নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চেতনায় মুক্তিযোদ্ধা

সায়েমুজজ্জামান

কাজী সায়েমুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। জন্ম ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম শহরের দামপাড়ায়। তার পূর্বপুরুষ ছিলেন দক্ষিণাঞ্চলের বাউফলের ঐতিহ্যবাহী জমিদার কাজী পরিবার। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখিতে হাতে খড়ি। তবে ১৯৯৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে তিনি সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত হন। তিনি যুগান্তর স্বজন সমাবেশের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম আহবায়ক। ২০০৪ সালে তিনি দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগ দেন। পরে ইংরেজী দৈনিক নিউ এজ এ সিনিয়র প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করেন। পরবর্তীতে ২৮ তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন সদস্য হিসেবে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারী কমিশনার (ভূমি), সিনিয়র সহকারী কমিশনার, সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে রেক্টরের একান্ত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনডিপিতে লিয়েনে চাকরি করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রোগ্রামে ন্যাশনাল কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। সর্বশেষ শিল্প সচিবের একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন৷ বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের স্কলারশিপ নিয়ে কিউং হি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড ট্রেড পলিসি বিষয়ে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত। তিনি বাংলা ছাড়াও ইংরেজী, আরবী, উর্দ্দু ও হিন্দী ভাষা জানেন। ছোটবেলা থেকেই কমার্শিয়াল আর্টিস্ট হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

সায়েমুজজ্জামান › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসলামে গান হালাল আবার হারামও

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:২৬

কওমী ও আলীয়া মাদরাসায় একটা বই পড়ানো হয়ে থাকে। নাম উসুলুস শাশি। ইসলামের প্রথম যুগের লেখা বই। কেন হানাফি মাজহাবের এজতেহাদকৃত মাসয়ালা সহজে আমলযোগ্য তা বইটা পড়লে বুঝা যায়। মাসয়ালার ক্ষেত্রে ইমামদের মতামতের কিছু চিত্র বইটিতে পাওয়া যায়। কোরআন পড়া সহজ, কিন্তু বুঝা কঠিন। কোরআনের আয়াত থেকে মাসয়ালা বের করা আরো কঠিন। আয়াতের কোন শব্দ আম, খাস, মুতলাক মাকাইয়াদ তা বুঝতে হয়। বুঝতে হয় মুশতারাক, মুআওয়াল, হাকীকত মাজাজ বা ইশতেয়ারা। এরমধ্যে সবচেয়ে যে বিষয়টাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, তা হলো-সবব। সববের বাংলা অর্থ কারণ বা কার্যকারণ। কোনটা কখন ওয়াজিব, কোনটা হালাল বা কোনটা হারাম তা নির্ধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সবব। উসুলুস শাসী বইটিতে হালাল হারাম নির্ধারণে একটা পরশ পাথরের সন্ধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে- আল আহকামুস শারইয়াহ ইয়াতআল্লাকু বি আসবাবিহা। অর্থ হলো- শরীয়তের সব বিধান সবব সম্পর্কিত হয়। সবব বুঝতে পারলে অনেক বিষয় পরিস্কার হয়ে যাবে। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, নামাজ ওয়াজিবের সবব হলো ওয়াক্ত হওয়া। এবার একটু গভীরে যাই। কোন জিনিস হালাল না কী হারাম তাও আপনি সবব দিয়ে নির্ধারণ করতে পারবেন। ধরুন, সকল প্রকারের মদ হারাম। মদ কখন হবে। এমন পানীয় যাতে নেশা থাকতে হবে। আঙ্গুর ফলের রস দিয়ে মদ বানানো হয়। আঙ্গুর ফল হারাম না। রসও হারাম না। যখনি খেয়ে নেশা হবে তখনি সেটা হারাম হবে। কার্যকারণ বা সববটা হলো নেশা। নেশা পাওয়া গেলে সেটা বৈধ হবেনা। এবার আঙ্গুরের রস ঘরে রেখে দিলেন, এমন হালাল কিছু মিশালেন, তাতে নেশা হলোনা। তখন সেটা আর মদ থাকেনা। জুস হয়ে যায়। কারণ তাতে নেশার অস্তিত্ব নেই। নেশার অস্তিত্ব পাওয়া গেলে সেটা হারাম হবে। তবে এখানে একটা বিষয় স্পষ্ট করা দরকার। উদাহরণ হিসেবে মদকে বলা হলেও মদ বা নেশা ইসলামে খুব কঠোরতার সাথে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মদ খাওয়ার পাত্রও পরিহার করতে বলা হয়েছে। সুতরাং ভুল বুঝার কোন অবকাশ নেই।
এবার আসি গান নিয়ে। গান হালাল আবার গান হারাম। কারণ ওই সবব। সববটা হলো- অশ্লীলতা। গান গাওয়া হলো- আপনার আল্লাহ আর রাসুল বা তার ওলীদের কথা মনে পড়ে কাদলেন, এটা হারাম হওয়ার কোন কারণ নেই। আবার কুতকুতি মাইয়া টাইপের গান শুনলেন, এটা বৈধ হওয়ার কোন কারণ নেই। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখলেন, সীমার মাঝে অসীম তুমি বাজাও আপন সুর, আমার মধ্যে তোমার প্রকাশ তাই এত মধুর। অন্যদিকে নির্মেলেন্দু গুণ লিখেলেন, আমি প্রেমিকার পায়ুপথে নাসারন্ধ্র রেখে কস্তুরির গন্ধ পাই। দুইটা কবিতা এক নয়। একটুকু বুঝলেই বিষয়টা পরিস্কার ও সহজ হয়ে যায়। এভাবে আধুনিক যন্ত্রপাতি হোক, অথবা সিনেমা হোক, সবব অশ্লীল হলে তা অবৈধ। আর অশ্লীলতা না পাওয়া গেলে তা ইসলামের দৃষ্টিতে অবৈধ নয়।
আমি জাহেলী যুগে লেখা কিছু কবিতা পড়েছি। ভয়াবহ রকমের অশ্লীল। একটা কবিতা পড়েছিলাম, সেটা প্রেমিকার গোপন অঙ্গের বর্ণণা দিয়ে লেখা। আমি যতটুকু আরবী বুঝি তাতে মনে হয়েছে, তার যে কাব্যিক ঝংকার তা আধুনিককালের কবিতায় পাওয়া কঠিন। আমাদের নবী দ. কবিতা গানে যে অনুৎসাহিত করেছেন, তা এই অশ্লীলতার কারণে। কারণ ওই সময় এসব কবিতা বিখ্যাত ছিল। কিন্তু রসুলের উপস্থিতিতেই খন্দকের যুদ্ধের পরিখা খননকালে সাহাবারা গান কবিতা পাঠ করেছেন। বহু হাদীস আছে যেখানে রাসুল দ. উপস্থিত ছিলেন, অথচ গান করা হয়েছে। রাসুলের বিয়েতে আরবের ঐতিহ্য অনুযায়ী দফ বাজানো হয়েছে। কিন্তু রাসুল দ. আবার গান গাইতে নিষেধ করেছেন- এমন হাদীসও পাওয়া যায়। দুটোকে সমন্বয় করলে সহজেই বুঝা যায়- যেসব হাদীস দিয়ে অশ্লীলতাকে বুঝানো হয়েছে।
হযরত মাইনুদ্দীন চিশতি রা. এসব বুঝে শুনেই সেমা বা সুফবাদী গান বাজনা করেছেন। অনেক ওলীর কথা বলা যাবে। যাদের হাত ধরে এই উপমহাদেশের মুসলমান হলাম, আজ আমরা তাদের ভুল ধরি। ইসলামি গান বা তাতে যন্ত্রের ব্যবহার নিয়ে বহু কিতাব লেখা হয়েছে। শরিয়ত বয়াতি ওসব বই পড়েছেন। তিনি জানেন, এসব বইয়ের জবাব কখনোই এর বিরোধীরা দিতে পারেন নি। এজন্যই তিনি চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলেন। আমার ধারণা যারা গান বাজনাকে ঢালাওভাবে হারাম বলেন, তারা সববটা বুঝতে পারেন না। আর না বুঝতে পারার ফলাফলটা যে কত ভয়াবহ হতে পারে তা পাকিস্তানের কাওয়ালি শিল্পী আমজাদ সাবারিকে গুলি করে হত্যার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। বেশি দিন আগের কথা নয়। ২০১৬ সালের টেলিভিশনে গান শেষে ফেরার পথে তাকে হত্যা করা হয়। কয়েকশ বছর ধরে বংশপরম্পরায় সুফিগান করে আসছিলেন সাবরিরা। আমজাদ সাবরির পিতা মকবুল সাবরিও ছিলেন বিখ্যাত সুফি শিল্পী। তাদের গান শুনে মানুষ কাঁদতেন। মকবুল সাবরির শেষ গজল ছিল, ম্যায় কবর আন্ধেরি মে, ঘাবরাও গা জব তানহা, এমদাদ মেরি করনে আ জানা রাসুলাল্লাহ।‘ আমি কবরের অন্ধকারে একাকী যখন ঘাবড়ে যাবো, আমাকে সাহায্য করতে চলে আসো হে রাসুলাল্লাহ। টেলিভিশনে এই নাতটি শুনে উপস্থিত আলেম, দর্শক উপস্থাপক সবাই কাঁদছিলেন। এমন একজন গায়ককে হত্যা করা হয়। বাংলাদেশে হয়ত, এরা গায়ককে হত্যা করেনি সত্যি। তবে একই মতদর্শী এরা।
যাই হোক একটা গল্প বলি, একবার একজন আল্লাহর ওলী কোনো এক শহরে যাবেন। সেখানকার মানুষ জানতে পারলেন, একজন আল্লাহর ওলী ওই শহরে আসছেন। তারা তাকে স্বাগত জানাতে দলে দলে শহরের প্রান্তে একত্রিত হলেন। বহুদূর থেকে আল্লাহর ওলী তা লক্ষ্য করলেন। তিনি ভাবলেন, এত মানুষ তার রীয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়াও তারা তার ইবাদতে বিঘ্ন ঘটাবেন। তখন রমজান মাস। মুরিদকে বললেন, খাবার আছে? মুরিদ খাবার হিসেবে একটা রুটি এনে দিলেন। তিনি সেটা খেতে খেতে শহরের দিকে এগুতে থাকলেন। এসময় রটে গেলো যাকে মনে করা হচ্ছে- আল্লাহর ওলী, তিনি রোজার দিনে খাবার খেতে খেতে আসছেন। শুনে লোকজন চলে গেলো। শুধু কিছু সংখ্যক ইসলামি জ্ঞান সমৃদ্ধ ব্যক্তি থেকে গেলেন। কারণ তারা জানতেন কোরআনের আয়াত- ইন কানা মারিজান আও আলা সাফরিন ফা ইদ্দতুল লি আইয়ামিল উখার। অর্থাৎ- যদি কেউ রোজার দিনে রুগ্ন বা সফরে থাকেন- তবে তাদেরজন্য রোজা অন্যকোন দিন। সাধারণ মানুষ এটা বুঝতে পারেননি। আর বুঝা তাদের পক্ষে সম্ভবও নয়।
এজন্যই ইসলামি জ্ঞানহীন অথবা ভ্রান্ত আকীদার কোন ব্যক্তি কোনটা বৈধ বা অবৈধ তা নির্ণয় করতে গেলে যিনি সৎপথে আছেন, তাকেও তাদের কাছে ভ্রান্ত মনে হবে। এটা বুঝতে পারলে রোজার মাসে কেউ সকল খাবারের দোকানপাট বন্ধ করতে বলতেন না। রোগী, শিশু, মুসাফির বা অমুসলিমদের কথা বিবেচনা করতেন। ইসলাম যার হাতে থাকা উচিত, তার হাতেই থাকা উচিত। একারণেই কম জানে বা অবিবেচক অথবা ভ্রান্ত আকীদার লোকজনের হাতে ইসলামের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা গেলে তা অন্যদের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাড়ায়, অথচ ইসলামে যার ভোগান্তির কথা ছিলনা৷

