নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অনিকেত চট্টোপাধ্যায় এর ব্লগ

বেশী কিছু লিখার নেই..কারণ বেশী কিছু জানাও নেই।।

অনিকেত চট্টোপাধ্যায়

অকাজের কাজি...কিছু কাজের হাজি পেশাগত জীবনে..সামাজিক গবেষক, সমালোচক এবং অনিয়মিত লেখক।

অনিকেত চট্টোপাধ্যায় › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রেক্ষিত: শাহাবাগ স্কয়ারে তারুণ্যের সমুদ্র গর্জন এবং বিশেষ বিভ্রান্তির হুশিয়ারি

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৪২

ঢাকার শাহবাগে প্রজন্মের ডাকে যে গণসমাবেশ আমরা প্রত্যক্ষ করছি তা সত্যিই অভাবনীয়। টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া সর্বত্র আজ একটি শাহবাগ স্কোয়ার। আমি বিশ্বাস করি গণ মানুষের জয় হবেই।



অনেকেই আছেন যারা আমাদের আন্দোলনকে (আন্দোলনকারী তরুণ, জনমানুষ, পেশাজীবীদের) "তাহরির স্কয়ারের" বা আরব বসন্তের সাথে তুলনা করছেন।

ব্লগার এন্ড অনলাইন এক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক’ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে যে আন্দোলনের সূচনা করেছিল, তাতে সংহতি প্রকাশ করে বাম দল ও তাদের ছাত্র সংগঠনগুলো, বাসদ, সিপিবি, উদীচীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং পরে যোগ দেয় ছাত্রলীগও। সব শ্রেণী পেশার মানুষও সংহতি প্রকাশ এ কর্মসূচীকে পরিণত করছে গণ-অবরোধে।



আমার আশংকা যে এই উদযোগকে যারা রুপদান করেছেন, এই আন্দোলনের চরিত্র, প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য যে "তাহরির স্কয়ারের" বা আরব বসন্তের চেয়ে ভিন্ন –সেটা আমার চেয়ে তারা ভালো বোঝেন। কিন্তু বিষাক্ত পতঙ্গের অনুপ্রবেশ যে এখানেও ঘটবে না তার নিশ্চয়তা কোথায়? রাজনৈতিক দলগুলোর অনুপ্রবেশ, আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন এর ভেতরে যে কোন নীল নকশা নেই, সে ব্যাপারে আমরা কতটুকু সন্দিহান? আমাদের এই জনদাবী, প্রতিবাদ "সরকার সমর্থিত হরতালের" মত যে নয় সে ব্যাপারেও কি আমরা নিশ্চিত? মনে রাখা ভাল, সমর্থিত হরতালে আদর সোহাগ পেলেও, সরকারবিরোধী ইস্যুতে আন্দোলনের ফলে যে চোখে লঙ্কা বেটে দেয়া এবং পশ্চাদ্দেশে লাঠির বাড়ি ছাড়া আর কিছু জোটে না, সেকথা সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা স্মরণ করলেই হবে। এটা মনে রাখা আরও ভাল যে, তাহরীর স্কয়ারের বিক্ষোভ কিন্তু "সরকার সমর্থিত আন্দোলন" ছিল না...ছিল শক্ত খুটি গেড়ে বসা...প্রবল ক্ষমতাশীল স্বৈরশাসন যন্ত্রর উৎখাতের বিরুদ্ধে। আমাদের এই আন্দোলন কে সংগ্রামের মর্যাদা দান করার জন্য এখনও যে অনেকটা পথ বাকী আছে, সেই বিচক্ষণতা এখন আমাদের কাম্য।



নিজের কাছেই তবু প্রশ্ন থেকে যায়, যে এই বিক্ষোভের কারণে পরবর্তী রায় কি প্রভাবিত হবে? এই জমায়েত যদি শুক্রবার মহাসমাবেশ করে গণজাগরণের ইতি টানতে চায়, তারপর সরকার কি করবে? আবার রাজনৈতিক বিভাজন, মতানৈক্য যদি প্রকট হয় তাহলে তো আন্দোলনের ধার কমে যাবে। এটা নিয়ে কি বিভক্ত হয়ে যাবে বিক্ষোভ? নাকি সপ্তাহ শেষে সৌখিন আন্দোলনকারীরা যার যার কাজে ব্যস্ত হয়ে যাবে, অবশিষ্ট থেকে যাবে মুষ্ঠিমেয় কয়েকজন, যারা দুর্বল হলেও, সবসময়ই রাজপথ দাপিয়ে বেড়ায় দেশের স্বার্থরক্ষায়?



