| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নতুন নকিব
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।
আসুন, প্রিয় মাতৃভাষা বাংলার প্রতি একটু সদয় হই!
ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।
বাংলা ভাষার প্রতি আমাদের অবহেলা দিন দিন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এখন ভুল বানানই যেন অনেকের কাছে স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে। ফেইসবুক, ইনস্টাগ্রামসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ইউটিউবের ক্যাপশন, সংবাদপত্রের মন্তব্যের ঘর, এমনকি শিক্ষিত মানুষের লেখাতেও অহরহ বানান ও শব্দের বিকৃতি চোখে পড়ে। বাংলা ভাষায় বানান ও শব্দের বিকৃতি ব্যাপকতর হয়ে ধরা দিচ্ছে সাইনবোর্ড, ফেস্টুন কিংবা ব্যানারেও। অনেকেই মুখের ভাষা ও লেখার ভাষার পার্থক্য না বুঝে, যেভাবে উচ্চারণ করেন ঠিক সেভাবেই লিখে ফেলেন। অথচ প্রতিটি ভাষারই একটি নিজস্ব শৃঙ্খলা আছে, ব্যাকরণ আছে, রীতি আছে, সৌন্দর্য আছে। সেই সৌন্দর্য দিন দিন যেন ফিকে হয়ে আসছে।
মুখের বুলি অঞ্চলভেদে পরিবর্তিত হবেই। এটি ভাষার স্বাভাবিক বৈচিত্র্য। কিন্তু লেখার ভাষা তো একটি স্বীকৃত নিয়ম ও রীতির ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। সেখানে যার যেমন ইচ্ছা, তেমনভাবে শব্দ বিকৃত করে লেখা শুরু হলে একসময় শুদ্ধ ও অশুদ্ধের পার্থক্যই মুছে যাবে। এটি ভাষার জন্য মোটেও শুভ লক্ষণ নয়। বরং অত্যন্ত উদ্বেগজনক একটি বিষয়। উদাহরণ হিসেবে কিছু শব্দের বানান সচেতন পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরছি-
সৌজন্যতা শব্দটি অনেকেই লিখে থাকেন। অথচ এটি শুদ্ধ নয়। সঠিক শব্দ হলো সৌজন্য। এর অর্থ সুজনের আচরণ বা ভদ্র ব্যবহার। তবে সুজনতা লেখা যেতে পারে। কারণ শব্দগঠনের দিক থেকে সেটি গ্রহণযোগ্য। একইভাবে সৌন্দর্যতা শব্দটিও অশুদ্ধ। লিখতে হবে সৌন্দর্য।
সুন্দরতা বলা যায়, কিন্তু সৌন্দর্যতা নয়। ভাষাকে অযথা ভারী করার কোনো প্রয়োজন নেই। মাধুর্যতা লিখবেন না। সঠিক শব্দ মাধুর্য। তবে মধুরতা লেখা যেতে পারে। এর অর্থ মিষ্টতা বা সুমিষ্ট ভাব।
ঐক্যতা শব্দটিও ভুল। লিখবেন ঐক্য। একতা বলা যায়, কিন্তু ঐক্যতা নয়। একই অর্থ প্রকাশ করতে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় প্রত্যয় যোগ করার দরকার কী?
দৈন্যতা শব্দটিও শুদ্ধ নয়। এখানে সঠিক শব্দ হলো দীনতা। তবে দৈন্য শব্দটি আলাদাভাবে ব্যবহার করা যায়।
অনেকে গুরুত্বতা লিখে থাকেন। এটিও অপ্রয়োজনীয় ও অশুদ্ধ রূপ। সঠিক শব্দ গুরুত্ব। ভারী হওয়া থেকেই গুরুত্ব শব্দটির উৎপত্তি। তাই গুরুত্বতা লেখার প্রয়োজন পড়ে না।
সার্থকতা একটি শুদ্ধ শব্দ। কিন্তু সার্থক্য নয়। আবার বৈশিষ্ট্য ঠিক আছে, কিন্তু বৈশিষ্টতা নয়।
অভিজ্ঞতা একটি সুন্দর ও পরিপূর্ণ শব্দ। অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বলাও গ্রহণযোগ্য। কিন্তু অভিজ্ঞতাপূর্ণ লিখে বাক্যকে অযথা ভারী করে ফেলার প্রয়োজন নেই। ভাষার সৌন্দর্য অনেক সময় সংযমের মধ্যেই নিহিত থাকে।
সহমর্মিতা শুদ্ধ শব্দ। কিন্তু সহমর্মীতাপূর্ণ লিখতে গিয়ে অনেকেই বাক্যের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট করে ফেলেন। সব জায়গায় দীর্ঘ ও ভারী শব্দ ব্যবহার করলেই ভাষা মার্জিত হয় না।