দক্ষিণ কোরিয়া
১৭ জানুয়ারি ২০২০

মন্তব্য ৬৪ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৬৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৩২

Sujon Mahmud বলেছেন: এই এক বিষয়ে আর আলোচনা করতে ভালো লাগতেছে না।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৩৭

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: হালাল হারাম যেটা দিয়ে নির্ধারণ করা হয় সেই মাপকাঠিটা দিয়ে দিলাম। শুধু গান না অন্য কোন বিষয়েও কাজে লাগবে। ধন্যবাদ।

২| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্ট টি খুব মন দিয়ে পড়লাম।
গত কয়েকদিন ধরে ব্লগে গান আর ধর্ম নিয়ে বেশ পালটা পালটি তর্ক চলছে। আলে এসব তর্ক কোনো দিন বন্ধ হবে না।
কাজেই যার ভালো লাগবে শুনবে, যার ভালো লাগবে না সে শুনবে না।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৪০

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: যাদের ধর্মজ্ঞান নেই, তারা এখন ধর্মবেত্তা। সমস্যাটাতো এখানেই। উনিশ শতকটা আসলেই কুফা ছিল। আঠারো শতকের শেস দিকে এর শুরু। ওহাবীবাদ, মওদুদীবাদ এসব মতবাদের জন্মই যত ঝামেলা তৈরি করছে। আপনি এক দেড়শো বছর আগের ইসলামে চলে যান, দেখবেন কোন সমস্যা নেই।
ধন্যবাদ নিরন্তর।

৩| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৩৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
এই ক্যাচাল এ্খন ক্ষ্যান্ত দেওয়ন যায় না।
পানি অনেক ঘোলা হয়েছে এবার থামুন।
এই ক্যাচালে ঈমানের ঘাটতি হয়।
ইসলামে গান বাজনা হারাম!! আজাইরা প্যাচাল

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৪২

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: হালাল হারাম কীভাবে নির্ধারণ করা হয়, তার মুলমন্ত্র ফিকাহ শাস্ত্র থেকে দিয়ে দিলাম। ইমানে ঘাটতি হবেনা। এখন সাধারণ একজন মানুষও বুঝতে পারবেন। ধন্যবাদ আপনাকে।

৪| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৫৫

অখ্যাত নবাব বলেছেন: আপনার পুরো লেখাটা পড়লাম!
যথেষ্ট উদাহরণ দিয়েছেন। ভালো লেগেছে।
তবে বর্তমানে যেসব গান চলে এগুলো কোনটাই বৈধ নয়!
গানের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে শিরক করা হচ্ছে। বয়াতি গানের অনুষ্ঠানে নারী-পুরুষ রাত-ভর অবৈধ কাজ-কাম করে। আমাদের গ্রামে বার্ষিক কিছু বয়াতি গানের অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। অনুষ্ঠানে মহিলা ও পুরুষ বয়াতি আনা হয়! তারপর তাদের প্রথমে মদের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়! মঞ্চে এসে কিছু আজগুবি এবং শিরকী কথা বার্তা বলে। সাথে দেহ প্রদর্শণ করে স্থানীয় মাতাব্বরদের দৃষ্টি কাড়ে। এবং মাজরাতে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত হয়। এবং ভোরে ফজর নামাজের পর মাইক দিয়ে আল্লাহর নামে তবারক বিতরনের ঘোষণা করা হয়।
আবার অনুষ্ঠান শুরু করে মিলাদের মাধ্যমে।

তাই ভাই! এদের কিভাবে বৈধ বলবো? এদের গান কিভাবে বৈধ বলবো?

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৩৬

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: কোথায় কে কী করছে, সেটার কারণে সিস্টেমকে খারাপ বলা যায়না। যারা এসব করে, তারা অন্য জায়গায়ও এটা করবে। এরা এটাকে একটা উপায় হিসেবে নিয়েছে।
গানের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে শিরক হয় কীভাবে? একজনকে দেখলাম মাজারে সেজদা করতে। আমি উৎসুক হয়ে জানতে চাইলাম, তাকে আল্লাহ মনে করে কী না? উনি আকাশ থেকে পড়লেন। আল্লাহ হবেন কেন? আল্লাহ একজন। তাহলে সেজদা দিচ্ছেন কেন? বললেন, সম্মান করে সেজদা দিচ্ছি। কী বলবো! শিরক। উনি তো বিশ্বাস করেন না- আল্লাহর একজন শরীক আছেন। দুপক্ষেরই অনেক দলীল আছে। যাই হোক আমার কাছে মনে হয়েছে, এতে তার পাপ হবে। কিন্তু শিরক হবেনা।
এটাও এ ধরণের বিষয়। পাপ হবে। শিরক হবেনা।

৫| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:১৮

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: বেঞ্জামিনের একটা কথা মনে পড়লো, বর্তমানের ইসলামিক স্কলাররা সবচেয়ে বড় যে ভুল করে থাকে সেটা হলোঃ তারা কোরয়ানকে রুল হিসেবে ফলো করে। আদতে কোরয়ানকে রুল হিসেবে না নিয়ে প্রিন্সিপল হিসেবে নিলে সেটা বাস্তবিক ক্ষেত্রে অধিক কার্যকরী হবে।

এসব নিয়ে অনেক লেখা ও আলোচনা করা যায়, সময় করে ছোট একটা পোস্ট করবো।

আপনার পোস্টটা সুন্দর হয়েছে।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৪১

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

৬| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৩৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি লিখেছেন, "কোরান পড়া সহজ, কিন্তু বুঝা কঠিন "

-কেন কঠিন, আরবী ভাষার কারণে, নাকি বিষয়বস্তুর জন্য? আপনার কাছে কোন স্তরের অংক, ফিজিক্স কঠিন মনে হয়েছে?

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৩০

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: এটা লিখেছি গেলাম আজম একটা বই লিখেছে, কোরআন বুঝা সহজ। সেটা যে ঠিক না তা বুঝানোর জন্য। কোরআন বুঝতে হলে কমপক্ষে ত্রিশটা সাবেজক্টে জ্ঞান থাকতে হয়।

ধরুন কোরআনের একটা আয়াত 'ফা আকরাউ মা তায়াচ্ছারা মিলান কোরআন' এর অর্থ হচ্ছে- তোমাদের জন্য যা সহজ হয় কোরআন থেকে তা পাঠ করো। মানে নামাজে কোন সুরা পাঠ করতে হবে তা কোরআনে বলা নেই। এই আয়াতটাই রয়েছে। এখন এখানে একটা শব্দ আছে 'মা' বাংলা অর্থ 'যাহা'। এখন শব্দটা 'আম' বা 'সাধারণ' না কী 'খাস' 'বিশেষ'। আম হলে কোরআন থেকে যেকোন সুরা বা আয়াত পাঠ করেলই নামাজ হয়ে যাবে। আর খাস হলে তা বিশেষ সুরা হবে।

ইমাম আবু হানীফা রা। এর মতে, 'মা' শব্দটা আম। তার মানে সুরা ফাতিহা পাঠ করা ফরজ নয়। ওয়াজিব। কেউ ভুলে সুরা ফাতেহা না পড়লে নামাজ হবে। তবে সাহু সিজদা দিতে হবে। কেননা হাদীসে আছে, সুরা ফাতিহা ছাড়া নামাজ হয়না।
ইমাম শাফেয়ী রা এর মতে, 'মা' শব্দটি খাস। এজন্য নামাজে সুরা ফাতেহা পড়া ফরজ। এটা হাদীস দ্বারাও প্রমাণিত। তার মতে সুরা ফাতেহা ছেড়ে দিলে নামা শুদ্ধ হবেনা। আবার পড়তে হবে।

এটা গেল, মাসয়ালার বিষয়ে। মাসয়ালা বুঝতে গেলে ফিকাহ উসুলে ফিকাহ বুঝতে হবে। এবার আসেন অন্য একটা বিষয় নিয়ে- আল্লাহ বলছেন, যারা জানে আর যারা জানেনা তারা কী এক? প্রশ্ন করেই ছেড়ে দিয়েছেন আল্লাহ। এর অর্থ কী আসলে? এক কী না। এক হলে বর্তমান গণতন্ত্র জায়েজ। পন্ডিত মুর্খ সবাই সমান। আর এক না হলে, বর্তমান গণতন্ত্র জায়েজ নেই। এটা বুঝতে হলে দরকার বালাগাত। কখন প্রশ্ন করা হয়, প্রশ্ন করলে তার উত্তর কী হয়!