এটা সত্যি যে আন্দোলনকারীদের উচিত এখনি রাশ টেনে ধরা, কারণ এই আন্দোলনের ভেতরে বিভিন্নমুখী প্রবণতার ক্রমশ দৃশমান হচ্ছে। গণমানুষের এই আন্দোলনকে পুঁজি করার চেষ্টা অ:স্পষ্ট হলেও যে ধীরে ধীরে হচ্ছে তা জানানোর জন্য ভেতর থেকে একটা তাগিদ অনূভব করেই কথাগুলো বলা। (Click This Link)। আমাদের প্রতিবাদের অগ্নি শিখা শাসকের কাছে, আর রাজাকারদের কাছে যেন "অগ্নি উপাসনা" হিসেবে যেন পরিগণিত না হয়, সে দ্বায়িত্ব কার আপনারাই বলুন।



জন দাবীর চেয়ে ক্ষমতাশীল কোন অস্ত্র এ পৃথিবীতে নেই...এ যেমন সত্য....তেমনি সরকার যে কালকেই মোল্লা সহ সব রাজাকার এর শাস্তি বিধান করতে পারবে এটাও অনিশ্চিত...কারণ এটা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার...কিন্তু সুস্পষ্ট নেতৃত্ববিহীন আশার আলো কতদিন জিইয়ে থাকবে..এটা নিয়ে আমাদের এখনই ভাবা উচিত। "যুদ্ধপরাধীদের বিচার" কি কারও সোনার ডিম পাড়া হাঁস হয়ে থাকবে না আমাদের ধমনীতে বয়ে চলা লাখো শহীদের রক্তের সমুদ্র গর্জন হবে সেটা ঠিক করতে হবে

আমাদেরকেই...



বেঁচে থাক তারুণ্য.. নিপাত যাক যত রাজাকার তারুণ্যের রোষানলে !

আমাদের বিপ্লব হোক চিরজীবি !!

মন্তব্য ১৩ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৫৪

শামা বলেছেন: বেঁচে থাক তারুণ্য.. নিপাত যাক যত রাজাকার তারুণ্যের রোষানলে !
আমাদের বিপ্লব হোক চিরজীবি !!


নানা ঝামেলা আসবেই, তবে এই ২ দিনে যা হয়েছে সেটাও বা কম কিসে??

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৫৯

অনিকেত চট্টোপাধ্যায় বলেছেন: ঝামেলা আছে বলে তো তারুণ্য দূর্জয়...তবে তারুণ্যের শক্তি কেউ অবহেলা করলে তার ফলাফল কি হতে পারে ....সেটা তো আমরা বাববার দেখিয়েছি...

বুকে হাত রেখে বলুন....প্রবল বিশ্বাস নিয়ে বলুন...

জয় তারুণ্য।

২| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:০৪

সমকালের গান বলেছেন: সহমত। রাজনৈতিক দল গুলোকে এই আন্দোলনে সাথে চাই, কিন্তু তারা যেন অন্য কোন এই আন্দোলনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে না পারে, সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।


রাজাকারদের ফাসিঁ চাই।

এর কোন বিকল্প নাই।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:২০

অনিকেত চট্টোপাধ্যায় বলেছেন: ধন্যবাদ আর সহমত ও সমর্থনের জন্য সমকালের গান।

দাবি আদায়ের সংগ্রামে আমাদের ঘাম ঝরুক..পুলিশ আমাদের দিক লঙ্কা গুড়ো আর পশ্চাদ্দেশে লাঠির বাড়ি..তবেই না আসবে

অগ্নিঝরা ১৩'র দিনগুলি

মা কে কলঙ্কমুক্ত করার যে লড়াই শুরু হয়েছে তাতে আমাদের শপথের দৃপ্ততা আরও তীব্র হোক প্রতি মূহূর্তে....

৩| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:২৬

মহা ব্লগার বলেছেন: আসুন সকল অপরাজনীতি বর্জিত তরুণদের একটি রাজনীতি গড়ে তুলি। শাহবাগ কে করে তুলি সত্তিকারের তাহেরীর স্কয়ার

