নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মিঃ রিপন বিশ্বাস

মিঃ রিপন বিশ্বাস › বিস্তারিত পোস্টঃ

বয়স ৪০ হওয়ার আগেই ১০ কাজ করুন

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:১১

১. অবসর জীবনের জন্য সঞ্চয় দরকার। এর জন্য একটি পৃথক সঞ্চয়ী অ্যাকাউন্ট রাখুন। উপার্জনের ১০ শতাংশ সেখানে জমানো উচিত। আয় ও বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঞ্চয়ের পরিমাণও বাড়াতে হবে। আয়ের ১০ শতাংশ সঞ্চয় করলে চল্লিশের পর আর চিন্তা নেই বলেই মত দেন অভিজ্ঞজনরা। তবে ছয় মাস অন্তর বা বছর শেষে বা বোনাস মিললে বাড়তি অংশ অ্যাকাউন্টে ফেলে রাখুন। ২. কোথাও বিনিয়োগ বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে। অবসর জীবনের কথা মাথায় রেখে অন্য খাতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা রাখতে পারেন। শেয়ারবাজারে লগ্নি ভালো চিন্তা হতে পারে। তবে নিজেকে খালি করে বিনিয়োগে যাওয়া উচিত নয়। সঞ্চয়ের অ্যাকাউন্ট যেন এতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। ৩. সঞ্চয় করতে থাকুন। পাশাপাশি বড় ধরনের খরচ সামলাতে আলাদা একটি ফান্ড গঠনের চেষ্টা করুন। জীবনে এমন খরচের উপলক্ষ আসে। ঋণ, ছুটি কাটানো বা বাচ্চাদের জন্য এসব খরচের দরকার হয়। আয়ের নির্দিষ্ট একটা অংশ জমিয়ে এমন ফান্ড গঠন করা যায়। তা ছাড়া বাড়তি পয়সা হাতে এলেও এ কাজে লাগাতে পারেন। ৪. বাসস্থানের স্থায়ী ব্যবস্থা করতে চাইলে পৃথক পরিকল্পনা লাগবে। এখন ফ্ল্যাট কেনার জন্য নানা সুযোগ মেলে। কেমন বাড়ি বা ফ্ল্যাট দরকার তা ঠিক করুন। এর বাজারমূল্যের হিসাব করে সে অনুযায়ী অর্থ জমাতে পারেন। এ ছাড়া বাড়ি বা ফ্ল্যাট কিনতে ব্যাংক ঋণেরও ব্যবস্থা রয়েছে। ডাউন পেমেন্ট দিয়ে থাকার ব্যবস্থা হয়ে যেতে পারে। ধীরে ধীরে বাকিটা কিস্তি আকারে শোধ করতে হবে। ৫. সম্পদ গড়ে তোলার পেছনে মন দিন। বার্ষিক আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করে ফেলুন। সম্পদশালী হতে হলে সুষ্ঠু পরিকল্পনা দরকার। ওই লক্ষ্যে পৌঁছতে কী দরকার তা শনাক্ত করুন। এ কাজে বাস্তবিক হবেন। এ ক্ষেত্রে সময় ঠিক করে নেওয়া জরুরি বিষয়। একই সময়ে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। প্রতিশ্রুতিশীল হতে পারলে সম্পদ গড়ে তোলা সম্ভব। ৬. প্রয়োজনমাফিক ইনস্যুরেন্স করে রাখা ভালো বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য বীমা বেশ কাজের। এ ছাড়া দামি গাড়ি বা দুর্ঘটনাকে মাথায় রেখে ইনস্যুরেন্স করে নিন। প্রতি বছর ইনস্যুরেন্সের অর্থ পরিশোধের অভ্যাস গড়ে তুলুন। তাতে করে বাড়তি ঝক্কি বলে মনে হবে না। ৭. খরচ সামলাতে আয় বাড়ানোর কথা বলেন সবাই। কিন্তু ভিন্ন পরীক্ষা চালাতে পারেন। কিছুদিনের জন্য অন্যান্য খরচ থেকে কিছু অর্থ বাঁচানোর চেষ্টা করুন। অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে আনুন। দেখবেন বেশ কিছু অর্থ হয়তো পকেটেই থেকে যাচ্ছে। ৮. নিজের ওপর বিনিয়োগটাই সবচেয়ে বেশি কাজের। সফল মানুষ এ কাজ থেকে বিরত থাকেন না। বিশেষ করে যত পারেন শিখতে থাকুন। যেকোনো বিষয়ে কোনো কোর্স করে ফেলুন। এটা বাড়তি আয়ের ব্যবস্থা করবে। জ্ঞান যত বাড়বে, আপনার আয়ের পথ তত সুগম হবে। ৯. কোনো প্রতিষ্ঠানের চাকুরে হলে সেখানে আপনার জন্য রয়েছে নানা সুযোগ সুবিধা। এর পুরোটা গ্রহণ করুন। না জেনে থাকলে এইচআর বিভাগের সঙ্গে আলাপ করে জেনে নিন। প্রভিডেন্ট ফান্ডে অর্থ জমা করতে পারেন। এ ছাড়া স্বাস্থ্য বিষয়ে কোনো সুবিধা থাকলে তা গ্রহণ করুন। ১০. জীবনের বড় কিছু কাজের জন্য আগাম প্রস্তুতি নিতে থাকুন। বিয়ে বা সন্তান নেওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে বাড়তি অর্থ জমা করুন। অর্থ ও সম্পদের ভবিষ্যৎ ব্যবহার নিয়ে সুষ্ঠু ও পরিষ্কার পরিকল্পনা দাঁড় করান। অবসরে কী করবেন তা নিয়ে একটি ইচ্ছা মনে পুষে রাখুন। সেই ইচ্ছাটা বাস্তবায়নের পথ খুঁজলেই গোছালো হয়ে উঠবেন আপনি। -See more

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.