খুব সংক্ষিপ্ত একটা বিষয় অল্পতে বললাম। এবার আমাকে বলেন, একজন ব্যক্তি কুরআন পড়ে কী বুঝবে? যদি পান্ডিত্য অর্জন করতে না পারে।

আমি এখন ক্যালকুলাস করছি। ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে আছি। ইকুয়েশনের মধ্যে আটকে গেছি। দোয়া করবেন।

৭| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৫৮

সুপারডুপার বলেছেন: কোরআন শরীফ কিভাবে লিখিত হবে /কোরআন শরীফের গ্রামার ও কি আল্লাহ জিব্রাইল (আ) -এর মাধ্যমে ঠিক করে দিয়েছিলেন ? নাকি ওহী লেখকরা কোরআন শরীফের গ্রামার ঠিক করেছিলেন? নাকি নবী মুহাম্মদ (সঃ ) কোরআন শরীফের গ্রামার ঠিক করেছিলেন?

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:১২

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: গ্রামার ছাড়া আরবী এক লাইনও পড়তে পারবেন না। সালাত শব্দটা নিয়েই আপনার দিন শেষ হয়ে যাবে। যখন দেখবেন, আল্লাহর সাথে সাথে সালাত শব্দটার তায়াল্লুক হলে সেটা অর্থ দাড়ায় প্রার্থনা বা মিরাজ। আবার রাসুল দ এর সাথে সম্পর্কিত হলে সেটার অর্থ দুরুদ। ফেরেশতাদের সাথে সম্পর্কিত হলে সেটা তাসবীহ...

একজন হিন্দু লেখক একটা আয়াতের বাংলা অনুবাদ করেছিলেন এভাবে তারা ষড়যন্ত্র করে আল্লাহও ষড়যন্ত্র করেন, আর আল্লাহ সবোর্ত্তম ষড়যন্ত্রকারী। এটা আরেক হিন্দু লেখক উল্লেখ করে বলেছিলেন, যে সৃষ্টি কর্তা তার সৃষ্টির সাথে ষড়যন্ত্র করতে পারে তাকে সালাম।
শব্দ একটাই। তা হলো মাকার। এর অর্থ ষড়যন্ত্র করা। এটা আল্লাহর সাথেও ব্যবহার করা হয়েছে। আবার কাফিরদের সাথেও ব্যবহার করা হয়েছে। এবার আপনি বালাগাত ছাড়া অনুবাদ করে দেন।
এজন্যই কোরআন বুঝতে গেলে অবাক হয়ে যাবেন। যত গভীরে যাবেন, অবাক হয়ে যাবেন, কীভাবে এতে বিভিন্ন অলংকার ব্যবহার করা হয়েছে।

কোন কিছু প্রশ্ন করার আগে জানতে হয়। সবখানে সবকিছু নিয়ে হটকারী প্রশ্ন করা যায়না।

৮| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:১৪

চাঁদগাজী বলেছেন:

লেখক বলেছেন, " এটা লিখেছি গেলাম আজম একটা বই লিখেছে, কোরআন বুঝা সহজ। সেটা যে ঠিক না তা বুঝানোর জন্য। কোরআন বুঝতে হলে কমপক্ষে ত্রিশটা সাবেজক্টে জ্ঞান থাকতে হয়। "

-কোন ৩০টা সাবজেক্টে জ্ঞান থাকতে হবে? লিষ্টটা দেন।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:২২

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: সাবজেক্ট আরো বেশি হবে।
এক নম্বরে হাদীস।
ফিকাহ
তাজবীদ
বালাগাত
উসুল ফিকাহ
মানতিক
গণিত (কারণ সম্পদের বণ্টন হিসাব দেয়া আছে। অংকে খুব ভালো না হলে ফারায়েজ করা যায়না)
ইতিহাস
ভুগোল
কোন একটা মাদরাসায় যান- গিয়ে বলেন, প্রথম শ্রেণি থেকে কামিল হাদীস ফেকাহ তাফসিরে কী কী পড়ানো হয়- তালিকা দেন। এসব পড়ানোর উদ্দেশ্য একটাই। কোরআন বুঝা।

শুধু লিখে হাতকে কষ্ট দিতে চাইনা।
ধন্যবাদ ।

৯| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:২০

সুপারডুপার বলেছেন: আপনি তো আমার প্রশ্নের উত্তর দিলেন না।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:৩৭

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: কোরআন আরবী ভাষায় লিখিত হয়েছে। কালের বিবর্তনে একটা ভাষা পড়া বলার মাধুর্য অলংকার যুক্তি যেসব বিষয় গড়ে ওঠে সেভাবে আরবী ভাষাও গড়ে উঠে শ্রেষ্ঠ ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে। সেগুলোর সবই কোরআনে প্রতিফলিত হয়েছে। যেগুলো ছিলনা- নতুন দ্যোতনা বর্ণনা- সেগুলোও কোরআনে বর্ণিত হয়েছে। আগে লেখাপড়া করেন। বুঝেতে পারবেন। আরবী শিখেন।

১০| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " সাবজেক্ট আরো বেশি হবে। এক নম্বরে হাদীস। ফিকাহ তাজবীদ বালাগাত "

-এগুলোকে সাবজেক্ট বলে? আপনি আসলে "পিগমী পিএইচডি"।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:৩২

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: আমি বলেছি কুরআন বুঝতে হলে এসব বিষয় বুঝতে হবে। আমি তো পিএইচডি করছিনা। তবে যা বলি যা লিখি পুরো নিশ্চিত হয়ে লিখি।

১১| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " আপনাকে ফারায়াজের একটা অংক দেই। বের করে দেবেন। যদি শিক্ষিত হয়ে থাকেন। কতদূর শিক্ষিত হয়েছেন দেখা যাবে। পঞ্চম শ্রেণির তো দূরের কথা। মানুষের বাচ্চা হলে চ্যালেঞ্জটা নেবেন আশা করি। "

-দেন!

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:৩১

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: সামনা সামনি দিতে হবে। এখানে দেবো কেন? আপনি কোথায় থাকেন। আমি যাবো সেখানে কোন একদিন। মশকারা করেন না! একটা ফারায়েজের বই কিনে দেখেন। তারপর সমাধান করতে থাকেন। আর বিবেক থাকলে বলবেন, এটা পঞ্চম শ্রেণির ছাত্ররা কীভাবে করবে?
আজব মানুষ আপনি। যুক্তি তর্কের ধারেও নেই।

১২| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:৩৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " সামনা সামনি দিতে হবে। এখানে দেবো কেন? আপনি কোথায় থাকেন। আমি যাবো সেখানে কোন একদিন। মশকারা করেন না! "

-আপনি জাতির মাঝে "সেরা লিলিপুটিয়ান"।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:৪৫

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: আরবী শেখেন। কোরআন বুঝতে চেষ্টা করেন। বাংলা অনুবাদ না। আমাকে আর কোরআনের মাহাত্ম্য বর্ণণা করতে হবেনা। আপনিই এর ফোকাল হয়ে যাবেন।
আমি সাধারণ একটা মানুষ। পড়ালেখা করে শিখেছি। চার পাচটা ভাষা জানি। আরবীও একটা। এমনিতে হয় নাই। অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। আপনার সাথে ফাও বকওয়াজ করার সময় আমার নেই। ধন্যবাদ।

১৩| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:৪৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আল-কোরানে। ফারায়াজের একটা সাধারন অংকই ভুল।

উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টনে ভুল (কুরআন ৪:১১-১২) সূরা নেসার ১১-১২ আয়াতে

স্ত্রীঃ ১/৮=৩/২৪ ;
কন্যাঃ ২/৩ = ১৬/২৪ ;
পিতাঃ ১/৬ = ৪/২৪;
মাতাঃ ১/৬ = ৪/২৪
মোট = ২৭/২৪ = ১.১২৫ (যা ১ হওয়ার কথা)

এছাড়াও কারো এক কন্যাসন্তান থাকলে, পিতার মৃত্যু হলে পরিবারটি সম্পদের একটি বড় অংশ চাচা-মামারা পেয়ে যায়। কন্যাসন্তান পিতার সম্পদ থেকে বঞ্চিত হয়। ছেলে সন্তানদের সমস্যা হয় না।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:০৫

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: ইসলাম কাকে বলে সে সংজ্ঞাটা আপনাকে জানতে হবে। নুরুল আনোয়ার বইতে এর একটা সুন্দর সংজ্ঞা দেয়া আছে। তা হলো- আল ইসলামু বাইনাল আকলি ওয়াল মুুহাব্বাতি। ইসলাম হলো যুক্তি ও আবেগের মাঝামাঝি। এর পেছনে হেকমত আছে। আরেকজন লেখকের লেখায় পড়েছি। আপনিও খুঁজুন, পেয়ে যাবেন।
আর যুক্তি দিয়ে ইসলামকে বুঝার বাসনা ত্যাগ করতে পারেন। না হলে ভুল খুঁজে পাবেন। যেটা যুক্তি দিয়ে মানে অংক করে বুঝানো যাবেনা। আবেগ দিয়ে বুঝাতে হবে।
আমার লেখার উদ্দেশ্য এটা নয়। আমার লেখা পড়ে মানুষ যাতে বুঝতে পারে হালাল হারামের মাপকাঠি কী। ফিকাহ শাস্ত্রে কীসের ভিত্তিতে হালাল হারাম নির্ধারণ করা হয়।

ধন্যবাদ।

১৪| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:৫১

সুপারডুপার বলেছেন: এরপরেও উত্তর দিচ্ছেন না। নাকি আপনি প্রশ্ন বুঝতে পারেন নি। ঠিক আছে, ৩ টার জায়গায় আপনাকে ১ টা প্রশ্ন করি।

কোরআন শরীফের গ্রামার কে বা কারা ঠিক করেছিল ?

