নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অসামাজিক মানুষের ব্লগ

www.facebook.com/tawasawbil ফেইসবুকে "অসামাজিক আমি"

অসামাজিক ০০৭০০৭

জানালার বাইরে দেখি, কত রং কত উৎসব,পর্দার আড়ালে থেকে দেখি আমি সব, থাকতেও চাইনা আমি বাহিরের মাঝে সবার,নিজেকেও ভাবিনা আমি তোমাদেরি আরেক জন...

অসামাজিক ০০৭০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

তবে কি এটা "শাওনেরই" নোংরা নাটক!!!

২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৪৯



হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান দেশবাসী। তারা অপেক্ষা করছেন প্রিয় লেখককে শেষবারের মত দেখতে, শেষ বিদায় জানাতে। কিন্তু রিপোর্টটিং করতে গিয়ে জানলাম, হুমায়ূন আহমেদের মরদেহ নিয়ে শুক্রবারই রওনা হওয়া যেত। সেক্ষেত্রে রোববারই দেশবাসী সুযোগ পেতেন হুমায়ূন আহমেদকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর। কিন্তু তার স্ত্রী ও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন এয়ারলাইন্সের বিজনেস ক্লাস ছাড়া যাবেন না। যদিও হুমায়ূন আহমেদের মরদেহ এবং স্ত্রী ও দুই পুত্রের দেশেফেরার খরচ বহন করছে বাংলাদেশ সরকার। জাতিসংঘ বাংলাদেশ মিশন হন্যে হয়ে টিকিট খুঁজেছে গত দুদিন ধরে। কিন্তু কোথাও একসঙ্গে টিকেট পাওয়া যাচ্ছিল না। মরদেহ বহন করার ব্যবস্থা হলেও পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে টিকেট মেলেনা। অবশেষে এমিরেটস-এয়ারলা ইন্সে শনিবার রাতের টিকেট মিলেছে। কিন্তু সমস্যা হয়েছে, এরমধ্যে চারটিবিজনেস ক্লাস এবং বাকিগুলো ইকোনমি। কিন্তু ইকোনমি ক্লাসে যাবেন না মেহেরআফরোজ শাওন। চারটি বিজনেস ক্লাসের টিকেটে মা সংসদ সদস্য তহুরা আলী এবং দুই ছেলের ব্যবস্থা হয়।কিন্তু অন্যপ্রকাশের মাযহার আর শাওনেরে এক বোনকে তাহলে যেতে হবে ইকোনমি ক্লাসে।আর এখানেই যত আপত্তি শাওনের। তিনি বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তাদের কাছে তার আপত্তির কথা জানিয়েছেন।এখন এ বিষয়টি শাওনকে বোঝানো হচ্ছে। শাওন রাজি না হলে সোমবারও পৌঁছবে না হুমায়ূন আহমেদের মরদেহ।

এ বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে লিখতে চাচ্ছি না। কারণ কোটি কোটি হুমায়ূন ভক্ত শোকাহত। তাদের মনে এই মুহূর্তে কোনো প্রশ্নের উদ্রেগ হোক তা চাই না বলেই রিপোর্ট না লেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে একটি প্রশ্ন থেকেই যায়, অর্থ সাশ্রয়ের জন্য যদি বিশেষায়িত ক্যান্সার হাসপাতাল ছেড়ে যদি সাধারণ হাসপাতালে হুমায়ূন আহমেদের অপারেশন হয় তাহলে এখন বিজনেস ক্লাসের অজুহাতে কেন হুমায়ূন আহমেদের লাশ তার কোটি কোটি ভক্তদের কাছে পাঠানো হচ্ছে না। কেন মার্কিন মুল্লুকের শবাগারে পড়ে আছে এই প্রিয় লেখকের মরদেহ?

