![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমাকে পড়লে মনে খুঁজো এইখানে,এখানে খুঁজছি আমি জীবনের মানে।
অনেকদিন ধরে লং জার্নি করা হয় না। এবার পূজোর ছুটিতে বড় বোন বলল, "যাবি নাকি, রাঙ্গামাটি।" আমিও দুম করে বলে ফেললাম, যাব। সামনে আবার ঈদের ছুটিও আছে। যাওয়া যেতে পারে। বোনের একটু কাজ থাকায়, অফিস থেকে আগেই ছুটি নিয়ে বের হয়ে গেলাম ০১.১০.২০১৪ তারিখে দুপুর ১.৩০ মিনিটে। সাথে বোন-দুলাভাইয়ের প্রাইভেট কার থাকার কারণে টিকিট পাওয়া, না পাওয়ার দুশ্চিন্তা ছিল না। গন্তব্য নোয়াখালি জেলার নোয়াখালি সদর উপজেলা অর্থাৎ মাইজদি। সাথে আছে বড় বোন, ভাগ্নে, ভাগ্নের মামী এবং গাড়ির চালক। এখানে উল্লেখ্য, বড় বোন সরকারি এমবিবিএস চিকিৎসক এবং উনাদের (দুলাভাই সহ) পোস্টিং ওখানে।
যাত্রা পথে, খামার বাড়ি থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত প্রায় ৩৫/৪০ মিনিটের জ্যাম ছাড়া বাকি পথটুকু প্রায় জ্যামহীন যেতে পেরেছি। মানে, বড় ধরনের কোন জ্যাম পাইনি। পথে দু'বার গ্যাস এবং হালকা নাস্তা করার জন্য বিরতি নিয়েছিলাম। ভ্রমণে অনেকদিন পর প্রথম যে দৃশ্যটি দেখার সুযোগ হল, সেটি ছিল শীতলক্ষ্যা ও মেঘনা নদীর সৌন্দর্য। শীতলক্ষ্যার জল কম থাকায় তাকে কিছুটা অপূর্ণ মনে হল। কিন্তু মেঘনার জল মোটামুটি স্বাভাবিক বলে, ওকে বেশ শান্ত মনে হচ্ছিল। তাই চট করে গাড়ি থেকেই তুলে নিলাম কিছু ছবি।
০১. ফ্রেশ সিমেন্ট কারখানা
০২. মেঘনা ব্রিজ
০৩. কাশফুল
এরপর, গাড়ি ছুটে চলে কুমিল্লার মহাসড়ক ধরে। কুমিল্লা সেনানিবাসের কিছুদূর অতিক্রম করলেই বুঝা যায়, পিছনে ফেলে এসেছি ঢাকার যানজট এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইডের বিষাক্ত পরিবেশ। দু'ধারের গাছ-গাছালির মনোরম দৃশ্য দেখতে দেখতে পথ চলা আর স্মৃতিতে কিছু জমিয়ে রাখা।
০৪. দূর-বহুদূর
০৫. একলা পাখি
০৬. কোরবানীর জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে গরু
রাত প্রায় ৮টার দিকে পৌঁছে গেলাম, বোনের বাড়ি। সেখানে যেয়ে কিছুক্ষণ আড্ডা দেই ও ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করি। কিন্তু জার্নির ক্লান্তির কারণে তাড়াতাড়ি রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ি। পরদিন অষ্টমী পূজো ছিল এবং বোনের শ্বাশুড়ীর কি জানি একটা পূজো দেবার কথা। আমি সেসব জানি না। তাই সেদিন আর বের হইনি। বরং একটু হাঁটা-হাঁটি করে সময় পার করে দেই।
পরদিন অর্থাৎ ০৩.১০.২০১৪ তারিখে ভোর ৫টার দিকে ভাড়া করা মাইক্রো নিয়ে বের হয়ে যাই রাঙ্গামাটির পথে। ভ্রমণ সঙ্গী হিসাবে এবার যোগ হয় আরো চারজন। দুলাভাই, উনার মা, ছোট বোন এবং একজন বন্ধু। সাথে মাইক্রোর চালক। ভোর বেলা আলো-আধারীর ঠাণ্ডা পরিবেশ। মাইক্রো ছুঁটে চলে জ্যাম ছাড়া। এরই মধ্যে আগমন ঘটে সূর্য মামার। কানে ধ্বনিত হচ্ছে হালকা শব্দে গান। চট্টগ্রামের মীরসরাই এসে কিছুক্ষণের জন্য জ্যামে পড়তে হয়। তবে মাইক্রো চালকের বুদ্ধিমত্তার কারণে স্থির হয়ে থাকা দূর পাল্লা গাড়িগুলোর বাম পাশ দিয়ে মাইক্রো ভালই কেঁটে যায়। সাবাশ।
