![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অধ্যাপক, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
নববর্ষ বাঙ্গালী জাতিসত্ত্বার স্মারক দিবস ও জাতীয় দিবস। এটি কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের দিবস নয়। এটি বাঙ্গালী জাতিসত্ত্বার ধর্মনিপেক্ষতার পরিচায়ক। কিন্তু হিন্দুদের মধ্যে এই দিবসটিতে হিন্দুত্ববাদ আরোপ করার প্রয়াস রয়েছে। অন্যদিকে মুসলমানদের মধ্যে এই দিবসটিকে ইসলাম ধর্ম বিরোধী দিবস হিসাবে বর্ণনা করা হচ্ছে। এ দিবসটিকে ইসলাম ধর্ম বিরোধী বলে মনে করা হলেও, এটি মূলত মুসলমান শাসকদের প্রবর্তিত দিবস। কিন্তু এই দিবসটিকে নববর্ষ হিসাবে প্রবর্তনের পর থেকে নানা সময় এই দিবসটিকে ঘিরে হিন্দুদের পূজাপার্বণ চালু করা হয়। হিন্দুরা এই দিবসটিকে হিন্দুত্বের স্মারক দিবস হিসাবে পালন করে থাকে। কিন্তু এটি কোনও হিন্দুদের দিবস নয়। যেহেতু এই দিবসটি জাতীয় দিবস চালুর পিছনে উদ্দেশ্য ছিলো বাঙ্গালী জাতীসত্ত্বার মহিমাকে স্মরণ করা। কাজেই এই দিবসটি থেকে হিন্দুত্ব ও মুসলমানিত্বের রং মুছে, বাঙ্গালী জাতিসত্ত্বা দ্যোতক ধর্ম নিরপেক্ষ জাতীয় দিবস প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। কাজেই এ দিবস থেকে হিন্দুত্বের গন্ধ এড়াতে, নতুন বর্ষপঞ্জি প্রণয়ন করে হলেও ভিন্ন দিন নববর্ষ পালন করা উচিত। অর্থ্য্যৎ ধর্ম নিরপেক্ষে বৈশিষ্ট্যযুক্ত এই দিবসটি এমন হবে যেখানে কোনও মিলাদ মাহফিল বা পূজা পার্বণ আয়োজন করার সুযোগ থাকবে না; কিন্তু লাঠিখেলা, কাবাডি খেলা, লোকগান, দেশাত্নবোধক গান ও লোকনৃত্য ইত্যাদির মতো অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ থাকবে।
©somewhere in net ltd.