নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সন্যাসীর স্বপ্ন

শিক্ষা যেখানে অসম্পূর্ণ, জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।

সন্যাসী

পরিবর্তন চাই- আপদমস্তক পরিবর্তন চাই। কুঠারাঘাত দিয়ে হলেও ভাঙতে চাই স্থবিরতার শৃঙ্খল।।

সন্যাসী › বিস্তারিত পোস্টঃ

বরিশালের লোকসাহিত্যের দুটো অর্থহীন ছড়াঃব্লগে লোকসাহিত্য সংগ্রহ প্রচেষ্টা

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:২৪

ভারতীয় হিন্দি সিনেমা সংস্কৃতির প্রতি বাঙালীর উদগ্র আলিঙ্গন, আরবীয় ধর্মীয় সংস্কৃতির পেশন এবং পাশ্চাত্য শিক্ষা সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণ আমাদের লোকসাহিত্যকে ঠেলে দিয়েছে মৃত্যুমুখে। আমাদের বাঙালী সংস্কৃতির মূল উপাদান আমাদের লোকসাহিত্যের অনেক শাখাই আজ কালের গর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে। কিছু এখনো টিকে আছে কেবল বিশেষ দিনে স্মরণের মাধ্যমে। সময়ের আবর্তে সবটুকুই হয়তো হারিয়ে যাবে। অ্যাকালচারেশনের এই ধারায় আমরা আমাদের লোকসাহিত্যের এরকম হারিয়ে যাওয়া নিয়ে যতই হা-পিত্যেশ করি একে টিকিয়ে রাখা আমাদের পক্ষে অসম্ভব।



একেবারেই কি অসম্ভব? বিশ্বায়নের এই যুগে প্রযুক্তিই নির্ধারণ করে কী টিকে থাকবে আর কী টিকে থাকবে না। আমরা আমাদের লোকসাহিত্যের সাথে প্রযুক্তিকে যুক্ত করতে পারিনি। প্রায় অসম্ভব এ কাজটির জন্য এগিয়ে আসতে হবে আমাদের মিডিয়াগুলোর। তাহলে হয়তো কিছু লোকসাহিত্য টিকে যেতে পারে। তবে সর্বাগ্রে প্রয়োজন এইসব লোকসাহিত্যগুলো সংগ্রহ করে রাখা। কারণ বিলুপ্তপ্রায় লোকসাহিত্যগুলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দেয়ার জন্য প্রয়োজন সংগ্রহ ও সংরক্ষণ।



শ্রদ্ধেয় ড. দীনেশ চন্দ্র সেন, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ অনেকেই এ ব্যাপারে বেশ ভাল কাজ করে গিয়েছেন। তারপরও তাদের সংগ্রহে উঠে আসেনি অনেক লোকসাহিত্য। ব্লগে যেহেতু বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্লগাররা উপস্থিত হন এবং অনেক ব্লগারেরই এখনো গ্রামের সাথে সংযোগ আছে, তাই আমি মনে করি ব্লগ হতে পারে লোকসাহিত্য সংগ্রহের একটি উপযুক্ত মাধ্যম। অনেক লোকসাহিত্য সংগ্রহ করে তা নিয়ে একটি বইও প্রকাশ করা যেতে পারে।



আমি আজ বরিশাল অঞ্চলের লোকসাহিত্যের দুটি ছড়া লিখছি। ছড়া দুটি এখনকার শিশুদের আর তেমন বলতে শুনিনা। আমরা খেলাচ্ছলে এই প্রায় অর্থহীন ছড়া দুটো এত আওড়াতাম যে এখনো গড়গড় করে মুখস্থ বলে দিতে পারি। লোকসাহিত্য যেহেতু কোন অঞ্চলের কথ্য ভাষাতেই স্বরূপ লাভ করে, বিশেষ করে অন্তমিল এবং ছন্দে, তাই আমি বরিশালের আঞ্চলিক কথ্য ভাষাতেই দিলাম।



আদগান কৈতর তালগাছ বায়

সোনার কৈতর উইড়্যা যায়।

নলবুইনিদ্যা অতীত আইছে

গঞ্জি কিইন্যা লইয়া আইছে।

হে গঞ্জিতো ভাল না

মাইয়া বিয়া দিমু না।

মাইয়ার মাথায় লম্বা চুল

কোথায় পাবো কুসুম ফুল।

কুসুম ফুলের গোন্দে

খোপা বান্দে নোন্দে।

খোপার উপর দাড়াইশ সাপ

লাফ দিয়া পড়ে বেয়াই সাব।

বেয়াই সাবের ডরে

ভুতুম পড়ে চরে।

ও ভুতুম, তুই কর কী?