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৭:০৭

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: প্রশ্ন দেখেই তো বুঝা যাচ্ছে- এর উত্তর আপনি জানেন। গুগল সার্চ দেন। পেয়ে যাবেন। কোরআন নিয়ে এ পোস্ট না। আর ম্যানিপুলেশনের জায়গা এটা না।

১৫| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:২৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আপনি ফারায়াজের অংক নিয়ে অঙ্ক শিখাচ্ছিলেন চাঁদ গাজীকে।

এখন বলছেন - যুক্তি দিয়ে অংক করে অংক বুঝানো যাবেনা। আবেগ দিয়ে অংক বুঝতে হবে।
আবেগ দিয়ে অংক?

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৭:০৫

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: আপনি আহাম্মক নাকি! আবেগ দিয়ে অংক বুঝতে বলিনি। মেয়েদের কেন সম্পত্তি কম দেয়া হচ্ছে- সেটার পারিপার্শ্বিকতা হৃদয় দিয়ে অনুধাবণ করতে বলেছি। এটা অনুধাবনের বিষয়। কেন মেয়েরা পিতার কাছে ছেলের চেয়ে কম পাচ্ছে- এর ব্যাখ্যা বহু জায়গায় দেয়া আছে।
আর ব্লগে তো মনে হয় আমার পরে এসেছেন। এর আগে আরজ আলী মাতুব্বরের ফারায়েজ সম্পর্কিত প্রশ্ন যেটা আপনি করলেন, তা নিয়ে ব্লগে বহু ক্যাচাল হয়ে গেছে। সেখানে এর জবাব দেয়া হয়েছে। সার্চ দেন পেয়ে যাবেন। না পেলে আমাকে আপনার ই মেইল ঠিকানা দেন। আমি সেসবের লিংক দিয়ে দিচ্ছি। সেখানে গিয়ে ক্যাচাল করেন।

চাঁদাগাজীকে অংক শেখাচ্ছিলাম না। সে বলছে, কোরআন বুঝতে নাকী পঞ্চম শ্রেণির একজন ছাত্রই যথেষ্ঠ। সে কারণে তারে ফারায়েজ পড়তে বলছি। সেটা একজন পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রকে দিয়ে সম্ভব নয়।
আর একটা বিষয়- আমার ব্লগ কোন ক্যাচালের জায়গা নয়।

১৬| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:৪৮

সুপারডুপার বলেছেন: এই পোস্টে আপনার মন্তব্য আর আপনার ব্লগে আপনার সিভি দেখে বোঝা যায় : দেশে আপনার মতো অনেক বিশিষ্ট মেধাবী বিসিএস ক্যাডাররা দেশের জন্য কি অবদান রাখতে পারে !

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৭:১৩

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: এটা চাঁদগাজীর কত নম্বর নিক। সাংবাদিক ছিলাম। দেখানোর জন্য বিসিএস দিছিলাম। এই ব্লগে বহুবার বলেছি। আবার হয়ত সাংবাদিকতায় ফেরত যাবো। এজন্য লেখাপড়া করছি। ফেরত গিয়ে যদি সমালোচনা করি, তখন আমার সমালোচনা মানাবে। পারলে বেটা তুমি বিসিএস দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে তারপর বিসিএস ক্যাডারের সমালোচনা করো।
দেশের সবোর্চ্চ প্রতিষ্ঠানে পড়েছি। সাংবাদিকতায় একটা পর্যায়ে গেছি। তখন মেধাবি ছিলাম। সরকারি চাকরিতে এসেই মেধাশূন্য!

যাই হোক- এ ব্লগ ম্যানিপুলেশনের জায়গা না। এখানে পোস্টে যে বিষয়ের উপর ফোকাস করা হয়েছে- সেটা ছাড়া অন্য কোন বিষয় নিয়ে ছ্যাচড়ামি করার সুযোগ নেই।

১৭| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১:৫০

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: দেখুন আমি নিজেও খুব গানপ্রিয় মানুষ। প্রচুর গান শুনি... প্রচুর... কিন্তু গানকে হালাল করার কোন দুঃসাহস আমার নেই

গান হালাল যখন গানে অশ্লীলতা ও বাজনা থাকবেনা। গান হারাম যদি গানে অশ্লীলতা কিংবা বাজনা থাকে।। বিষয়টা খুব সহজ।

আপনারা কিছু লোক আছেন, ভন্ডামি করে বেড়ান শুধু। মাফ করবেন আমায় প্লিজ।।।

আপনি গানকে হালাল বানাতে গিয়ে কি রেফারেন্স টেনেছেন? সবব, শানে নুজুল কতটুকু এনেছেন?

নবীর দুফ এর কথা বলেছেন সেটাও শুধু মাত্র দুব বাজিয়েছেন সেইটাই। অথচ এর বিশ্লেষক আপনি জানেন না... ইউটিউবে সার্চ দিয়ে দেখে নিবেন বিজ্ঞ আলেমরা কি বলে। তারপর সেই অনুসারে নিজেই কুরান হাদিস নিয়ে ঘাটাঘাটি করে দেখুব যথার্ততা সম্পর্কে।

উপরের মন্তব্যে দেখলাম উদানীং গান বাজনা ধর্ম অধর্ন নিয়ে বেশি তর্ক বিতর্ক হচ্ছে। এর কারণ কি জানিনা অবশ্য।

আপনি একজনকে প্রতি উত্তরে বলেছেন-

"আপনি এক দেড়শো বছর আগের ইসলামে চলে যান, দেখবেন কোন সমস্যা নেই।"

হাহাহা... এই মন্তব্যটাই এই দেশের ধর্মান্ধতার পরিচয় বহন করে... গোঁড়ামির পরিচয় বহন করে...

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৭:১৮

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: আমাকে ভন্ড বলছেন কেন, সেমা বা বাজনা সহকারে সঙ্গীত তো যারা আপনার পূর্ব পুরুষকে মুসলমান বানিয়েছেন, তারাও চর্চা করেছেন। এদের একজন হযরত মাইনুদ্দীন চিশতি রা। যা বলার তাকে গিয়ে বলেন।
ভন্ড তো আপনি। নিজে গান শুনেন একদিকে। আবার বলেন, গান গারাম।
ইসলামের সমস্যা করেছে ওহাবীবাদ, মওদুদীবাদ ছাড়াও উগ্রপন্থী কিছু গ্রুপ। এদের উত্থান দেড়শো বছরের বেশি নয়। একারণেই মন্তব্যটি করা।

১৮| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৭:১৫

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: আমাদের নৈতিকতা ও মানসিকতার যে পরিমান অধঃপতন ঘটেছে তাতে গানবাজনা নিয়ে যুদ্ধ না করে সবার উচিত কিভাবে সবাইকে বেশি বেশি সৎ বা ভালো কাজ করতে উধ্বুদ্ব করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করা | কোরানে 'ঈমান' আনার পাশাপাশি সৎকর্ম করতে বলা হয়েছে অনেকবার | সেই হিসাবে ইসলামের প্রধান পাঁচটি স্তম্ভ পালনের পরপরই উচিত সবারই প্রচুর সৎ বা ভালো কাজ করা | মহানবী ( সা : ), ঈশা (আ : ) বা জেসাস সহ প্রতিটি ধর্ম ও তার প্রবর্তকরা ভালো কাজের আহবান করে গেছেন এবং নিজেরা উদাহরণ প্রদর্শন করেছেন, সুতরাং ভালো কাজের সংজ্ঞা খুঁজতে বিস্তর গবেষণার প্রয়োজন নেই |

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৭:৩০

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: ভালো বলেছেন। ভালো থাকবেন।

১৯| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৮:৫১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দারুন আলোচনা করেছেন।

এই সববের কথাই লালন সাঁই সহজে বলে গেছেন গানে

যে সমস্যা অনুসারে
ভিন্ন বিধা হতে পারে
লালন বলে তাই জানিলে, পাপ পূ্ন্যের আর নাই বালাই.....
পাপ পূন্যের কথা আমি কারে বা শুধাই....