নাব্যতা না লেখাই ভালো। শুধু নাব্য লিখলেই যথেষ্ট। তবে নৌযান চলাচলের উপযোগিতা বোঝাতে নাব্য শব্দটির একটি বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে, যা অন্য শব্দে পুরোপুরি প্রকাশ করা যায় না।
অনেকে আবার শিক্ষাগত যোগ্যতার জায়গায় শিক্ষাগত যোগ্যতাসমূহ লিখে বসেন। অথচ শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতা বললেই অর্থ সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পায়। সব জায়গায় বহুবচনের বাহুল্য ভাষাকে দুর্বল করে।
ভালোবাসাপূর্ণ, আন্তরিকতাপূর্ণ, সৌহার্দ্যপূর্ণ ইত্যাদি শব্দও অনেক সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাক্যকে ভারী করে তোলে। সব জায়গায় “পূর্ণ” যোগ করলেই ভাষা সুন্দর হয়ে যায় না। বরং সহজ ও স্বাভাবিক উপস্থাপনাই অধিক গ্রহণযোগ্য।
কেউ কেউ ইদানীং করা হই, বলা হই, যাওয়া হই, দেওয়া হই লিখছেন। এসব ব্যবহার ভুল। সঠিক রূপ হলো করা হয়, বলা হয়, যাওয়া হয়, দেওয়া হয়। হই শব্দটি নিজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে। যেমন, আমি মুগ্ধ হই। আমি বিস্মিত হই। আমি আহূত হই। কিন্তু আমরা বলি, আমি হয়ে যাই, সে হয়ে যায়। আমি খাই, সে খায়। এত সহজ একটি ব্যাকরণগত নিয়মও অনেকে এখন উপেক্ষা করছেন। সে হয়ে যাই, এই ধরনের বাক্য কোনোভাবেই শুদ্ধ নয়।
লেখার সময় অন্তত ক্রিয়ার পুরুষভেদ সম্পর্কে সামান্য সচেতনতা থাকা প্রয়োজন। একজন কয়ছে লিখে অনেকেই আঞ্চলিক উচ্চারণকে লেখ্যরূপ দিতে চান। কিন্তু শুদ্ধ রূপ হবে একজন কইছে। বলসি, করসি, যাইতাসি, দিছি ইত্যাদি বানানও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে দেখা যায়। এসব মূলত আঞ্চলিক উচ্চারণের প্রতিফলন। কিন্তু লেখার ভাষায় শুদ্ধ রূপ ব্যবহার করাই উচিত। লিখতে হবে বলছি, করছি, যাচ্ছি, দিয়েছি। একইভাবে বলেসে, করসে, দিয়েসে ধরনের বানানও ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে। অথচ এসব স্থানে ছ ব্যবহৃত হয়। হঠাৎ স কোথা থেকে এলো, সেটাই প্রশ্ন।
অনেকে না এর পরিবর্তে নাহ লিখছেন। এটার প্রয়োজনীয়তা কী? না মানে স্পষ্ট প্রত্যাখ্যান। নাহ লিখে নতুন কোনো অর্থ তৈরি হয় না।
মুহূর্ত শব্দটি সবচেয়ে বেশি ভুল লেখা শব্দগুলোর একটি। অধিকাংশ মানুষ লিখেন মুহুর্ত। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। সঠিক বানান মুহূর্ত।
দায়িত্ব শব্দটিও অনেকে ভুল লেখেন। কেউ কেউ লিখেন দায়িত্ব্ব। এটিও ভুল। ত্ব এবং ত্ত্ব কোথায় ব্যবহৃত হবে, সে বিষয়ে সামান্য সচেতনতা জরুরি।
অনেকে উপলব্দি লিখেন। সঠিক বানান উপলব্ধি। সম্বোধন লিখতে গিয়ে অনেকে সমোধন লিখে ফেলেন। উদ্দেশ্য লিখতে গিয়ে হয়ে যায় উদ্যেশ্য।
এ ধরনের ভুল এখন এত বেশি দেখা যায় যে, অনেক সময় ভুল বানানই যেন মানুষের চোখে স্বাভাবিক মনে হয়।
অবশেষে লিখবেন, অবশেষ নয়। বিশেষ লিখবেন, বিশেশ নয়। নিশ্চয় লিখবেন, নিশ্ছয় নয়। প্রয়োজনীয় শব্দটি শুদ্ধ। কিন্তু যেখানে শুধু প্রয়োজন বললেই অর্থ সম্পূর্ণ হয়, সেখানে অকারণে প্রয়োজনীয় ব্যবহার করাটা ভাষাকে ভারী করে তোলে।
অনেকে পৃথিবী শব্দটি লিখতে গিয়ে পৃথিবি লিখে ফেলেন। সঠিক বানান পৃথিবী। শ্রদ্ধাঞ্জলি লিখতে গিয়ে অনেকে লেখেন শ্রদ্ধাঞ্জলী। এটিও ভুল। অঞ্জলি শব্দে হ্রস্ব ইকার হবে।
