| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সাভারের ট্রাজেডি বাংলাদেশে প্রথম না শেষও না - সামনে হয়তো এরকম বা এর চাইতেও আরো বেশি ভয়াবহ দুর্ঘটনা আসছে। বিশেষ করে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প ঢাকাতে আঘাত হানলে শত শত রানা প্লাজার মতো ভুইফোড় ভবন ভেঙে পড়বে, হাজার হাজারের জায়গায় চাপা পড়বে লাখ লাখ মানুষ।
এজন্য আমাদের কী প্রস্তুতির দরকার?
- একটি সমন্বয় পরিকল্পনা। নানা সরকারী এজেন্সি কীভাবে কাজ করবে, কীভাবে সহযোগিতা করবে, তার একটা তালিকা।
- উদ্ধার কাজে ব্যবহার্য যন্ত্রপাতি হাতের নাগালে রাখা। সেগুলা ব্যবহারে ট্রেনিং দেয়া।
- তথ্য আদানপ্রদানের কেন্দ্রীয় একটা ব্যবস্থা - এবারে দেখা গেলো, প্রচুর মানুষ সাহায্য দিতে আগ্রহী, কিন্তু কোথায় কীভাবে দিতে হবে তা বোঝা যাচ্ছেনা। কোন জায়গায় কী কী কাজ করতে হবে, তার একটা সিস্টেম দরকার। খুব সহজেই তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এই কাজটা করা যেতে পারে। একটা এন্ড্রয়েড অ্যাপ, আর একটা সেন্ট্রালাইজ্ড ব্যাকএন্ড। বাংলাদেশের বহু মানুষ মোবাইল ব্যবহার করে। রক্তদান থেকে শুরু করে সবকিছুর তথ্য এই এন্ড্রয়েড অ্যাপের মাধ্যমে সবার কাছে দ্রুত ছড়িয়ে দেয়া যেতে পারে।
- ভবনে ফাটল দেখা দিলে পেটে ছুরি ধরলেও যেনো কেউ সেখানে না ঢুকেন, এই ব্যাপারটা সবার মাথায় ঢুকিয়ে দেয়া।
- নানা গার্মেন্ট্স মালিকের অফিস গার্মেন্ট্স ফ্যাক্টরি ভবনের মাঝামাঝি করাটা বাধ্যতামূলক করতে হবে। তাতে করেও যদি এরা একটা নিরাপদ ভবনে ফ্যাক্টরি করে!!
- নানা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে "সততা ও নৈতিকতা" নামের একটা কোর্স চালু করা, যেখানে সততার গুরুত্ব নিয়ে ২০০ নম্বরের পরীক্ষা ও ১০ পাতার রচনা লিখতে হবে। অন্তত তাতেও যদি ত্রুটিপূর্ণ ভবনের অনুমোদন কাগজে সই করা থেকে সবাই বিরত থাকেন।
- এবং সর্বোপরি, রাজনীতিবিদদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে "নাড়াচাড়া", "গজব", "ষড়যন্ত্র" এই রকম থিওরি কপচিয়ে আম-জনতার কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেয়ার চেষ্টা করার দুর্মতি তাদের না হয়।
©somewhere in net ltd.