নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভালো থাকুন সবাই

ইসিয়াক

ভাবছি লেখালেখি ছেড়ে দেবো। লিখলেও পোষ্ট দেবো না।কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না।

ইসিয়াক › বিস্তারিত পোস্টঃ

আজ শ্রদ্ধেয় ব্লগার ইমন জুবায়েরের ৭ম মৃত্যু বার্ষিকী। ২০১৩ এর এই দিনে আমাদের ছেড়ে চলে যান এই প্রথিতযশা ব্লগার।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৯


ইমন জুবায়ের
ইমন জুবায়ের
জন্ম: ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৭ – মৃত্যু: ৪ঠা জানুয়ারি, ২০১৩

শুরুতেই বলে রাখা ভালো- বাংলা ব্লগের অন্যতম নক্ষত্র ইমন জুবায়ের ভাই

পুরো নাম- জুবায়ের হোসেন ইমন। ‘ইমন’ তাঁর মেজোমামার দেয়া ডাকনাম। পরবর্তীতে ইমন জুবায়ের নামেই তিনি পরিচিত। তাঁর বাবা আবদুল মালেক পাটোয়ারী একজন আইনজীবী ছিলেন। মা- নুরুন্নেসা হামিদা বেগম, তিনি ছিলেন একজন স্কুল শিক্ষিকা।চার বোন ও এক ভাই হলেও ইমন ভাই আর স্বাতী দু’জন পিঠাপিঠি ছিলেন।
শৈশব কাটে তাঁর নানাবাড়িতে। তিনি অবশ্য নানীর বাড়ি বলতে ভালোবাসতেন। কিশোর বয়সে তিনি ছিলেন খুব চঞ্চল প্রকৃতির। জলপাই গাছ বেয়ে বাড়ির ছাদে ওঠা, হরবরি গাছে উঠে দেয়াল টপকানো আর বন্ধুদের নিয়ে শহরময় ঘুরে বেড়ানো ছিলো তার নিত্যদিনের ব্যাপার। ইলেকট্রনিক্স জিনিসপত্র তাঁর নজর কাঁড়তো। ফুটবল তাঁর প্রিয় খেলা। তিনি ছিলেন একজন সফল গোলরক্ষক। শূন্যে উড়ে বল গ্রিপ করার নৈপুণ্যে তাঁর খুব নাম ডাক ছিলো। বল ছিঁটকে বেরিয়ে আসার আগেই বুঝতে পারতেন বল কোন দিকে যাবে। তিনি মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাপোর্টার ছিলেন। এছাড়া ক্রিকেটও ভালো খেলতেন তিনি। তিনি স্পিন বলার হলেও অনায়াসেই বল তালুবন্দি (ক্যাচ) করতে পারতেন। প্রিয় দল বাংলাদেশ, তারপর ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ছেলেবেলার বন্ধু পাড়ার গৌতম, শাকিল ও পার্থ। শৈশব থেকেই তিনি গান শনতে পছন্দ করতেন।

এতো কিছুর পরও তিনি প্রচুর বই পড়তেন। বইয়ের পোকা যাকে বলে। এই অভ্যেসটা তিনি মায়ের কাছ থেকে পেয়েছিলেন। তাঁর প্রিয় সিরিজ ছিলো ‘কুয়াশা’, ‘দস্যু বনহুর’, ও ‘দস্যু পাঞ্জা’। তাঁর কোনও এক লেখায় তিনি লিখেছেন- “ছেলেবেলায় আমার চারপাশে ছিল বইয়ের অফুরন্ত সম্ভার। রাস্তার ওপারে ‘সবুজ লাইব্রেরি’ নামে বইয়ের একটা দোকান ছিল। আজও আছে। বিকেলের দিকে যেতাম দোকানটায়। এক টাকা কি দুই টাকায় ‘কুয়াশা’ সিরিজ পাওয়া যেত। অবশ্য কেনার মতো পয়সা ছিল না। আমার মুখ দেখেই হয়তো দোকানের লোকটার দয়া হত। বইয়ের পাতা ভাঁজ না করার শর্তে আমাকে ‘কুয়াশা’ সিরিজের বই পড়তে দিতেন। ফাঁকা ফুটপাতের ওপরই পড়তে বসে যেতাম। কী নির্জন রাস্তা; জনশূন্য শান্তিনগর মোড়। দশ/পনেরো মিনিট পর পর একটা রিকশা কি একটা মাজদা গাড়ি কি রামপুরা- গুলিস্তান রুটে সবুজ রঙের ধ্যাড়ধ্যাড়া মুড়ির টিন যেত। সেই ১৯৭৭/৭৮ সালের কথা ... পড়তে পড়তে সন্ধ্যা নেমে আসত। আমিনবাগ জামে মসজিদ থেকে মাগরিবের আজান ভেসে আসত। দোকানে বই ফেরৎ দিয়ে রাস্তা পার হয়ে বাড়ি ফিরতাম ...”।

আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, নীহার রঞ্জন ও নিমাই ভট্টাচার্য এর বই তার প্রিয় ছিলো। আশুতোষের ‘সোনার হরিণ নেই’ পড়ার পর অনেক দিন তাঁর মন খারাপ থাকে।

প্রিয় এই মানুষটি ছেলেবেলায় শুধু গল্পের বই-ই পড়েন নি। অন্যদের তুলনায় তার জ্ঞান আহরণ প্রক্রিয়া ছিলো ভিন্ন। ক্লাসের পড়ার বাইরেও তিনি মৌলিক ও বৈষয়িক শিক্ষা লাভ করেন (যদিও সেসবের পুরোটা তাঁর অপরিণত মাথায় ধরতো না)। তাঁর লেখায় তিনি বলেছেন- “ইডেনে ইন্টারমিডিয়েট পড়ার সময়ই আমার আম্মার বিয়ে হয়ে গিয়েছিল । ভীষণ জেদি মহিলা ছিলেন। এম . এ পাস করবেনই । একটা মেয়েদের স্কুলে পড়াতেন। তারপরও জগন্নাথ কলেজে ইসলামের ইতিহাস বিভাগে নাইট শিফটে এম.এ ক্লাসে ভর্তি হলেন । সন্ধ্যার আগে-আগে আম্মার সঙ্গে মালিবাগ মোড় থেকে ঠেলাঠেলি করে মুড়ির টিনে উঠতাম । গন্তব্য বাংলাবাজার। বড় একটা হল ঘরে বাতি জ্বলত, বেঞ্চর ওপর বসে থাকা ছাত্রছাত্রীরা কেমন শান্ত, জীবনহীন, ছায়া-ছায়া; বুড়োমতন একজন স্যার কীসব বলে যেতেন। পরে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগে পড়েছি । অথচ শৈশবেই ইতিহাসের অধ্যাপকের ক্লাস আমার করা হয়ে গেছে। আম্মা পড়তেন রান্না করার সময় । আব্বা আইনজীবি। মামলা-মোকদ্দমার জন্য গ্রামের বাড়ির থেকে লোকজন আসতেই থাকত। এ ভাত খাবে তো ও রুটি খাবে; এর অজুর জন্য গরম পানি চাই তো ওর জন্য তরকারি গরম কর। আম্মা পড়তেন এসবই সামলে ...”