ধ্যাতরা কাথায় তালি দি।

==============

বিশুদ্ধ বাংলায়-

অর্ধেক কবুতর তালগাছ বায় (আরোহন করা)

সোনার কবুতর উড়ে যায়।

নলবুনিয় (জায়গার নাম) থেকে অতিথি এসেছে

গেঞ্জি কিনে নিয়ে এসেছে।

সে গেঞ্জিতো ভাল না

মেয়ে বিয়ে দেব না।

মেয়ের মাথায় লম্বা চুল

কোথায় পাবো সুগন্ধী (সম্ভবত) ফুল।

(সুগন্ধী) ফুলের গন্ধে

খোঁপা বাঁধে ননদে।

খোঁপার ওপরে দাড়াইশ সাপ (বেনীকে বুঝানো হয়েছে)

লাফ দিয়ে পড়ে বেয়াই সাব (সম্ভবত বেনীকে সাপ ভেবে)

বেয়াই সাবের ডরে

ভুতুম (সম্ভবত কোন ভয়ানক প্রাণী) পড়ে চরে*১

ও ভুতুম, তুই কর কী?

ছেড়া কাথায় তালি দিই।

================

ওয়ান টু থিরি

পাইলাম একটা বিড়ি

বিড়িতে নাই আগুন

পাইলাম একটা বাগুন

বাগুনে নাই আডি

পাইলাম একটা বাডি

বাডিতে নাই কান্দা

পাইলাম একটা রান্দা

রান্দায় নাই ধার

পাইলাম একটা হার

হারে নাই লকট

পাইলাম একটা পকট

পকটে নাই টাহা

ক্যামনে যামু ঢাহা

ঢাহা নাই গাড়ি

ক্যামনে আমু বাড়ি



থিরি-থ্রী; বাগুন-বেগুন; আডি-বীজ; বাডি-বাটি; কান্দা-ধার; রান্দা-রাম দা; ধার-শার্পনেস; লকট-লকেট; পকট-পকেট; টাহা-টাকা; ঢাহা-ঢাকা, ইত্যাদি।

*১=বরিশাল অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে মহিষগুলো গরম কাটানোর জন্য জলে নেমে বসে থাকে যারে চরে/চরায় পড়া বলা হয়।

==================

ছি-বুড়ি খেলায় আমরা কিছু অর্থহীন লাইন ব্যবহার করতাম। তার দু'একটা দিচ্ছি-

১. ছি কুত কুত তাইয়া, বাবুলের মাইয়া, বাবুল কান্দে পঁচা কাডাল খাইয়া, খাইয়া, খাইয়া...........(শ্বাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত)

২. ওপারেতে যাবো না, ভাডা মাছ খাবো না, ভাডা মাছের ত্যালে, সংসার জ্বলে জ্বলে জ্বলে.........

৩. একছিমালা দুইছিমালা বউ থুইআইছি কদমতলা, কদম ফুল ফোটছে, বউ লইয়া ছোডছে, ছোডছে, ছোডছে.......

৪. কচু পাতায় চিনা জোক, চিনচিনাইয়া রোদ্দুর ওঠ।



এরকম আরো অনেক লোকসাহিত্য ছিল যা এখন ভুলে গিয়েছি। গ্রামের ছেলেমেয়েদের এখন আর দেখিনা এসব আওড়াতে। তারা এখন টুইঙ্কল, টুইঙ্কল লিটল স্টার আওড়ায়। ছি-বুড়ি খেলেনা, ক্রিকেট খেলে। বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে গ্রাম্য এসব লোকসাহিত্যগুলো।



আপনাদের মধ্যে যারা শিশুবেলা গ্রামে কাটিয়েছেন প্রত্যেকের জীবনেই এরকম কিছু লোকসাহিত্য জড়িয়ে আছে। যদি মুখস্থ থাকে তাহলে মন্তব্যের ঘরে আপনার এলাকার নামসহ কথ্য ভাষায় তা দিয়ে যাবেন। শুদ্ধ বাংলায় ব্যাখাটাও করে যাবেন আশা করি। আপনাদের সকলের সহযোগিতা পেলে লোকসাহিত্য সংগ্রহে আমার এ উদ্যোগ সার্থক হবে।

সকলকে ধন্যবাদ।



*দয়া করে কেবল ভাল উদ্যোগ বলে পলায়নপর হবেন না। আপনার এলাকার দু'একটি লোকসাহিত্য দিয়ে এই উদ্যোগকে সফল করুন।

**আপনাদের সংযোজিত লোকসাহিত্য দিয়ে নিয়মিত আপডেট হবে।

মন্তব্য ২৭ টি রেটিং +১৩/-১

মন্তব্য (২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:২৯

রাতমজুর বলেছেন: গুড জব!

