নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জীবন মানে ব্যস্ততা, মৃত্যুতেই হবে অবসর

ওমেরা

শালীনতাই সৌন্দর্য্য

ওমেরা › বিস্তারিত পোস্টঃ

**** পথে চলতে চলতে **** ( পর্ব দশ )

১৮ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৪৯



২০০৮ সালের জানুয়ারী মাসের একটা দিন । সেদিনটা ছিল শনিবার ও খুবই দূর্যোগপূর্ণ একটা দিন । আকাশ থেকে মুসুলধারে স্নো পরছিল সাথে প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাস ছিল। সকাল ১১টা বাজলেও কোন সূর্য ছিল না ।

ইটালী থেকে আগত ভাইয়ার পরিচিত এক বাংলাদেশী ফ্যামেলী( মা সাথে তিন বাচ্চা, একটা বাচ্চা ১২ বছর ছোট দুটো বেশ ছোট তিন ও চার বছর) কয়েকদিন ধরে আমাদের বাসায় অবস্থান করছিল।এখানে মাইগ্রেশন অফিসে উনাদের কিছু কাজ আছে, ভদ্র মহিলা এখানে নতুন কিছু চিনে না তাই উনাদের ওখানে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বটা আমার উপরই আসে।শনিবার ছাড়া যেহেতু আমার সময় নেই তাই এই ওয়েদারেই বের হলাম উনাদের নিয়ে। আমাদের বাসা থেকে যেতে হবে প্রথমে মেট্টোতে সেন্টাল ইষ্টেশন, এর পর ট্রেন ধরে কিছু দুর, এর পর বাসে করে মাইগ্রেশন অফিস।

মেট্রো ও ট্রেন ভাল ভাবেই পার হলাম। বাস ইষ্টিশনে যেয়ে দেখি কয়েকটা বাস ছেড়ে যাচ্ছে আমিও তারাহুরা করে উনাদের নিয়ে একটা বাসে উঠি, আজকে ছুটিরদিন বাস ৩০/৪০ মিনিট পর পর। কিছুদুর যাওয়ার পর খেয়াল করলাম আমি এয়ারপোর্টে যাওয়ার বাসে উঠেছি ।ভদ্র মহিলাকে বল্লাম, ভাবী আমি ভুল বাসে উঠেছি, আমরা সামনে যে স্টপেজ আসবে সেখানে নেমে যাব, আবার অন্য বাস ধরে আগের জায়গায় ফিরে যেয়ে বাসে উঠতে হবে ।

শহর থেকে দুর বাহিরে হওয়াতে এখানে বাস স্টপেজ গুলো একটু দুরে দুরে।সামনে যেই স্টপেজ আসল আমরা সেখানেই নেমে অপজিট পাশের ষ্টপেজে যেয়ে দেখি বাস আস্তে ৩৮ মিনিট, মাত্রই একটা বাস চলে গেল যেটা আমরা একটুর জন্য ধরতে পারিনি। এই জায়গাটা ছিল খোলা আশে পাশে কোন ঘর বাড়ি নেই কোন গাছ পালাও নেই ,যতদুর চোখ যায় শুধু সাদা আর সাদা প্রচন্ড স্নো পরছে সাথে প্রচুর বাতাস। এত বেশী ঠান্ডা ছিল ছোট বাচ্চাদুটো কাঁপতে ছিল । তাদের অবস্থা দেখে খুব ভয় পাচ্ছিলাম আমার ভুলের জন্য বাচ্চাদুটো খুব কষ্ট পাচ্ছে।এমন সময় অপজিট পাশে একটা বাস এসে থামে। বাস ড্রাইভার হাত ইশারায় আমাকে ডাকে। আমি যেতে চাইনি কিন্ত সেও আমাকে ডেকেই যাচ্ছে, যেহেতু আমি অপজিট দিকে যাব তবু অনিচ্ছা স্বত্বেও উনার কাছে গেলাম ।

