| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শাখাওয়াৎ
শাখাওয়াৎ নয়ন: জন্ম ২০ মে, মাদারীপুর জেলার কুন্তিপাড়া গ্রামে নানাবাড়িতে। বাবা মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব আলী মোল্লা এবং মা রিজিয়া বেগম। ক্লাস ওয়ানের ফাইনাল পরীক্ষায় ডাবল শূন্য পেয়ে শিক্ষাজীবনের শুরু হলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করতে পেরেছিলাম। সমাজবিষয়ক গবেষণা দিয়ে আনুষ্ঠানিক কর্মজীবন শুরু। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার নিউক্যাসল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পাবলিক হেলথ’-এ পিএইচডি করছি। বাল্যকালে ছোট চাচাকে পত্র লেখার মধ্য দিয়ে লেখালেখিতে হাতেখড়ি। ঢাকা, কলকাতা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও লন্ডন থেকে প্রকাশিত বাংলা পত্র-পত্রিকায় প্রবন্ধ, নিবন্ধ ও গল্প, উপন্যাস লিখি; পাশাপাশি এসব দেশের অনলাইনভিত্তিক পত্রিকাতেও বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি। "ব্যাপ্টিস্ট চার্চ এবং একটি টিকটিকির গল্প (২০১২)" আমার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। "অদ্ভুত আঁধার এক (২০১৩)" প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। "নিয়তিপাড়ে গলে যাওয়া ডিমগুলি" (২০১৪) প্রথম নিবন্ধ গ্রন্থ।
সানগ্লাস কিনতে গিয়ে অন্যরকম একটা ঘটনা ঘটলো। সিডনির জর্জ স্ট্রীটে খুবই পশ (বড়লোকদের দোকান) একটা দোকানে ঢুকেছি। ঐ দোকানের অধিকাংশ সানগ্লাসই এক দেখাতে পছন্দ হওয়ার মতো। তার পরেও আমি ঘুরে ঘুরে একটা হাতে নিয়ে দেখি তো আরেকটা চোখে দিয়ে দেখি। মুল কারন অন্য জায়গায়। দোকানের জিনিসপত্রের চেয়েও বিপণন কন্যারা (sales girls) আরো বেশী সুন্দর। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এদেশে কারো দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকানোটা অভদ্রতা মনে করা হয়। তাই একটু দুই নাম্বারি বুদ্ধি বের করলাম। যাকে একটু ভালো করে দেখতে ইচ্ছে করে, তার দিকে সানগ্লাস পরে তাকাই। বিরাট সুবিধা। আমি তাকে দেখতে পাচ্ছি কিন্তু মেয়েটি আমার চোখ দেখতে পাচ্ছে না। তাই আমাকে কিছু বলতেও পারছে না। অনেক দেখাদেখির পর ঠিক করলাম, গলা যদি কাটাই যায় তাহলে কোনো এক সুন্দরীর হাতেই কাটা যাক। তাই ঐ দোকানের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়েটির দিকে তাকালাম। সেই রকম সুন্দরী। ঠিক যে রকম সুন্দরীদের দেখলে বৃদ্ধদেরও যুবক হওয়ার দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আসে কিংবা হিতাহিত ভুলে গিয়ে চেহারায় কপটসাধুতা মেখে, তোমার বাবার নাম কি মা? বলে গায়ে হাত দেয়। পুরুষ ডাক্তাররা দাঁতের ব্যাথার কারন খুজতে গিয়ে সারা শরীর চেক-আপ করে। অথবা যে কোনো পুরুষের হাজার বছর বাচতে ইচ্ছে করে। সেই রকম এক সুন্দরীকেই ডেকে বললামঃ
--এই সানগ্লাসটি দাও।
সানগ্লাসটি দিয়ে সে আমাকে জিজ্ঞেস করলোঃ
--তোমার কি পোলারয়েড সানগ্লাস সম্পর্কে কোনো ধারনা আছে?
--না।
--এটা পোলারয়েড সানগ্লাস।
--পোলারয়েডের সুবিধা কি?
--তুমি পানির মধ্যেও দেখতে পাবে (you will be able to see through the water).
-- তাই?
--হু।
--ইন্টারেস্টিং তো!
--yeah, Interesting...
মেয়েটি হাল্কা গোলাপী সিফনের টপস এর সাথে শর্ট স্কার্ট এবং হাইহিল পরেছে। এক কথায় পরীর মতো লাগছে। আমি তার দিকে তাকালাম। কয়েক মুহূর্ত পরে জিজ্ঞেস করলামঃ
--Will I be able to see through the clothes (আমি কি কাপড়ের মধ্যে দিয়েও দেখতে পারবো?)
পরীর মতো সুন্দরী মেয়েটি তার টোলপরা গালের লাজুক হাসিতে বললোঃ
--You are so cheeky... (তুমি খুবই দুষ্ট...।)
১১ ই জুন, ২০১৪ ভোর ৪:২৪
শাখাওয়াৎ বলেছেন: হু। চেষ্টা করছি ভাই। ধন্যবাদ।
২|
১১ ই জুন, ২০১৪ সকাল ৮:২৮
বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন: বেশ মজা করে লিখেছেন।
১১ ই জুন, ২০১৪ সকাল ৯:৪৮
শাখাওয়াৎ বলেছেন: ধন্যবাদ।
৩|
১১ ই জুন, ২০১৪ সকাল ৯:৪৩
এন ইউ এমিল বলেছেন:
১১ ই জুন, ২০১৪ সকাল ৯:৪৯
শাখাওয়াৎ বলেছেন: ধন্যবাদ।
৪|
১১ ই জুন, ২০১৪ সকাল ১০:২৫
মামুন রশিদ বলেছেন: ইয়ো ![]()
১১ ই জুন, ২০১৪ সকাল ১১:১৪
শাখাওয়াৎ বলেছেন: ইয়ো মানে কি মামুন ভাই? ভালো হলে আপ্নাকেও ইয়ো
৫|
১১ ই জুন, ২০১৪ দুপুর ১:১৫
তুষার কাব্য বলেছেন: অভিজ্ঞতা....![]()
১২ ই জুন, ২০১৪ সকাল ১১:২৯
শাখাওয়াৎ বলেছেন: হু। অভিজ্ঞত। মজার অভিজ্ঞতা।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই জুন, ২০১৪ ভোর ৪:২৩
নাইমুল ইসলাম বলেছেন: বাহ, বেশ মোজা করেছেন দেখছি। দেশের বাইরের বাঙালীরা যে খাটি বাঙালী থাকতে পারে সেটা আমার ধারণা ছিলো না