| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অপলক
তত্ত্ব, তথ্য ও অনুভূতি ভাগাভাগি করা আমার অভিপ্রায়। কারও যদি ইচ্ছে হয় তবে যে কেউ আমার এই ব্লগের যে কোন কিছু নিজের সংগ্রহে রাখতে পারে।
আমাদের দেশে দারুন কিছু ঘটনা আমরা সাদরে গ্রহন করেছি, যদিও সেগুলো স্পষ্ট অপরাধ।
উদাহরন স্বরুপ:
১. কেউ অবৈধভাবে টাকা ইনকাম করল, সেই কাল টাকা সাদা করার সুবিধা দেওয়া হত, দেয়া হয় রাষ্ট্র কর্তৃক।
২. হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপীকে জেল দেয়া যায় না। সরকারের লজিক হল উনি গ্রেফতার হলে ঋণ পরিশোধের সব পথ বন্ধ হয়ে যাবে। দেশের জনগনও সেটা মেনে নিয়েছে।
৩. জাটকা ধরা নিষেধ। তাই বিপুল পরিমান জাটকা ধরা পড়লে, নৌপুলিশ মাটিতে পুতে না ফেলে এতিম খানায় দিয়ে দেয়। আর মাঝিদেরকে সতর্ক করে অপরাধ মাফ। জনগন সেটাও মেনে নিয়েছে।
৪. চেয়ারম্যানের ছেলে রেপ করলে সেটা থানা পর্যন্ত যায় না। দ্রুত বিচারের নামে ভয় দেখিয়ে শালিসে ২ লাখে রফা দফা হয়। শেষে মেয়ের পরিবার পায় ৫০হাজার। কেন? সাংবাদিক আর মুরিব্বিদের মুখ বন্ধ করতে ১ লাখ খরচ। ৫০হাজার নগদ আর বাকিটা কিস্তিতে শোধ হবে। এই হলো ২ লাখের হিসাব। জনগন সেটাও মেনে নিয়েছে। অন্তত বিচার তো হয়েছে।
৫. তারেক রহমান, ব্রিটিশ নাগরিক এখনও। সংবিধান অনুযায়ী বিদেশী নাগরীক ইলেকশনে দাঁড়াতে পারে না। তবুও জনগন চুপ।
৬. নির্বাচনী তফসিল ঘোষনার পর, কোন NID বা ভোটার তালিকা আপডেট করার নিয়ম নেই। তারেক রহমান সেটাও করিয়েছেন এবং মাত্র ৩ ঘন্টায় NID পেয়েছেন। ইলেকশন কমিশনার সহ জনগন তবুও চুপ।
৭. মায়ের দোয়া খায়ের অনুষ্ঠানে তারেক রহমান নির্বাচনী প্রচারনা করেছেন। ইলেকশন কমিশন সহ জনগন তারপরেও মেনে নিয়েছে।
৮. বগুড়ায় ১২০ বিঘা জমি নতুন করে কিনেছেন তারেক রহমান, নির্বাচনী এখতিয়ারে পত্রে সেটা উল্লেখ করেননি। বাৎসরিক ইনকাম ৭লক্ষ টাকা। কিন্তু থাকেন ১০লাখ টাকার ভাড়া বাসায়, চড়েন কোটি কোটি টাকার গাড়িতে। কোন সোনার গহনা নেই... এসব মিথ্যা কথা মেনে নিয়েও জনগন অপরাধ কে না দেখার ভান করে আছে।
যে দলীয় নেতা সত্য স্বীকার করার সৎ সাহস রাখে না, সে দেশের কোন বা** তুলে বোঝা বাধবে বোঝা গেছে...
