নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

রাহাগীর মনসুর এর কবিতার পাতা

কবিতা হয়তো দর্শন নয়তো হেয়ালি "

রাহাগীর মনসুর

আমার প্রথম কাব্য গ্রন্থ "তুমি অথবা তুমি" র কিছু কবিতা আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব...

রাহাগীর মনসুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভ্রমন কাহিনী (রম্য রচনা)

২০ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:৩৮

ভ্রমন কাহিনী (রম্য রচনা)



ভ্রমন বরাবরের মতই আনন্দদায়ক ব্যপার,কেউ যায় পাহাড় চড়তে,কেউ চায় গভীর করে জোছনা দেখতে...

হয়ে যায় জোছনা বিলাসী, গুছিয়ে লোটাকম্বল নেমে পড়ে আনন্দ ভ্রমনে ।কেউ ভীষন সাহসী চলে যায় সুন্দরবনে বাঘ মামার সাথে দুটো কোলাকুলি দিতে,যারা আরেকটু সাহসী তাদের জন্য আমার আজকের ভ্রমন কাহিনী ।

চিন্তা করবেন না এই ভ্রমনে খরচা পাতির চিন্তা নেই বললেই চলে,ঘরে বশেই প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব ।

দরকার একটা গগলস কাপড় চোপড় শরিরে যত কম হয় ততই ভালো ,আটোসাটো না হলেই ভালো হয়।এখন আপনাকে একটা কাজ করতে হবে ,যে কোন উচু দালানেড় ছাদে যেতে হবে ,ও সাথে গগলস নিয়েছেনতো ।

এখন আশা যাক মুল পর্বে, ও আরেকটা কথা সাথে কাউকে না নেয়াই ভালো।আরও একটা কথা অতিরিক্ত খাওয়া দাওয়া করে এই ভ্রমনে না যাওয়াই ভালো।

যা বলছিলাম ছাদের কিনারায় চলে যান টাইটানিক স্টাইলে হাত দু দিকে প্রশারিত করুন ,একবার নিচের দিকে তাকান, দেখবেন একটা নতুন বোধ কাজ করবে ,যার সাথে আপনি কখনই পরিচিত ছিলেন না। কিছুটা উদাস ভাললাগা পেয়ে বসবে ,সব কিছু তুচ্ছ মনে হবে,ঠিক এই অনুভুতির মধ্যে দিয়ে শুরু আমাদের ভ্রমন পর্ব,আপনি এখন পুরপুরি তৈরি।



আপনি তৈরি ভয়ংকর শুন্দরের জন্য ,তৈরি সকল কিছু তুচ্ছ করিয়া এগিএ যাওয়ার জন্য ।আর তাছারা লাফ দেয়ার পর উত্তেজনা তোঁ আরও বেশি শরীরটা পালকের মতো হাল্কা মনে হবে,মনে হবে পৃথিবীতে কোথাও কেউ নেই,এই উচু দালান ,আপনি আর নিচে পৃথিবী।

আরও ভালো হয় যদি দালান উচু হয় তাহলে অনুভুতির সময় অনেক দীর্ঘ হবে,এবং পরনে যথাসম্ভব কম কাপড় থাকে (মানে ইজ্জত বাচিয়ে)।তাহলে নিম্ন গমনের সময় আপনি প্রতিটি উন্মুক্ত শারীরিক কোষ দিয়ে অনুভব করতে পারবেন উত্তেজনা ।অতিরিক্ত খাওয়া দাওয়া করে কোন ভাবেই এ কাজে অগ্রসর হওয়া উচিৎ নয়।কারন আশল মজা টাই নষ্ট হতে পারে ,ধরুন আপনার পেট যদি ভরা থাকে তাহলে শরীরের ভারসাম্য থাবে না।তাছাড়া লাফ দেয়ার পর আপানার অস্বস্তি অথবা হাঁসফাঁস বোধ করতে পারেন।বাকি কথাতা নাই বা বললাম। যতটা পারা যায় পেট খালি রাখবেন ।



ও মনে করে গগলসটা পরেছেনতো টা না হলে আনন্দ টা মাথেই মারা যাবে ।পড়ে আমাকে গাল দেবেন ,কারন নিম্ন গমনের সময় চোখে পোকা , বালি ইত্যাদি ঢুকে আপনার আনন্দ টাই নশ্ত করে দিতে পারে ,তাই গগলস আবশ্যক।



তারপর যখন লাফ দিবেন ,মনটা হয়ে যাবে অনেক হালকা ,শরিরের প্রতিটি কোষ ,চুল ,লোম দিয়ে ফুরফুরে বাতাস বয়ে যাবে ,অদ্ভুত রকম ভাবে ফাকা হয়ে যাবে মাথাটা ,পুরপুরি চিন্তা শূন্য, এ এক শুদ্ধ অনুভূতি।যা আর কোনো ভাবেই পাওয়া সম্ভব নয় ।তারপর আর নাই বা বললাম ......পাঠক রা ভেবে নিন ......







(সম্পূর্ণ কাল্পনিক ভ্রমন কাহিনী ,যারা অতি মাত্রায় সাহসী এবং অনুপ্রানিত হয়েছেন তারা বাঁঞ্জি জুম্পিং

দিয়ে দেখতে পারেন ,আশা করি এমনি লাগবে,শুভ কামনা রইল)

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:৪৭

আমি দিহান বলেছেন: আপনি দিয়েছেন?

২০ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:৫১

রাহাগীর মনসুর বলেছেন: (সম্পূর্ণ কাল্পনিক ভ্রমন কাহিনী ,যারা অতি মাত্রায় সাহসী এবং অনুপ্রানিত হয়েছেন তারা বাঁঞ্জি জুম্পিং
দিয়ে দেখতে পারেন ,আশা করি এমনি লাগবে,শুভ কামনা রইল)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.