জীবনে এত খুশীর একটি দিন আসবে কখনও কল্পনা ও করিনি। আজ আমরা প্রমান করতে পেরেছি আমরা শুধু লাইক কমেন্ট করার নয় প্রয়োজনে মাঠেও নামতে পারি। মুখে নয় দেশের জন্য প্রয়োজনে আমরা ও আর একটি মুক্তি যুদ্ধ করতে পারি। আমাদের মাঝেই আছে লুকিয়ে মাহাথির, গান্ধী, লিংকন। আমরা তরুণ, আমরা সবই পারি। আমাদের দের দিকেই আজ তাকিয়ে আজ সারা দেশবাসী একটু সুবিচার পাওয়ার আশাই। জমাত, লীগ, বি এন পি সবাই আমাদের কে নিয়েই খেলা করে। আমরাই তাদের প্রধান আস্ত্র। ৪২ বছর কেটে গেল কেও কথা রাখিনি। আমরাই পারি দেশকে সত্যিকারের স্বাধীন করতে। জমাত, লীগ, বি এন পি নয় বরং সকল অপরাজনীতি বর্জিত তরুণদের একটি রাজনীতি গড়ে তুলি। শাহবাগ কে করে তুলি সত্তিকারের তাহেরীর স্কয়ার। শাহবাগ থেকেই আমরা আজ সত্যিকারের স্বাধীনতার ডাক দেব। আমরা আর কোনও দলের হাতিয়ার হতে চাই না। আমরা আজ সত্যিকারের একাত্তর এর হাতিয়ার। যাদের গর্জন শুনে সকল দুরনিতিবাজ দের ঘুম হারাম হয়ে যাবে। এই দেশ আমার দেশ। ৩০ লক্ষ শহীদ কারো বাপ, কারো বর এর জন্য হইনি। হয়েছিল দেশটাকে সোনার বাংলা করার জন্য। সেদিনও আমরা তরুণরাই স্বাধীন করেছি এই দেশ। আমরাই পারি কোনও অপশক্তির কাছে মাথা নত না করে দেশটাকে সত্যিকারের স্বাধীন করতে। জানি আমরা এক হলে সমস্ত অপরাজনীতি এক হয়ে যাবে। এত ভেদাভেদ ভুলে তারা অস্তিত্ব রক্ষাই এক হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে তাদের হায়েনা বাহিনী লেলিয়ে দিবে। আমরা ভঁয় পাই না। সারা দেশ আজ মুক্তি চাই, সত্যিকারের মুক্তি। সকল সন্ত্রাস, রাজাকার, ধর্ষণ, হত্যা, গুম, লীগ, বি এন পি, জামত থেকে তারা মুক্তি চায়। আমরাই পারি এনে দিতে পারি তাদের সেই মুক্তি। আসুন শাহবাগ থেকেই গড়ে তুলি এমন একটি মুক্তি বাহিনী যারা কারো বাপ, কারো বর এর জন্য নয় বরং দেশের মানুষের জন্য , দেশের উন্নয়ন এর জন্য কাজ করবে।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৩১

অনিকেত চট্টোপাধ্যায় বলেছেন: মহা ব্লগার: চলুন আরও এগিয়ে....

চলতে থাকুক আমাদের মুক্তিযুদ্ধ...চলতে থাকুক আমাদের চেতনার লড়াই..

দেশটা আমাদের বাংলাদেশ আর তাই আমরাই ঠিক করবো আমাদের আগামী ।

জয় বাংলাদেশ....(বাংলা বলতে মুখে বাধছে বেশ।।)

৪| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৪৪

অনিকেত চট্টোপাধ্যায় বলেছেন: মহাসমাবেশের মধ্য দিয়েই নাকি শাহবাগ আন্দোলনের সমাপ্তি!

এরই প্রেক্ষিতে একটা লিংক উদ্ধৃত করলাম (যদিও আমি সব লিংক বিশ্বাস করি না, তবু বিষয়টা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়েছে)

http://www.notun-din.com/?p=677

শুক্রবারের মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে চলতি শাহবাগ আন্দোলনের ইতি টানতে সরকারকে পরামর্শ দিচ্ছে বিভিন্ন মহল। আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটাতে তারা সরকারকে বিভিন্ন কলা-কৌশল ও পদক্ষেপ নেওয়ার জন্যও পরামর্শ দিয়েছে। তাছাড়া কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে চলমান শাহবাগ আন্দোলনের নেতৃত্ব ইতি মধ্যেই চলে গেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নানা অঙ্গ-সংগঠনের হাতে।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, মূলত তিনটি কারণে শুক্রবারের মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে আন্দোলন থামানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সরকারকে। কারণগুলো হচ্ছে- আন্দোলনের ফলে বিচার বিভাগের সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা, সরকারের নানামুখী সমালোচনা এবং জামায়াত শিবিরের হামলার মধ্য দিয়ে সারাদেশে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা।

এবার সরকারের মাথাব্যাথা..."সরকার সমর্থিত আন্দোলন"

সমুদ্র গর্জন এর জন্য প্রস্তুত হও বীর সেনানী...সময় চলে এসেছে....

৫| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:১০

খুব সাধারন একজন বলেছেন: সবাই কান পেতে শোন!