কুরআন শব্দটি লিখতেও নানা ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা যায়। কেউ লেখেন কোরআন, কেউ কুরান, কেউ কোরান। যে রীতিই অনুসরণ করুন না কেন, অন্তত একটি নির্দিষ্ট রীতি মেনে চলা উচিত। এলোমেলো বানান ভাষার সৌন্দর্য নষ্ট করে। মূল আরবি শব্দের প্রতি খেয়াল রাখলে অনেক ভুল কমে যায়। তাই আকাবীর নয়, আকাবির লিখবেন। মাগরীব নয়, মাগরিব লিখবেন। মুহতামীম নয়, মুহতামিম লিখবেন। কারণ এসব শব্দে দীর্ঘ ঈকার নেই। কেবল কাসরার কারণে হ্রস্ব ইকার উচ্চারিত হয়।
ইদানীং ইনশাআল্লাহ শব্দটিও নানাভাবে বিকৃত করা হচ্ছে।
কেউ লিখছেন ইনশাল্লাহ, কেউ ইনশাআল্লাহ্, কেউ আবার ইংশাআল্লাহ। একটি শব্দকে কতভাবে বিকৃত করা যায়, যেন সেটিরই প্রতিযোগিতা চলছে। আলহামদুলিল্লাহ শব্দটির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। কেউ লেখেন আলহামদুলিল্লা, কেউ লেখেন আলহামদুলিল্লাহহ।
“আল্লাহর দান”, কথাটা ঠিক আছে। কিন্তু বাস, ট্রাক ইত্যাদি যানবাহনের গায়ে কদাচিত "আল্লাহর অবদান" লেখাটি চোখে পড়ে, যা সঠিক নয়। দান এবং অবদান এর অর্থের পার্থক্য না বুঝার কারণেই এই বিভ্রান্তি। “দান” এবং “অবদান”-এই দুটি শব্দ দেখতে কাছাকাছি মনে হলেও অর্থগতভাবে এদের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। “দান” শব্দের মূল অর্থ হলো বিনামূল্যে কোনো কিছু প্রদান করা, যা সম্পূর্ণরূপে অনুগ্রহ, দয়া বা ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল। এখানে প্রাপ্তির পেছনে গ্রহণকারীর কোনো দাবি বা প্রচেষ্টা থাকে না। দান মূলত একমুখী একটি সম্পর্ক, যেখানে দাতা নিজের ইচ্ছায় কিছু প্রদান করেন এবং গ্রহণকারী তা কৃতজ্ঞতার সাথে গ্রহণ করেন। ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক প্রেক্ষাপটে “আল্লাহর দান” বলতে বোঝানো হয় মানুষের জীবন, সম্পদ, সুস্থতা, জ্ঞানসহ যাবতীয় নিয়ামত আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে একান্ত অনুগ্রহ হিসেবে প্রাপ্ত।
অন্যদিকে “অবদান” শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন। এটি বোঝায় কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সক্রিয় ভূমিকা, অংশগ্রহণ বা সহযোগিতা, যার মাধ্যমে কোনো কাজ, অর্জন বা ফলাফল সম্পন্ন হয়। অবদান সাধারণত কোনো যৌথ বা সামাজিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত, যেখানে কারও শ্রম, চেষ্টা বা ভূমিকা কোনো নির্দিষ্ট ফল অর্জনে সহায়তা করে। যেমন বিজ্ঞানে কোনো গবেষকের অবদান, সমাজ উন্নয়নে কোনো ব্যক্তির অবদান, কিংবা ইতিহাসে কোনো জাতির অবদান-এগুলো সবই সক্রিয় ভূমিকা ও কর্মপ্রচেষ্টার প্রতিফলন।
এই দুই শব্দের মৌলিক পার্থক্য না বোঝার কারণে অনেক সময় বিভ্রান্তিকর ব্যবহার দেখা যায়, যেমন “আল্লাহর অবদান” লেখা। কিন্তু ভাষাগত ও অর্থগত দিক থেকে এটি সঠিক প্রয়োগ নয়। কারণ “অবদান” শব্দটি মানবীয় অংশগ্রহণ ও প্রচেষ্টাকে নির্দেশ করে, যা সৃষ্টিকর্তা ও অনুগ্রহদাতা আল্লাহর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এ কারণে সঠিক ও শুদ্ধ প্রয়োগ হলো “আল্লাহর দান” বা “আল্লাহর অনুগ্রহ”।
দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম সমাজে ধর্মীয় আবেগ ও ভালোবাসার কারণে নামের সঙ্গে মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পবিত্র নাম যুক্ত করে নামকরণের একটি দীর্ঘদিনের প্রচলিত রেওয়াজ রয়েছে। এটি একটি সম্মানসূচক ও ভালোবাসাজনিত সাংস্কৃতিক ধারা, যা বহু প্রজন্ম ধরে মুসলিম সমাজে অনুসৃত হয়ে আসছে। তবে এই নামটি লেখার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বানান ও উচ্চারণের অস্থিরতা, যা প্রায়ই বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে।