ছেলেবেলায় যে ইতিহাস বিষয়ে হাতে খড়ি হয়েছিলো মায়ের কাছে, সেই একই বিভাগে তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

তিনি নি:স্বার্থভাবে লিখতে পছন্দ করতেন। তার সব লেখা-ই বলতে গেলে ব্লগে প্রকাশিত। সাহিত্য, ইতিহাস, দর্শন, বিজ্ঞান, ধর্মতত্ব, চিত্রকলা, সঙ্গীত ও মিথোলজিসহ নানান বিষয়ে তার লেখনীর পদচারণা আজও বিদ্যমান। তাঁর বেশকিছু লেখা নারীর অধিকার বিষয়ক। এর মাঝে ‘ অ্যাসিড রেইন’, ‘আরও একজন ’ ও ‘তাক ’ অন্যতম। একটা সময় যখন ব্লগে সৃজনশীল সাহিত্যের অভাব বিরাজ করছিলো- ঠিক সেই সময়ে নিরলসভাবে তিনি দিনের পর দিন সাজিয়ে গেছেন জ্ঞানগর্ভ মূল্যবান লেখাগুলো। পনেরোশত পোস্ট। কম নয়। আবার এর একটাও ফেলে দেবার নয়। বরং তাঁর একেকটা লেখা অনেক ধরণের তথ্যপূর্ণ হতো।

তিনি ছোটকাগজেও লিখতেন। ‘অনুপ্রাণন’ এর কোনও এক সংখ্যায় ‘একদিন গৌতম বুদ্ধ’ ছাপা হয়েছিলো। ‘শিরদাঁড়া’-তে প্রকাশিত হয় ‘আমার তো কপিলে বিশ্বাস’, ‘পূর্বাহ্নের আগুন’, ‘অন্ধকারে সব মুছে যাবার আগে’ ও ‘আগুনের গলি’।


লেখালেখির পাশাপাশি তিনি জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘ব্ল্যাক’ এর গীতিকার ছিলেন। বলতে গেলে ব্ল্যাক এর যাত্রা ইমন ভাইয়ের বাসা থেকেই। তিনি প্রায় ত্রিশটির মতো গানের কথা লিখেছেন। তাঁর লেখা কিছু গীতি এখান থেকে পাওয়া যাবে।

রাগ পূরবীর প্র্যাক্টিসে ইমন ভাই

তিনি ছিলেন ২০১১ সালের সেরা ব্লগার। সে বছর “দ্য বব্স” এর আন্তর্জাতিক সেরা ব্লগার প্রতিযোগিতায় ডয়েচে ভ্যালে’তে “বেস্ট বাংলা ব্লগ” ক্যাটাগরিতে তিনি মনোনীত হয়েছিলেন। কিন্তু নিজে থেকেই তিনি তা প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন।

তাঁর সর্বশেষ লেখা ছিলো অতিপ্রাকৃত গল্প: সতরই জুলাই । কিন্তু আজ সতরই ফেব্রুয়ারি তাঁর জন্মবার্ষিকী। আমার মাঝে মাঝেই মনে হয়- তাঁর শেষ লেখার শিরোনামের সাথে তাঁর জন্ম তারিখের কোথাও কোনও মিল আছে।

গান আর লেখনী। লেখনী আর গান। এই দু’টোর পরে কর্মজীবনকে তিনি বৈবাহিক জীবনে রূপান্তর করতে চান নি। অধ্যবসায়ে ব্যাঘাত ঘটবে সেই সঙ্কায় তিনি বিয়ে করেন নি। কিন্তু লেখালেখিতে তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রেমের ফলে তিনি ব্যক্তিজীবনে শরীরের প্রতি যত্ন নিতে পারতেন না। শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও নেয়া হয়। কিন্তু ২০১৩ ৩রা জানুয়ারি হঠাৎ করেই শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। কথা ছিলো পরদিন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। কিন্তু তার আর হয়নি। মাঝরাতে (৪ঠা জানুয়ারি) তিনি এই পৃথিবীর সকল মায়া ত্যাগ করে ওপারে পাড়ি জমান। আনুমানিক ২.৩০ মিনিটে। ভালো মানুষগুলো মনে হয় এইভাবেই পৃথিবীকে ছেড়ে যায়।

এলাকার আমিনবাগ জামে মসজিদে জুম্মা নামাজের পর তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন বিকাল প্রায় চারটার দিকে তাকে সমাহিত করা হয়। তিনি এখন শুয়ে আছেন আজিমপুর সমাধিক্ষেত্রে।

ইমন ভাই এর লেখা গান
প্রতিমুহূর্তে

প্রতীকে আমার বিশ্বাস নেই
সব কিছু খুলে দেখতে চাই
মৃত্যুর মূলে ঘ্রাণ চাই আমি
এমনকি তোমার জীবনের ভেতর
এখন অন্ধকারই একমাত্র সত্য মনে হয়
মনে হয় আমিও অন্ধকারের এক জীব
যে আলোর দিকে যেতে যেতে
মুখ থুবড়ে পড়েছি আঁধারে
রক্তাক্ত মুখের আর্তনাদ
উঠেছে হৃদয়ের গভীরে, প্রতিমুহূর্তে
বুকের ভেতর কাঁদছে কেউ অনন্তকাল
আমার রক্তাক্ত কোষের অজস্র সরীস্রিত
ক্রমাগত ছোবল মারতে উদ্যত
আতংকে শিউরে উঠছি প্রতিমুহূর্তে।

———————————————————
কথাঃ ইমন জুবায়ের। ব্যান্ডঃ স্টেনটোরিয়ান। এলবামঃ প্রতিমুহূর্তে।
========================================
মনে পড়ে না?