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:৪৫

সন্যাসী বলেছেন: রাতমজুর ভাই, গুড জব বললেই হবে না। আশা করি আপনার এলাকার দু'একটা লোকসাহিত্য দিয়ে যাবেন পরবর্তীতে।

২| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:৩২

কাউসার রুশো বলেছেন: ভাই আপনার এ উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। আপনি চালিয়ে যান।
নিয়মিত পোস্ট দিতে থাকুন। অনেক অনেক শুভকামনা :)
+++++++

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:৪৬

সন্যাসী বলেছেন: আশা করি আপনার এলাকার দু'একটা লোকসাহিত্য দিয়ে যাবেন পরবর্তীতে। তাহলেই আমার এ উদ্যোগ স্বার্থক হবে। ধন্যবাদ।

৩| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:৪২

ধূসরমেঘ বলেছেন: ভাল উদ্যোগ...

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:৪৬

সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ, ধূসরমেঘ। আশা করি আপনার এলাকার দু'একটা লোকসাহিত্য দিয়ে যাবেন পরবর্তীতে। তাহলেই আমার এ উদ্যোগ স্বার্থক হবে। ধন্যবাদ।

৪| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:৪৮

মনির হাসান বলেছেন: বরিশাল নিয়া শিশুকালে একটা অনুছড়া প্রচলিত ছিল, জানিনা এখনকার পোলাপান এগুলো বলে কিনাঃ

বরিশাইল্লা গরু চোর
ব্যাড়া ভাইঙ্গা দিল দৌড় ... :D :D :D :D :D :D :D

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:৫৩

সন্যাসী বলেছেন: চমৎকার! মনির ভাই। আমি শুনিনি। ভাল লাগল। আপনি তো বোধ হয় ঢাকায় বড় হয়েছেন। তারপরও আপনার এলাকার কোন ছড়া থাকলে দিয়েন। আমার এলাকায় হয়লা গান প্রচলিত ছিল, এখনও সামান্য আছে। সেগুলো সংগ্রহে নামবো।

৫| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:৫২

রাতমজুর বলেছেন: মনির ভাই বরিশাইল্যাগো অফমান কর্লেন! নেক্সট দিন আপনের গলার মাপ রাইক্যা দিমু, রামদাও বানাইয়া ধাওয়া দিমু।

৬| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:৫৯

মিটুলঅনুসন্ধানি বলেছেন: চালিয়ে যান, সাথে আছি।।।

৭| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:০০

হিমু ব্রাউন বলেছেন: দাদা চমৎকার একটা কাজ হাতে নিছেন!!!!
চালিয়ে যান....

৮| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:০৭

মনির হাসান বলেছেন: রামু ভাই ... আমি মফিজ মানুষ ... সাধা সিধা মন ... ভিতরে কিছু রাখিনা। মুখে যা আসে বইলা দেই ... :D :D :D :D

৯| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:০৮

-ছন্নছাড়া- বলেছেন: চমৎকার উদ্যোগ

১০| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:২৯

রাজসোহান বলেছেন: ওয়াও দুর্দান্ত কাজ !

১১| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:১১

এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: ভালো উদ্যোগ।

১২| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:১৬

রেনেসা বলেছেন: ও মনু ডাইলে নুন দেছো?

১৩| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:১৮

শরীফ উদ্দিন সবুজ বলেছেন:
ওয়ান টু থ্রী এ ছড়াটি নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলে এভাবে প্রচলিত

ওয়ান টু থ্রী
সাপে খায় বিড়ি
বিড়িত নাই আগুন
হইলো একটা বাগুন
বাগুনে নাই বিচি
হইলো একটা কেচি
কেচিত নাই ধার
হইলো একটা হার
হারে নাই লকেট
হইলো একটা পকেট
পকেটে নাই টাকা
কেমনে যামু ঢাকা
ঢাকাত নাই গাড়ি
কেমনে যামু বাড়ি
বাড়িত নাই বাত
দিলাম একটা পাদ
পাদে নাই গন্ধ
হাইস্কুল বন্ধ
হাইস্কুলে যাইতাম না
বেতের বাড়ি খাইতাম না
বেত গেলো বাইঙ্গা
স্যারে দিলো কাইন্দা
ব্যা এ এ এ ...............