বাস্তবে দেখা যায়, একই নাম বিভিন্নভাবে লেখা হচ্ছে। কেউ লেখেন মোহাম্মাদ, কেউ মোহাম্মদ, কেউ মুহাম্মাদ, আবার কেউ মুহাম্মদ। এছাড়া সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে অনেকে “মোঃ” ব্যবহার করেন। এই ভিন্ন ভিন্ন বানান ব্যবহারের কারণে নামের শুদ্ধ বা গ্রহণযোগ্য রূপ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, যা ভাষাগত দিক থেকে সুনির্ধারিত বানান পদ্ধতির অভাব নির্দেশ করে।
আরবি উচ্চারণ ও মূল শব্দের দিক বিবেচনা করলে “মুহাম্মাদ” রূপটি অধিকতর নিকটবর্তী ও শুদ্ধ বলে গণ্য করা হয়। তাই বানান ও উচ্চারণে একটি শুদ্ধ বা গ্রহণযোগ্য রূপ অনুসরণ করা যুক্তিযুক্ত, যাতে লেখার ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং বিভ্রান্তি কমে আসে। একই নাম বিভিন্নভাবে লেখার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট রূপ অনুসরণ করলে ভাষাগত শুদ্ধতা ও স্থির বানান পদ্ধতি উভয়ই রক্ষা পায়।
শুদ্ধ বানান সম্পর্কে ন্যূনতম সচেতনতাও যেন ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। বাংলা ভাষা কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয় যে, যার যেমন ইচ্ছা তেমনভাবে লিখে বিকৃত করবে। এই ভাষার একটি ঐতিহ্য আছে, একটি সৌন্দর্য আছে, একটি ব্যাকরণগত ভিত্তি আছে। সেই ভিত্তিকে অযত্নে ধ্বংস করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ছাপার অক্ষর পড়ার অভ্যাস কমে যাওয়াও এই সমস্যার একটি বড় কারণ। বই পড়লে চোখ শব্দ চিনতে শেখে। বারবার শুদ্ধ বানান দেখলে হাতও একসময় শুদ্ধটাই লিখতে অভ্যস্ত হয়ে যায়।
ভাষাকে ভালোবাসা মানে শুধু মাতৃভাষা দিবসে আবেগ প্রকাশ করা নয়। ভাষাকে ভালোবাসা মানে শুদ্ধভাবে লেখা, যত্ন নিয়ে লেখা, সচেতনভাবে লেখা। আসুন, অন্তত নিজের লেখাটুকু শুদ্ধ করার চেষ্টা করি। কারণ ভাষা বেঁচে থাকে যত্নে, মমতায় ও সচেতনতায়। অবহেলা, অবজ্ঞা কিংবা তুচ্ছ তাচ্ছিল্যে নয়। প্রিয় মাতৃভাষা বাংলাকে শুদ্ধ ও সুন্দর রাখতে আমরা কি একটু সচেতন হতে পারি না!
২|
১৫ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পড়লাম ।
৩|
১৫ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫১
রাজীব নুর বলেছেন: আপনার এই পোষ্ট পাকী প্রেমীদের পড়তে দেন।
৪|
১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:০৩
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: সময় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে লিখার জন্য ধন্যবাদ। একটা লাইক অবশ্যই প্রাপ্য আপনার।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:২৪
নতুন বলেছেন: আমাদের দেশের একটা গোস্ঠি ভারতীয়দের হিন্দি ভাষার ব্যবহার বাড়াচ্ছে তাদের কথা বাত্রায়।

আর আরেকদল তো আরবী ভাষার শব্দ ব্যবহার করলে সোয়াব হয় মনে করে। অনেকে লবন কে নুন বলে, কারন একটা হরফ উচ্চারনে ১০ নেকী হয়।
আমাদের দেশে আপনি কোন মেয়ের নাম প্রজ্ঞা রাখলে সেটা অনেকে মনে করবে হিন্দু নাম রেখেছেন। কিন্তু রাশেদা ( আরবী শব্দ) রাখলে কিছু বলবে না।