সবাই চলে গেলে শুন্যতা জমে উঠে
বুকের ভেতর বাজে কারো কারো গান
এসব অর্থহীন স্বপ্ন মনে হয়
কারো ফেলে যাওয়া ফুল তুলে নেই আমি

তখন রাত্রির বুকে অন্ধকারে এক
পরিচিত সুর ভেসে এলে
মনে পড়ে নারে
মনে পড়ে নারে নারে না
মনে পড়ে না, রাত্রি নামছে ধীরে

তারপর দীর্ঘরাত, অবশেষে ভোর
হারানো সমুদ্রের পাড়ে নাবিকের গান
বাতাসে কিছু সুর ভেসে আসে
শোকে মগ্ন বুকেরই পাশে।

———————————————————
কথাঃ ইমন জুবায়ের। ব্যান্ডঃ স্টেনটোরিয়ান। এলবামঃ প্রতিমুহূর্তে।
========================================
অদৃশ্য যুদ্ধ

এই রাত্রির শেষে জেগে উঠবে ভোর
এই ভোরের বিষন্ন আলোয় দেখো
নিহত আত্মার গান
এরকমই দিনকাল কুয়াসাময়

তোমরা কেউ সতর্ক নও বলে
পথের দু পাশে অজস্র লাশ
এ কার নিয়তি বলতে চাও
দিকভ্রান্ত নিয়তির শুনি চিৎকার

অদৃশ্য যুদ্ধ চলছে
চারদিকে বিপন্ন প্রহর
মানুষের চোখে ফুটে আছে বিস্ময়
কতকাল এভাবে কাটবে বলো।

———————————————————
কথাঃ ইমন জুবায়ের। ব্যান্ডঃ স্টেনটোরিয়ান। এলবামঃ প্রতিমুহূর্তে।
=======================================
ভয়

অনেক ভয় জমে আছে মনে
যদি ভাঙতে পারো তুমি
তাহলে সাথী হবে আমার
আমার ভয়টা ভাঙ্গাবে তুমি

তোমার ভয়টা কোন খানে জানি
এসোনা রোদ্রে হাত মেলি
স্নান করি সাগরের জলে
এসো না যাই দূর দিকে

তোমার পায়ে আজ কেন শেকল
ভেঙ্গে দেব আজ পরাবো নূপুর

মাঝ পথে ভেঙ্গে যায় স্মৃতি
রেখে যায় পদচিহ্ন
চারদিকে শকুনের দল
খাবলে নিচ্ছে মানচিত্র।

———————————————————
কথাঃ ইমন জুবায়ের। ব্যান্ডঃ স্টেনটোরিয়ান। এলবামঃ প্রতিমুহূর্তে।
========================================
অদৃশ্য যুদ্ধ-২

তোমরা কেউ সতর্ক নও বলে
পথের দু পাশে অজস্র লাশ
অদৃশ্য যুদ্ধ থামেনি
অদৃশ্য যুদ্ধ চলছে
ক্রমস সব ডুবছে গাঢ় অন্ধকারে
আলো নেই বলে ছায়ারাও সরে গেছে দূরে
সবগুলো চোখে আজ ঘুমের চিহ্ন
অদৃশ্য যুদ্ধ থামেনি এখনো…
বাতাস আহত বলে কারো নেই ঘুম
তবু স্তব্ধ সব এখন মনে হয়
মুমূর্ষ সময়ের এ কেমন উত্থান
প্রতিশোধে জেগে থাকে মধ্যরাত
আমরা পতনের মুহূর্তের সাক্ষী হব
খন্ডিত সময়ের সমান্তরালে জেগে
অর্থহীন প্রলাপে ছুঁই নিমগ্ন চোখ
তারপর হলুদ আলোয় যাই ভেসে।

———————————————————
কথাঃ ইমন জুবায়ের। ব্যান্ডঃ স্টেনটোরিয়ান। এলবামঃ প্রতিমুহূর্তে।
========================================
জলস্রোত

কখনও আবার হলো দেখা
ধর কোন জলস্রোতের কিনারায়
তুমি কি বলবে জানি না
আমি তো সব মুছে ফেলেছি
স্মৃতি থেকে……
জান কি কোন দিন হারালে ঐ মুখ।
গভীর শোক থেকে উঠে আসা এই আমি
নিহন সকালে একা শোক চিহ্ন মুছে
সবাইকে এড়িয়ে ছিলাম একাকী মনে।
অবরুদ্ধ চেতনার গ্রাসে ঝাপসা সবই
অনন্ত আঁধারে কেবল লক্ষহীন আমি
আজো দেখ আমার নির্বাক পথচলা
সাথে থাকে আমার শোকের ছায়া……

———————————————————
কথাঃ ইমন জুবায়ের। ব্যান্ডঃ স্টেনটোরিয়ান। এলবামঃ প্রতিমুহূর্তে।
========================================
বিদ্রোহী

সব কিছু ভেঙ্গে ফেলে দাঁড়াবে কবে
নতুন করে সব সাজাবে কবে
এতসব অনিয়ম এতসব দূর্ভিক্ষের জাল
এতসব ভেঙ্গে ফেলে কর নতুন দিনের বিন্যাস
তোমার অপেক্ষায় আছে নিরন্ন লোক
তোমার অপেক্ষায় আছে শোকার্ত মা
তোমার অপেক্ষায় আছে নির্বাক পাখি
তোমার জন্য জাগে আকাশের চাঁদ
উঠে এসো সাহসী তুমি পাথুরে দেয়াল ভেঙ্গে
আগ্নেয়গিরির ধ্বংস ক্ষমতা নিয়ে চলে এসো তুমি
সাত সমুদ্র মথিত করে চলে এস বিদ্রোহী
অন্ধ তীরের মত বসে যাও ধ্বংসের চাতালে

———————————————————
কথাঃ ইমন জুবায়ের। ব্যান্ডঃ স্টেনটোরিয়ান। এলবামঃ প্রতিমুহূর্তে।
========================================
অবিনশ্বর

এখানে যে ঘুমিয়ে, তার স্বপ্ন ছিল, উড়বার।
এক অন্তহীন আঁধারে আজন্ম বন্দী ছিল সে।
এখন সে বিপরীত আলোয়
আরো বেশি ঘোরে সচেতন
দৃশ্যের ওপারে দৃশ্য দেখে
একা একা তার শিহরণ
সবই এখন হাতের মুঠোয়
নেই ফেরার সাধ
স্মৃতি তবুও টানে শব্দহীন মৃত জগতে
এখন সে বিপরীত আলোয়
আরো বেশি ঘোরে সচেতন
দৃশ্যের ওপারে দৃশ্য দেখে
একা একা তার শিহরণ