এখানে টাকার প্রশ্ন আসবে কেন? স্লোয়ন কেটারিং হাসপাতাল তো কারো কাছে টাকা চায়নি। টাকা পরে না হয় দিতে হতো। পুরো দেশবাসী কিন্তু পাশে ছিল। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সকল বাংলাদেশী হুমায়ূন আহমেদের পাশে ছিল। কিন্তু কাউকেউ তো কোনো সুযোগ দেননি হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী শাওন এবং কথিত পারিবারিক বন্ধু মাযহার। আপনি দুর থেকে উপলব্ধি করতে পারছেন না বলেই আপনার এমনটি মনে হচ্ছে। জ্যামাইকা হাসপাতালে কিন্তু বলেই দিয়েছিল তার অপারেশনে ত্রুটি আছে। এরপরই তো আবার অপারেশন হল। আরো শুনবেন? প্রথম অপারেশনের পর বাসায় চেয়ার থেকে পড়ে গিয়েছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। শাওন এ কথাটি ডাক্তারের কাছে গোপন করেছিলেন। চেয়ার থেকে পড়ে যাওয়ায় তার অপারেশনের সেলাই কেটে গিয়েছিল। এসব কিন্তু নিউজে এসেছে। আপনি পুরনো নিউজগুলো পড়ুন। একটি কথা মনে রাখবেন, ডাক্তার আর উকিলের কাছে কোনো কথা গোপন রাখতে নেই।



কেন তাকে বিশ্বখ্যাত স্লোয়ন কেটারিং সেন্টার হাসপাতাল থেকে বেলভ্যু হাসপাতালে নিয়ে অপারেশন করা হল সেই প্রশ্নের খোঁজার চেষ্টা করছি। এমনও উত্তর পেয়েছি যে অর্থ সাশ্রয়ের জন্য এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলে তার পরিবার, অর্থাৎ মেহের আফরোজ শাওন এবং বন্ধু মাযহার । অথচ আমরা সবাই জানি, এই মার্কিন মুল্লুকে যে কোনো হাসপাতালে সবার আগে রোগীর চিকিৎসা। বিল নিয়ে হাসপাতাল কখনো মাথা ঘামায় না। হুমায়ূন আহমেদের বিল তার যত সম্পদ তা থেকে পরিশোধ করা যেত। না পারণে দেশবাসী অবশ্যই দিতেন।এমনকি বিল মওকুফ করারও সুযোগ আছে এখানে। যত হাজার ডলার বিল হোক না কেন। আগে তো প্রিয় লেখককে বাঁচানো দরকার ছিল। এখন লেখক নেই, কিন্তু তিনিতো অঢেল সম্পদ রেখে গেছেন। কি হবে এই সম্পদ দিয়ে? একটি বই বেরুলে কোটি টাকার ওপর রয়্যালটি পেতেন হুমায়ূন আহমেদ। শত শত বই লিখেছেন। নিজের টাকায় চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে চেয়েছিলেন। ইত্তেফাকে আমার সহকর্মী যিনি একজন চিকিৎসকও। তিনি আজ লিখেছেন‘ইনফেকশনের জন্য দায়ী কে?

আমি যদি আজ প্রশ্ন করি ক্যান্সার হাসপাতাল রেখে কেন তাকে সাধারণ হাসপাতালে নেওয়া হল, এই উত্তর কে দেবেন? আজ হোক, কাল হোক এই প্রশ্ন সামনে আসবেই...আসবে।



-

ইত্তেফাকের বিশেষ প্রতিনিধি শহীদুলইসলামের স্ট্যাটাস থেকে

মন্তব্য ৪৩ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৪৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:০২

শার্লক বলেছেন: হুম। কি বলবো শাওনের গোর্য়াতুমি দেখে সন্দেহ হচ্ছে একই কথা বারবার বলছে। এটা বুঝতেছে না কবর না হওয়া পর্যন্ত তো শান্তি পাবে না। এতোদিন হয়ে গেল কেন তাকে কষ্ট দিচ্ছে?

২৪ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:২৫

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: এমনকি শাওনের আচরনে প্রবাসী বাঞ্গালীরাও অসন্তুষ্ট হয়েছে ,এমন পরিস্হিতিতে তার এহেন আচরন সত্যি উদ্বেগ আর দুঃখ জনক

২| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:০৮

নূরুল হুদা (শান্ত) বলেছেন: আমারে খাড়া কইরা কবর দিও- হুমায়ুন আহমেদ
Click This Link

২৪ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:২৫

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: হুম,আগেই দেখেছি :|

৩| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:০৯

মুফতি খার উদ্দিন বলেছেন: ১০০% খাটি কথা বলছেন ভাই।

শাওনের দেশ থেকে জুতা খেয়ে বের হওয়ার সময় ঘনিয়ে আসছে।

২৪ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১২:৩৪

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: শাওনের কাছে হেরে গেল মমতাময়ী মা-ভাই-কন্যা-পুত্র সবাই...
শাওনেই যেন পতন লেখা ছিল হুমায়ূনের কপাল...