যাইহোক, কিছুদিন আগে আমি বলেছিলাম, "আওয়ামী-লীগের ছায়া দায়িত্ব নিয়ে তারেক জিয়া এখন দেশে"। দেখুন, প্রায় ১ মাস হয়ে গেছে তবুও কোন প্রতিবাদ লিপি প্রকাশ হয়নি BNP বা তারেক রহমানের পক্ষে আনন্দবাজার পত্রিকার সেই খবরের। মানে ঘটনা সত্য।
গতকালের একটা নিউজে প্রকাশ পেয়েছে, তারেক সিলেটের শাহজালাল মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচরনা শুরু করবেন শেখ হাসিনার মত। কারন বুবুও একই কাজ করত।
আমরা সবাই জানি, আওয়ামিলীগ নিষিদ্ধ। নেতা কর্মীরা দেশদ্রোহী কর্মকান্ডের কারনে গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু সেই দলীয় নেতা / কর্মীরা যদি ঘোষনা দিয়ে BNP তে যোগ দেয় তাহলে কি আগের সাত খুন মাফ? এমনকি তারা আগের স্টাইলে বর্তমানে BNP র ব্যানারে কাজ করছে? তাহলে কি পুরাতন রিজেক্ট মাল নতুন মোড়কে আমরা পেলাম? তাহলে লীগ নিষিদ্ধ হলে BNP কেন নয়?
নিউজে এসেছে, ৩০% আওয়ামিলীগ পন্থি এখন BNP তে। সত্যি বলতে, দলের নেতাই যেখানে লীগের প্রতিবিম্ব হয়ে গেছে, দলের বাকিদের আর কি দোষ। তবে একজন সাধারন জনগন হিসেবে এমনটা আশা ছিল না।
আগের ৪ টা জাতীয় ভোটে অংশ নেই নি। এবার আশা করেছিলাম, ভোট দিব। এখন মনে হচ্ছে, তার আর প্রয়োজন হবে না।
আওয়ামী-লীগের ছায়া দায়িত্ব নিয়ে তারেক জিয়া এখন দেশে
হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারে নামবেন তারেক রহমান
১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৫
অপলক বলেছেন: এই ব্লগ পোস্ট করা মাত্রই আমার ব্যক্তিগত আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে।
২|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:১৩
রাসেল বলেছেন: আমরা ভোট দিতে চাই—কারণ নাগরিক দায়িত্ব বলে একটা শব্দ এখনো বইয়ে টিকে আছে। কিন্তু ব্যালটে চোখ বুলিয়ে বুঝি, পছন্দের তালিকায় আছে কেবল দুর্নীতির নানা সংস্করণ—পুরোনো, নতুন, আর উন্নত মানের। কেউ চুরি করেছে অতীতে, কেউ করছে বর্তমানে, কেউ ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। তখন মনে প্রশ্ন জাগে: আমরা কি প্রতিনিধি নির্বাচন করি, নাকি দুর্নীতির মধ্য থেকে কম পরিচিতটিকে বেছে নিই? তবু ভোট না দিলে বলা হবে দায়িত্বহীন, আর ভোট দিলে বলা হবে নির্বোধ। এই দ্বিধার নামই বোধহয় আমাদের গণতন্ত্র।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৬
অপলক বলেছেন: অনেকটা সেরকমই...
৩|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মানবতা বিরোধী অপরাধে জামাত এবং লীগ দুইটাকে নিষিদ্ধ করা যায় । সব দল এভাবে ban করে দিলে পরে সামু থেকে সবাই মিলে ভোটাভুটি করে সরকার গঠন করা হবে ।
।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৩
অপলক বলেছেন: পাকাচুল তুলতে তুলতে এমন অবস্থা, যে মাথায় টাক পরে যাচ্ছে... ![]()
৪|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১৩
রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: আপনার মনে হয় রূপকথার গল্প বেশি পছন্দ। যেমন চাচ্ছেন তা কেবল কল্পনাতেই সম্ভব।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৯
অপলক বলেছেন: আমি নিশ্চিত, লেখার টাইটেল দেখে এই মন্তব্য করা হয়েছে।
বাপধন, পুরা লেখাটা আগে পড়, তারপর মন্তব্য কর।
৫|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৫৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: "আওয়ামী-লীগের ছায়া দায়িত্ব নিয়ে তারেক জিয়া এখন দেশে"।
..............................................................................................
আপনার এই প্রেডিকশন মোটেই ঠিক নয় ।
আপনি যে চশমার ফ্রেম পড়েছেন তা আপডেট নয় ।
আবার বলছেন ভােট দেবেন না, তাহলে আপনার নাগরিক
দ্বায়িত্ব সর্ম্পকে আমার সন্দেহ আছে ।
..............................................................................................