———————————————————————————
কথাঃ জুবায়ের হোসেন ইমন। ব্যান্ডঃ ব্ল্যাক। এলবামঃ অনুশীলন
==========================================
অনুভূতি

বাতাসের হাত ধরে আছি
হারানো মেঘের খোঁজে
চোখের গভীরে আলো নেই
তাই এখানে এসেছি

পেছনে সবুজ মাঠ
তারপরে বালিয়াড়ি
সেখানে তুমি নেই
আছে তোমার অনুভূতি

এখন তো বৃষ্টি নেই
তবুও ভেজা মাটির ঘ্রাণ
এখন তো স্বপ্ন নেই
কেবলই বিষণ্ণ গান

পেছনে সবুজ মাঠ
তারপরে বালিয়াড়ি
সেখানে তুমি নেই
আছে তোমার অনুভূতি।

———————————————————
কথাঃ ইমন জুবায়ের। ব্যান্ডঃ স্টেনটোরিয়ান। এলবামঃ প্রতিমুহূর্তে।।
=========================================
একজন

কে আমি এসব ভেবে নির্ঘুম কাটে রাত
উত্তর নেই কেন এই প্রশ্নের, কেন ?
তুমি খুব ভোরে এখানে এসেছ
দেখছ ম্লান আলোয় অনেক মানুষ
দাড়িয়ে নির্বাক জগতে।
দেখো পথ গেছে বেঁকে দিগন্ত অবধি
যেখানে ঝড়ে চাঁদ, নীল জোছনার আলোয়
তুমি খুব রাতে এখানে এসেছ
দেখছ নিয়ন আলোয় অনেক মানুষ
ঘুমিয়ে নির্বাক জগতে
কেন এই প্রশ্ন ?

—————————

কথাঃ ইমন জুবায়ের
ব্যান্ডঃ ব্ল্যাক
এলবামঃ ব্ল্যাক
============================================================================
তথ্য সূত্রঃ
http://ikhtamin.blogspot.com/
ও অন্যান্য
আমার দেয়া তথ্যে কোন ভুল ক্রুটি থাকলে দয়া করে শুধরে দেওয়ার অনুরোধ থাকলো । শ্রদ্ধেয় ব্লগার ইমন জুবায়েরের সম্পর্কে
কেউ কিছু লিখছে না বলেই আমার এই প্রচেষ্টা । ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো।

মন্তব্য ৩৯ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৩৯) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
তাঁর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা
আমি তাঁর পোস্ট পাঠ করে প্রচুর আনন্দ লাভ করেছি ।
এক কথায় আমি তার এক জন একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলাম।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৪

ইসিয়াক বলেছেন:
ধন্যবাদ

২| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৯

জুল ভার্ন বলেছেন: প্রিয় ইমন জুবায়ের ভাইকে খুব মিস করি। আল্লাহ বেহেশত নসীব করুন।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৭

ইসিয়াক বলেছেন:

sunilsamudrablog
ধন্যবাদ

৩| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৮

সুনীল সমুদ্র বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। ইমন জুবায়ের বাংলা ব্লগের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন। .... সারাদিন ধরে লিখলেও তার বহু গুণে গুণান্বিত কর্মকান্ডের বিবরণ শেষ করা যাবেনা ...। তাকে স্মরণ করে লেখা এই পোস্ট-এর জন্য আপনার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৩

ইসিয়াক বলেছেন:
আপনার প্রতিও রইলো অশেষ কৃতজ্ঞতা।

৪| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৭

বাকপ্রবাস বলেছেন: ওনি চলে গেছেন সেটা যেন মানতেই পারিনা, ওটা মাথায়ই আসেনা, যেন ব্লগে সচল এখনো

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২০

ইসিয়াক বলেছেন:
অশেষ কৃতজ্ঞতা রইলো ।

৫| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২১

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
শ্রদ্ধেয় ব্লগার ইমন জুবায়েরের ভাইয়ের
৭ম মৃত্যু বার্ষিকীতে
গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৫

ইসিয়াক বলেছেন:
নূর মোহাম্মদ নূরু ভাই অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা রইলো ।

৬| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩০

সাইয়িদ রফিকুল হক বলেছেন: আহা রে! বড় কষ্ট পেলাম।
একেবারে অকালমৃত্যু।
আগে চিনতাম না তাঁকে। এখন তাঁকে চিনলাম।
শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা তাঁর জন্য।

মহান আল্লাহ, তাঁকে ভালো রাখুন। আমীন।
ইসিয়াক বন্ধু, আপনাকেও অশেষ ধন্যবাদ।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৯

ইসিয়াক বলেছেন:
আপনাকেও অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইলো ।

৭| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩২

সাইন বোর্ড বলেছেন: গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি রইল ।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৯

ইসিয়াক বলেছেন:
শুভকামনা ও কৃতজ্ঞতা রইলো ভাইয়া । শুভকামনা জানবেন।

৮| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৬

হাবিব স্যার বলেছেন: আপনার কল্যাণে অনেক কিছু জানার সুযোগ হলো গুণী ব্লগার সম্পর্কে

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫২

ইসিয়াক বলেছেন:

অশেষ শুভকামনা জানবেন হাবিব স্যার ভাইয়া।

৯| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:১২

ইসিয়াক বলেছেন: কোথায়
শহর ছাড়িয়ে দূরে, আরও দূরে …
লাল মাটির বুনো পথ,
তোমার চিহ্ন পাব?
আমি তো খুঁজছি কিছু মানবিক বোধ!
বৃষ্টিতে ধুয়ে যাক পাথর-ঘর,
রাত যেন নামে তার অন্ধকার নিয়ে …
ফুলের জন্মে নেই তুমি, (নেই) সূর্যের
মৃত্যুতেও
নেই তুমি জলে, আছ হৃদয়ে।
________________________________________
কথাঃ ইমন জুবায়ের। ব্যান্ডঃ ব্ল্যাক। এলবামঃ আমার পৃথিবী।

