| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমেরিকা-ইসরাইলের সাথে কৌশলগত মিত্রতার নামে আরবের কতগুলো মুর্খ, মোনাফেক রাষ্ট্র নায়করা এক সময় চিৎকার করে বলবে, مَتٰی نَصۡرُ اللّٰهِ “ আল্লাহর সাহায্য কখন আসবে [ সূরা বাক্বরহ্-আয়াতঃ২১৪] ? তখন তাদের কাছে আর কোন সাহায্য আল্লাহর তরফ থেকে আসবে না । তাদের মোনাফেকীর ফল তারা নগদ পেয়ে যাবে । এই ভেজাল মুসলমানদের পতন না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ ইমাম মাহদীকে পাঠাবেন না ।
আমি প্রমাণ দিলামঃ
হোয়াইট হাউজের যে কর্মকর্তা ইরাণের বিরুদ্ধে মার্কিন যুদ্ধকে ক্রুসেড বলেছিলেন, সেই ভিডিও দেখেছেনতো অনেকেই তাই না ? যদিও এখন ইউটিউবে তা দেখা যাচ্ছে না । মানে, আবারো হয়তো কোন সাংবাদিকদের তোপের মুখে সেটা সরিয়ে দেয়া হয়েছে । আমি তাদেরকে প্রশ্ন করি, ওটা সরালেন কেন ? ওটাইতো বেকবু মুসলমান জতির বোকামীকে পুঁজি করে আপনাদের সকল চাপিয়ে যুদ্ধের নামে প্রকৃত বাস্তব ধর্মযুদ্ধ ।
বেকুব মুসলিম জাতিকে স্মরণ করিয়ে বলছি । এই একই ঘটনা কিন্তু ৯/১১-এ তথাকথিত ওয়ার অন টেরর নাটকের অংশ হিসেবে টুইন টাওয়ার ধ্বংসের নাটক করার সময় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ (George W. Bush) বলেছিলেন, “ ক্রুসেড ! ক্রুসেড !!!” পরে সাংবাদিকদের তোপের মুখে পড়ে তিনি সে বক্তব্য প্রত্যাহার করেছিলেন ।
আসলে কি ? আসলে ওরা এরকমই । ওরা ঠিক মুখ ফুসকে বলে না । এটাই ওরা ধারণ করছে । বেকুব মুলিম দেশগুলোর মোনাফেক শাসকচক্রকে বাণিজ্যিক পার্টনার বা কৌশলগত ভু-রাজনৈতিক মিত্রতার আড়ালে বোকা বানিয়ে ওরা মূলতঃ অঘোষিত ক্রুসেড চালিয়ে আসছে । মুখ ফসকে বলেন আর যাই বলেন, সত্য চাঁপা থাকে না । তাই এবারও তার ব্যতিক্রম ছিল না ।
আজও কি বেক্কল মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর হুস ফিরবে না ??
তাড়া খাওয়া ইহুদীরা ফিলিস্তিনে এসে জীবন বাঁচাতে আশ্রয় নিয়ে আজ তারা ফিলিস্তিনকে বিপুপ্ত করে ইসরাঈল রাষ্ট্র শুধু প্রতিষ্ঠা করেই ক্ষান্ত হয়নাই, তারা আরবের বুকের উপর গ্রেটার ইসরাঈলের মানচিত্র বাস্তবায়ন প্রায় নিশ্চিৎ করার দিকেই এগিয়ে চলেছে । Click This Link
কি কারণে তাদের ঔদ্ধত্ব সীমা ছাড়িয়েছে ? এইসব বেকুব মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর উদাসীনতা, স্বার্থপরতা, ক্ষমতার লোভ,ফেরআউনের মতই দুনিয়াতে রাষ্ট্র শাসন ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার বাসনা লালন করার কারণে ।
আর এইসব মোনাফেকদের ঘাড়ে পা রেখে ইসরাইলের মাধ্যমে অঘোষিত ক্রুসেড বাস্তবায়নে সহয়তা করছে প্রত্যক্ষভাবে ভারত আমেরিকা সহ পশ্চিমা খ্রীষ্টান দুনিয়ার অনেক রাষ্ট্র ।
ইতিহাস বলছে, ইসলামের শত্রুরা চিরকাল এই কাজ করেছে । ব্যবসা বাণিজ্যের নামে অনুপ্রবেশ করে । নানা রকম চুক্তি করে । চুক্তি ভংগ করে , আবার সন্ধি চুক্তি করে । মূলতঃ তারা এসব করে এই বেকুব রাষ্ট্রের ঘাড়ের উপর পা রেখে তাদের ভেতর থেকেই বিকল্প রাষ্ট্র নায়ক হিসেবে দেখতে চায় এমন লোভী কিছু মানুষকে কিনে নিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহী গাদ্দার তৈরী করে । ঠুনকো কোন নাটক সাজিয়ে আবার চুক্তি ভংগ করে । কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা মূলতঃ “ক্রুসেড” চাপিয়ে জাতি রাষ্ট্রগুলোকে দখল করে বা তাদের অধীনস্থ সেবাদাস সরকার তৈরী করে দুর্বল রাষ্ট্র তৈরী করে । এটাই হয়ে আসছে চিরকাল মুসলমান মোনাফেকদেরই সহযোগীতায় । তারই ধারাবাহিকতা চলছে । বর্তমানে আরবের সবচেয়ে বড় মোনাফেক সৌদি আরব আর তার সাথে ছোট মোনাফেক রাষ্ট্রগলো হচ্ছে- সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, জর্ডান, মিশর, বাহরাইন এবং কুয়েত ।
সুতরাং ক্রুসেড শব্দটা কেবল ওরা যে মুখ ফসকে বলে, তা নয়, এটাই ওদের সম্মিলিত পরিকল্পণা । বেকুব মুসলিমরা এটা যদি আজও উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদের ধ্বংস অনিবার্য । এই মোনাফেকদের খুব সন্নিকটে এমন একটা দিন আসছে যেখানে পৌঁছে তারা চিৎকার করে বলবে, مَتٰی نَصۡرُ اللّٰهِ “ আল্লাহর সাহায্য কখন আসবে ? তখন তাদের কাছে আর কোন সাহায্য আল্লাহর তরফ থেকে আসবে না । তাদের মোনাফেকীর ফল তারা নগদ পেয়ে যাবে । এই ভেজাল মুসলমানদের পতন হয়েই যাবে ।
©somewhere in net ltd.