নিজ দ্বায়িত্ব পালন না করে অন্যর সমালোচনা করা আর গীবত করা সমান ।
আপনি দেখাতে পারেন, এই জীবনে দেশের জন্য কি কি করেছেন ???
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১৪
অপলক বলেছেন: আমার প্রেডিকশন ঠিক নাকি বেঠিক দিনে দিনে তা তো প্রমান হচ্ছেই জনাব...। ধের্য্য ধরুন, সময় হলে আপনিও সামুতে পোস্ট দিবেন লীগ আর বিএনপির মিল অমিল নিয়ে।
স্বৈরতন্ত্র বা পরিবার তন্ত্রে নাগরিক দ্বায়িত্ব বলে কোন কথা নেই। গনতন্ত্রে আলোচনা-সমালোচনা-গীবত-বাকস্বাধীনতা-আইনের শাসন-জনমত-জবাবদিহিতা-স্বচ্ছতা-নাগরিক দ্বায়িত্ব এগুলো থাকে।
ধরুন, আপনি কোথাও হয়ত নিয়োগ পরীক্ষা দিতে যাবেন কিন্তু যদি জানেন, ঐ পদে নিয়োগের জন্যে ইতোমধ্যে অন্য ব্যক্তি নির্বাচিত হয়েছে, আপনি কি তবুও নিয়োগ পরীক্ষা দিতে যাবেন? আপনার নিতম্বে তেল বেশি থাকলে যেতে পারেন। যেখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে লীগের অসমাপ্ত কাজের দায়িত্ব দিয়ে বিএনপি লোক দেখানো ভোট করবে আর ইলেকশন কমিশন তারেক রহমানকে সরকারের দায়িত্ব দিতে প্রাণে পণে রেডি, সেখানে আমার চশমার ফ্রেমের সমস্যা নয়, আপনার চোখের সমস্যা।
৬|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫
নূর আলম হিরণ বলেছেন: নির্বাচনের পরে বিএনপি, জামায়ত মিলে দেশ চালাবে। আর দেশকে পিছুনে নিয়ে যাবে।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮
অপলক বলেছেন: ১৯৭১ এর পর থেকে দেশকে কোন সরকার কবে এগিয়ে নিয়ে গেছে? যারা সুযোগ পায়নি তার এখনও ভাল, আর যারা পেয়েছে তারা চেটে পুটে খেয়েছে।
কিছু আজাইরা মেগা প্রজেক্ট কইরা, দেশকে দেউলিয়া বানায় গেছে পরিবার তন্ত্রের মালিকরা।
৭|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৭
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
এরা নষ্ট্র প্রজন্ম।
২০২৪ সালের জুলাই আগস্ট মাসে এই নষ্ট প্রজন্ম দেশে যে নৈরাজ্য করেছে এরই ধারাবাহিকতায় তাদের সাহস বেড়ে গেছে। এখন তারা যা তা করার সাহস দেখাবে।
এরা বেয়াদব প্রজন্ম।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৪৯
অপলক বলেছেন: ধন্যবাদ সাজ্জাদ। এই প্রজন্মটা বেয়াদব প্রজন্ম এই কথাই একমত।
জুলাই আগস্ট আন্দোলন ভীষণ দরকার ছিল। কিন্তু এই বেয়াদব হুজুগে প্রজন্মটা আন্দোলনের উদ্দেশ্যকে নস্যাত করল। এদের ভবীষ্যৎ হল অপদস্ত হওয়া এবং অপমৃত্যুর তালিকায় নিজেদের নাম ওঠানো। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ন্যায় বিচারের পথ তৈরী করা আর বিচারের ভার নিজ হাতে তুলে নেয়া এক কথা নয়। এরা সেটাই বোঝে না। রাষ্ট্রযন্ত্র আর রাজনীতি নিয়ে আর কতটুকু বুঝবে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪
কিরকুট বলেছেন: একদম, আজই শুরু করে দিন আন্দুলুন ।