অপলাপ
দীর্ঘ রাত জাগে চোখের গভীরে
দেওয়ালে কার ছায়া কাঁপে
যদিও এই রাত এক প্রবল প্রতিপক্ষ
তোমার অপসৃত মুখে ওঠে ঢেউ
জানালার আলো ছেড়ে ঘরে যাও
ওখানে অন্ধকারে মুখ লুকাও
বিক্ষত বুকে কারও স্পর্শ পাবে বলে …
গভীর অন্ধকার থেকে এসে
তোমার আলোকিত ঘরে
তোমাকে পাইনি বলে চলে যাচ্ছি
আরও গভীর আঁধারে …
জানালার আলো ছেড়ে ঘরে যাও
ওখানে অন্ধকারে মুখ লুকাও
বিক্ষত বুকে কারও স্পর্শ পাবে বলে …
—————————
কথাঃ ইমন জুবায়ের
ব্যান্ডঃ ব্ল্যাক
এলবামঃ আগুন্তুক-১
নীলগিরি
এই দ্যাখো না আলোর মেলায়
পাখিদের প্রেম দুপুর বেলায়
দু’হাতে নাও এসব
এসব তো তোমারই
দূর থেকে শোন ঝর্নারই গান
দ্যাখো পাতার সবুজ অভিমান
এই দ্যাখো না এই সন্ধ্যায়
জীবনের গভীর মায়া
দু’হাতে নাও এসব
এসব তো তোমারই
বিকেলের নরম রোদে
আমার ছায়া (নীলাভ) আকাশের তলে
ঝিরিঝিরি মৃদু স্রোত হ্রদের জলে …
—————————
কথাঃ ইমন জুবায়ের
ব্যান্ডঃ ব্ল্যাক
এলবামঃ ব্ল্যাক
মুমূর্ষু রূপকথা
আজ এই দিনে
কত না-বলা কথা
তুমি শুনবে কি
নাকি এড়িয়ে যাবে এ কথা ?
হয়তো-বা এই জীবন
রক্তের রঙে আঁকা
এই বিরুদ্ধ সময়ের
রুদ্ধ মহাকালের
বিপর্যস্ত ইঙ্গিতে …
———————————-
কথাঃ ইমন জুবায়ের
ব্যান্ডঃ ব্ল্যাক
এলবামঃ ব্ল্যাক
ফেরা
একাকী জীবন এখন আর না
ফিরে যাই ভিড়ের মাঝে
জীবন এখন অনেক মানবিক
হাত ধরে টানে আমাকে
একাকী সময় এখন আর না
ফিরে যাই মানুষের ঘরে
জীবন এখন অনেক মানবিক
হাত ধরে টানে আমাকে
আলোর অভিমূখে সময়ের
অপ্রতিরোধ্য যাত্রায়
—————————
কথাঃ ইমন জুবায়ের
ব্যান্ডঃ ব্ল্যাক
এলবামঃ রক ৬০৬
উড়াল
ধর তুমি পেলে
শেকল আর ডানা
তুমি কি করবে?
উড়ে যাবে কি
বসে থাকবে কি
সবার মতো তুমিও
এসব নিয়মের শৃঙ্খল
রুদ্ধ করে তোমার স্বপ্ন, শান্তি
উড়ে যাবে কি (একটাই জীবন )
আটকে রাখবে কি (কে আটকে রাখে)
নিজেকে সবার মতো (সবার মতো তুমি নও)
তোমার অফুরন্ত জীবন
কে আটকে রাখে
—————————
কথাঃ ইমন জুবায়ের
ব্যান্ডঃ ব্ল্যাক
এলবামঃ
ঘুমাও
ঘুমাও এখন তুমি
নিভৃতে ঘুমাও
জানতে চেয়ো না কে এসে বসেছিল পাশে
আজও এভাবে থাকি
আজও আমি আছি
ঘুমের খুব পাশে …
আমি ঘুমহীন
এই রাতে …
—————————
কথাঃ ইমন জুবায়ের
ব্যান্ডঃ ব্ল্যাক
এলবামঃ
মানবজন্মে
তুমি জান কি
এই নিয়তি
আমি একাকী
পাখিটি দুঃখী
নিয়ত স্বপ্নের ক্ষয়
সহে যেতে হয়
জগৎ দুঃখময়
একাকী বোধ হয়।
তবুও এই মানবজন্মে
সবার সাথে মিলেমিশে থাকি।
মানুষের নিভৃত কান্না
শোকার্ত এই শহরে
ছড়ায় রাত্রির বাতাসে
চারিদিকের নিঃশ্বাসে
তবুও এই মানবজন্মে
সবার স্বপ্নে বিশ্বাস রাখি।
—————————
কথাঃ ইমন জুবায়ের
ব্যান্ডঃ ব্ল্যাক
এলবামঃ
উপসংহার
দাঁড়িয়ে থেকো সরে যেওনা
এখানে দাঁড়ানো তোমার অধিকার
আর কিছু নেই হারাবার
জয়ী হলে সবই তোমার।
তুমি নও কারও নিয়ন্ত্রণে
প্রয়োজন নেই কারও প্রভুত্বের।
আর কোনও পথ নেই হাঁটার
একটাই পথ সব ফিরে পাবার
আমাকে বাধা দিলে তুমি …
আমাকে সরিয়ে দিলে
জীবন দেখবে তোমার উপসংহার
—————————
কথাঃ ইমন জুবায়ের
ব্যান্ডঃ ব্ল্যাক
এলবামঃ ব্ল্যাক
জীবনের বাঁ -পাশে
জানি না
এভাবে কে বসে থাকে?
জীবনের বাঁ -পাশে হাঁটে।
আর দেখে বায়বীয় এক সুখ
ভীষন গোপন অসুখ।
এই তো সব
আর কিছু যে নেই
কেবলই শুন্যতার ছাই …
ভাসে নিরন্তর
ভাসে কেবলই বাঁ-পাশে
হাঁটে আর দেখে
বায়বীয় এক সুখ।।।
জীবনের বাঁ -পাশে
জানি না
এভাবে কে বসে থাকে?
জীবনের বাঁ -পাশে হাঁটে।
আর দেখে বায়বীয় এক সুখ
ভীষন গোপন অসুখ।
এই তো সব
আর কিছু যে নেই
কেবলই শুন্যতার ছাই …
ভাসে নিরন্তর
ভাসে কেবলই বাঁ-পাশে
হাঁটে আর দেখে
বায়বীয় এক সুখ
—————————
কথাঃ ইমন জুবায়ের
ব্যান্ডঃ ব্ল্যাক
এলবামঃ ব্ল্যাক