৪| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:১৮

অনিক আহসান বলেছেন: এতো কথাতো জানতাম না।

২৪ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:০১

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: বাবার আত্নার শান্তির জন্য ছাড় দিল প্রথম ঘরের সন্তানরা...

৫| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:৩০

জহিরুলহকবাপি বলেছেন: ওরে জুতা মারার দরকার হবে না । নিজেই চলে যাবে । দেইখেন

২৪ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:০২

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: ড.জাফর ইকবাল গতকাল গভীর রাতে সাংবাদিকদের বলেন, হুমায়ূন আহমেদের সন্তানরা চাচ্ছিলো তাদের বাবার দাফন মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে হোক। কারণ সেখানে সবাই সহজে যেতে পারবে। কিন্তু হুমায়ূনের দ্বিতীয় স্ত্রী শাওনকে রাজি করানো যায়নি। আবার সন্তানরা চাচ্ছে না যে, তাদের বাবার লাশ বারডেমের হিমঘরে পড়ে থাকুক। এ কারণেই তারা নুহাশ পল্লীতে দাফনের বিষয়টি মেনে নিয়েছে তারা।

৬| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:৪৩

ভেজাল মানুষ বলেছেন: আমরা বাংলাদেশীরা বোধহয় চিরকাল একটু বেশী বুঝি। B:-/ B:-/ B:-/ ব্লগে অনেকে দেখছি লিখছেন "ভাল মানুষ" হুমায়ূন আহমদের অর্থ বিত্তের মোহে কালো জাদুতে জড়িয়েছিলেন শাওন। :-P :-P অথচ বাস্তবে শাওন একজন শিল্পপতীর মেয়ে যার অর্থ বিত্ত হুমায়ূন স্যার এর চেয়ে ঢের বেশী ছিল। :#> :#> :#> শাওনের মা একজন সংসদ সদস্য। হুমায়ূন স্যার এর মতো মানুষরা একটু ক্র্যাক হন ;) ;) । সে কারনে মেধাবী শাওনের সংগীত,অভিনয়,নাচ এসব বহুমূখী প্রতিভা দেখে উনি প্রায় ৩০ বছরের সংসার জীবন ত্যাগ করে শাওনকে বিয়ে করেন। এখানে শাওনের অর্থের মোহ কাজ করে নি। একজন শিল্পপতির মেয়ে নিখাদ ভালবাসা ছাড়া বাবার বয়সী কারো সাথে এতোগুলো বছর থাকতে পারত না। B-) B-)

উলটা পালটা কিছু বলার আগে উনাদের পারিবারিক স্ট্যাটাস চেক করে দেখুন। X(( X(( X(( X(( X((

২৪ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:৩২

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: আপানে কমেন্টেই আপনার ব্লগীয় নামকরনের সার্থকতা প্রকাশ পেল....
আশাকরি গতকাল সাংবাদিকদের কে শাওন কি কি বলেছেন সেটি আপনার গোচরে গ্যাছে ...

"জীবিত থাকতে কাউকে পাশে আসতে দেইনি আর এখনো দেবনা। তার সন্তানদের(অন্যপক্ষের) কোন অধিকার প্রাতিষ্ঠা করেতে দেবনা, সব সম্পদ নিজে ভোগ করবো" ---শাওন

আর সম্পত্তির লোভের কথা বলছেন,সেটি কিন্তু যাদের অঢেল আছে,তাদেরই বেশী থাকে...

আর গত সাত বছরে শাওনের সাথে হুমায়ুন স্যারের পরিণয় না হলে আর হয়তো ইতিহাসটা অন্যভাবে লেখা হতো,আমরা স্যারের কাছ থেকে আরো অমূল্য কিছু সম্পদ পেতাম যা কিনা এক হিংসুটে আর লোভী নারীর কাছে বিসর্জন দিয়ে পরপারে চলে গেলেন আমাদের সবার প্রিয় স্যার...

পরিশেষে বলবো আপনার চোখের থেকে কলো চশমাটা সরাবেন ,তবেই বুঝবেন বাহিরেরট রংটা আসলে কি ...

সহব্লগার জিকসেস এর একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করছি..

