নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিরব

গহীনে রক্তক্ষরণ

ধার্মিক, সৎ, যোগ্য এবং মেধাবী তরুনদের আমি ছাত্র

গহীনে রক্তক্ষরণ › বিস্তারিত পোস্টঃ

জিয়াউল হাসান কি একাই ২০০ খুনের অপরাধী ?

২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৯


আসুন আমরা একটু মূল্যায়ন করি, যেভাবে মূল্যায়ন করা উচিৎ ।

প্রশ্ন কি কারো মনে জাগে না ? এই লোকটার একার দোষ ?


আমি মনে করি, যারা তাকে কমিশন র‌্যাংকে চাকরি দিয়েছিল, তাদের সবগুলোকে ইন্টারোগেশন সেলে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিৎ, বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীতে কমিশন র‌্যাংকে চাকরি পবার মাপকাঠি কি ছিল ? তা কি পরিবর্তন করা হয়েছে ? যদি করা হয়, তাহলে কার হুকুমে পরিবর্তন করা হয়েছে ? সেই হুকুম যদি হাসিনা করে থাকে, তা পালন করতে সেনাবাহিনীর দায়িত্বশীলরা বাধ্য ছিল কোন আইনে ?

আমরা জানি, এরকম পদে যাদের এন্ট্রি হত, তাদের নিয়োগ দেয়ার আগে কি কি করা হত ? তাদের কেবলমাত্র আনুষ্ঠানিক সকল পরীক্ষায় পাস করার যোগ্যতা যাচাই করা হত না । পাশাপাশি তাদের পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড, তাদের পূর্ব পুরুষদের পরিবারের সকল সদস্যদের চরিত্র কেমন তা গোপনে যাচাই করে দেখা হত । এর ক্ষেত্রে তা কি করা হয়েছিল কি না ?

অধমের বিশ্লেষণঃ-

যে লোক এরকম নিষ্ঠুর হতে পারে, তার পরিবারের কারো না কারো রক্তে এর প্রভাব না থাকলে অথবা তার এরকম খুনী হয়ে ওঠার মত পারিবারিক যোগ্যতা না থাকলে কেবলমাত্র পদের লোভে এধরনের র‌্যাংকের লোকরা এভাবে খুনী হয়ে উঠতে পারে না ।

যদি তেমন পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড না থাকার প্রমাণ থাকে, তাহলে হতে পারে এই ব্যক্তির নৈতিক স্খলন ঘটেছিল । হানী ট্র্যাপের ভয় দেখিয়ে তাকে দিয়ে এটা করানো হয়েছে কি না, সেটাও প্রকাশ্যে আসা উচিৎ ।


হানী ট্র্যাপে পড়ার কালচার অবশ্য রাষ্ট্রের সর্বত্র ক্যান্সারের মত ছড়িয়ে পড়েছে এই রাষ্ট্র স্বাধীন হবার পর থেকেই । এ বিষয়ে যে সব পরিবার বেঁচে থাকার চেষ্টা করেছে, তাদের পরকালের ভয় আছে । তাদেরকে জংগী ট্যাগ লাগিয়ে নানা রকম জংগী নাটক সাজিয়ে নির্মুলের চেষ্টা আমরা বিগত ১৭ বছর যাবৎ দেখেছি । এমনকি সেনাবাহিনীতে এমন চরিত্রের যেসব অফিসাররা ছিলেন, তাদেরকেও নানা রকম অযুহাতে গুম, খুন বা চাকরি থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে । দুঃখের বিষয় ’২৪ পরবর্তী পরিবর্তিত বাংলাদেশে সেই কালচার চিরতরে বন্ধ হবে । কিন্তু বন্ধতো হলোই না বরং দেখা যাচ্ছে, তারই ধারাবাহিকতা কিছুটা ধীরগতিতে হলেও বজায় রাখার অপকৌশল সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে দৃশ্যমান হচ্ছে । যার পরিণতি ভালো হবে না । জাতি সজাগ আছে এ ব্যাপারে ।


যারা পরকাল বিশ্বাস করে না, তাদের নিয়ে সম্ভবতঃ সেক্যুলার ঘরানার সমাজ চিন্তকরা (যারা অন্তরে লালন করে একরকম, বাইরে প্রকাশ করে অন্যরকম) গত ৫৫ বছর কোন গবেষণা করার দরকার মনে করেনাই । তারা সব সময় ভাবে, হেসে খেলে জীবনটা যদি চলে যায় -- । কিন্তু যখন নিজের ঘাড়ে এসে পড়ে, তখন কেবল চেতন হয়, আর মরার পর তাদের প্রজন্ম হুজুর ডাকে জানাজা করার জন্য । এইতো সেক্যুলারদের মেধার দৌড় !!


আমি মনে করি, খুনী জিয়াউল হাসান এর এই পরিণতি রাষ্ট্রের দুর্বলতা এবং সেক্যুলারিজম প্রতিষ্ঠার ফলাফল । তাদের মুর্খতার পরিণতি গোটা জাতি ভোগ করছে ।


উপরের প্রশ্নগুলো রইল সবার জন্য ।


আর অধমের অভিমতের দায় আমার । আমার কথার যুক্তি যারা খন্ডন করবেন, অনুগ্রহ করে তথ্য প্রমাণ দিয়ে করুন ।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.