নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিঝুম আখতার

সময় এর মুল্যায়ন করা সবার জন্য জরুরী।শুধুমাত্র পশুদের পক্ষেই আত্মতৃপ্ত জীবনযাপন সম্ভব। মানুষের কাজ লড়াই করে বাঁচা.....................।

নিঝুম আখতার › বিস্তারিত পোস্টঃ

সৌদি আরবে নতুন ধারার বিয়ে নিয়ে বিতর্ক

০৬ ই অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৫:৪০



গ্রীষ্মকালকে সৌদি আরবসহ অন্যান্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বিয়ের মওসুম বলে গণ্য করা হয়ে থাকে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের বিয়ের প্রচলন থাকলেও এবার ওয়ানাসা (রূপান্তরিত) বিয়ে নিয়ে নতুন করে বিজ্ঞজনরা বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। এ নিয়ে সেখানকার মিডিয়াতে বেশ আলোচনা হচ্ছে। মিসয়ার, মিসফার (ভ্রমণ),

মিসইয়াফ (গ্রীষ্মকালীন), সিয়াহি (পর্যটক), বন্ধুত্ব এবং পরিশেষে ওয়ানাস (রূপান্তরিত) বিয়েসহ সৌদি আরবে বিভিন্ন ধারার বিয়ের প্রচলন রয়েছে। গ্রীষ্মকালীন ছুটি দেশের বাইরে কাটাতে যাবার আগে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের অনেক দেশের ভ্রমণ পিয়াসিরাই অল্প বয়সী মেয়েদের অস্থায়ী ভিত্তিতে বিয়ে করে থাকেন এবং ছুটি শেষে দেশে ফেরার আগে আবার ওই বউকে তালাক দিয়ে আসেন। এ ধরনের বিয়ে নিয়ে সেখানকার সমাজে ধর্মীয়, নৈতিক এবং সামাজিক বিতর্ক রয়েছে। সৌদি আরবের বিজ্ঞজনের সুপ্রিম কাউন্সিলের সদস্য ও ইমাম মোহাম্মাদ বিন সৌদি ইসলামিক ইউনিভার্সিটির উচ্চতর ধর্মীয় শিক্ষার অধ্যাপক শেখ সালেহ আল সাদিয়ান ওয়ানাসা বিয়ের অনুমোদন দিয়ে এবার নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এ ধরনের বিয়েতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোন ধরনের ঘনিষ্ট সম্পর্ক স্থাপিত হয় না। আল সাদিয়ান বলেছেন, কোন ধরনের শারীরিক সম্পর্ক ছাড়া কেবল কথাবার্তা কেন্দ্রিক বিয়ে হলেও অতীতের বিজ্ঞজনরা এ ধরনের বিয়ে অনুমোদন করেছেন। তিনি বলেছেন, এ ধরনের বিয়ে সাধারণত বয়স্ক পুরুষ যাদের দেখাশোনা করার মতো সঙ্গী প্রয়োজন তাদের সঙ্গে সামাজিক মর্যাদা এবং নিরাপত্তা পেতে ইচ্ছুক নারীদের হয়ে থাকে। এ ধরনের বিয়েতে একজন নারী অর্থ, ভরণ পোষণ, আবাসন সবই পেয়ে থাকেন। স্বামী স্ত্রীর মাঝে কোন ধরনের শারীরিক সম্পর্ক ছাড়া বিয়ের বৈধতা সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মতামত দিয়েছেন। এ ধরনের বিয়েকে সৌদির শূরা কাউন্সিলের সদস্য এবং বিচার মন্ত্রণালয়ের কাউন্সেলর ড. আবদুল মহসি আল ওবাইখানও বৈধতা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শরিয়া মোতাবেক এ ধরনের বিয়ে বৈধ। তবে কিং ফাহাদ সিকিউরিটি কলেজের সিভিল স্টাডিজের অধ্যাপক ও ইসলামিক ফিকহ একাডেমির সদস্য ড. মোহাম্মাদ নুজাইমি এ ধরনের বিয়ের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেছেন, একজন নারীকে কিভাবে বিবাহ-পরবর্তী শারীরিক সম্পর্কের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যায়? তিনি বলেছেন, একজন নারী কেবল দুনিয়ার সুবিধা লাভের জন্যই এ ধরনের বিয়েতে সম্মতি দিতে পারেন। কোন রোগাক্রান্ত ব্যক্তি যদি একই ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত নারীকে বিয়ে করেন সেক্ষেত্রে এ ধরনের বিয়ের অনুমতি দেয়া যেতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