০৭. দূরের পাহাড়
আনুমানিক সকাল ১১.৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট সড়কে আসলে ভুলে যাই, ভোর রাতে ঘুম থেকে উঠার সকল কষ্ট আর ক্লান্তি। চোখ আর মন ভরে যায় আঁকা-বাঁকা পথ, ছোট ছোট পাহাড়, ঝিল, খোলা মাঠ এবং সবুজ দেখে। সবার মধ্যে কৌতূহলোদ্দীপক মনোভাব ফিরে আসে। প্রকৃতির স্নিগ্ধ রূপে সবাই সিক্ত হয়ে যায়। মাইক্রো থেকেই চলে অবিরাম ছবি তোলা। ভুল করে, চালককে গতি কমাবার কথা বলতেই ভুলে যাই। তাই অনেক সুন্দর ছবি মিস হয়ে গেল। তবে আমার সাট্যার থেমে থাকেনি।
০৮. ঝিল ০১
০৯. ঝিল ০২
১০. Bhatiary Golf & Country Club
১১. ঝিল ০৩
বিএসএ এলাকা দিয়ে চলা আর ছবি তোলা। তাই সামনে পুলিশ চেক পোষ্ট আমাদের মাইক্রোকে থামিয়ে দেয়। পরিচয় জানতে চায় এবং বলে এখানে ভিডিও করা নিষেধ। আমি বলি, ভিডিও নয় ছবি তুলছি। তবে, কোন সমস্যা হয়নি। কিন্তু আমার ছবি তোলা কি আর থামে !
১২. চট্টগ্রাম বিএসএ এলাকা
১৩. ছুটে চলা
১৪. চট্টগ্রাম পুলিশ চেক পোষ্ট
১৫. বিদ্যুৎ কেন্দ্র
এরপর চট্টগ্রামের হাটহাজারীর চিশতিয়া সিএনজি স্টেশন থেকে গ্যাস নেওয়া এবং সকাল থেকে জমে ওঠা ভরকে হালকা করতে নেমে যাওয়া। হাটহাজারীর বাজারে স্থানীয় কোরবানী হাটের কারণে ছোট ছোট জ্যামে পরতে হয়। এ পথটুকু পার হয়ে রাঙ্গামাটির রাস্তায় উঠলে গাড়িকে আর থামাবার প্রয়োজন হয়নি। বরং সরু সরু পথ দিয়ে চলা, গ্রাম্য বাজার, কর্মঠ মানুষ, সেগুন গাছের সারি আর সবুজে ঘেরা বিশাল বিশাল পাহাড় দেখতে দেখতে ছুটে চলা। আঁকা-বাঁকা পথ আমাদের মনের ওলিতে-গলিতে আমুদে ভাব এনে দেয়।
১৬. আঁকা-বাঁকা পথ
রাঙ্গামাটি রাস্তার প্রায় একদম শেষ ধারে হোটেল সৈকতে গিয়ে উঠি। মাঝারি মানের হলেও খারাপ না। আমরা তিনটি কামরা ভাড়া নেই। দু'টি এসি আর একটি নন-এসি। এ হোটেলের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল বাজার, খাবারের দোকান সব কাছে। এরই মধ্যে রাসেল নামক ছেলের সাথে আমাদের পরিচয় হয়। সেই হোটেল এবং ইঞ্জিন চালিত নৌকা রির্জাভ করে দেয়। এক্ষেত্রে বলে নেয়া ভাল, ছেলেটি কোন প্রকার চালাকি করেনি বা আমরা তাকে পাত্তা দেইনি। নিজেরা আগে দেখে, তারপর যা সিদ্ধান্ত নেবার নিয়েছি।
ফ্রেশ হয়ে তাইপিং হোটেলে দুপুরের খাওয়া পর্ব শেষ করি। এ হোটেলের নামটি আগেই কোন এক সামুর ব্লগারের কাছ থেকেই জেনে নিয়েছিলাম। খাবারের মান ভাল। এরপর আমরা রাঙামাটির রিজার্ভ বাজার লঞ্চ ঘাটে চলে যাই। সেখানে আগে থেকেই ইঞ্জিন চালিত নৌকা ভাড়া করাই ছিল। বেশ ভালই ছিল। গন্তব্য রাজবন বিহার এবং চাকমা রাজবাড়ি।
১৭. রাঙামাটির রিজার্ভ বাজার লঞ্চ ঘাট
১৮. যাত্রা শুরু