- তুমি কোথায় যাবে?
- আমি মাইগ্রেশন অফিস যাব ?
- তাহলে তুমি এখানে এসেছ কেন ?
- আমি ভুল বাসে উঠে এখানে এসেছি , তাই আবার ফিরত যাচ্ছি।
- ও পাশের বাস আস্তে তো দেরী আছে তুমি উনাদেরকে নিয়ে আমার বাসে উঠ।
- তুমি তো এয়ারপোর্ট যাচ্ছ , আমরা তো যাব অন্য দিকে ।
- ওহ্ মেয়ে তুমি বুঝতে পারছ না ঠান্ডায় বাচ্চাদুটো তো মারা যাবে ! তুমি উনাদের নিয়ে তারাতারি আমার বাসে উঠ।

আমি কিছু চিন্তা না করেই উনাদের নিয়ে বাসে উঠলাম ।
বাসে মাত্র দুই জন লোকই ছিল দুই স্টপেজ পরেই উনারা নেমে গেলেন , শুধু আমাদের নিয়েই উনি এয়ার পোর্ট এলেন কারন প্যাসেঞ্জার থাক বা না থাক উনাকে এ পর্যন্ত আসতেই হবে ।

এয়ার পোর্ট আসার পর আমিও মনে সাহস পেলাম , লোকটাকে অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে বল্লাম আমরা এবার একটা ট্যাক্সি নিয়ে যেতে পারব।
না তোমরা বস, আমার আজকের ডিউটি শেষ, আমি এখন বাস কাউন্টারে ফেরত দিয়ে বাসায় চলে যাব । বাসের কাউন্টার তোমরা প্রথম যেখান থেকে বাসে উঠেছ সেখানে আমাকে একটু ঘুরে যেতে হবে তবু আমি তোমাদের মাইগ্রেশন অফিসে নামিয়ে দিয়ে যাব ।
আমি অনেক মানা করােছি, উনিও নাসোর বান্দা কি আর করব বাসেই বসে থাকলাম।

অবশেষে উনি আমাদের মাইগ্রেশন অফিসের সামনেই একটা বাস স্টপেজে বাস থামিয়ে বল্লেন , তোমরা এবার যেতে পারবে ?
- আমি, জী পারব তবে তুমি একটু দাড়াও আমি তোমার সাথেই যাব। আমি শুধু বাস থেকে নেমে উনাদের রাস্তাটা দেখিয়ে দিয়ে আসি।
- তুমি উনাদের সাথে যাবে না?
- না আমি তোমার সাথেই চলে যাব ।
- ওকে, আমি আছি, তুমি উনাদের পৌঁছে দিয়ে আস।

আমি বাস থেকে নেমে ভদ্রমহিলাকে ইশারায় মাইগ্রেশন দেখিয়ে বলি, ভাবী আপনি এখন ওদের নিয়ে যান, আমি এই বাসেই চলে যাই । উনি বলেন, আচ্ছা যাও।

আমি বাসে উঠে ড্রাইভাবের কাছাকাছি একটা সিটে বসি।

- তুমি কেন উনাদের সাথে গেলে না ? অন্তত অফিস পর্যন্ত উনাদের পৌঁছে দিতে পারতে।
- অফিস তো এখান থেকে দেখাই যাচ্ছে এটুকু উনি যেতে পারবে।

- উনারা তো নতুন মনে হয় ভাষা জানে না উনাদের তো হেল্প লাগবে ।উনারা তোমার কে হয়?

- উনারা আমার আত্বীয় না , একই দেশের এই আর কি।আর এখন উনাদের যেই হেল্প লাগবে সেটা মাইগ্রেশন অফিসের দায়িত্ব।

আরো অনেক প্রশ্ন উনি আমাকে করলেন মানে আমার নাম টাম কোথায় থাকি, কি করি এই সব, শেষে আমি উনাকে একটা প্রশ্ন করলাম, আচ্ছা তুমি কেন অযাচিত ভাবে আমাদের হেল্প করলে?

