| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভগবদ্গীতা হচ্ছে বহুজন-পঠিত ভগবৎ-তত্ত্ববিজ্ঞান । ভগবদ্গীতা পঠ করতে হয় ভগবৎ-তত্ত্বদর্শী কৃষ্ণ ভক্তের তত্ত্বাবধানে । ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গির পরিপ্রেক্ষিতে গীতার বিশ্লেষণ করা কখনই উচিৎ নয় । গীতার যথাযথ অর্থ উপলব্ধি করার দৃষ্টান্ত ভগবদ্গীতাই আমাদের সামনে তুলে ধরেছে অর্জুনের মাধ্যমে, যিনি স্বয়ং ভগবানের কাছ থেকে সরাসরিভাবে এই গীতার জ্ঞান লাভ করেছিলেন । অর্জুন ঠিক যেভাবে গীতার মর্ম উপলব্ধি করেছিলেন, ঠিক সেই দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোবৃত্তি নিয়ে সকলেরই গীতা পাঠ করা উচিত । তা হলেই গীতার যথাযথ মর্ম উপলব্ধি করা সম্ভব । সৌভাগ্যবশত যদি কেউ গুরুপরম্পরা-সূত্রে ভগবদ্গীতার মনগড়া ব্যাখ্যা ব্যতীত যথাযথ অর্থ উপলব্ধি করতে পারেন, তবে তিনি সমস্ত জ্ঞান এবং পৃথিবীর সবরকমের শাস্ত্রজ্ঞান আয়ত্ত করতে সক্ষম হন । ভগবদ্গীতা পড়ার সময় আমরা দেখি, অন্য সমস্ত শাস্ত্রে যা কিছু আছে, তা সবই ভগবদ্গীতায় আছে, উপরন্তু ভগবদ্গীতায় এমন অনেক তত্ত্ব আছে যা আর কোথাও নেই । এটিই হচ্ছে গীতার মাহাত্ম্য এবং এই জন্যই গীতাকে সর্বশ্রেষ্ট শাস্ত্র বলে অভিহিত করা হয় । গীতা হচ্ছে পরম তত্ত্বদর্শন, কারণ পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নিজে এই জ্ঞান দান করে গেছেন ।
২|
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:০৭
সোজোন বাদিয়া বলেছেন: "ভগবদ্গীতা পড়ার সময় আমরা দেখি, অন্য সমস্ত শাস্ত্রে যা কিছু আছে, তা সবই ভগবদ্গীতায় আছে, উপরন্তু ভগবদ্গীতায় এমন অনেক তত্ত্ব আছে যা আর কোথাও নেই । এটিই হচ্ছে গীতার মাহাত্ম্য এবং এই জন্যই গীতাকে সর্বশ্রেষ্ট শাস্ত্র বলে অভিহিত করা হয় "
-কিন্তু সমস্যা হলো যে সব ধর্মবিশ্বাসীগণই নিজ নিজ ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে এমনটাই দাবি করেন! বিশ্বাসেই নাকি মিলায় বস্তু, কিন্তু কাকে বিশ্বাস করি?
৩|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:২০
আরণ্যক রাখাল বলেছেন: মুসলিম বলে কুরআন সেরা, আপনি বলছেন গীতা! একজনেরটা সত্য হলে, আরেকজন মিথ্যা বলছে। মানে মিথ্যাবাদী।
কাকে বিশ্বাস করি, বলুনতো?
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৪
ডাঃ প্রকাশ চন্দ্র রায় বলেছেন: নমঃস্কার দাদা । কুরূক্ষেত্রের যুদ্ধের পূর্ববর্তী লোকজন গীতাজ্ঞান বিহীন কোন শাস্র অবল্বনে ধর্মজ্ঞান লাভ করতো দয়াকরে নরাধমের এই কৌতুহল মেটাবেন বলে আকুল প্রার্থনা করছি ।