জ্ঞান সবাই পায় না। লালন গুরুর ভাষায় কুতর্কের দোকান দেখি থরে থরে! হা হাহা
আপনার দারুন প্রতি মন্তব্যে মুগ্ধ।
পোষ্টে +++++++++++

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:১৪

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: অনেক ভালো বলেছেন। অনেক কৃতজ্ঞতা। ভালো থাকবেন।
শুভেচ্ছা নিরন্তর।

২০| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে আমার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:১১

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: ব্লগের কী অবস্থা! মন্তব্যগুলো পড়ে যান। আপনি তো ব্লগে সরব। মন্তব্যের নামে ব্যক্তি আক্রমন ছ্যাাচড়ামি, ফাতরামি করে যাচ্ছে কেউ কেউ। এরকম করলে ব্লগে লেখা আবার বন্ধ করে দিতে হবে।
তবে আপনার মতো কিছু ব্লগারের কারণে একটু হলেও ব্লগের পরিবেশটা ভালো আছে।
ধন্যবাদ আপনাকে।

২১| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:২৯

সুপারডুপার বলেছেন:


লেখক বলেছেন: এটা চাঁদগাজীর কত নম্বর নিক। সাংবাদিক ছিলাম। দেখানোর জন্য বিসিএস দিছিলাম। এই ব্লগে বহুবার বলেছি। আবার হয়ত সাংবাদিকতায় ফেরত যাবো। এজন্য লেখাপড়া করছি। ফেরত গিয়ে যদি সমালোচনা করি, তখন আমার সমালোচনা মানাবে। পারলে বেটা তুমি বিসিএস দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে তারপর বিসিএস ক্যাডারের সমালোচনা করো।
দেশের সবোর্চ্চ প্রতিষ্ঠানে পড়েছি। সাংবাদিকতায় একটা পর্যায়ে গেছি। তখন মেধাবি ছিলাম। সরকারি চাকরিতে এসেই মেধাশূন্য!

যাই হোক- এ ব্লগ ম্যানিপুলেশনের জায়গা না। এখানে পোস্টে যে বিষয়ের উপর ফোকাস করা হয়েছে- সেটা ছাড়া অন্য কোন বিষয় নিয়ে ছ্যাচড়ামি করার সুযোগ নেই।

==========================================================

লেখক আপনার তো অতি সুন্দর ব্যবহার। রাগে তুমি -তুই করেন। হা হা হা। বিদেশে এসেও শিখতে পারেন নি। এই জন্যই দেখি দেশে কর্মরত আপনার মত বিসিএস ক্যাডাররা বিদেশ থেকে ট্রেনিং নিয়ে দেশে যেয়েও কসাই হয় কিভাবে ! আপনি এটি পরিষ্কার করলেন।

চাঁদগাজী নিক। হা হা হা। একজন বিসিএস ক্যাডারের চিন্তা ভাবনা ! ব্লগ মডারেটর কে বলেন। মডারেটর ও আপনার চিন্তাভাবনা দেখে হাসবে।

আপনার অবস্থা ঠিক এই রকম যে " খালি কলসি বাজে বেশি "

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:০৯

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: বি এ রোমান হোয়াইল ইউ আর ইন রোম। মন্তব্যের নামে যেগুলো ছ্যাচড়ামো করে তাদের সাথে এটাই ঠিক ব্যবহার। এখানে আরো অনেকের মন্তব্য প্রতিমন্তব্য রয়েছে।
গল্পটা বলেছিলেন, মুসা ভাই। মরহুম সাংবাদিক এবিএম মূসা ভাই। তিনি তখন সাংবাদিক। তখন ষাটের দশক। নয়াবাজারের পত্রিকা অফিস থেকে রাত দুইটার দিকে ফিরেছিলেন। এময় পুলিশ তাদের থামালো। বললো, আপনারা কারা? তারা রীতিমতো অপমানবোধ করতে লাগলেন। বললেন, সাংবাদিক। পুলিশ বলে কথায় কীভাবে বুঝবো? কার্ড দেখান। তারা এতে ক্ষীপ্ত হয়ে রাগের সুরেই পুলিশের মুখের সামনে কার্ড ধরিয়ে বলেন, ভালো করে দেখেন। পুলিশ আর কী করবেন! বলেন, পথ সাবধানে চলবেন। একটু আগাতেই বংশালের গলি। এক পাল কুকুর পথ আটকে আছে। তাদের দেখেই ঘেউ ঘেউ করে তেড়ে এলো। এঅবস্থায় তারা পারছেননা পিছনে যেতে, না পারছেন সামনে যেতে। ওদিকে পুলিশ তখন তাদের তামাশা দেখছে। একজন পুলিশ ডাক দিয়ে বলছে, ভাই এবার কার্ড দেখান। পরে তারা পুলিশকে বলে, ভাই দুঃখিত। একটু যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেন। এতে পুলিশের একজন সদস্যের মন গলে। সে এগিয়ে এসে তার হাতের লাঠি কুকুর বাহিনীর উপর ছুড়ে মারে। কুকুরগুলো দৌড়ে পালায়।
এবার পুলিশ বলে, আপনারা তো পুলিশকে খারাপ লিখেন। দেখছেন, কার্ড সবাইকে দেখালে হয়না। কুত্তাগুলোর জন্য লাঠি দরকার।
আমি কুত্তাগুলোর জন্য সবসময় মুগুর নিয়ে বসে থাকি। এদেরকে ভদ্রতা দেখালে পথ ছাড়বেনা।

২২| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৪১

নূর আলম হিরণ বলেছেন: কোরআন বুজতে এত কিছু জানার প্রয়োজন নাই, আপনি শুধু রিভুলেশন অব অর্ডার আর তখনকার ভূরাজনীতি বুজার চেষ্টা করুন তাহলে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:১৫

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: এটা আপনার মতামত। আপনার মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলছি, এটা আমার মত না।
ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

২৩| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৩৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: বলতে দ্বিধা নেই, গান নিয়ে যতগুলো আলোচনা এ ব্লগে পড়েছি, তার মধ্যে আপনার এ আলোচনাটিই আমার কাছে সবচাইতে বেশি গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে। আমিও এমনটাই ভাবি। আমি যদি আল্লাহ-রাসূলের নাম বা তাদের গুণগান গানের মাধ্যমে প্রকাশ করি, কিংবা মানবহিতৈষী কোনো বার্তা বা আহবান গানে প্রকাশ করি, যা অশ্লীল নয়, তা হারাম হবে কেন? স্বয়ং 'গান'- এ বস্তুটা হারাম হতে পারে না, হারাম হবে গানের কন্টেন্ট। কোনটা হারাম, কোনটা হালাল, তার সীমারেখা নির্ধারণ করা আছে। গানের কন্টেন্ট হালালের সীমারেখা অতিক্রম করে হারামে পৌঁছে গেলে তা আর হালাল থাকার সুযোগ নেই। গান হারাম হলে হামদ, না'ত হারাম হবে। কিন্তু হামদ বা না'তকে কেউ হারাম বলছে বলে আমার জানা নেই। তবে, সুন্দরী গায়িকা সুন্দর অঙ্গভঙ্গিতে গান পরিবেশন করছেন- গানের কন্টেন্টে কোনো অশ্লীলতা নেই- এটা হালাল, নাকি হারাম তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এ সম্পর্কে আপনার মতামত কী? নারীর পর্দার বরখেলাপ, নারীর কণ্ঠ পরপুরুষের শোনার কারণে যদি এটা হারাম হয়, তবে এ গায়িকা হামদ বা না'ত পরিবেশন করলে সেটা কী হবে?

সর্বোপরি, আমি নিজেও গানের খুব ভক্ত। আমি জানি, যেসব গান শুনি তার ৯৯% ভাগ গানই হালাল নয় (যদি গান হালাল হওয়ার প্রশ্নটা সঠিক হয়), তবে আমি গান ছাড়তে পারছি না। অনেক সময় মনে হয়, গানই আমার জীবন। ব্যাপারটা হাস্যকর মনে হতে পারে, আমি বলে থাকি- মৃত্যুর পর অনন্তকাল আমি শুধু গানের মধ্যেই ডুবে থাকতে চাই।

ব্যাপারটা অপ্রাসঙ্গিকভাবে উঠে এসেছে হাসান ভাইয়ের কমেন্টে, কোরানে সম্পত্তি বণ্টনের ব্যাপারটা। এ নিয়ে ফেইসবুকে একবার ব্যাপক এক আলোচনা দেখেছিলাম। হিসাবটা না মেলার কারণ কী?





১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:২৬

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: তবে, সুন্দরী গায়িকা সুন্দর অঙ্গভঙ্গিতে গান পরিবেশন করছেন- গানের কন্টেন্টে কোনো অশ্লীলতা নেই- এটা হালাল, নাকি হারাম তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এ সম্পর্কে আপনার মতামত কী? নারীর পর্দার বরখেলাপ, নারীর কণ্ঠ পরপুরুষের শোনার কারণে যদি এটা হারাম হয়, তবে এ গায়িকা হামদ বা না'ত পরিবেশন করলে সেটা কী হবে?
-------আমি তো এ বিষয়ে মতামত দেইনি। আমি শুধু উল্লেখ করেছি, যে মাপকাঠি দিয়ে ইসলামের ফিকাহ শাস্ত্রে হালাল হারাম মাপা হয়। যাতে যে কেউ এ মাপকাঠি ব্যবহার করে নিজেই কিছুটা বুঝতে পারেন।

ব্যাপারটা অপ্রাসঙ্গিকভাবে উঠে এসেছে হাসান ভাইয়ের কমেন্টে, কোরানে সম্পত্তি বণ্টনের ব্যাপারটা। এ নিয়ে ফেইসবুকে একবার ব্যাপক এক আলোচনা দেখেছিলাম। হিসাবটা না মেলার কারণ কী?