ছবি আর বর্ণনা মিলে পোস্ট মনে হয়, বড়ই হয়ে গেল। তাই আজ এই পর্যন্তই। আগামী পর্বটি হবে রাঙ্গামাটিতে ঘোরাঘুরিকে কেন্দ্র করে।
অপারগতা: ভ্রমণ পোস্ট বলতে যা বুঝায়, এটা হয়ত কোন ভাবেই তা হয়নি। তবুও স্মৃতিস্বরূপ আমার ব্লগে রেখে দিলাম। এটা নিতান্তই আমার ব্যক্তিগত কথোপকথন করা।
...........................♦ ♦ ♦ ............................
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৮
সুমন কর বলেছেন: ধন্যবাদ। অামি অন্য (অাসল) অর্থে মানে, রাঙ্গিমাটিতে ঘোরার যাত্রা শুরুকে বুঝিয়েছি।
২| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২২
অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: চমৎকার ভ্রমণ পোস্ট ভ্রাতা +++++
ঝিলের পাড়ে এখুনি যেতে মন চাইছে ।
ভালো থাকবেন
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৬
সুমন কর বলেছেন: ধন্যবাদ। অামারও থাকতে ভালই লাগছিল।
সময় করে ঘুরে অাসুন।
৩| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৩
মামুন রশিদ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট! এবার লাফাংগা পার্টির সাথে কাপ্তাই থেকে মেরিনড্রাইভ রোডে রাঙামাটি গিয়েছিলাম । রাঙামাটি থেকে ফেরার পথে ভাটিয়ারির এই নির্জন রাস্তা দিয়ে এসেছি । রাত হয়ে যাওয়ায় চারপাশটা ছিল সুনশান । গাড়ি ড্রাইভ করছিলেন নিমচাঁদ ভাই, পথ-নির্দেশক কাল্পনিক_ভালোবাসা । পেছনে ছিলাম আমি, কুনোব্যাঙ আর ইঞ্জিঃ জিহাদ । আপনার ছবিগুলো দেখে সেই রাস্তার কথা মনে এলো ।
অপেক্ষায় থাকলাম, কাপ্তাই লেকে আপনাদের নৌ-ভ্রমনের ছবি দেখার জন্য ।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫২
সুমন কর বলেছেন: তবে অাপনাদের জার্নির মজাটা ভিন্ন রকম ! এক দল বিচ্ছু অার বন্ধু !
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
অ.ট.: ১১টি ছবি দেবার পর, অারো দিতে চাইলে ইরর দেখায়। পরে ডান পাশ থেকে অাপলোড করতে হয়েছে, তাই সাইজও ছোট দেখাচ্ছে। অাপনি না জানলে উত্তর দেবার দরকার নাই। কাছের মানুষ তাই প্রশ্ন করে ফেললাম। কারণ পরে বেশী ছবি দিতে পারি।
ভাল থাকুন।
৪| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৯
লেখোয়াড় বলেছেন:
আমার অত ভ্রমণ করার সাধ মিটে গিয়েছে।
আপনারাই ভ্রমণ করুণ আর লিখুন।
তাই পড়ে আর জেনে সাধ মিটেবো।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৪
সুমন কর বলেছেন: ধন্যবাদ।
অামার মতো অলস প্রাণি যখন পেরেছে, অাপনিও পারবেন।
সময় করে ঘুরে অাসুন, কবি। কবিতা অাসবে।
৫| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৪৭
আহমেদ জী এস বলেছেন: সুমন কর ,
সে অর্থে হয়তো পাক্কা ভ্রমন পোষ্ট হয়নি কিন্তু নির্ভেজাল একখানা "ভ্রমনোকথন" হয়েছে ।
সুন্দর ছবি তুলেছেন মাইক্রো চালকের মতো পাশ কাটিয়ে কাটিয়ে, সাবাশ ....