১০| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:১৫

ইসিয়াক বলেছেন: Click This Link
গত ২১ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে ‘হাছন রাজার গান: মিস্টিক বাঙালির মরমি ইশতেহার’ শিরোনামে একটি রচনা সামহয়্যার ইন ব্লগে পোস্ট করেছিলেন সদ্য প্রয়াত গীতিকার ও ব্লগার জুবায়ের হোসেন ইমন। বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও বাউল দেওয়ান হাছন রাজার জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানিয়ে জুবায়ের ইমন শুরুর লাইনে লিখেছিলেন, ‘উড়িয়া যাইব শুয়া পাখি/পড়িয়া রইব ছায়া ...।’

ইমন লিখেছিলেন, ‘আজ হাছন রাজার (১৮৫৪-১৯২২ খ্রিস্টাব্দ) জন্মদিন। যিনি তাঁর গানে একটি অনিবার্য প্রশ্ন রেখেছিলেন: ‘কী ঘর বানাইমু আমি/শূন্যেরও মাঝার।’ বোঝা যায়, এক অমোঘ শূন্যতা বোধে আক্রান্ত হয়েছিলেন বাংলার ওই মরমি গীতিকার। ঘরসংসার -এমন কী- খোদ অস্তিত্বই যেখানে অর্থহীন, অসার - তাহলে জীবন কেন? কেন ক্ষণিকের এই শূন্য জীবনে এত আনন্দের উপকরণ? সুনামগঞ্জের মরমি গীতিকার এই নিদারুণ ভাবনায় বিস্মিত ও ক্ষতবিক্ষত হয়েছিলেন সন্দেহ নেই।’ জুবায়ের ইমন কি জানতেন, রচনাটি প্রকাশের ঠিক দুই সপ্তাহের মাথায় না ফেরার দেশে চলে যেতে হবে তাঁকে! দুঃখজনক হলেও, এমনটিই ঘটেছে। গত ৪ জানুয়ারি শুক্রবার গভীর রাতে মাত্র ৪৫ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে চলে গেছেন তিনি। চলে গেলেও, নিঃসন্দেহে তাঁর ফেলে যাওয়া ছায়া ঠিকই পড়ে থাকবে এই ধরণির বুকে। নিজের সৃষ্টিকর্মের মধ্যে তিনি অনন্তকাল বেঁচে থাকবেন—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।
বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় রক ব্যান্ডদল ‘ব্ল্যাক’ যাত্রা শুরু করেছিল ১৯৯৮ সালে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ব্যান্ডটির জন্য গান লিখেছেন জুবায়ের ইমন। এই ব্যান্ডের বেশির ভাগ গানই তাঁর লেখা। গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে লেখা ইমনের সেই গানগুলো শ্রোতাদের কাছে যথেষ্টই প্রশংসিত হয়েছে।
জুবায়ের ইমন সম্পর্কে ব্ল্যাক ব্যান্ডের লিড গিটারিস্ট মুশফিক জাহান বলেন, ‘ইমন ভাইয়ের বাসাতেই ব্ল্যাক ব্যান্ডের যাত্রা শুরু হয়েছিল। তাঁকে আমাদের ব্যান্ডের নিউক্লিয়াস বলা যায়। মূলত তাঁর অনুপ্রেরণা থেকেই ব্যান্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমরা। গান লেখা, রেকর্ডিং থেকে শুরু করে নানা বিষয়ে তাঁর পথ-নির্দেশনা না পেলে ব্ল্যাকের জন্মই হয়তো হত না। ব্ল্যাক ব্যান্ডের প্রতিটি সদস্য তাঁর কাছে চির ঋণী। ১৯৯৮ সালে যখন আমরা যাত্রা শুরু করেছিলাম, তার আগে ব্যান্ডের গানগুলোর মূল বিষয়বস্তু ছিল রোম্যান্টিসিজম। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সেই ধারা ভেঙে পোস্ট মডার্ন ধারায় গান লেখার শুরু হয়েছিল মূলত ইমন ভাইয়ের হাত ধরেই। সেই সময়টাতে ব্ল্যাক, আর্টসেলসহ আরও কয়েকটি ব্যান্ডদল নতুন এ ধারায় গান গাইতে শুরু করে।’
জাহান আরও বলেন, ‘ইমন ভাইয়ের জীবনটা ছিল অদ্ভুত একটি উপন্যাসের মতো। প্রচারবিমুখ এ মানুষটি কখনোই খ্যাতির পেছনে ছোটেননি। নিভৃতে নিজের জগতে বিচরণ করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। সাধারণত কোনো ব্যান্ড জনপ্রিয়তা পেলে এর সদস্যদের অনেক ভক্ত জুটে যায়। কিন্তু ব্ল্যাক ব্যান্ডের ক্ষেত্রে একটু অন্য রকম ঘটনাই ঘটেছে। ব্ল্যাকের গানের গীতিকার হিসেবে অনেক ভক্ত পেয়েছিলেন ইমন ভাই। মূলত তাঁর লেখা গানের কথার গভীরতার কারণেই এমনটা হয়েছিল। প্রচণ্ড মিশুক প্রকৃতির একজন মানুষ ছিলেন তিনি। তাঁর ব্যক্তিত্ব সবাইকে চুম্বকের মতো টানতো। তিনি মন খুলে কথা বলতে খুব ভালোবাসতেন।’

জুবায়ের ইমন সম্পর্কে তাঁর বোন রুনি জানিয়েছেন, ‘আমরা চার বোন, এক ভাই। একমাত্র ভাই হওয়ায় তাঁকে আমরা অনেক ভালোবাসতাম। এত তাড়াতাড়ি সে আমাদেরকে ছেড়ে চলে যাবে, এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। খুব কষ্ট হচ্ছে। ইমনের জন্ম হয়েছিল ঢাকার শান্তিনগরে, এখানেই সে বেড়ে উঠেছে। উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করার পর সে সিটি কলেজে ভর্তি হয়। সেখান থেকে এইচএসসি পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পরিকল্পনা করে। এটি ছাড়া অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের ভর্তি পরীক্ষায় সে অংশ নেয়নি। শেষ পর্যন্ত ঠিকই সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হয়।’
লেখালেখি ছাড়া আর কিছুই করতেন না জুবায়ের ইমন। গানের পাশাপাশি নিয়মিত ব্লগে লেখালেখি করতেন। কয়েকটি উপন্যাসও লিখেছেন। কিন্তু কোনোটিই প্রকাশিত হয়নি। এবারের একুশে বইমেলায় তাঁর একটি উপন্যাস বের হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন তিনি।

১১| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম।
আমি এসব কিছুই জানতাম না।

পোষ্টে কিছু বানান এডিট করে ঠিক করে নিবেন।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:২১

ইসিয়াক বলেছেন: ধন্যবাদ বন্ধু।

১২| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:২৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: প্রিয় ইমন ভায়ার শেষ গল্পটা পড়ে কেমন যেন মনে অদ্ভুত ভাবনা এসেছিল!
না না বলে নিজেকেই নিজে ধমকেছি।

হায়! পর পরই সকালে ব্লগে ঢুকে চমকে থমকে যাই!!!

