নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষ আর বিপ্লবী কখনো মরে না, তাদের জীবন-কর্ম-দর্শন নিয়ে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে বিপ্লবীদের কথা। www.biplobiderkotha.com

মানুষ আর প্রাণীর মধ্যে পার্থক্য হলো-চেতনাগত ও সংস্কৃতিগত।

শেখ রফিক

সম্পাদকঃ বিপ্লবীদের কথা (মাসিক পত্রিকা), সম্পাদকঃ www.biplobiderkotha.com, সাধারণ সম্পাদকঃ বিপ্লবী গবেষণা সংসদ।

শেখ রফিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

কালের ভাস্কর সেলিম আল দীন

১০ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:৪৭

সেলিম আল দীন একজন শক্তিমান নাট্যকার। এদেশের নাট্য জগতে তাঁর জনপ্রিয়তা সবার উর্ধেব। নাটক কোনো এক শ্রেণি-গোষ্ঠীর নয়, নাটক সকলের। কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের জীবনের প্রতিচ্ছবিও- নাটকের মূল বিষয় হতে পারে, তা আমরা সেলিম আল দীনের নাটক থেকে পাই। নাটকের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মানবিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন সম্ভব –তা আমরা সেলিম আল দীনের কাছে শিখি। তিনি নাটককে গ্রাম-বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে নিয়ে গিয়েছেন। ভূলে যাওয়া--- হাজার বছরের বাঙালী সংস্কৃতিকে মানুষের চেতনার আয়নায় নিয়ে আসার জন্যই তাঁর এই পথচলা।

http://www.biplobiderkotha.com

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, সংগঠক, নাট্য নির্দেশক এবং শিল্পতাত্বিক এই মানুষটির জন্ম ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট। ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। স্কুলে ভর্তি হওয়ার সময় তাঁর বয়স বাড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। ফলে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট অনুযায়ী তাঁর জন্ম ১৮ নভেম্বর ১৯৪৮ সাল। পিতা মফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং মাতা ফিরোজা খাতুন। সাত সন্তানের মধ্যে সেলিম আল দীন তৃতীয়। ছয় ভাই বোন- বুলবুল, জ্যোৎস্না, বোরহান উদ্দিন, জেসমিন, শাহানা এবং আব্দুল গণি। ভাইদের মধ্যে তিনি জ্যেষ্ঠ।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:৫৪

রাত্রি২০১০ বলেছেন: তিনি মানুষ হিসাবেও ছিলেন অসাধারন। জাবি তে ছেলেবেলা কেটেছে বলে, ঊনার স্ত্রী আমার বাংলার শিক্ষিকা ছিলেন বলে, নিঃসন্তান এই দম্পতির অফুরান স্নেহ পেয়েছিলাম আমরা সবাই। সেই মামণি ডাক আর শুনব না ভাবলেই হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়।
অনেক ভালবাসা আর শ্রদ্ধা!

২| ১০ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:০২

সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: সেটা ১৯৯৯ সাল। আমি তখন কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক বিভাগের পোষ্ট গ্রাজুয়েট ছাত্র। সেলিম আলদিন এসেছিলেন আমাদের বিভাগে অতিথি হয়ে একটি বক্তৃতা দেবার জন্য। তার বছর কয়েক আগে সাড়ম্বরে এখানে পালিত হয়েছে বাংলা নাটকের দুশো বছর। আমরা লেবেদফ থেকে, ১৭৯৫তে তার প্রযোজনা থেকে হিসাব করে এই দুশো বছরের কথা বলছিলাম কলকাতায়। সেলিম প্রশ্ন তুলেছিলেন ইউরোপীয় গজকাঠিতে মেপে কেন মাত্র দুশো বছরের হিসেবে কেন সীমায়িত করব আমাদের নাট্য ইতিহাস। তিনি দেখাচ্ছিলেন মধ্যযুগ জুড়ে কিভাবে আমাদের নাট্যচর্চা চলেছে নানা দেশীয় চেহারায়। পরে হাতে আসে ঢাকার বাংলা আকাদেমী প্রকাশিত তাঁর মধ্যযুগের বাংলা নাট্য বইটি। আরও গভীরে, বিস্তারে জানার সুযোগ হয় তাঁর ভাবনা। সেলিম যেমন কীর্তনখোলার মত অনবদ্য নাটকের নাটককার, তেমনি নাট্যতাত্ত্বিক হিসেবেও একটা অতি সম্মানীয় অবস্থান নিয়ে আছেন আমাদের মধ্যে। উত্তর ঔপনিবেশিক চর্চার অভিমুখ যখন নাটকের প্রসঙ্গে আসে, তখন সেলিম সেখানে অন্যতম প্রধান নাম। দুর্ভাগ্য কলকাতা, থিয়েটারের মক্কাতে বসেও সেলিমের নাটক, বাংলাদেশের ভালো ভালো নাটক আমরা তেমন দেখার সুযোগ পাই না।

৩| ১০ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:০৭

বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: সেলিম আল দীন স্যার কে শ্রদ্ধা

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.