"নুহাশ পল্লীতেই তাহলে কবর হবে। একটা গল্প বলি। এক বাচ্চার প্রকৃত মা কে জানা যাচ্ছেনা। দুইজন মহিলা বাচ্চার মাতৃত্ব দাবী করছে। তখন বিচারক বললেন ঠিক আছে বাচ্চাকে দুই টুকরা করে দুইজনকে দিয়ে দাও। একজন মহিলা বললেন , থাক বাচ্চা ওই মহিলাকেই দিয়ে দেওয়া হোক। কে কাকে বেশি ভালবাসে এটা নিয়ে গল্পটা ছিল। ঘুমাতে গেলাম। সেহরী খেতে হবে। আর কোন ঝগড়া বিবাদ কাম্য না।"

৭| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:৪৫

মোহাম্মেদ তমিজ বলেছেন: কিছু বুঝে উঠতে পারছিনা…... এখন যা হচ্ছে এক কথায় নোংরামি এবং আমদের কষ্ট দেয়া

২৪ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:৪৫

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: হুমায়ন আহমেদ তাকে নুহাশ পল্লীতে দাফনের কথা বলে গেছেন, মেহের আফরোজ শাওনের এমন বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তাদের ঘনিষ্ঠ নিউ ইয়র্ক প্রবাসী কয়েকজন বিশিষ্ট বাংলাদেশী।
জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. আব্দুল মোমেনের স্ত্রী সেলিনা মোমেন শাওনের বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, শনিবার হুমায়ন আহমেদের মরদেহ দেশে নিয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে জেএফকে এয়ারপোর্টে প্রকাশ্যে মেহের আফরোজ শাওন লাশ দাফনের ব্যাপারে হুমায়ুন আহমেদ কিছু বলে যাননি বলে জানান।
সেলিনা মোমেন বলেন, শাওনকে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সেখানে আমি, হুমায়ুন আহমেদের চিকিৎসার সাথে সংশ্লিষ্ঠ মুক্তধারা নিউইয়র্কের প্রধান বিশ্বজিৎ সাহা, তার স্ত্রী রুমা সাহা এবং সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার সাবেক চীফ রিপোর্টার ও ইটিিিভর নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি শাখাওয়াত হোসেন সেলিম উপস্থিত ছিলেন।
সবার সামনেই তাকে লাশ দাফনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শাওন বলেন, হুমায়ুন আহমেদ এবিষয়ে কিছুই বলে যাননি। এজন্য দেশে গিয়েই সিদ্ধান্ত হবে।

আর এখন দেশে এসেই তার কথা পুরো বিপরীত!!!!এর পিছনে নিশ্চয়ই কোন রহস্য রয়েছে .।।।

৮| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:৪৮

শিপন মোল্লা বলেছেন: শাওয়নকে অভিজক্তি করতেই পারি

২৪ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:০৬

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: এর পরও আপনার আর কোন সন্দেহ আছে!!

আর নারীর কারনেই সব যেমন সব সৃষ্টি হতে পারে আবার সেই এক নারীর কারনেই সব ধ্বংসও হতে পারে

৯| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:৪৯

বরফ শীতল বলেছেন: এই টানাটানি দেখে মাথা পুরাই গরম । X(( X(( এর সাথে আবার যুক্ত হয়ছে প্রধানমন্ত্রী আর নানক কিছুক্ষণ পর হয়ত ফখরুলো জুটবে । ঢাবিই হোক বা নুহাশ পল্লীই হোক । খুব দেখার ইচ্ছা কয়জন যাবে স্যারকে এরপর দেখতে । X( X(

২৪ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:৩৪

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: এটা খুবই দুঃখজনক...
আমাদের সবার প্রিয় এ মানুষটির বিদায় বেলা তা নির্ঝনঝাট আশা করে ছিলাম, কিন্তু কিছু নোংরা মানসিকতার নোংরা মানুষদের জন্য তা হয়ে উঠলো না

১০| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:৫৩

শিপন মোল্লা বলেছেন: ভেজাল মানুষ আপনি তো বলছেন শাওয়নের ভালবাসার কথা তাহলে উপরের পোষ্টের কথা যদি সত্যি হয় তাহলে স্ত্রী হিসাবে তার অবহেলা ছিলনা, কি বলতে চান আপনি ?

