল্লাহ্‌ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান। আর যখন তিনি কোন বান্দাকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেন, তখন তিনি তাকে দিয়ে জাহান্নামীদের ন্যায় আমল করান। ফলে সে জাহান্নামীদের ন্যায় আমল করতে করতে মারা যায়। যদ্দরুন আল্লাহ্‌ তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করান।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

২১ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৩:০৬

নতুন নকিব বলেছেন:



এই হাদিস অনুসারে আল্লাহ ইসরাইলকে দিয়ে এই হত্যাকান্ড করিয়ে নিচ্ছেন,

-কারণ কী? তাদেরকে জাহান্নামে নেওয়ার জন্য? তাদেরকে জাহান্নামে নেওয়ার পেছনে যুক্তি কী?

২| ২১ শে মার্চ, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:০১

কামাল১৮ বলেছেন: আল্লাহ ভালো জানেন।সব কিছুই তার ইচ্ছা।তিনি ভালোর জন্যই এসব করছেন।

২২ শে মার্চ, ২০২৫ সকাল ৯:৩৫

নতুন নকিব বলেছেন:



আল্লাহ সর্বজ্ঞ ও পরম করুণাময়। তিনি ভালো জানেন এবং তার ইচ্ছার বাইরে কিছুই ঘটে না—এটি বিশ্বাসীদের আকিদা। তবে এর অর্থ এই নয় যে, তিনি অন্যায়কে সমর্থন করেন বা অপরাধীদেরকে রক্ষা করেন। কুরআন বলছে:

‘তোমরা অন্যায় ও সীমালঙ্ঘনে একে অপরের সহায়তা করো না, বরং ন্যায় ও তাকওয়ার কাজে সহযোগিতা করো।’ (সূরা মায়িদা: ২)

ফিলিস্তিনে যা ঘটছে, তা অন্যায় ও জুলুম। এটি মূলত মানবজাতির স্বেচ্ছাচারিতা, স্বার্থপরতা ও ক্ষমতালিপ্সার ফল। আল্লাহ তো জালিমদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন:

‘অবশ্যই আল্লাহ জালিমদের পছন্দ করেন না।’ (সূরা আলে ইমরান: ৫৭)

যারা জুলুম করছে, তারা নিজেদের স্বাধীন ইচ্ছার অপব্যবহার করে অন্যদের অধিকার লঙ্ঘন করছে। আল্লাহ তাদের এই অন্যায়ের বিচার দিবেন—এই দুনিয়ায়, অথবা আখিরাতে নিশ্চিতভাবে। ইতিহাস সাক্ষী, অন্যায় কখনো স্থায়ী হয়নি। যারা জুলুমকে উপেক্ষা করে, তারা নৈতিকভাবে দোষী। আমাদের দায়িত্ব হলো—অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো, মজলুমের পক্ষে কণ্ঠ তোলা এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা।

৩| ২২ শে মার্চ, ২০২৫ সকাল ১১:৩০

রাজীব নুর বলেছেন: ফিলিস্তিন শেষ।
আসলে হাতে ক্ষমতা না থাকলে রাগ দেখানো বোকামি।

২২ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১২:২৩

নতুন নকিব বলেছেন:



রাগটা কে, কখন দেখালো? ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে রমজান মাসেও হামলা চালালো। ৬০০ এর বেশি মানুষ হত্যা করলো। তো রাগ দেখানোর কথা বলছেন কোন যুক্তিতে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.