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৯
সুমন কর বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। অামি নিজেই বুঝেছি-এটা ১০০% ভ্রমণ পোস্ট হচ্ছে না। তবে নিজের "ভ্রমনোকথন" বললে ভুল হবে না।
পাশ কাঁটিয়ে সবাই ছবি দেখেই মজা পেলে, ক্ষতি কি !!
ভাল থাকুন।
৬| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:০০
অন্ধবিন্দু বলেছেন:
চতুর্থ ৫ রেখে লিখাটিতে ভালোলাগা জানালুম, সুমন। আমি-তো বলি পাক্কা ভ্রমণ পোস্ট হয়েছে।গাছ-গাছালির মনোরম দৃশ্য, আলো-আধারীর ঠাণ্ডা পরিবেশ দেখতে দেখতে পথ চলার স্মৃতি; নাগরিক যন্ত্র-জীবনকে সজীব-অজস্রতায় মুখর রাখুক প্রতিটি ক্ষণ...
আপনাকে ধন্যবাদ।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:০৩
সুমন কর বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ এবং ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম।
৭| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:১০
মামুন রশিদ বলেছেন: আমি আগে এখানে যাই,
তারপর 'ব্রাউজ' অপশনে গিয়ে একে একে সব সিলেকটেড ছবি আপলোড করে ফেলি ।
পরে 'আপলোডকৃত ছবি' অপশন থেকে প্রয়োজন মত সিলেক্ট করে পোস্টে যোগ করি ।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:২৩
সুমন কর বলেছেন: অামিও এখান থেকে একটি একটি করে দিচ্ছিলাম। ধন্যবাদ পরের বার সবগুলো একসাথে দিয়ে দেখবো।
সময় করে উত্তর দেবার জন্য ধন্যবাদ।
৮| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৫৮
স্বপ্নবাজ অভি বলেছেন: ছবি গুলা ভালো আসছে !
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:১৩
সুমন কর বলেছেন: দেখার জন্য ধন্যবাদ।
৯| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:২৮
জুন বলেছেন: অনেক পরিচিত রাস্তার অপুর্ব রূপ যা দেখতে কখনো ক্লান্ত হইনা আমি ।
খুব ভালোলাগলো আপনার ছবি আর বর্ননা সুমন কর ।
+
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৪১
সুমন কর বলেছেন: অাপনার মন্তব্য পেয়ে এবং অাপনার ভাল লেগেছে জেনে, ভাল লাগল।
১০| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৫৫
আবু শাকিল বলেছেন: ছবি এবং বর্ণনা এককথায় চমৎকার ।
ভাল লেগেছে।
কিছু পরিচিত যায়গার ছবি অনেক সুন্দর হয়েছে।
আগামী পর্বের অপেক্ষায়।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৩৩
সুমন কর বলেছেন: সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। ভাল লেগেছে জেনে, খুশি হলাম।
১১| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:০৮
প্রবাসী পাঠক বলেছেন: চমৎকার ভ্রমন পোস্ট সুমন দা।
পোস্টে প্লাস।
ব্লগে ছবি এড করার জন্য এই পোস্টটি দেখতে পারেন সুমন দা। খুব সহজে যত খুশি ছবি এড করতে পারবেন।
ব্লগে ছবি আপলোড জনিত সমস্যার সমাধান
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৩৮
সুমন কর বলেছেন: মন্তব্য করা, প্লাস দেয়া এবং সাহায্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ঐ পোস্ট অাগেই অামার প্রিয় লিস্টে অাছে। অামি যেভাবে দিতাম, সেভাবে দিতে পারিনি। তাই মামুন ভাইকে প্রশ্ন করেছিলাম। খেয়াল করে দেখবেন, ১২-১৮ ছোট দেখাচ্ছে। কিন্তু সব একই সাইজের ছিল। যা হোক ঐভাবে একদিন চেষ্টা করে দেখতে হবে।
ভাল থাকুন।
১২| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৩২
এম এম করিম বলেছেন: আগামী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
++++++
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৩৮
সুমন কর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
১৩| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৫৩
