| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বিয়ের আনন্দের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করেন কাজী সাহেব। কাজী বিয়ে রেজিস্ট্রি করে পাত্র-পাত্রীকে একত্রিত করে থাকেন। বিয়ে করতে সকলকে রেজিষ্ট্রী কাজী অফিসের মাধ্যমে করতে হয়। কাজী অফিস বাংলাদেশ আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে। ঢাকা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ওয়ার্ড অনুযায়ী কাজী অফিসগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এই কাজী অফিসে বিবাহ সম্পর্কীয় বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে।কাজী অফিসে সাধারনত বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন, তালাক রেজিষ্ট্রেশন, কাবিননামা (বাংলা, ইংরেজী এবং আরবী), বিবাহ সনদ (বাংলা, আরবী ও ইংরেজী), তালাকনামা (বা্ংলা ও ইংরেজী), হারিয়ে যাওয়া কাবিননামা প্রস্তুত, কোর্ট ম্যারেজ সার্টিফিকেট সরবরাহ সংশ্লিষ্ট কাজগুলো হয়ে থাকে।
কাজী অফিসে ছেলে-মেয়ে ও সাক্ষীগণের উপস্থিতিতে বিয়ে পড়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন বাসা ও পার্টি সেন্টারে আয়োজিত বিবাহ অনুষ্ঠানে গিয়ে বিয়ে সম্পাদন করানো হয়।এজন্য সরাসরি বা ফোনের মাধ্যমে ন্যূনতম ২ দিন আগে যোগাযোগ করে সময় ও ঠিকানা জানাতে হয়।এক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত বিবাহ চার্জের পাশাপাশি প্রতি কিলোমিটার দূরত্বের জন্য ২০ টাকা করে অতিরিক্ত চার্জ প্রদান করতে হবে।
মুসলিম বিবাহ আইন অনুসারে মেয়ের বয়স ন্যূনতম ১৮ বছর ও ছেলের বয়স ন্যূনতম ২১ বছর হতে হয়।বিয়ের সময় পাত্র-পাত্রী উভয়ের বয়স প্রমাণের জন্য জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট ও জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদর্শন ও ফটোকপি জমা দিতে হবে। যেকোন পক্ষের ২ জন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিকে সাক্ষী ও একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিকে মেয়ের পক্ষ থেকে বিবাহে উকিল হিসেবে বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন ফরমে তাদের নাম, ঠিকানা উল্লেখপূর্বক স্বাক্ষর করতে হয়। তবে উকিলের বিষয়টি বাধ্যতামূলক নয়, থাকলে ভাল হয় আর না থাকলে তেমন কোন অসুবিধা হয় না।এছাড়া বিয়ের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ সেই দেনমোহর নির্ধারণে কাজী অফিসের কোন ভূমিকা নেই।এক্ষেত্রে ছেলে পক্ষের আর্থিক অবস্থা ও মেয়ে পক্ষের সম্মতিতেই সাধারণত দেনমোহর ধার্য করা হয়।সাধারণত এক লাখ টাকা কাবিনের বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের জন্য দিতে হয় এক হাজার টাকা। তবে কাবিন যতো বেশিই হোক সর্বোচ্চ চার হাজার টাকার বেশি রেজিস্ট্রি খরচ দিতে হয় না। কাজী অফিসে বিয়ে করার পূর্বে নোটারী পাবলিকের নিকট এফিডেভিট করে নিতে হয়। কাজী অফিস থেকেও এফিডেফিট করিয়ে দেওয়া হয়। এফিডেভিট করতে সর্বনিম্ন ৫০০/- থেকে শুরু করে আপনাকে মফিজ বানিয়ে যা নিতে পারে। তাই মফিজ বানিয়ে যাতে বেশি অর্থ লুফে নিতে না পারে তার জন্য আগেভাগেই জেনে নিন সব নিয়ম কানুন। আর এ সম্পর্কে জানতে ইচ্ছা থাকলে ক্লিক করুন এখানে..... ।
২|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৫
টাক্কা বলেছেন: সাধারণত এক লাখ টাকা কাবিনের বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের জন্য দিতে হয় এক হাজার টাকা। তবে কাবিন যতো বেশিই হোক সর্বোচ্চ চার হাজার টাকার বেশি রেজিস্ট্রি খরচ দিতে হয় না।
ভাইজান এটা কি সত্যি? আমার পরিচিত একজনের কাজী অফিসের বিয়েতে দেখলাম ৮ লাখ টাকা দেনমোহরের জন্য ৮ হাজার টাকা নিল। তাকে কি মফিজ বানালো নাকি?
৩|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:১২
সিলেটি জামান বলেছেন: কামরুল ইসলাম রুবেল বলেছেন: বিয়া কইরা ফালাইচি। বিয়ার ব্যাপার স্যাপার নিয়া নাড়াচাড়া কর্তাচি, বউ হুনলে ঠ্যাঙ্গাইবো।
৪|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:১৭
মৈত্রী বলেছেন:
আপনি কি অনলাইন ঢাকা গাইডের মার্কেটিং করতেছেন নাকি কমেন্টের উত্তর দিবেন???
যেমন:
১. দেনমোহর সর্বনিম্ন কত হইতে পারে? যেমন: ১০০০ বা ১০,০০০ টাকা হইতে পারে কিনা??
২. বিবাহ রেজিস্ট্রি আর ম্যারেজ সার্টিফিকেট কি একই জিনিশ? না হইলে পার্থক্য কি??
৩. ম্যারেজ সার্টিফিকেট কি প্রথমবার চাইলেই ইংরেজিটে নেওয়া যায় নাকি পরে বেশি ফী দিয়ে করতে হয়??
৪. কাজী অফিসে বিয়ে করার পুর্বে কী নোটারি পাবলিক করতে হয়?
৫. পাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্র কি বাধ্যতামূলক? পাত্রীর জন্ম যদি বাংলাদেশে না হয়, জন্ম-নিবন্ধনপত্র যদি না থাকে, জাতীয় পরিচয়পত্র যদি না থাকে; কিন্তু বাংলাদেশী পাসপোর্ট থাকে তাহলে কি চলবে??
৬. পাত্রীর পাসপোর্টে যদি পূর্বের স্বামীর নাম সংশোধন করা না হয় তাহলে কি কর্তব্য??
আশাকরি চুপচাপ স্প্যামিং না করে প্রশ্নের উত্তর দিবেন!!
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৫৭
কামরুল ইসলাম রুবেল বলেছেন: বিয়া কইরা ফালাইচি। বিয়ার ব্যাপার স্যাপার নিয়া নাড়াচাড়া কর্তাচি, বউ হুনলে ঠ্যাঙ্গাইবো।