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:২২

সন্যাসী বলেছেন: দারুন। ধন্যবাদ, শরীফ উদ্দীন সবুজ।

১৪| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫৩

শরীফ উদ্দিন সবুজ বলেছেন: নারায়ণগঞ্জের লোকজ ছাড়া। বেশির ভাগ ব্যবহৃত হয় লোকজ খেলার সময়।

কাঁনামাছি ভো ভো যারে পাও তারে ছো।#

ইচিং বিচিং চিচিং ছা পরজাপতি উড়ে যা।#

ইশ বিশ ধানের শীষ
মন্টু মিয়ার গোয়া বিশ।#

আপিল চাপিল ঘন্টিমালা
সেই ঘন্টি ফুলের মালা
ফুল তুলিতে সিনধি কাটা
সিনধি কাঁটা বন্ধে
খোপা আহে আনন্দে
খোপার বিতরে দোরা সাপ
ফালদা উঠে বুইরার বাপ
বুইরার বাপে তামুক খায়
নাক গোয়াদা ধুমা যায়।#

টিপ টপ আলুর চপ লিচু বাগানে
একটা লিচু পইড়া আছে চায়ের দোকানে
ও চাআলা ও চাআলা দোকান খেলো না
ইষ্টিমারে বউ এসেছে দেখতে চলো না।#

ইস্কি বিস্কি সাবুর দানা
রাইত পোহাইলে বৈঠক খানা
মামায় আইসে কামাইয়া
ধরো ছাত্তি টানাইয়া
ছাত্তির উপর গামছা
দেখো মামির তামশা।
ছোট মামি রান্দে বারে
বড় মামি খায়
মেঝো মামি গাল ফুলাইয়া
বাপের বাড়ি যায়।
বাপে দিলো লাত্থি
হইলো একটা বাত্তি
বাত্তিত নাই তেল
হইলো একটা বেল
বেলে নাই বিচি
অইলো একটা কেচি
কেচিত নাই ধার
অইলো একটা হার
হারে নাই লকেট
হইলো একটা পকেট
পকেটে নাই টাকা
কেমনে যামু ঢাকা
ঢাকাত নাই গাড়ি
কেমনে যামু বাড়ি
বাড়িত নাই বাত
দিলাম একটা পাদ
পাদে নাই গন্ধ
হাইস্কুল বন্ধ
হাইস্কুলে যাইতাম না
বেতের বাড়ি খাইতাম না
বেত গেলো বাইঙ্গা
স্যারে দিলো কাইন্দা
ব্যা এ এ এ ...............#

ওটা লো ওটা
নাঙ্গল গোটা
নাঙ্গল কো?
এই তো।
তরা তরা কয় বাই?
সাত কুড়ি এক বাই।
এক বাই দিবি নি?
ছুইতে পারলে নিবিনি?#

ছুটি ছুটি ছুটি
গরম গরম রুটি
এক কাপ চা
সবাই মিল্লা খা।#

সোহেল বিবি কলেজ যাবি
কল ঘুরাইয়া পয়সা পাবি
সেই পয়সাদা বিয়া করবি
সুন্দর একটা বউ পাবি।#

সোহের আলি রায় বাঙ্গা জুতা পায়
বিড়ি খাওনের পয়সা নাই বিয়া করতে চায়।#

আটার রুটি কলের পানি
রাইত পোহাইলে টানটানি
দেড় মইন্না বসত্দা
চেয়ারমেইন্নার নাসত্দা।#

মফিজ আলি গোয়ায় তালি
মুরগী লইয়া ফালাফালি।#

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫৭

সন্যাসী বলেছেন: অনবদ্য! অনেক অনেক ধন্যবাদ, সবুজ ভাই। আপনার ছড়াগুলো মূলপোস্টে এডিট করে দিব। ব্লগের আরো অনেকে আপনার মত হাত লাগালে আমরা অনেক কিছুই বের করে নিয়ে আসতে পারব। আবারো ধন্যবাদ।

১৫| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:০০

মুরাদ-ইচছামানুষ বলেছেন: সুন্দর উদ্যোগ

১৬| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:০৫

পারভেজ আলম বলেছেন: ভালো উদ্যোগ নিছেন। ব্যাক্তিগত ভাবে আমি লোকসাহিত্যের যেই সংজ্ঞা এবং গন্ডি নির্ধারণ করা হয় তার পক্ষপাতি না। এই অঞ্চলের পশ্চিমা শিক্ষা এবং সাহিত্য আসার আগে দরবারী সাহিত্যের বাইরে যতধরণের সাহিত্য ছিল তার সবগুলোকে একধরণের গ্রাম্য এবং নেতীবাচক টার্ম হিসাবে লোকসাহিত্য নামের একটা গন্ডির ভেতরে ফেলে দেয়া হয়েছে বলে মনে করি।