কলমের কালি শেষ বলেছেন: চমৎকার ভ্রমন পোষ্ট । সহজ ভাষায় সুন্দর বর্ননা । ছবিগুলো সুন্দর ।
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:১২
সুমন কর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। স্মৃতিস্বরূপ ব্লগে রেখে দিলাম।
শুভ রাত্রি।
১৪| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১:০৯
তুষার কাব্য বলেছেন: ভ্রমন গল্প সবসময় আমাকে হৃদয় থেকে টানে...পাহাড় নদী সবুজের অপূর্ব বন্ধন যেখানে সেই রাঙামাটির গল্প বলে কথা...ছবি গুলাও যেন প্রকৃতির কোলে ভেসে থাকা এক গুচ্ছ গুচ্ছ সবুজের সমারোহ....দারুন লাগলো আর অপেক্ষায় রইলাম পরের পর্বের জন্য...
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:৫৯
সুমন কর বলেছেন: অাপনার ব্লগে যে একবার গিয়েছে, সেই বুঝবে অাপনি কতটা ভ্রমণ প্রিয় !
তাই অাপনার মন্তব্য পাওয়া এবং ভাল লাগায়, খুশি হলাম।
ভাল থাকুন।
১৫| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১:৩৪
দীপংকর চন্দ বলেছেন: ভালো লাগলো বেশ।
সরল বর্ণনায়। প্রাণখোলা ছবিতে।
আমার শুভকামনা জানবেন ভাই। অনিঃশেষ। সবসময়।
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:০১
সুমন কর বলেছেন: শুনেছি, কবিদের জন্য এসব ছবি টনিক হিসেবে কাজ করে।
ভাল লেগেছে জেনে, খুশি হলাম।
১৬| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ২:০৭
বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: চমৎকার...চমৎকার...চমৎকার...। কে বলল আপনাকে এটা ১০০% ভ্রমণ পোস্ট হয় নাই? আপনি আমার চেয়ে বেশী জানেন? হাজার হলেও আমি পর্যটন মন্ত্রী পোস্টে লাইক (কততম জানি না) উইথ +++++।
আচ্ছা, ইয়ে... একটা প্রশ্ন "ভাগ্নের মামী" ব্যাপারটা কি? বুঝি নাই
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:০৭
সুমন কর বলেছেন: অাপনার মতো ভ্রমণ-বিশ্লেষক (পর্যটন মন্ত্রী) যখন বলেছে, তখন হয়তো হয়েছে। অামি খুশি।
অারে, বন্ধু দেখি পোস্ট পড়েছে এবং জায়গা মতো অবুঝ হয়েছে।
বুঝিয়া লন।
ধন্যবাদ, ভাল থাকুন।
১৭| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ২:৫১
সাজিদ ঢাকা বলেছেন: উম ম ম ম
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:০৮
সুমন কর বলেছেন: হুম..মম.....হু..........মম
ধন্যবাদ, ভাল থাকুন।
১৮| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ ভোর ৬:৪৫
জাফরুল মবীন বলেছেন: ব্লগকথনে রাঙামাটি যাত্রা বেশ ভাল লাগল।আশা করি পরবর্তী পর্বটিও চিত্তাকর্ষক হবে।
ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১০
সুমন কর বলেছেন: ভাল করার অবশ্যই চেষ্টা থাকবে।
ভাল লেগেছে জেনে, খুশি হলাম।
১৯| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৩৯
জামান শেখ বলেছেন: ভাই পেডা টিং টিং এ খেয়েছেন? খুব মজা।
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১৩
সুমন কর বলেছেন: অামরা যখন গিয়েছিলাম, তখন পেডা টিং টিং বন্ধ ছিল।
তবে খাওয়া হয়েছিল, অাদিবাসীদেরই চাং পাং -এ।
ধন্যবাদ, ভাল থাকুন।
২০| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:২৩
আমিনুর রহমান বলেছেন:
একলা একলা ঘুরে আসলা
আমি ডিসেম্বরে রাঙ্গামাটি যাচ্ছি।
পোষ্টে +
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১৮
সুমন কর বলেছেন: ঘুরে অাসুন, ভাল লাগবে।
একলা কই, অাট জন ছিলাম। চালক সহ নয়জন।
ভাল থাকুন।
অ.ট.: মনে হয়, অাপনার মন্তব্য এবং + বহুদিন পর পেলাম।
২১| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৪৬
মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
৮, ৯ এবং ১১ নম্বর ছবি মন উদাস করে দেয়..........