২৪ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:৩৮

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: @ ভেজাল মানুষ

১১| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:৫৪

ৈসকত ইসলাম বলেছেন: :-& :-& :-&এতকিছু তো জানতাম না

২৪ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:৫৭

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: :| :| :|

১২| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:০২

সমানুপাতিক বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যু ক্যান্সারে নয়, ইনফেকশন থেকে । হাসপাতালের Death Certificate এ একথা লিখা হয়েছে । এই ইনফেকশনের শুরু সার্জারির পর হুমায়ূন আহমেদের চেয়ার থেকে পড়ে যাওয়ার পর থেকে । দেখাশুনার জন্য শাওনের পুরো পরিবার তাঁর পাশে ছিল - তিনি চেয়ার থেকে পড়ে যান কিভাবে? শাওনের ভূমিকা বরাবরের মত প্রশ্নবিদ্ধ ।

২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:১৩

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: শাওনের ভূমিকা বরাবরের মত প্রশ্নবিদ্ধ ।
অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ...
আরো যতদূর জানতে পেরেছি এই শাওনই তার আগের ঘরের সন্তাদেরকে তাদের বাবার থেকে আলাদা করে রেখেছিলো, তাদের সাথে হুমায়ুন আহমেদকে দেখা পর্যন্ত করতে দেয়নি আর এখন বলছে নুহাশ,নোভা,শীলারা নাকি দেখা করতেই যায়নি,কোন খোঁজ খবর নাকি রাখেনি !!!

এ হচ্ছে দুমুখো সাপ

১৩| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:০৪

ভাঙ্গা হৃদয় বলেছেন: বুড়া বয়সে কচি খাবার শখ হইছিল এখন তো সেই কচির ঝামেলাও কান্ধে নিতে হবে, না হলে কিভাবে চলবে?

২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১০:২৬

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: আমরা কেন ভূলে যাই ব্যক্তি হুমায়ুন আহমেদও কিন্তু ভূল ত্রুটির উর্ধে নন

১৪| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:৩৪

জাবেদ-আসাদ বলেছেন: ভাঙ্গা হৃদয় বলেছেন: বুড়া বয়সে কচি খাবার শখ হইছিল এখন তো সেই কচির ঝামেলাও কান্ধে নিতে হবে, না হলে কিভাবে চলবে?

১৫| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ১০:৩৪

মুফতি খার উদ্দিন বলেছেন: শাওনকে জুতা মারার একটা কোর্স চালু করা দরকার!

২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১০:২৬

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: এখন আর বইলা কি লাভ ...যা হবার তা তো হয়েই গেলো

১৬| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ১০:৪১

মুফতি খার উদ্দিন বলেছেন:
@ভেজাল মানুষঃ শাওন শিল্পপতির মেয়ে বলে কি ওর অর্থ-লোভ থাকতে পারে না? তাহলে ও প্লেনে বিজনেস ক্লাস নিয়ে কেন ঝামেলা শুরু করলো?
*যেখানে নিজের হাসব্যান্ড মারা গ্যাছে, সেখানে তার কথা ভুলে বিজনেস ক্লাসের সিট শাওন হারামজাদির কাছে বেশি হয়ে গ্যালো?

*এ থেকেই কি বুঝা যায় না, যে শাওনের ফ্যামিলি স্ট্যাটাস কতোটা নিচু মানের?

২৯ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:১৬

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: ভেজাল মানুষ তো আর ডিফেন্ড করতে আসলো না /:)

১৭| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:২৬

শিবলী১২৩ বলেছেন: ২০০৩ সালে সে বিনিয়োগ করেছে। এখন যদি লাভের মুখি না দেখতে পেল তাহলে তো এই ৯ বছরের শত পরিশ্রম অর্থহীন। অর্থলোভী মেয়ে মানুষ কত ভয়ংকর হতে পারে, তার আরেক নমুনা দেখলাম

২৯ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:১৭

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: এইটারে বলে লংটার্ম ইনভেষ্টমেন্ট...
ইকো আর ফিন এর পোলাপাইনে ভালো ডেসক্রাইব করতে পারবে

১৮| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:০৯

অর্ণব আর্ক বলেছেন: শাওন সত্যি একজন গুণী অভিনেত্রী। নটাংকি হিসেবে তাকে ভস্কার দেয়া হোক। বাপরে বাপ মৃত স্বামীর লাশনিয়ে নটাংকিপনা এই প্রথম দেখলো পুরো পৃথিবী। আমার মনে হয় ব্রাড পিট মারা গেলে অ্যাঞ্জেলিনা জোলিও ওভাবে অভিনয় করতে পারতো না। অভিষেক মারা গেলে ঐশ্বরিয়াও এমন পারতো না। তাই বলি কি শাওনকে অস্কার দেয়া হোক।

১৯| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:১০

লিন্‌কিন পার্ক বলেছেন:
শাওনরে ভাল পাই না !!