উনার জবাব ছিল —

- আমি তোমাদের সাহায্য করেছি শুধু মাত্র ছোট বাচ্চা দুটোর জন্য তারা খুব কষ্ট পাচ্ছিল আর আমার সুযোগ ছিল তবু যদি আমি তোমাদের হেল্প না করতাম তাহলে সেটা হত অমানবিক। এটা আমাকে সারা জীবন কষ্ট দিত। এখন আমার মনে খুব প্রশান্তি লাগছে , খুব ভালো লাগছে আজকের দিনে কোন মানুষের জন্য একটু হলেও উপকার করতে পেরেছি আর এই ভালো লাগাটা আমার অনেকদিন পর্যন্ত থাকবে। তোমাকে একটা উপদেশ দেই, যদি তোমার সামনে সুযোগ আসে কোন মানুষের উপকার করার যদি সেটা খুব সামান্যও হয় বা তোমার একটু কষ্টও হয় তবু এই সুযোগ কখনো হাত ছাড়া করবে না, মানুষের উপকার করার মাঝে যেই শান্তি এটা তুমি আর কিছুতেই পাবে না।
কথায় কথায় আমরা চলে আসলাম আমাদের গন্তব্যে, আমি উনাকে ধন্যবাদ দিয়ে চলে এলাম সামনে।

আজ থেকে প্রায় এগারো বছর আগের ঘটনা, মাঝে মাঝেই মনে হয় সেই দিনের কথা।
আমি উনার উপকারের কথা ভুলিনি, যখনই মনে হয় নতুন করে মনের ভিতর উনার জন্য সম্মান তৈরী হয়। উনার উপদেশের কথাও ভুলিনি যদিও সব সময় পারি না, কিন্ত উনার কথাটা সত্য কোন মানুষের জন্য সামান্য উপকার করলেও মন ভালো লাগে ।



ফটো আমার এ্যালবাম থেকে নেয়েছি।

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +১৪/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:০১

করুণাধারা বলেছেন: চমৎকার এক অভিজ্ঞতার দারুন বর্ননা। অনেক ধন্যবাদ ওমেরা।

১৮ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৫৬

ওমেরা বলেছেন: আপু প্রথমেই আপনার কমেন্টে পেয়ে অনেক আনন্দিত হয়েছি । আপনার জন্যও অনেক ধন্যবাদ আপু।

২| ১৮ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:০৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আমার একজন দাদীজানের নাম ছিলো ওমরাহ আমল (আমার দাদার ফুফাতো বোন) আমার দাদীজানদের মতো জ্ঞানি মানুষ আমি আমার জীবনে দেখিনি। আপনার লেখা বিচিত্র কারণে আমার ভালো লাগে বোন, হয়তো তার একটি কারণ আপনার নাম অনেকটা আমার দাদীজানের মতো।

১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:২০

ওমেরা বলেছেন: আপনার কমেন্ট পড়ে কি বলব আমি বুঝতে পারছি না ভাইয়া, লজ্জা, আর আনন্দের মিশেল একটা অনুভুতি অনুভব করছি । আপনার দাদীজানের মত জ্ঞানি হয়ত হতে পারব না তবু জ্ঞানি একজন মানুষের নামের সাথে আমার নামের মিল দেখে খুব ভালো লাগছে। অনেক অনেক ধন্যবাদ নিবেন ভাইয়া ।

৩| ১৮ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:১৯

মুক্তা নীল বলেছেন:
ওমেরা আপু ,
আপনার লেখা পড়ে বাচ্চাগুলো জন্য আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল। যে ব্যক্তি শিশুদের পছন্দ করে, আল্লাহ তাকে পছন্দ করেন ।
ভালো লাগলো আপনার অভিজ্ঞতা পড়ে।
পোস্টে লাইক।

১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:০৪

ওমেরা বলেছেন: মুক্তা আপু আমারও খুব খারাপ লেগেছিল তখন আর নিজের উপরই রাগ হচ্ছিল , আমার ভুলের জন্য বাচ্চাগুলো খুব কষ্ট পাচ্ছিল ভেবে। অনেক ধন্যবাদ আপু সুন্দর কমেন্টের জন্য।

৪| ১৮ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:২৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: দারুন। মানুষের গল্প। মানবতার গল্প। বিশ্বমানবতা ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে...