তথ্যসূত্র:

Click This Link

মন্তব্য ১৩ টি রেটিং +৪/-৭

মন্তব্য (১৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৫:৪৭

নীল_পদ্ম বলেছেন: আচ্ছা।

২| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২১

এখনই সময় বলেছেন: মনে যদি কু মতলব থাকে তা হলে অনেক ফন্দিই খুজে বের করা যায়।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৪:২৮

নিঝুম আখতার বলেছেন: সহমত।

৩| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩২

লুলু পাগলা বলেছেন: এইগুলানরে বিয়া কয়না কয় রূপান্তরিত প্রস্টিটিউশন!! হালার আবাল ছৌউদি। আর ছৌউদির মানুষগুলান কুত্তারও অধম।

৪| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৫

আমি তুমি আমরা বলেছেন: আজব।

৫| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৫

েরজা , বলেছেন: মরুভুমির ঐগুলান মানুয না , পশু.

৬| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:৩৩

ইশতে আশিক বলেছেন: সৌদিগো কোন কাম কাজ নাই?!!

৭| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:৫৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: চৌদি মোল্লাগো কাজকামই আলাদা!

৮| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:০৭

গ্রীনলাভার বলেছেন: @আজম আলী - মুহাম্মড (সাঃ) এই ধারায় বিয়ে করতেন!!! কেমনে যৌনাচার করতে হ্য় তোমারে এই শিক্ষা দেয়? হালার লুল।
তোমার নামডাওতো চৌদি চৌদি লাগে।

৯| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৩৫

সত্যচারী বলেছেন: আরবরা চীরটা কালই বিকৃত যৌনাচার করে আসছে, এ আর ব্যাতিক্রম কিছুই নয়। তাদের বিকৃত যৌনাচারের একটা অংশ মাত্র।

ইসলামী ব্যাংক যেমন শরিয়তের ট্যাগ লাগিয়ে সুদ খাচ্ছে, এরা শরিয়তের ট্যাগ লাগিয়ে অবাধ যৌনাচার করে যাচ্ছে।

ঘটনাটা এমন, এক লোকের পতিতা গমনের খুব ভালো অভ্যাস। তো হঠাৎ একদিন তার মনে হল পতিতা গমনতো জিনাহ এর মধ্যে পড়ে, কবিরা গুনাহ, অপরদিকে পতিতাগমনও ছাড়তে পারবে না, তো কি করা? অপর বন্ধু বুদ্ধি দিলো রুমে ঢুকার আগে বিয়ে পড়ার দোয়া পড়ে তিনবার কবুল বলে রুমে ঢুকবি, আর কাজ শেষ হয়ে গেলে বাইন তালাক দিয়ে বেরিয়ে আসবি।

সৌদিদের অবস্থাতো দেখি এমনি। সৌদিদের বিকৃত এসব চিরায়ত সন্গম প্রথা আজও রয়ে গেছে। চিরায়ত সেই দাসী গমনের রেওয়াজ আজো অব্যহতই রয়ে গেছে, যার করুন স্বীকার হচ্ছে আজকের ইন্দোনেশিয়ান, ফিলিপিনো আর বাংলাদেশী মেয়েরা।

১০| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৩৯

সরকার সেলিম বলেছেন: ৫ নম্বর কমেন্টে আজম আলী মহানবী (সা:) সম্পর্কে কুৎসিত মন্তব্য করেছেন। ৫ নম্বর মন্তব্যে রিপোর্টে করা হলো।

১১| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৫৭

জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: এই ধরনের পোস্ট বাতিল না করা কি সামু র হিট বাড়ানোর কৌশল??

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.