অর্থলোভী মহিলা X(

২০| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:১১

অর্ণব আর্ক বলেছেন: একটা বাঙলা সিনেমার গল্প। গল্পের নায়ক এক রাক্ষসী (?) মেয়ের খপ্পড়ে পড়ে সতী, ভাগ্যবতী প্রথমা স্ত্রীর অমতে দ্বিতীয় বিবাহ করে প্রথমা স্ত্রীকে তালাক দেন। এই ঘটনার প্রতি সবাই দ্বিতীয় স্ত্রীর প্রতি ক্ষুব্দ থাকলেও কোন এক অজানা কারণে ঘটনার আরেক পক্ষ নায়কের প্রতি কোন রাগ কিংবা অভিমান ছিল না। এরপরে নায়ক কোন কারণে মৃত্যু বরণ করে এবং এরপরে শুরু হয় দ্বিতীয় স্ত্রীকে তুলোধূনো। কেন সে নায়ককে বিয়ে করতে গেল। সিনেমার কোথাও কোন যৌক্তিক বিবরণ ছিল না, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কোন অপরাধ হয়ে থাকলে, শুধু কেন দ্বিতীয় স্ত্রীকে দোষা হবে! কেন নায়ককে নয়? উত্তর একটাই হতে পারে যে, লেখকের মর্জি।

কিন্তু আমরা বর্তমানে আমাদের বাস্তবের নায়ককে নিয়ে যে কান্ডটা করছি সেখানে তো কোন লেখক নেই যে যুক্তি ছাড়া কলম চালাবেন। আমরা ভক্তরাই বাস্তব এই নাটকের স্রষ্টা। সকলে এখন শাওনকে দোষারোপ করছে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। মনে হচ্ছে, সে হুমায়ূন আহমেদকে বিয়ে করে কোন অপরাধ করে থাকলে একলাই করেছেন। অন্যপক্ষ কি দুদু ছেলে ছিলেন যে তাকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে একা শাওনই বিয়ে করেছে?

আসলে আমরা বর্তমানের এই বাস্তব নায়কের জনপ্রিয়তার বাইরে গিয়ে সত্য ঘটনার অনেক কিছুকেই পাশ কাটাতে চাইছি। তার অন্ধ ভক্তদের দ্বারা সমালোচিত হবার ভয়ে। আমরা অনেক মিথের সমালোচনা করলেও এই লেখককে নিয়ে নতুন মিথ তৈরী করতে চাচ্ছি। অন্যদিকে, আমরা গুলতেকিনের বর্তমান অবস্থার জন্য শাওনের ঘাড়ে পুরো দোষটা চেয়ে দিয়ে মহানুভব সাজার চেষ্টা করছি ঠিক সেই সিনেমার মতোই।

তবে দাফন বিতর্কে শাওনের অবস্থান তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। হুমায়ূন আহমেদ নিজেও জানতেন তার অবস্থা সংকটাপন্ন। ওখানে অনেক প্রবাসী বাঙালী তাকে ঘিরে ছিলেন। একটা প্রকাশ্য ইচ্ছা (দাফনের) কি এমন ঘটনা ঘটেছিল যে শুধুমাত্র শাওনের কানে কানে তাকে বলতে হোল। তাছাড়া প্রথম থেকে দাফন নিয়ে শাওনের অবস্থান বেশ বিতর্কিত এবং প্রশ্নবোধক ছিল। কেন তিনি বারবার আগ বাড়িয়ে দাফন কোথায় হবে, হুমায়ূনের শেষ ইচ্ছার নামে নূহাশ পল্লীর কথা মিডিয়াকে কারণে অকারণে বলে বেড়াচ্ছিলেন। এটা কি নিছক কাকতলীয় নাকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল?