----- হিসাব ঠিক আছে কোরআনে। ম্যানিপুলেশন করে এসব বের করা হয়। তারা দুইটা পৃথক আয়াতের বিষয়টা এনে এই হিসাবটা করছে। যে যে আয়াতের অঙ্ক সে আয়াতে করলেই আর কোন সমস্যা নেই। উক্ত দুই আয়াতে শর্তও ভিন্ন ভিন্ন। আপনি গুগলে ফারায়েজ নিয়ে বিভ্রান্তির নিরসন লিখে সার্চ দেন। বহু জবাব পাবেন।
হাতি ঘোড়া গেল তল, ছুচো বলে কত জল। আর এরা আসছে কোরআনের ভুল ধরতে।

ধন্যবাদ আপনাকে। শুভেচ্ছা নিরন্তর।

২৪| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৩৫

আল ইফরান বলেছেন: আপনার লেখায় যথেস্ট যুক্তি আছে। আমি সাধারণত এই ধরনের ডিসকোর্সগুলোতে অংশগ্রহন করি না।
আমি আইনের ছাত্র হলেও গবেষণার মেন্টরিং হয়েছে আপনাদের ডিপার্টমেন্টের ফিরোজ স্যারের হাতে। উনি আমাদের সবসময় একটা কথা বলেন যে কনটেক্সট ছাড়া টেক্সট বুঝা যায় না। আই হোপ আপনার লেখার মুল কথা এটাই। আমার বিদ্যা-শিক্ষার দৌড় খুব বেশি না, কিন্তু উপরের অনেকেই যেভাবে পবিত্র কুরআনের মানে করছেন, তাতে নিজেই আতংকিত অনুভব করছি।

ব্লগার চাদগাজীকে এভয়েড করতে পারেন কারন উনি কোন ধর্মের গ্রন্থেই বিশ্বাস করেন না। ধর্মের ব্যাপারে ওনার কাছে অহেতুক প্যাচানো ছাড়া আর কিছু প্রত্যাশা করা অন্যায়।
উনি রাজনীতি ভালো বুঝেন ও লিখেন তাতেই ব্লগের লাভ।

আর ব্লগার হাসান ভাইকে বলছি, আপবি যদি শরিয়ত মোতাবেক কন্যাকে সমান ভাগ দিতে চান তাহলে মূল সম্পত্তির ১/৩ এমনিতেই উইল করে দিতে পারেন (ওয়ারিশানদের অনুমিত প্রয়োজন নাই)। এছাড়া কন্টিনজেন্ট গিফট ডিড করার মাধ্যমে করা যাবে তাতে ধর্মীয় নিষেধ নাই। আর কুরআনের প্রভিশনকে পরিবর্তন করতে চাইলে চাইনিজ সরকারের সাথে যোগাযোগ করে দেখতে পারেন, তারা ইতিমধ্যে এই প্রকল্প হাতে নিয়েছে

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:২৯

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। এই নাস্তিকগুলো কেন আমার উপর মারমুখী হলো ভাবার বিষয় বটে। অনেক দিন ব্লগে ছিলাম না। এসে এসব কীট পতঙ্গ'র সাথে দেখা হলো।
আপনি ভালো থাকবেন।
শুভেচ্ছা নিরন্তর।

২৫| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:০০

সুপারডুপার বলেছেন:



লেখক বলেছেন: বি এ রোমান হোয়াইল ...... (গল্প )............. আমি কুত্তাগুলোর জন্য সবসময় মুগুর নিয়ে বসে থাকি। এদেরকে ভদ্রতা দেখালে পথ ছাড়বেনা।
==============================================================
- গল্পটি আপনার সাথে মিল খায় বলেই , গল্পটি টেনে এনেছেন; ব্লগে আপনার আচরণও তাই বলে। দেখেন, মুগুরটা যেন আবার আপনারই মাথায় না লাগে ! আশাকরি ব্লগাররা সবাই আপনার কাছে থেকে নিরাপদেই থাকবেন। কারণ, ঘেউ ঘেউ করা কুকুর কদাচিৎ কামড়ায়।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:১১

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: পথ তো ছাড়েন নাই। কুত্তাও লজ্জ্বা পাবে আপনার ব্যবহারে। ব্লগে আগে একসময় গদাম চালু ছিল। আমি মুগুরের কথঅ বলছি। এবার সাথে গদামও লাগবে মনে হয়।
শুনেন ব্লগে ছ্যাচড়ামি ছাড়েন। ব্যক্তি আক্রমণ না করে ভালো আচরণ করেন। দেখবেন ভালো ব্যবহার পাবেন। আরেকটা বিষয়- বিসিএস মনে হয় আপনার চৌদ্দ গুষ্ঠিতে নেই। এ কারণেই বিসিএস এর প্রতি আপনার মর্মজ্বালা।
চিন্তা করবেন না, কোটা উঠে গেছে। আত্মীয় স্বজনকে ভালো করে পড়তে বলেন। আজকাল প্রতিযোগিতা আরো বেড়েছে।

২৬| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৩৯

আল ইফরান বলেছেন: ব্লগে আস্তিক-নাস্তিক-অজ্ঞেয়বাদী সবাই মিলে আমাদের ভালোবাসার ব্লগ আর ওনারা বয়সে আমাদের বড়।
আশা করবো আপনিও সংযম ও সহনশীলতার পরিচয় দিবেন। যে কঠিন ভাষায় আপনি প্রতিউত্তর দিচ্ছেন তাতে এই ফোরামের পরিবেশ দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন, হ্যাপি ব্লগিং।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৫০

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: যারা এখানে ঝামেলা করতে আসছে- ব্লগার হিসেবে আমি তাদের সিনিয়র। দশ বছরের সাংবাদিকতায় যত শব্দ লিখেছি, তত মুড়িও তারা খায়নি জীবনে। দুই চার লাইন লিখতে পেরেই মনে করে কী যেন হয়ে গেছি। তারপর কোরআনের সমালোচনা, সাথে ব্যক্তি আক্রমণ। দেখলাম একজনের কমেন্ট ডিলিটও করা হয়েছে- মডারেটরের পক্ষ থেকে।

যাই হোক- ব্লগে আর পোস্ট করবো কী না ভাবতে হবে।

ভালো থাকবেন।

২৭| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:২০

সুপারডুপার বলেছেন:




লেখক বলেছেন: পথ তো ছাড়েন নাই। কুত্তাও লজ্জ্বা পাবে আপনার ব্যবহারে। ব্লগে আগে একসময় গদাম চালু ছিল। আমি মুগুরের কথঅ বলছি। এবার সাথে গদামও লাগবে মনে হয়।
শুনেন ব্লগে ছ্যাচড়ামি ছাড়েন। ব্যক্তি আক্রমণ না করে ভালো আচরণ করেন। দেখবেন ভালো ব্যবহার পাবেন। আরেকটা বিষয়- বিসিএস মনে হয় আপনার চৌদ্দ গুষ্ঠিতে নেই। এ কারণেই বিসিএস এর প্রতি আপনার মর্মজ্বালা।

=======================================================================
- অন্য মন্তব্যে লজিকে হেরে গিয়ে আপনি অত্যন্ত আপসেট। ফলে আপনার মাথা গরম হয়েছে। তাই আমার মন্তব্যে উত্তর না দিতে পেরে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে আপনি তো নিজেই ব্যক্তি আক্রমণ শুরু করেছেন। যা মনে আসছে, তাই বলছেন। হা হা হা। অনেক বিনোদন। ফ্যামিলিতে ও ফ্যামিলির বাহিরে অনেক বিসিএস ক্যাডার হলুদ সাংবাদিকের আচরণ খুব কাছে থেকে দেখেছি। তাদের কিছু জনের অভদ্রতা, খারাপ আচরণ আর আপনার আচরণের মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই। ব্লগে তো আপনি এসেছেন-ই সিভি দেখিয়ে নিজেকে অনেক বড় মানের খান্দানি মানুষ প্রমানের। কিন্তু এখন আপনার অভদ্র আচরণে হিতে বিপরীত হয়েছে। গদাম মুগুর ইত্যাদি কার উপর দিয়ে যাচ্ছে, আপনি নিজেই বুজতেছেন।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৪৮

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: আপনার সাথে আলোচনা করার সময় আমার নাই। আমার সাথে কথা বলার কোয়ালিটিও আপনার নাই। কোথায় কী প্রশ্ন করতে হয়, সেটাই জানোনা। শীতকাল নিয়ে আলোচনায় গ্রীষ্মকালের প্রশ্ন।
আর সাংবাদিকতা আমল থেকে এ ব্লগ লিখছি। যেটা সিভি আছে- সেটা অন্য একটা পোর্টালের লেখক হিসেবে একজন বিখ্যাত সাংবাদিকের লেখা। সেকারণেই তার লেখাটা এখানে রেখে দিয়েছি। সাথে আমি কিছু যোগ করেছি।

মানুষের এক কান কাটা থাকলে নাকি রাস্তার এক পাশ দিয়ে হাটে। আর দু'কান কাটা থাকলে রাস্তার মাঝখান দিয়ে।
দুই কানকাটা মানুষ যে পেছনে লাগবে বুঝতে পারিনি।

জাস্ট ইগনোরড।

২৮| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: ব্লগের কী অবস্থা! মন্তব্যগুলো পড়ে যান। আপনি তো ব্লগে সরব। মন্তব্যের নামে ব্যক্তি আক্রমন ছ্যাাচড়ামি, ফাতরামি করে যাচ্ছে কেউ কেউ। এরকম করলে ব্লগে লেখা আবার বন্ধ করে দিতে হবে।
তবে আপনার মতো কিছু ব্লগারের কারণে একটু হলেও ব্লগের পরিবেশটা ভালো আছে।
ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনি বলার আগেই সবার মন্তব্য গুলো পড়েছি।
কিছু দুষ্টলোক সব জাগায় থাকে। মক্কা মদীনায়ও আছে।
তবে ব্লগে ইদানিং বেশ কয়েকটা বদ লোক এসে হাজির হয়েছে। আশা করি কাভা ভাই ব্যবস্থা নিবেন।

২৯| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৬

শরীফ আজিম বলেছেন: বাহ! অনেক ভালো লিখেছেন।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:০৭

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: ধন্যবাদ। কৃতজ্ঞতা। শুভেচ্ছা নিরন্তর।