এটা লীগ-দল-জাপা-বামের আন্দোলন না!
এটা দেশের আন্দোলন।
সব রাজাকারের ফাঁসির আন্দোলন।
জামাত শিবির পুরোপুরি নির্মুলের আন্দোলন।

এখানে রাজনৈতিক দল করার জন্য আসিনি। সরকার পতনের জন্য আসিনি।


কুত্তা মারার শপথে এসেছি। কুত্তার দল বিনাশে এসেছি।

এই লক্ষ্য থেকে সরে আমি আমার টাকায় পোষা পুলিশের সাথে যুদ্ধ করব না।

কুত্তা মারার আন্দোলনে শত্রু বাড়াবো না। শত্রু মাত্র একটা। জাশি।

৬| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:১৭

খুব সাধারন একজন বলেছেন: ওদের কানে হৃদয়ের কথা যাবে না।

ওদের কানে একাত্তরে যায়নি।

মানুষকে এইভাবে পশু করা যায়? এইভাবে? হাজার শুকরিয়া, ছেলেবেলায় কোন জামাতির কবলে আটকে যাইনি। পড়েছিলাম। সরাসরি কথা শুরুই হয়েছিল তিনটা মিথ্যা দিয়ে-

১. শিবির কিন্তু জামাতের কেউ না।
২. বাসায় জিগ্যেস করলে বলো নামাজ শিখতে গিয়েছিলাম, মসজিদে বড়ভাইরা নামাজ শিখাচ্ছিল।
৩. বাসায় গিয়ে বলো, পাড়ার ভাইয়ারা ক্লাসে কীভাবে ফার্স্ট হওয়া যায় তা শিখাচ্ছে।

নয় দশ বছর বয়স তো কম না। স্পষ্ট দেখতে পেলাম, যাদের শুরু মিথ্যা দিয়ে, তাদের সবই মিথ্যা।

কিন্তু এই ছেলেগুলোর জন্য কষ্ট হয়।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:২৫

অনিকেত চট্টোপাধ্যায় বলেছেন: @ খুব সাধারন একজন:
হৃদয়ের কথাগুলি খুব সহজ তিনটা মিথ্যা দিয়েই বুঝিয়ে দিলেন।
যাদের শুরু মিথ্যা দিয়ে, তাদের সবই মিথ্যা...
তবে কোটি বাংগালীর প্রাণের দাবি মিথ্যা নয় তো...

"কুত্তার দল" এর বিনাশ অবশ্যম্ভাবী এবার....

আবারো বলছি জয় বাংলাদেশ...জয় মাতা...
(জয় বাংলা বলতে দ্বিধাবোধ বেড়েই চলেছে।)

৭| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:১৯

কাজী তানভীর আহমেদ বলেছেন: "আমাদের এই আন্দোলন কে সংগ্রামের মর্যাদা দান করার জন্য এখনও যে অনেকটা পথ বাকী আছে, সেই বিচক্ষণতা এখন আমাদের কাম্য।" আমি্ও এই কথাটির সাথে একমত লেখকের সাথে। পাশাপাশি সরকার কে যারা বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে এই আন্দোলন কে প্রতিহত করতে চাইছেন, সময় এসেছে রাজাকারদের পাশাপাশি এই সকল নব্য রাজাকারদের মুখোশ উন্মোচন করার।

আসুন গর্জে উঠে শপথ নেই রাজাকার নিধনের ।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৩২

অনিকেত চট্টোপাধ্যায় বলেছেন: তানভীর ভাই..

ফাঁসি ছাড়া রাজপথ ছাড়ব না..এই দাবী আমাদের সবার। তবে আমরা কোন নাটক দেখতে চাইনা, আগামী নির্বাচনের জন্য এটিকে ইস্যু হিসেবে দেখতে চাই না, দ্রুত রাজাকারদের ফাঁসী চাই, না হলে নতুন আইন "শাহবাগ স্কয়ার" অনুযায়ী তাদের ডামি না, সত্যিকারের ফাসি চাই।

আর একটা মজার লিংক শেয়ার করলাম....কারণ জামাত শিবিরের ছাগুরা এখন অনেক কথা বলে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে । জন্মদাতা রাজাকার বাবাদের ফাঁসির দাবী শুনে পাগল হয়ে গেছে এরা ।

Click This Link

৮| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:০০

অনিকেত চট্টোপাধ্যায় বলেছেন: একাত্তর এর হাতিয়ার হবার সময় এসেছে এবার ..
তার পদধ্বনি কি শুনতে পাও না ..হে শাসকযন্ত্র...!
একটুও কাপেনা তোমার হিয়া..
কাপেনা তোমার রাজতন্ত্র?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.