এই ক্ষেত্রে কাজ দুইটা। এক, লোকসাহিত্য বলে যেগুলো প্রচলিত তার যতদুর সম্ভব সংগ্রহ ও সংরক্ষন করা, যাতে এর ব্যাপ্তি সুস্পষ্ট ভাবে বোঝা যায়। এবং দুই, এইসব সাহিত্যকে কন্টেম্পরারি সাহিত্য এবং নৃতাত্বিক বিশ্লেষনের আওতায় এনে এর সামাজিক এবং রাজনৈতিক গুরুত্ব উপলোদ্ধি করা।

এই ফিল্ডে আমার জানাশোনা খুবি সামান্য। আপনি আগ্রহী থাকলে এই ফিল্ডে কাজ করছে এমন কয়েকজনের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে পারি। তারা হয়তো তাদের সমসাময়িক সংগ্রহ এনং চিন্তাভাবনা দিয়ে আপনাকে সহযোগিতা করতে পারে।

১৭| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:১৩

মেহেদী_বিএনসিসি বলেছেন: বরিশালে ছোটবেলায় আমাদের মধ্যে খেলায় টস করতে, বা অপরাধী সনাক্ত করতে ব্যাবহার করতাম :
আদা পাদা, লবন ছাদা...কুড়ালে বলে হাই হুই......পাচজন বলে, তাই তুই।

তারপরে রাজনীতি বিষয়ক একটা ছড়া শুনেছিলাম......যদিও অপ্রসাঙ্গিক এবং অনেকের কাছে আপত্তিকর, তারপরেও দিলাম :
পাল্লায় করে আল্লা আল্লা,
লাঙ্গলে করে চাষ।
হাসিনা স্বপ্ন দ্যাখে,
খালেদার __ছায় বাঁশ।

আরেকটা কিযেনো আছে, ভুলে গ্যাছি..........:

ইটকিরি মিটকিরি..........

আর স্কুলে থাকতে সব ক্লাসেরই একেকটা বর্ননা ছিল :

ক্লাস ওয়ান.....
....................(ভুইল্যা গ্যাছি)।
ক্লাস টু
খায় গু।
ক্লাস থ্রি
খায় বিড়ি।
ক্লাস ফোর
গরু চোর।
ক্লাস ফাইব
....................(ভুইল্যা গ্যাছি)।
ক্লাস সিক্স
....................(ভুইল্যা গ্যাছি)।
ক্লাস সেভেন
মাইয়্যা বিয়া দেবেন
আর আপাতত মনে নাই...............

১৮| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০৪

মেহেদী_বিএনসিসি বলেছেন: আরেকটা আপডেট : (বাচ্চাদের ঘুঘুতো বসাইয়া গান........)

ঘুঘু সই.......
দা খান কই ?
দা দিয়া কি করবি ?
ফিরি বানামু।
ফিরি দিয়া কি করবি ?
বউ বসামু।
বউ কোথায় ?
ঘাটে গ্যাছে।
ঘাট কোথায় ?
বাড়ির পাশে.........................

ছোট তালগাছটা লড়ে চড়ে.........
বড় তালগাছটা ভাইঙ্গাআআআআ.........পড়ে।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:১৭

সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ, মেহেদী বিএনসিসি। আপনার এই ছড়াটা দেখে আমার আরেকটি ছড়া মনে পড়ে গিয়েছে। রাতে এডিট করে আপনাদের ছড়াগুলোসহ নতুন পোস্ট দিব।

১৯| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:১৪

হাম্বা বলেছেন: হ্যাকা ব্যাকা গাড়ীর চাকা,
গাড়ী পরল খাদে।
ঐ মিনসে পাদে।

২০| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:২৬

হানিফ রাশেদীন বলেছেন: কাজটা অনেক পরিশ্রমের, তবে করতে পারলে ভালো একটা কাজ হবে। ''ওয়ান টু থিরি / পাইলাম একটা বিড়ি / বিড়িতে নাই আগুন...'' এটি কিন্তু অনেক সুন্দর, ব্যতিক্রম, কোখায় শুরু আর কোথায় শেষ, আহ!



আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.