৩০| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪০

সুপারডুপার বলেছেন: রাজীব নুর বলেছেন: তবে ব্লগে ইদানিং বেশ কয়েকটা বদ লোক এসে হাজির হয়েছে। আশা করি কাভা ভাই ব্যবস্থা নিবেন।
========================
কাভা ভাই নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে চিন্তা করেন। উনার চিন্তা ভাবনা যথেষ্ট আপডেটেড। যে কেউ-ই নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেখলে মন্তব্যের প্রতিমন্তব্যে লেখকের সমস্যায় / ব্যক্তি আক্রমণ প্রকটভাবে চোখে পড়বে; যা লেখক নিজেই শুরু করেছেন

যাই হোক, লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো আমার কাজ না। লেখকের সিভি নিয়ে লেখকের অনেক অহংকার। আর অহংকার পতনের মূল।

ভালো থাকবেন। শরীরের যত্ন নিবেন।

৩১| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪১

চাঁদগাজী বলেছেন:


দেখছি, হতাশ হয়ে গেছেন, আর লিখবেন কিনা! আসলে, আপনার পোষ্টগুলো মোটামুটি গার্বেজ টাইপের।

৩২| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:২৪

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: দেখছি, হতাশ হয়ে গেছেন, আর লিখবেন কিনা! আসলে, আপনার পোষ্টগুলো মোটামুটি গার্বেজ টাইপের।
=================================================================
দেখছি, হতাশ হয়ে গেছেন, আর লিখবেন কিনা! আসলে, আপনার পোষ্টগুলো মোটামুটি গার্বেজ টাইপের।
=================================================================

উপরের এই কমেন্টটা কার! কত বড় ফালতু রুচিহীন মানুষ মানুষ হলে ধর্ষণের শিকার একটা মেয়েকে নিয়ে এমন কমেন্ট করতে পারে। ঘৃণা প্রকাশের জন্যও একটা স্থান লাগে। ঘৃনারও অযোগ্য। এ কমেন্ট দিয়ে মেয়েটাকে আরেকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। এরে তো নিয়ে টিএসসির সামনে ছাত্রদের হাতে ছেড়ে দেয়া দরকার।
আমার ধারণা চাঁদগাজী নিকটার আড়ালে আগের সুপরিচিত একটা নাস্তিক কাজ করছে। যার কারণে সামহোয়ার ইন ব্লগ বিপদে পড়েছিল। নয়তো কোরআনকে এডিটেড বলতে সাহস পায় কীভাবে? এতবড় স্পর্ধা এ ব্যক্তিকে কে দিয়েছে।
ব্লগ কর্তৃপক্ষকে বলবো, এই চাঁদাগাজীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। আপনার হয়ত তার কমেন্ট ডিলিট করেছেন। কিন্তু ওই কমেন্টের স্ক্রীন শট যদি সোসাল মিডিয়াতে প্রকাশ হয় আপনারা আবার বিপদে পড়বেন।

৩৩| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৪১

রানার ব্লগ বলেছেন: জবাবটা সিম্পল। ইমামরাই দাবি করেন, “মোহাম্মদী ইসলাম একটি ফিৎরাতি (অর্থাৎ প্রাকৃতিক) ধর্ম”। সংগীত মানুষের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য। সেজন্যই প্রতিটি দেশ জাতি সভ্যতার ব্যতিক্রমহীন অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ সংগীত। যখন মানুষের ভাষা ছিল না, কাপড় ছিল না, তখনও মানুষ বিভিন্ন উচ্চারণে গান গেয়েছে, অতীত সভ্যতার গুহার দেয়ালে সেসব চিত্র আজও উৎকীর্ণ। এবং সেজন্যই সৌদি, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, আমিরাত, জর্দান, সিরিয়া, মিসর, ইরাক, প্যালেস্টাইন, ইয়েমেনসহ প্রতিটি মুসলিম দেশ ও প্রতিটি দেশের জাতীয় সংগীত আছে।

অসুখ নিয়ে ডাক্তারদের মধ্যে মতভেদ হলে রোগীর যে করুণ দশা সংগীত নিয়ে আমাদেরও তাই। বিভিন্ন আলেম বিভিন্ন মতামত দিচ্ছেন, জনগণের কে কার মতামত মানবেন সেটা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে আমরা মানছি ‘দুনিয়ার সর্বোচ্চ প্রভাবশালী ইসলামী বিশেষজ্ঞ’দের মতামত, আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাণ্ড মুফতি (১৯৮২ – ১৯৯৬) শেখ জাদ আল হক এবং ডক্টর ইউসুফ কারযাভীর মত।

ইউসুফ কারযাভী তার প্রজ্ঞার জন্য সুপ্রসিদ্ধ। তার পরিচয় দেখুন-

১. বিশ্বের সর্ববৃহৎ অন লাইন ফতোয়া-সংগঠন “ইউরোপিয়ান কাউন্সিল অব ফতোয়া অ্যান্ড রিসার্চ”-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট,

২. আন্তর্জাতিক সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুড-এর উপদেষ্টা ছিলেন,

৩. আন্তর্জাতিক আলেম-সংগঠন “ইন্টারন্যাশন্যাল ইউনিয়ন অব মুসলিম স্কলার্স”-এর চেয়ারম্যান ছিলেন,

৪. বিশ্বময় “ইসলামী ব্যাঙ্কিং” এর প্রভাবশালী আলেম,

৫. কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান,

৬. “মুসলিম-বিশ্বের নোবেল” নামে বিখ্যাত “বাদশাহ ফয়সাল পুরস্কার” পদক পান,

৭. “ব্যাংক ফয়সল” পুরস্কার লাভ করেন।

৮. ব্রুনাই সরকার তাকে “হাসান বাকলি” পুরস্কার প্রদান করে।

মুসলিম বিশ্বের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের (প্রয়াত) গ্র্যান্ড মুফতি (১৯৮২ – ১৯৯৬) শেখ জাদ আল হক (বিস্তারিতের জন্য সার্চ করুন “Al Azhar university – music in Islam, দি ইসলামিক টেক্সট ইনস্টিটিউট) এর মতে- “অনৈতিক ও গুনাহ-এর কর্মকাণ্ডের সহিত যুক্ত না হইলে, কিংবা সেই বাহানায় মানুষকে হারামের দিকে না টানিলে, কিংবা মানুষকে ফরজ ইবাদত (আল ওয়াজিবাত) হইতে সরাইয়া (বা ভুলাইয়া) না দিলে সংগীত শোনা, সংগীত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা, এবং বাদ্যযন্ত্র বৈধ”।

ডক্টর কারযাভীও একই কথা বলেছেন- “কাজী আবুবকর ইবনুল আরাবী বলিয়াছেন ‘গান হারাম হওয়া পর্যায়ে একটি হাদিসও সহীহ নহে’। ইবনে হাজম বলিয়াছেন – ‘এ পর্যায়ের সকল বর্ণনাই বাতিল ও মনগড়া রচিত’… এ পর্যায়ে বর্ণিত নিষেধমূলক হাদিসগুলি সমালোচনার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত ….বহুসংখ্যক সাহাবী ও তাবেয়ীন গান শুনিয়াছেন,… যে গানের সাথে মদ্যপান, ফষ্টিনষ্টি ও চরিত্রহীনতার মতো কোনো হারাম জিনিসের সংমিশ্রণ হয় সেই গান হারাম… রাসূলে করীম (স) বলিয়াছেন- ‘কার্যাবলীর ভালোমন্দ নির্ভর করে তাহার নিয়তের ওপর।’ কাজেই যেই লোক এই নিয়তে গান শুনিল যে তাহার দ্বারা গুনাহের কাজে উৎসাহ পাওয়া যাইবে তাহা হইলে সে ফাসিক। পক্ষান্তরে যেই লোক স্বভাব মেজাজের সুস্থতা লাভের উদ্দেশ্যে শুনিল, আল্লাহর আনুগত্য কাজে শক্তি সাহস পাওয়ার এবং ভালো ও সৎকাজে আগ্রহ ও উৎসাহ বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে শুনিল, তাহার এই কাজ নিশ্চয়ই অন্যায় বা বাতিল নহে। আর যেই ব্যক্তি না আল্লাহনুগত্যের নিয়তে শুনিল না নাফরমানি নিয়তে, তার এই কাজ নিষ্ফল কাজের পর্যায়ে গণ্য।” (ইসলামে হালাল হারামের বিধান- পৃষ্ঠা ৪০৬ – ৪১১)

এবারে কোরান।

সংগীতের আরবী হচ্ছে “মুসিকি”, সারা কোরানে ওই “মুসিকি” শব্দটাই নেই। কোরান কোথাও সংগীতকে নিষিদ্ধ করেনি অথচ “সঙ্গীত হারাম” দাবি করা হয় কোরানের দুটো আয়াত দিয়ে-

(১) সুরা লোকমান ৬ নম্বর আয়াত− “একশ্রেণির লোক আছে যারা মানুষকে আল্লাহর পথ হইতে গোমরাহ করার উদ্দেশ্যে অবান্তর কথাবার্তা সংগ্রহ করে,

এবং

(২) বনি ইসরাইল ৬৪ নম্বর আয়াত (আল্লাহ শয়তানকে বলছেন) −“তুই তাদের মধ্য থেকে যাকে পারিস স্বীয় আওয়াজ দ্বারা, অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনী নিয়ে সত্যচ্যুত করে তাদেরকে আক্রমণ কর।”