কাব্যিক করে দেয়.........
ছবি এবং বর্ণনায় অনবদ্য ভ্রমণ কাহিনী.......
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:২২
সুমন কর বলেছেন: মইনুল ভাই বলেছেন, মন উদাস করে দেয়..........
কাব্যিক করে দেয়.........
চটপট লিখে ফেলুন একটি কাব্য।
অাপনার মন্তব্য সব সময়ই উৎসাহ দেয়। ভাল থাকুন।
২২| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:২৮
রঙ তুলি ক্যানভাস বলেছেন: গত বছরের অক্টোবরেই গিয়েছিলাম রাঙ্গামাটি। রাঙ্গামাটির সবুজেঘেরা আঁকাবাকা রাস্তা থেকেই মুগ্ধতার শুরু।আপনার মতন আমিও সারা রাস্তাজুড়ে গাড়ি থেকে ছবি তুলেছি,তাও মোবাইল দিয়েই ,ঢাকা ফিরে এসে দেখা গেলো ভ্রমণস্পটের চেয়ে অন দ্য ওয়ের ছবিই বেশি
তবে রাজবন বিহার চাকমা রাজবাড়ী যাওয়া হয়নি,খুব সম্ভবত তখন সংস্কার কাজ চলছিল।এমনটাই বলা হয়েছিল।
এখানের অনেক ছবিই কমন পড়ে গেছে,হাহাহা,পরবর্তি অংশেও হয়ত কমন পড়ে যাবে
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩০
সুমন কর বলেছেন: অাপনি পাহাড়, সমুদ্র, সূর্য উঠা-ডোবা, স্বর্ণ মন্দির, ঝিল, লেক, ঝর্ণা........যারই ছবি তুলুন না কেন-সে'তো একই হবে। তবে সেখানে থাকবে নিজের স্পর্শ এবং অনুভূতি।
এখানের সব ছবি অামার নিজের হাতে তোলা। তাই অামার কাছে অন্য রকম। অামিও রাস্তার ছবি তুলতে তুলতে ক্যামেরার চার্জ শেষ করে ফেলি। পরে নীলাচলে গিয়ে ছবিই তুলতে পারিনি। মোবাইল সম্বল।
রাজবন বিহার ও চাকমা রাজবাড়ীর ছবিগুলো তাহলে অাপনার কাছে, ভাল লাগতে পারে।
ধন্যবাদ, ভাল থাকুন।
২৩| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:১০
হাসান মাহবুব বলেছেন: ভালো লাগলো ভ্রমণ পোস্ট।
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩২
সুমন কর বলেছেন: অাপনার অাসা, মন্তব্য করা এবং ভাল লাগা- অামাকে খুশি করে।
ভাল থাকুন।
২৪| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৫২
অদৃশ্য বলেছেন:
ভ্রমণ শুরু করলাম মাত্র...
শুভকামনা...
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩৩
সুমন কর বলেছেন: ভ্রমণের সাথেই থাকুন.............