১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:০৫

ওমেরা বলেছেন: মানুষ মানুষের জন্য । অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।

৫| ১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:০৬

ঘূণে পোকা বলেছেন: প্রায় বছর তিনেক পরে ব্লগে আসলাম। আপনার পোস্ট টা পড়ে মনে হচ্ছে অনেক দিন পরে ফিরে আসাটা স্বার্থকতা পেল!

১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:১৪

ওমেরা বলেছেন: ওহ্ মা গো !! আমি ভালো লিখি না বানানেও অনেক সমস্যা কিন্ত আপনার কমেন্টটা পড়ে ব্লগে লিখাটা সার্থকই মনে হল। আর চলে যেয়েন না সুখে দুখে থাকেন আমাদের সাথে । অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৬| ১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:১৫

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার জন্য শুভ কামনা। ভালো থাকুন।

১৮ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

ওমেরা বলেছেন: আপনার পরিবারের সবার জন্য শুভ কামনা রইলো ।ধন্যবাদ।

৭| ১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:৪১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আমার দাদীজানের একটি কথা আপনাকে জানাই আপনি পড়ে খুশি হবেন বোন। আপনি বুঝতে পারবেন আমার দাদীজানদের জ্ঞানের কিছু সুত্র। আপনার উত্তর পড়ে অনেক খুশি হয়েছি। বোনরে দুরদেশ থেকে আপনার ভাই দোয়া করেছে আপনি ভালো থাকুন সুস্থ্য থাকুন।


*** **
ভালো কাজ করতে হয় নারে বেটা,
ভালো কাজ করার চিন্তা করাটাও ভালো কাজ ভাবিস।
খারাপ কাজও করতে হয় না বেটা,
খারাপ কাজ করার চিন্তা করাটাও খারাপ কাজ মনে করিস।
- ওমরাহ আমল (আমার বেহেস্তবাসী দাদীজান)*** **


১৯ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:৩৪

ওমেরা বলেছেন: কত সুন্দর কথা ! আমাদের মন কখনো অলস থাকে না কিছুনা কিছু ভাবেই ভালো কিছু না ভাবি অবশ্ই খারাপ চিন্তা আমাদের মনে আসবে, ভালো চিন্তা করা মানে তো আমি দুইটা ভাল কাজ করছি , একটা ভালো কিছু চিন্তা করছি আবার চিন্তা থেকে বিরত থাকছি । দাদীকে সালুট!
আল্লাহ উনার ভুলগুলো মাফ করুন ও ভালো আমলগুলো কবুল করে উনাকে জান্নাতের বাসিন্দা করেন ।

ফিরে এসে সুন্দর একটা কথা জানানোর অনেক ভালো লাগল ভাইয়া। আল্লাহ আপনাকে ভালো রাখুন ।

৮| ১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:২৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: চমৎকার এক অভিজ্ঞতার বর্ণনা !! মন ভালো হয়ে যায় এমন গল্পে।
উনার মানবিক উপদেশ সত্যি ই মনে রাখার মত।

১৯ শে জুন, ২০১৯ রাত ২:০৫

ওমেরা বলেছেন: আপুনি কেমন আছেন ? উনার চেহারাটা আমার মনে নেই কিন্ত উনার কথাগুলো আমার খুব মনে আছে থাকবে সব সময় । অনেক ধন্যবাদ আপুনি।

৯| ১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৫০

চাঁদগাজী বলেছেন:



স্মরণীয়, ভালো অভিজ্ঞতা

১৯ শে জুন, ২০১৯ রাত ২:০৬

ওমেরা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।

১০| ১৮ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ভীষণ ভালো লাগলো আপু আপনার আজকের অভিজ্ঞতার কথা। ++
যে শ্রদ্ধা সারা জীবন বয়ে রাখা যায়।