সঙ্গীত-বিরোধীরা বলেন সুরা লোকমান ৬-এর ‘অবান্তর কথাবার্তা-ই নাকি ‘সঙ্গীত’ (মওলানা মুহিউদ্দিনের কোরানের অনুবাদ, পৃঃ ৭৮৩ ও ১০৫৩-৫৪)। কি হাস্যকর! আম জিনিসটা আম-ই। জামও নয়, কাঁঠালও নয়। ‘অবান্তর কথাবার্তা’ অবান্তর কথাবার্তাই, অন্যকিছু নয়। একই খেলা করা হয়েছে বনি ইসরাইলের ৬৪ নম্বর আয়াত নিয়েও। আয়াতটা হলো, মানুষকে পথভ্রষ্ট করার ব্যাপারে আল্লাহ শয়তানকে অনুমতি দিচ্ছেন: “তুই সত্যচ্যুত করে তাদের মধ্য থেকে যাকে পারিস স্বীয় আওয়াজ দ্বারা, স্বীয় অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনী নিয়ে তাদেরকে আক্রমণ কর”। অথচ এর অনুবাদ করা হয়েছে: “তুই তোর…রাগ-রাগিনী গান-বাজনা ও বাদ্যবাজনা দ্বারা …।”

সংগীত-বিরোধী হাদিসগুলো ভিত্তিহীন তা আমরা বিশ্ববরেণ্য ইসলামী স্কলারদের কাছ থেকে শুনলাম। সংগীতের পক্ষে অজস্র হাদিস আছে, লম্বা হয়ে যাবে বলে উদ্ধৃতি দিচ্ছিনা। এবারে চলুন আরো কিছু দলিল দেখা যাক।

১. অখণ্ড ভারতের সর্বোচ্চ ইসলামি নেতাদের অন্যতম, ভারতীয় কংগ্রেসের দুইবারের সভাপতি, কলকাতার ঈদের নামাজ পড়ানোর পেশ ইমাম মওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন: “পয়গম্বর দাউদ (আঃ)-এর কণ্ঠস্বর অত্যন্ত মিষ্টি ছিল। তিনি সর্বপ্রথম হিব্রু সংগীতের সংকলন করেন ও মিশরের ও ব্যাবিলনের গাছ হইতে উচ্চমানের বাদ্যযন্ত্র উদ্ভাবনা করেন”। (তর্জুমান আল্ কুরান, ২য় খণ্ড পৃঃ ৪৮০।)

২. “হজরত ওমর(রঃ)-এর আবাদকৃত শহরের মধ্যে দ্বিতীয় হইল বসরা। আরবি ব্যাকরণ, আরূয শাস্ত্র এবং সংগীতশাস্ত্র এই শহরেরই অবদান” (বিখ্যাত কেতাব ‘আশারা মোবাশশারা’, মওলানা গরীবুল্লাহ ইসলামাবাদী, ফাজেল-এ দেওবন্দ, পৃষ্ঠা ১০৬।)

৩. ইমাম গাজ্জালী: “নবী করিম (সাঃ) হযরত আবু মুসা আশআরী (রাঃ) সম্পর্কে বলিয়াছেন − তাঁহাকে হযরত দাউদ (আঃ) এর সংগীতের অংশ প্রদান করা হইয়াছে।” (মুরশিদে আমিন, পৃষ্ঠা ১৭০ − এমদাদিয়া লাইব্রেরি)

এরকম অজস্র দলিল আছে। ‘অশ্লীল আদেশ শয়তান দেয়’ (সুরা নূর ২১)। কাজেই সংগীতসহ শ্লীল কোনোকিছু হারাম হবার প্রশ্নই ওঠেনা। গানের কুৎসিৎ কথা, কুৎসিৎ অঙ্গভঙ্গি বা গানের অতিরিক্ত নেশায় জীবনের ক্ষতি ইত্যাদির সীমা টানেননি ধর্মান্ধরা, পুরো সংগীতকেই ঢালাওভাবে বাতিল করেছেন। করে লাভ কিছুই হয়নি বরং সংগীত আজ সুবিশাল বিশ্ব-ইন্ডাস্ট্রি। দুনিয়ায় কোটি কোটি সংগীতপ্রেমী পরিবার পালছেন, বাচ্চাদের বড় করছেন, প্রতিভার বিকাশ ঘটাচ্ছেন। সংগীত হলো আমাদের সসীম জীবনে এক টুকরো অসীমের ছোঁয়া। চারদিকের আকাশবাতাস সাগর-পর্বত গ্রহ-নক্ষত্র, এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড এক বিপুল সুরস্রষ্টার মহাসংগীত। তাই, গান শুনুন এবং বাচ্চাদের গান শোনান। গান করুন এবং বাচ্চাদের গান শেখান। গান যে ভালবাসে না, সে মানুষ খুন করতে পারে। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ হারাম নয়। ‘আমি বাংলার গান গাই’, ‘বাড়ির পাশে আরশিনগর’, ‘কান্দে হাছন রাজার মন ময়না’, মায়েদের মধুকণ্ঠে ‘আয় আয় চাঁদমামা টিপ দিয়ে যা, চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা’ হারাম হবার প্রশ্নই ওঠেনা। শ্লীল সংগীত ইসলামে হারাম নয়।

‘কোনো কিছু নিয়ে বাড়াবাড়ি করা ইসলামে নিষিদ্ধ’ (মায়েদা ৭৭, নিসা ১৭১ ও বিদায় হজ্বের ভাষণ)। সঙ্গীত হারাম মনে করলে শুনবেন না, অসুবিধে কী। কিন্তু যারা সংগীত ভালোবাসেন, সংগীতের পক্ষের বিশ্ববরেণ্য ইসলামী স্কলারদের কথা বিশ্বাস করেন, তাদেরকে আঘাত করাই সেই ইসলাম-বিরোধী বাড়াবাড়ি

৩৪| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৬

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: দুঃখিত আবারো জনাব। আপনার লিখাটা দেখুন। আর উপরে 'রানার ব্লগ'র মন্তব্যটা দেখুন। দুজনের লেখার বিষয়বস্তু এক। কিন্তু আপনারটাতে স্পষ্ট কোন দলিল ছিল না।

আর উপরে মন্তব্যে কুরানের আয়াত সহকারে, আয়াতের ব্যাখ্যা সহ.....


আপনি যদি এভাবে পোস্টটা করতেন তাহলে বিষয়টা আমি মেনে না নিলেও প্রিয়তে ঠিকই রাখতাম। এখনো রাখছি, শুধু রানার ব্লগ ভাইয়ের মন্তব্যের জন্যে।

ভাববেন না, দুজনের লেখা তুলনা করে আপনার ছোট করার চেষ্টা করছি। শুধু বুঝাতে চেয়েছি আপনার লেখায় বিশ্লেষণ, গবেষণার ছাপ নেই(যদি করে থাকেনও)।

আর এই বিষয়ে রেফারেন্স না থাকলে যত বড় যুক্তিই দেখান না কেন সেটা মেনে নিব না। ধরে নিব ভন্ডামি। মাফ করবেন।

ভালো থাকবেন।

৩৫| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:০১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনার পোস্টে কিছু ভুল তথ্য আছে

উসলুল শাসি ইসলামের প্রথম যুগের বই বলে উল্লেখ করেছেন কিন্তু এই বইয়ের লেখক ইমাম নিজাম আশ শাসী যিনি কিনা মারা যান ৯৫৫ সালে। এই বইটি ফিকহ শাস্ত্রের ওপর লেখা এবং এটা শুধুমাত্র ভারত উপমহাদেশে সমাদৃত। আরবের সুন্নী মাজহাবের ইউনিভার্সিটি এবং প্রতিষ্ঠানসমূহ এই বইটি অনুসরন করেন না

কারন হিসেবে বলা যায় আলী পরবর্তী হানাফী ট্রাডিশনের বেশ কিছু উপধারার সৃস্টি হয় যার একটা হলো মদিনা ভিত্তিক আরেকটা হলো ইরাক-তুর্কি ভিত্তিক। ইতিহাস পড়লে এ নিতে বিস্তর বিতর্ক হয়েছিলো ততসময়কার আলেমদের মধ্যে এই বিষয়ে যে মদিনাভিত্তিক সবাই কোরান ও সহী হাদিসের ওপর জোর দিয়েছেন কিন্তু তুর্কির তৎকালীন সুলতানেরা ইসলামিক জুরিভিত্তিক সন্তের সাথে মিল রেখে যুগোপযোগী করার চেস্টা করেছেন। নিজাম সাহেবের এই বইটি উপমহাদেশে ডাকাত খিলজির ডাকাতীর পর যখন সুফীদের আবির্ভাব ঘটে তখন এটাকেই গ্রহন করে কারন এটা বেশ ফ্লেক্সিবল। কিন্তু যারা কোরান-হাদিস ভিত্তিক ইসলামের ওপর ভিত্তি করে ইজমা কিয়াস ও ফিকহ চর্চা করেন তাদের কাছে এটা ভ্রান্ত আকীদার সামিল। এর সবচে বড় বিতর্কাকিক উদাহরণ দেখা যায় ঘাদিরে খুমে নবীর ভাষন অথবা তদপরবর্তী ঈদে মুবাহিলা সহ বিভিন্ন বিষয়ে নবী মোহাম্মদ যখন নব্যুয়তের দাবী তুলে নিজেই কন্ট্রাডিক্টরী ডিসিশন দেন।

এজন্য সুন্নীরা আহাদীস জেনেও হুরায়রা-মুয়াবিয়া পার্টিকে সম্মান করে, আয়েশার হত্যা নিয়ে কথা উঠলে চুপ হয়ে যায়, আরবের শরীয়া আইনের সাথে পূর্ব-দক্ষিন মুসলিম দেশগুলোর শরীয়ার মিল নেই ইত্যাদি।

এছাড়া আপনি সঙ্গিতকে যে সবাবের পর্যায়ে ফেলছেন উপমহাদেশের আলেমরা এটাকে মুতরিব ঘিমা ও লাহোর পর্যায়ে ফেলছেন। মুতরিব ঘিমা লাহো তে যে ডেফিনিশন দেয়া আছে সেটা জানলে আপনার সবাবের কোনো প্রয়োজন পড়ে না।

সে হিসেবে পোস্ট টা এমনিতেই বাতিল হয়ে যায়

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.