এবং ভাল থাকুন।
২৫| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:০২
ইমিনা বলেছেন: আমার কাজ হচ্ছে ভ্রমন পোস্ট পড়া আর বসে বসে আফসুস করা। তারপর আবার ভ্রমন পোস্ট পড়া এবং পূর্বের মতোই আফসুস করা
আমিও একসময় ভ্রমন পোস্ট লিখবো এবং সে জন্য আমার ব্লগে তা পড়ে আসার জন্য অগ্রীম দাওয়াত দিয়ে রাখলাম
পোস্ট দারুন হয়েছে। শুভকামনা রইলো ।।
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩৬
সুমন কর বলেছেন: দাওয়াত কবুল করলাম। অার বেশী অাফসুস না করে, বেরিয়ে পড়ুন।
ভাল লেগেছে জেনে, খুশি হলাম।
২৬| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১:০৩
স্নিগ্ধ শোভন বলেছেন:
সুন্দর ভ্রমণ পোষ্ট!!!
পরের পর্বের অপেক্ষাই রইলাম
০৬ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:০৮
সুমন কর বলেছেন: অাপনার মন্তব্য পেয়ে ভাল লাগল।
সাথেই থাকুন।
২৭| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৩:১৩
কাফী হাসান বলেছেন: সাবলীল লেখা আর অসাধারণ ফটোগ্রাফি । ভালো লাগলো ।
আসছে শীতে রাঙামাটি যাবার ইচ্ছেটা জাগিয়ে দিলেন
০৬ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৭
সুমন কর বলেছেন: সময় করে ঘুরে অাসুন।
ভাল লেগেছে জেনে, খুশি হলাম।
২৮| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৪১
অদৃশ্য বলেছেন:
এ পর্যন্ত শেষ... চমৎকারভাবেই সবকিছু লিখলেন... পরেরটুকুর অপেক্ষাতে থাকতেই হচ্ছে...
শুভকামনা...
০৬ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৯
সুমন কর বলেছেন: সাথেই থাকুন।
সময় করে দিয়ে দেবো।
২৯| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৪২
আরুশা বলেছেন: ছবি ব্লগ ভাললাগলো। পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকছি +++++
০৭ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৫৫
সুমন কর বলেছেন: আমার ব্লগে স্বাগতম। অনেক ধন্যবাদ।
ভাল লেগেছে জেনে, খুশি হলাম।
৩০| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৪০
ঈপ্সিতা চৌধুরী বলেছেন: আমি গিয়েছি রাঙ্গামাটিতে... অনেক মজা করেছিলাম শিক্ষা সফরে গিয়ে, এরপর পারিবারিক ভ্রমনেও গিয়েছি......। আপনার ছবিগুলি দেখে আবার যেতে ইচ্ছে করছে কিন্তু কবে যে যাওয়া হবে কে জানে?
০৯ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৩৩
সুমন কর বলেছেন: ইচ্ছে করলে, কি অার করা !!! অাবার সময় করে ঘুরে অাসুন।
ভাল লেগেছে জেনে, খুশি হলাম।
৩১| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৫৯
আশরাফুল ইসলাম দূর্জয় বলেছেন:
সুন্দর পোস্ট। ভ্রমনে একাত্ম হওয়া যাচ্ছিলো।
০৯ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৩৬
সুমন কর বলেছেন: ভ্রমণে একাত্ম করতে পেরেছি, জেনে খুশি হলাম।
ভাল থাকুন।
৩২| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:০২
আমি তুমি আমরা বলেছেন: আপনার দেখি ব্লগে তিন বছর হয়ে গেল। তৃতীয় বর্ষপূর্তিত অভিনন্দন
০৯ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৪২
সুমন কর বলেছেন: ধন্যবাদ। এটা ভার্চুয়াল !!! পরে কোন এক পোস্টে বলে দেবো, কবে থেকে নিয়মিত !!
৩৩| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ ভোর ৪:৪৬
আরজু মুন জারিন বলেছেন: চমৎকার একটি ভ্রমন পোষ্ট চমৎকার ছবি সহ।অনেক ভাললাগা আপনার পোষ্টে সুমন ভাই।অনেক ধন্যবাদ পোষ্টটির জন্য। শুভেচ্ছা রইল।
১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:১০
সুমন কর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভাল থাকুন।
৩৪| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:৫১
গোর্কি বলেছেন:
ভার্চুয়ালি মনোমুগ্ধকর ভ্রমণের সাথী হতে পেরে আনন্দিত। শুভকামনা।
১২ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:১০
সুমন কর বলেছেন: অনেক দিন পর আপনাকে ব্লগে দেখে ভাল লাগল।
ভ্রমণের সাথী হয়েছেন জেনে, খুশি হলাম।
ভাল থাকুন।
৩৫| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১:২৮
খাটাস বলেছেন: পরিপাটী সুন্দর পোস্ট মাননীয় আইন মন্ত্রী সুমন দা।
ছবি গুলো দেখে যাইতে মন চায়।
পরের পোস্টে আরো বেশি করে ছবি দিয়েন।
১২ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:১৭
সুমন কর বলেছেন: আইন মন্ত্রী হা হা......হাহাহা...