অস্তহীন শ্রদ্ধা রইলো প্রিয় ইমন জোবায়ের ভাইয়ের প্রতি।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:২৩

ইসিয়াক বলেছেন:

প্রিয় ইমন জুবাইর ভাইএর প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা।

১৩| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৪৬

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: শ্রদ্ধা

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:২৫

ইসিয়াক বলেছেন:
ধন্যবাদ

১৪| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৩৬

আরোগ্য বলেছেন: নির্দ্বিধায় প্রিয়তে ইসিয়াক ভাই। উনি আমার অন্যতম প্রিয় ব্লগার।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:২৭

ইসিয়াক বলেছেন:
কৃতজ্ঞতা রইলো ভাইয়া।

১৫| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:০০

শের শায়রী বলেছেন: নির্ধিদ্ধায় এটা বলতে পারি, বাংলা ব্লগকে একটা অনন্য উচ্চতায় যে মানুষ টি নিয়ে গিয়েছেন তিনি আমাদের ইমন ভাই। চেতন অবচেতন দুভাবেই আমার ব্লগ লেখায় ইমন ভাইর প্রভাব অপরিসীম। অবাক হয়ে ভাবতাম কিভাবে একজন মানুষ এভাবে লিখতে পারে? কি নিয়ে লেখেন নাই উনি?

উনার বিদেহী আত্মার রুহের মাগফিরাত কামনা করি।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৩২

ইসিয়াক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া ।

১৬| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:১১

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: আজই প্রথম জানলাম ইমন জুবায়ের ভাই সম্পর্কে। ওপারে ভাপ থাকুক তিনি।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৩৩

ইসিয়াক বলেছেন: শুভকামনা জানবেন ভাইয়া।

১৭| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১:০৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
এই গুণী ব্লগারের প্রতি রইল শ্রদ্ধাঞ্জলী

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৩৩

ইসিয়াক বলেছেন: প্রিয় ইমন জুবাইর ভাইএর প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা।

১৮| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১:৪০

জগতারন বলেছেন:
সু-সাহিত্যিক ইমন জুবায়ের-এর সমন্ধে তথ্যবহুল একটি নাতিদীর্ঘ পোষ্ট দিয়াছেন আরেক সু-সাহিত্যিক প্রিয় কবি মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ইসিয়াক
অনেক কিছুই জানিলাম শ্রদ্ধেয় ইমন জুবায়ের সমন্ধে।
পরকালে ইমন জুবায়ের-এর আত্মা শান্তিতে থাকুক পার্থনা করি।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৩৪

ইসিয়াক বলেছেন: মন্তব্যে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানবেন ভাইয়া ।

১৯| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:৩৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: শ্রদ্ধানঞ্জলী।

ওনার লেখা পড়েলে আলাদা ভাললাগা কাজ করে।

ভাল থাকুন ওপারে।

ওনাকে নিয়ে আমিও পোস্ট দিয়েছিলাম।

২০| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:১২

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: স্মৃতির অতল গহ্বরে হারিয়ে ফেলা কিছু একটা খুঁজে বের করার মতোই নামটা ভীষণ চেনা চেনা লাগছে। কোন গানের এ্যলবামে তার দেখেছি বলেও মনে হচ্ছে। তার বহুমুখী প্রতিভার কথা আমার জানা ছিলোনা। তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

২১| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:২৬

সেজুতি_শিপু বলেছেন: ইমন জুবায়ের ভাইয়ের ব্লগে প্রথম ঢুকে 'জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন- জ্যোৎস্নারাতে মুগ্ধ কেন আমার এ নয়ন' পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম । মনে হয়েছিলো ,মানুষ এত সুন্দর করে , এত সহজ করে কিভাবে এত কঠিন কথা ভাবতে পারে, বলতে পারে। তাঁর লেখার ভক্ত ছিলাম।
অশেষ শ্রদ্ধা রইলো প্রিয় ইমন জোবায়ের-এর প্রতি। তাঁর আত্মার শান্তি পার্থনা করি।
তাঁকে স্মরণ করে লেখার জন্য লেখককে অনেক ধন্যবাদ।

২২| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৪৮

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ইমন জুবায়ের ভাই বাংলা ব্লগ কে অনন্য মাত্রায় নিয়ে গেছেন। মানুষটাকে আমি খুব অনুভব করি। সুযোগ পেলেই ওনার কথা বলি।
-----------------------------
ব্লুজ অ্যান্ড রোদ

স্পর্শ নয়, মৌনতা নয় পাশাপাশি থাকা
মাটির গভীরে মাটি আর জলের গভীরে জল
কাব্য নয়, রাত জাগা নয়, পাশাপাশি হাঁটা ...

রোদের ভেতরে রোদ
ক্রোধের ভেতরে ক্রোধ

এ রকম ভালোবাসায় বিশ্বাসী নও তুমি
অথচ তোমাকে আজ দেখি এই আমি।
অজস্র ছায়ার পাশে দাঁড়িয়ে
কী যেন খুঁজছ

রোদের ভেতরে রোদ
ক্রোধের ভেতরে ক্রোধ

ওপরের লেখাটা যদি কবিতা হয় তো সেটি কবিতা হিসেবে উৎরে যাওয়ারই কথা। কিন্তু, সুর করা হলে? সুর করা হলেও অনেক প্রশ্ন এসে ভিড় করবে। কেননা, গানের মানে থাকে।‘সন্ধ্যার ছায়া নামে ঝিরিঝিরি হাওয়া/ভালো লাগে জীবনের এই গান গাওয়া।’ কবিতার মানে নিয়ে হইচই ওঠে না। ধরে নেওয়া হয় আধুনিক কবিতা, চুপ করে থাকাই ভালো। জটিলতা তো থাকবেই। গানে সেই জটিলতা সহ্য হবে কেন? রোদের ভেতরে রোদ/ ক্রোধের ভেতরে ক্রোধ ...এর মানেই বা কি?

