| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আহমাদনািসর
বুকে দারুন কষ্ট নিয়ে আমি এক অন্য মানুষ;ভালবাসা খুঁজি নাকো আজ আর।ভালবাসা হারিয়েছে সেই পথে... যেখানে সোনালী ধান ,রোদ্দুর মাঠ জুড়ে ভালবাসে প্রানের সবুজ..সোনা নেই ,প্রিয়া নেই.রাত নেই ,সুখ নেই, বুক নেই মুখ নেই ,কোল নেই ,হাত নেই ,,,,,,,,প্রিয়তমা নেই আর শ্রাবন রাত্রি নেই,শীতের সকাল নেই ,উনুনে আগুন নেই মান অভিমান নেই ... সেদিন যা ছিলনা ,যার জন্য তাকে পাওয়া হয়নি ্বাজ তার সবই আছে অনেক বেশি শুধু...কষ্ট নেই,নস্ট হওযার
ঢাকা: জাতিসংঘ ২০১২ সালকে বিশ্বে সাংবাদিকদের জন্য ’ভয়ঙ্কর বছর’ বলে অভিহিত করার পর এবার বাংলাদেশের গণমাধ্যম বিষয়ক উন্নয়ন সংস্থা ম্যাস-লাইন মিডিয়া সেন্টার (এমএমসি) বলছে বাংলাদেশের জন্য এটি ছিল ‘সাংবাদিক নির্যাতনের’ বছর। এএমসির তথ্য অনুযায়ী, বছরটিতে দেশে মোট পাঁচশোরও বেশি সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন । এদের মধ্যে শুধুমাত্র পেশাগত দায়িত্ব পালনকালেই নির্যাতিত হয়েছেন ২৫৬ জন সাংবাদিক। সাংবাদিক নির্যাতনের ক্ষেত্রে যা বিগত ২০০৬ সালের সর্বোচ্চ রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে।
সংস্থাটি বলছে, বিগত বছরগুলোর তুলনায় ২০১২ সালে খুন এবং হত্যার হুমকিসহ সাংবাদিক নির্যাতন বেড়েছে। বিগত ৫ বছরের সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনার অনুক্রমে দেখা যায়, কোন কোন বছরের তুলনায় তিনগুণেরও বেশি সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে বছরটিতে।
দেশের শীর্ষস্থানীয় ১০টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা থেকে নেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ‘একনজরে ২০১২ সালের সাংবাদিক নির্যাতনের চিত্র’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি বুধবার প্রকাশ করে এমএমসি ।
এমএমসির ওই প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালে দেশে মোট ২১২টি ঘটনায় ৫১২ জন সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন । যাদের পাঁচ জনকেই হত্যা করা হয়েছে। এরমধ্যে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে ১২৮ জন সাংবাদিক এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনকালেই ২৫৬ জন সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
নিহত সাংবাদিকরা হলেন, মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার, এটিএন বাংলার জৈষ্ঠ্য প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি, যশোরের জামালউদ্দিন , হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক বিবিয়ানা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার জুনাঈদ আহমদ জুনেদ ও নরসিংদী থেকে প্রকাশিত দৈনিক নরসিংদীর বাণী পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার তালহাদ আহম্মেদ কাবিদ। এদের মধ্যে যশোরের জামালউদ্দিকে সংবাদ প্রকাশের জেরে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করে এবং নবীগঞ্জের জুনাঈদ আহমদ জুনেদকে ২০ টুকরা করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
সাংবাদিক নির্যাতনের এই চিত্র তুলে ধরে বছর শেষের মূল্যায়নে গণমাধ্যম বিষয়ক সংস্থাটি বলছে, সভ্যতা, মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে কাজের অধিকার নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। একবিংশ শতাব্দীর এক দশক অতিক্রান্ত হলেও সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থান গড়ে উঠেনি। নিশ্চিত হয়নি সৎ, মেধাবী ও দক্ষ এসকল সাংবাদিকদের নির্যাতনের যথাযথ বিচার।
এর আগে ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকাভো ভিয়েনায় ‘সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও অপরাধের সাজা থেকে অব্যাহতি’ শীর্ষক এক বৈঠকে জাতিসংঘ ২০১২ সালকে বিশ্বে সাংবাদিকদের জন্য ’ভয়ঙ্কর বছর’ বলে অভিহিত করেছে বলে তথ্য দেন। । গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে তিনি জানান, চলতি বছর শেষ না হলেও বিগত দশ মাসে বিশ্বব্যাপী সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ১১৯ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।
২|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫১
কাকচক্ষু বলেছেন: কাকের মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। কাকরাতো সবসময় ছবি তুলে বেড়ায়!!!
৩|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:১০
বাংলার হুজুর বলেছেন: ঐটা কিছুনা। রাজপথে মার না খেলে সুবিধা পাবে কি করে। আর যারা হলুদ সাংবাদিকতা করে আরা মার খাওয়া উচিত।
তবে..............অন্য সব সময়ের তুলনা এই সরকার একটু বেশী পেটায়
কারণ হাসিনা আবার প্রশংসা ছাড়া অন্য কিছু বুঝেনা তো।
তবে তেল মারার উস্তাদ হলো আমাদের সময়।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪৪
রিফাত হোসেন বলেছেন: +
তবে সবাই শিকার .