ঘুরে এসো, সময় হলে।
দেখি পরের পোস্টে বেশী ছবি দেয়া যায় কিনা ??? সামুতে আবার ছবি দেয়া একটু ঝামেলা। তার উপর সময় করে উঠতে পারি না। তাই পোস্ট তৈরি করা হচ্ছে না।
ভালো থেকো, সব সময়।
৩৬| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৩০
এহসান সাবির বলেছেন: দাদা ছবি গুলি দেখে গেলাম, কাল পোস্ট পড়ে মন্তব্য করে যাবো।
১২ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৪১
সুমন কর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভাল থাকুন।
ঠিক অাছে।
৩৭| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৫৭
এহসান সাবির বলেছেন: চমৎকার দাদা।
রাজবন বিহার এবং চাকমা রাজবাড়ি ছবি সহ পোস্ট চাই।
রাঙামাটির রিজার্ভ বাজার লঞ্চ ঘাটের ওটা কি নদী নাকি বিল? নদী হলে নাম কি?
১৪ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:০১
সুমন কর বলেছেন: ছবি অবশ্যই পাবে।
নদী না, কাপ্তাই হ্রদ।
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
৩৮| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:১৫
আমি তুমি আমরা বলেছেন: পোস্টে মূলত যাত্রাপথের বর্ননাটাই পড়লাম।
রাংগামাটি এখনো যাওয়া হয়নি, কবে সুযোগ হবে কে জানে। পোস্টে ভাল লাগা রইল
১৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৩৭
সুমন কর বলেছেন: অফিস করে সময় হয়ে উঠে না !!
যে সময় পাই, সামুর পোস্ট পড়তেই চলে যায়।
সাথেই থাকুন, আগামী মাসেই দিয়ে দেবো। কিংবা আগে।
৩৯| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৩৬
অন্তরন্তর বলেছেন:
অনেক আগে ১৯৮০ সালে একবার গিয়েছিলাম। ছবিগুলো দেখে
নস্টালজিক হয়ে গেলাম। তখন রাস্তার অবস্থা খুব খারাপ ছিল। চট্টগ্রাম
থেকে রাঙামাটি পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা ভাষায় অবর্ণনীয়।
ভ্রমণ পোস্টে ভাল লাগা। শুভ কামনা।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৩৩
সুমন কর বলেছেন: অাপনার মন্তব্য পেয়ে ভাল লাগল। এখন সময় করে ঘুরে অাসতে পারেন। রাস্তা এবং পরিবেশ অনেক উন্নত হয়েছে।
ভাল থাকুন।
৪০| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৫৮
দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: চমৎকার।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:০৪
সুমন কর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
৪১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৭ সকাল ১০:৪৩
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: শুরুটা সত্যিই চমৎকার হয়েছে।
ভাগ্নের মামীকে সাথে নিয়ে গেলেন, ছবি তুললেন না, বা ছবি তুলেছেন আমাদের তা' দেখালেন না, এইডা কেমন কথা দাদা!!!
খুব খুউব মিস করছি!!!!!
০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৫
সুমন কর বলেছেন: হাহাহাহা ....ব্লগে না দেয়াই ভালো। তবে শেষ ছবিতে একটু আছে কিন্তু !!!!
সময় করে দেখার জন্য ধন্যবাদ।
৪২| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৩:২৬
খায়রুল আহসান বলেছেন: ঝিলগুলো সুন্দর।
ভাগ্নের মামী...
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২০
সুমন কর বলেছেন: হাহাহা...ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৩
কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:
সুমন ভাই যাত্রা শুরুর ছবিটা সবার শেষ দিলেন যে ?