মনে আছে। ২০০০ সালের মাঝামাঝি এক সকাল। ঘরে বসে সিগারেট টানছি। জন এল। অ্যাকুয়েস্টিক গিটারটা টেনে নিয়ে নতুন কম্পোজিশনটা শোনাল । ই-মাইনর। রিফ শুনতে শুনতে টলটলে মেলোডি আছে টের পেলাম। সকাল বেলা। তখনও ঘোরের মধ্যে, খালি পেটে অনেক কটা সিগারেট খাওয়ার কারণেই হয় তো। তখনকার বেকার আর বেকারার উত্তাল রাত্রিদিন। মাথায় কত কথা যে ঘুরত। প্লেটোনিক লাভ নিয়ে ভাবতাম। প্লেটোনিক লাভ= শরীরহীন মননির্ভর প্রেম। ভাবতাম নিষ্কাম প্রেম সম্ভব কিনা। প্রাণির পক্ষে অ্যাসেক্সুয়াল হওয়া সম্ভব কিনা। সেসব অপ্রয়োজনীয় ভাবনা নিয়ে ডাইরির পাতা ভরাতাম।

স্পর্শ নয়, যৌনতা নয় পাশাপাশি থাকা
মাটির গভীরে মাটি আর জলের গভীরে জল
কাব্য নয়, রাত জাগা নয়, পাশাপাশি হাঁটা ...

তৃতীয় লাইন: ‘কাব্য নয়, রাত জাগা নয়, পাশাপাশি হাঁটা’ ...আমরা ছেলেবেলায় শুনতাম বিয়ের রাতে বর বউ রাত জেগে কবিতা পাঠ করে। তার মানে বিয়ে নয়, কেবলি পাশাপাশি হাঁটা।

এ রকম ভালোবাসায় বিশ্বাসী নও তুমি
অথচ তোমাকে আজ দেখি এই আমি।
অজস্র ছায়ার পাশে দাঁড়িয়ে কী যেন খুঁজছ

কোনও মেয়েকে উদ্দেশ্য করে বলা। কেন সেই মেয়েটি শরীরহীন মন-নির্ভর প্রেমে বিশ্বাসী নয়? আমি বলতে পারি না। কেননা, এ কথাগুলির ভিতরে সত্য কোনও ঘটনাই নেই। নিছক কল্পনা। ‘অজস্র ছায়ার পাশে দাঁড়িয়ে কী যেন খুঁজছ’ ...কি এর মানে? মেয়েটা কি নিভৃতি চায়, ভিড়ের মাঝখান থেকে নি®কৃতি চায়? হতে পারে। ক্লান্ত? হতে পারে।

রোদের ভেতরে রোদ
ক্রোধের ভেতরে ক্রোধ

এই দুটো লাইন মূল কবিতায় ছিল কিনা বলতে পারছি না। সম্ভবত গানে কোরাসের কারণে এসেছে। এসে রহস্যময়তা সৃষ্টি করেছে। তবে তৃতীয় লাইন, অর্থাৎ, কাব্য নয়, রাত জাগা নয়, পাশাপাশি হাঁটা ...এর অনুষঙ্গে অনেকটা স্বচ্ছ হয়। রোদের ভিতর পাশাপাশি হাঁটা ...
কিন্তু, ক্রোধ কেন?
তখন বলছিলাম, ভাবতাম নিষ্কাম প্রেম সম্ভব কিনা। প্রাণির পক্ষে অ্যাসেক্সুয়াল হওয়া সম্ভব কিনা।ক্রোধ =যৌনতা ধরা যায়। যেমন, মাটির গভীরে মাটি আর জলের গভীরে জল ...তেমনি রোদের ভিতরে নিষ্কামমনে পাশাপাশি হাঁটলে ও ক্রোধ ভিতরে ভিতরে থাকে।

ডায়েরিটা বার করে লেখাটা জনকে দেখালাম। মজা করে বললাম: প্লেটোনিক লভ নিয়ে লেখা। জন পরবর্তী প্রজন্মহেতু ‘স্পর্শ নয়, যৌনতা নয় পাশাপাশি থাকা’ এই লাইনটা রেখেই সুর করা শুরু করল। আমি হা হা করে উঠলাম। বললাম, কবিতায় যা সম্ভব; গানে তা সম্ভব নয়। গান আর কবিতার পার্থক্য সবে বুঝতে শিখছি। বয়স যদিও তিরিশের কাছাকাছি। আমার বুদ্ধিশুদ্ধি বিলম্বে বিকাশপ্রাপ্ত হয়। যাক, বংশের ইজ্জ্বত আর পারিবারিক সম্মান বাঁচাতেই ‘যৌনতা’ কেটে ‘মৌনতা’ করে দিলাম। কবিতায় না হলেও গানে আরও জটিলতার সৃষ্টি হল।




এর পরও প্রশ্ন ওঠে-এত কঠিন কথা আর ভাবের লেখা ওদের দেওয়া হল কেন?
এই প্রশ্নের উত্তরে কেবল বলল, তখন কে জানত লোকে ওদের চিনবে! ওদের গানও শুনবে! আমি ভাবতাম, গান করতে চাইছে করুক, কতজনই তো করে। বন্ধুদের শোনাবে ... এ বছর সেপ্টেম্বর মাসে কলকাতার বন্ধুদের গান শুনিয়ে এল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ...
ব্লুজ অ্যান্ড রোদ নামটা কিন্ত আমি দিইনি, দিয়েছে জন এর ছোট ভাই জেমস (স্টেনটোরিয়ান ব্যান্ডের ফাউন্ডার মেম্বার, তপুর (যাত্রীর) লিড গিটারিস্ট) ব্লুজ অ্যান্ড রোদ মানে কি? গানে রোদ শব্দটা থাকায় রোদ। কিন্তু ব্লুজ? ব্লুজ কি দুঃখের ইঙ্গিতবহ? হতে পারে। নিষ্কাম হয়ে শরীরহীন মন-নির্ভর প্রেম না করার দুঃখ?
গানটা এখন আমার শুনলে তত ভালো লাগে না, ২০০০/২০০১ এ শুনলে যেমনটা লাগত। আট নয় বছর আগের রেকডিং, গাওয়া, বাজানো । এখন আর অত ম্যাচিওর লাগে না। ----- ইমন জুবায়ের

২৩| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৩৩

রূপম রিজওয়ান বলেছেন: ওনার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা....

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.