শুভকামনা জানবেন।

১৯ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:০১

ওমেরা বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ পদাতিক ভাইয়া।

১১| ১৮ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫

আরোগ্য বলেছেন: চমৎকার শিক্ষনীয় একটি অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।

১৯ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:০২

ওমেরা বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ে ও কমেন্টের জন্য।

১২| ১৮ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৩৩

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: একজন মানুষ প্রকৃতই মানুষ যখন সে মানবিক। আর এই মানুষটিযে মানুষ তার প্রমাণ তার কর্মে। সুন্দর বর্ণনায় স্মৃতীর গল্পটি চমৎকার মানবীয় তাৎপর্য বহন করে। বুবু সবসময় ভাল থাকবেন।

১৯ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৬

ওমেরা বলেছেন: শারীরিক অবয়বের সাথে মানবিকতা থাকলেই মানুষ হয় প্রকৃত মানুষ, ঠিক বলেছেন ভাইয়া। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।

১৩| ১৮ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৪৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: একেই বলে মানবতা, যা আমাদের দেশে খুব কমই আছে

ভালো লাগলো আপি

১৯ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

ওমেরা বলেছেন: আমাদের দেশেও মানবতা আছে আপু বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই মানুষ চিন্তা করে মানবতা দেখাতে গিয়ে আবার না কোন বিপদে পরি এই কারনে মানুষ পিছিয়ে যায় ।

অনেক ধন্যবাদ আপু ।

১৪| ১৮ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৫৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: ওমেরা,




একজন মানুষের গল্প। পথ চলতে চলতে হঠাৎ হঠাৎ এমন কিছু মানুষের দেখা মেলে যারা স্মৃতির মনিকোঠায় আলো জ্বালিয়ে রাখে জীবন ভর।
খুব সুন্দর এবং অভাবনীয় অভিজ্ঞতা আপনার।

১৯ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫০

ওমেরা বলেছেন: জী ভাইয়া পথে চলতে চলতে অনেক মানুষের সাথেই আমাদের দেখা হয় তার মাঝে কারো কথা মনে পরে সম্মানের সাথে কারো কথা মনে পরে মনটা বিষিয়ে উঠে । সুন্দর কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া ।

১৫| ১৯ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:৫১

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: সুন্দর স্মৃতিচারন, সুন্দর উপস্থাপনা।

১৯ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫০

ওমেরা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে ।

১৬| ১৯ শে জুন, ২০১৯ সকাল ৭:০৬

বলেছেন: অভিজ্ঞতা আর মানবিকতার পোস্টে মুগ্ধ হলাম।।।

আপনি ওদের সাথে মাইগ্রেশন অফিসে না যাওয়ার কারণ কি!!

ওরা কি দোভাষী কাউকে পাবে!!
ওদের যা্এার শেষ কি হলো!!
ইতালি ছেড়ে আসার কারণ কি!!

এত এত অজানা রয়ে গেলে।।।

শুভ কামনা নিরন্তর।।।
বহুদূর বহুপথে ছুটে চলতে হয়েছে যত চেনাজানা তার সবটুকু হোক তবে শুনা।।।

২০ শে জুন, ২০১৯ সকাল ৮:৪৯

ওমেরা বলেছেন: আমার মাইগ্রেশন অফিসে না যাওয়ার কারন আমার ওখানে করার কিছু নেই, তারা অবশ্যই দোভাষী পাবে।
আরে ভাইয়া আর বইলেন না ইদানীং ইটালী এসে সুইডেন ভরে যাচ্ছে । যারা ইটালীর পাসপোর্ট পেয়েছে তারা যাচ্ছে ইংল্যান্ড আর যারা শুধু থাকার পারমিশন পেয়েছে তারা এসব দেশে আসতেছে তাই কারনটা মনে হয় আপনিই আমার চেয়ে কম জানেন না।
উনারা অবশ্য ফেরত গিয়েছেন এক বছর পর ।

অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।

১৭| ১৯ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:১৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: পরিচিতদের চেয়ে অপরিচিতরাই বেশীরভাগ সময় মানবতা বেশী দেখায়।
পথ চলতি এসব অভিজ্ঞতার মুল্য অপরিসীম! সংগ্রহ করতে থাকুন আর আমাদেরকে জানাতে থাকুন। :)

২০ শে জুন, ২০১৯ সকাল ৯:০১

ওমেরা বলেছেন: আত্বীয় বা পরিচিত রাও হেল্প করে তবে সেটাকে আমরা মানবিকতা হিসাবে মূল্যায়ন করি না , মনে করি এটা তার দায়িত্ব আমার অধিকার । অনেক ধন্যবাদ ভুয়া মানুষ ভাইয়া।

১৮| ১৯ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৪৩

জুন বলেছেন: ওমেরা তিনবার মন্তব্য করলাম। নেট এত স্লো। ড্রাইভার এর মহানুভবতার কথা সুন্দর করে লিখেছেন। এতে মনে হয় পৃথিবী থেকে মনুষ্যত্ব এখনো উঠে যায় নি।
লেখায় +

২২ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:১৯

ওমেরা বলেছেন: আহারে —- আপু এত কষ্ট করেছেন , আমি এখন কি ভাবে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই একবার বল্লে হবে না । অনেক গুলো ধন্যবাদ আপু , ধন্যবাদ, ধন্যবাদ , ধন্যবাদ ——————————- আপু ।

১৯| ১৯ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:১০

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: এসব মানুষদের জন্যই পৃথিবীর বুকে মানবতা নামক শব্দ চলমান। এসব মানুষ সব সময় দেখা যায় না। হঠাৎ করে এসেই আপনাকে এমন ভাবে হেল্প করবে যা কল্পনার বাহিরে। বিনিময়ে কিছুই চায় না এরা।

২২ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:২১

ওমেরা বলেছেন: জী সত্য কথা বলেছেন এদের জন্যই পৃথিবী এখনো চলছে । ধন্যবাদ আপনাকে।

২০| ১৯ শে জুন, ২০১৯ রাত ১১:০৫

সুমন কর বলেছেন: দারুণ অভিজ্ঞতা। এখনো মানবতা বেঁচে আছে এবং বেঁচে থাকুক।
+।

২২ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:২৫

ওমেরা বলেছেন: জী মানুষ যতদিন বেঁচে আছে মানবতাও বেঁচে থাকবে , খারাপ মানুষের সংখ্যা বাড়লে ভালো মানুষও কিছু থাকবে তাঁরাই বাচিয়ে রাখবে মানবতাবতাকে। ধন্যবাদ সুমন ভাইয়া।

২১| ২১ শে জুন, ২০১৯ রাত ৩:৪১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



চলতে চলতে যেহেতু ঠিকানা তারা খুঁজে পায়না
শেষটায় কাঙখিত টিকানাতো মিলেই গেল ,
সাথে রেখে গেল এক সন্মিলিত
মানবিকতার সুন্দর চিত্রগাথা ।

হিম শতিল পথে বাসে চলতে চলতে
সেখানেই তারা থমকে গেছে,
সেখান হতেই হয়েছে আবার যাত্রা
সে জমানা বলছে, সে সময় বলছে,
এরি নাম মানুষের জন্য মানুষের ভালবাসা ।

ঠিকই বলেছেন মানুষের মঙ্গলের জন্য
সামান্য কিছু করলেও মন ভাল লাগে ।
মন আরো ভাল লাগবে শুনুন তবে
লতা মুঙ্গেরকারের সুললিত কন্ঠে
চলতে চলতে মুজি কুই মিল গায়াথা
সারে রাত চলতে চলতে
মুজি কুই মিল গায়াথা …

আশা করি ভাল লাগবে ।
শুভেচ্ছা রইল

২২ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:৩৮

ওমেরা বলেছেন: ভাইয়া আমার কাছে আপনার কবিতাই ভালো লেগেছে বেশী, গান কিছুটা শুনেছি কিন্ত হিন্দিভাষা তো আমি বুঝি না অবশ্য গানের সুরটা ভালই লেগেছিল । অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.