তবে পারিবারিক স্বিদ্ধান্তে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ আবার প্রমাণ করল ব্যক্তিস্বার্থে আমাদের রাজনীতিবিদরা কতোটুকু নিচে নামতে পারেন। আবারও প্রমাণিত হলো রাজনৈতিক প্রভাবের কাছে জনগণ কতো অসহায়! আমরাতো বিশ্ব ব্যাংকের মতো বিশ্ব মোড়ল নই যে সরকার গাধার মতো জল ঘোলা করে হলেও ন্যায্য দাবী মেনে নিবেন (আবুল পদত্যাগ কবুল করেছেন)। তাই হুমায়ূন আহমেদের সমাধির সাথে সাথে রাজনৈতিক শক্তির কাছে সমাধিস্থ হচ্ছে একটা পরিবারের বৃহৎ অংশের ইচ্ছা অনিচ্ছাটুকুও।

এটাও শুনা গেছে শাওনের মা বেগম তহুরা আলী সরদার দলীয় সংসদ সদস্য হওয়াতে এক মন্ত্রী শাওনের মনোবাসনা (হুমায়ূন আহমেদের বলছি না, কারণ শাওন ছাড়া কেউ তার অসিহত শুনেনি) পূরণের উদ্দেশ্যে সারা রাত দৌড়াদৌড়ি করে সরকারী প্রভাব খাটিয়ে শাওনকে জিতিয়ে এনেছেন। আমাদের মন্ত্রীদের হাতে কতো অফুরন্ত সময়। সঠিক কর্ম বন্টন করে কিছু মন্ত্রী কমিয়ে আনলে জনগণের টাকা কিছু বাঁচান যেত।

আসলে হুমায়ূন আহমেদ জীবিত অবস্থায় যেমন নানা বিষয় নিয়ে বিতর্কিত ছিলেন; ঠিক তেমনি মৃত্যুর পূবে তিনি তার দাফন কোথায় হবে সেটা স্পষ্ট করে না বলে আরেকবার বিতর্কের জন্ম দিয়ে পুরো জাতিকে দ্বিধাবিভক্ত করে বহুদিন তার সম্পর্কে সরব আলোচনকে জিইয়ে রাখলেন।এমনিতেই তিনি বেঁচে থাকবেন তার সাহিত্য কর্ম দ্বারা। কিন্তু এই দাফন বিতর্ক বহুকাল ধরে অনেক সরব বিতর্ক সৃষ্টি করে যাবে।
সব ছাপিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, শাওন কি তাহলে মিথ্যাবাদী? আপাতত কিন্তু তাই মনে হচ্ছে।
মাহবুব মিঠু ভাইয়ার স্ট্যাটাস্

২৪ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:১৬

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: কোন একদিন, একটি বিচারালয়ে; একটি শিশুর মাতৃত্বের অধিকার নিয়ে বিবাদরত দুইজন মায়ের অনমনীয়তায় হাকিম হুকুম জারি করলেন, বাচ্চাটাকে কেটে দু' মহিলার মধ্যে ভাগ করে দাও। সত্যিকারের মা, তাঁর অধিকার ছেড়ে দিলেন সাথে সাথে...কেটে ভাগ করার দরকার নেই, বাচ্চাটাতো বাঁচুক...দরকার নেই মায়ের অধিকারের!
আবারও সেই ঘটনার পুনারাবৃত্তি দেখতে হলো! সত্যিকারের আপনজনেরা অধিকার ছেড়ে দিলেন...সন্মানটা তো অটুট থাক...দরকার নেই কবি নজরুলের পাশে কিংবা বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শেষ শয্যার

২১| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৩২

তামিম ইবনে আমান বলেছেন: +

২২| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৮:৫৮

মিনহাজুল হক শাওন বলেছেন: +

২৩| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৯:৫৫

গাংচিল মন বলেছেন: ++++++++++

২৪| ২৫ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ৯:৪৮

ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: ক্লান্ত এ নাটক দেখে :(

২৯ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:১৭

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: সেইম হেয়ার :( :( :(

২৫| ২৬ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৫৬

বেপারিবাজ বলেছেন: শাওনের মা বেগম তহুরা আলী সরদার দলীয় সংসদ সদস্য হওয়াতে এক মন্ত্রী শাওনের মনোবাসনা (হুমায়ূন আহমেদের বলছি না, কারণ শাওন ছাড়া কেউ তার অসিহত শুনেনি) পূরণের উদ্দেশ্যে সারা রাত দৌড়াদৌড়ি করে সরকারী প্রভাব খাটিয়ে শাওনকে জিতিয়ে এনেছেন। আমাদের মন্ত্রীদের হাতে কতো অফুরন্ত সময়। সঠিক কর্ম বন্টন করে কিছু মন্ত্রী কমিয়ে আনলে জনগণের টাকা কিছু বাঁচান যেত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.