| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দ্রোহী তারুণ্য
মুক্ত চিন্তা এবং প্রগতিলশিল ধ্যান ধারনার বিকাশ একজন মানুষকে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। আমার লেখা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে কেউ যদি দেশপ্রেম এবং মুক্ত বুদ্ধির চর্চাকে জীবন গড়ার আদর্শ হিসেবে নেয় তাহলেই আমার সকল প্রচেষ্টা সফল হবে।
মাঝে মাঝে মনে হয় একদল উজবুকের দেশে বাস করতেছি। গুজব আর Propaganda দেখতে দেখতে মাথা নষ্ট হইয়া গেলো। আমাদের দেশে মনে হয় ১ জন ও non-political মানুষ নাই। যে যা পারতাছে তাই নিয়া পলিটিক্স করতাছে। মখার কথা তো বাদই দিলাম, প্রধানমন্ত্রী যাই বলেন না কেন রানা সাহেব যে যুবলীগ কর্মী তাতে কোন সন্দেহ নাই। কিন্তু একজন মানুষের অপকর্মের দায় তো পুরা একটা রাজনৈতিক দলের হতে পারে না। তারচেয়ে বড় কথা এটা তো কোন রাজনৈতিক ইস্যু না। এই রকম হাজার হাজার ঝুঁকিপূর্ণ ভবন বছরের পর বছর ধরে তৈরি হইছে। শেখ হাসিনা ২০০৮ এ ক্ষমতায় আইসা এগুলা দায়িত্ব নিয়া বানায় নাই। তাইলে তার রানা সাহেবরে দলীয় কর্মী মানতে সমস্যা কোথায় ছিল? তিনি এইটারে রাজনৈতিক ভাবেই দেখছেন যা ছিল তার বড় একটা ভুল। আর আমাদের দেশের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত ছাগল গুলাও এইটারে প্রধানমন্ত্রী আর আওয়ামিলিগের দোষই মনে করতাছে। এখন আর কেউ দেশটারে ভালোবাসে না, সবাই ভালোবাসে দল। নিজের পছন্দের দল ক্ষমতায় আসলে কিছু একটা ধান্দা করা যাবে। আর তাই কোন একটা ছুতা পাইলেই গুজব ছড়াইয়া রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করে। আর কিছু ছাগল আছে তা গপ গপ কইরা গিলা খায়। সব গুলারে আবার প্রাইমারী স্কুল থিকা পড়ালেখা শুরু করাইতে হবে। দেশে বিশাল অঙ্কের উজবুক থাকলেই কেবল এমনটা হওয়া সম্ভব।
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:০৮
দ্রোহী তারুণ্য বলেছেন: দাদা আপনি তো ফাটিয়ে দিয়েছেন :-)
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৫২
অমৃত সুধা বলেছেন: জনৈক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডক্টরেট ডিগ্রি প্রাপ্তি এবং একটি গল্প।
জনৈক অশিক্ষিত এক বাঙ্গালী ধনী ইংল্যান্ড সফরে গিয়েছেন। তিনি তার প্রিয় ঘোড়াটিতে চড়ে লন্ডন শহরটি কেমন তা দেখতে বেড়িয়েছেন। লন্ডনের একটি দোকানের বিজ্ঞাপনে দেখতে পেলেন ‘এখানে পিএইচডি ডিগ্রি (ডক্টরেট) দেয়া হয়’।
তিনি অতি উৎসাহে দোকানে প্রবেশ করলেন। ডক্টর আলফ্রেড রবার্ট এই দোকানটির মালিক। বাঙ্গালী মহাশয় তার সাথে প্রথমে পরিচিত হলেন। কথায় কথায় পিএইচডি ডিগ্রি সম্বন্ধে রবার্টের কাছে জানতে চাইলেন। রবার্ট জানালেন বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন মূল্যে পিএইচডি ডিগ্রির সার্টিফিকেট তিনি বিক্রয় করেন। বাঙ্গালীটি এ কথা শুনে লোভ সংবরন করতে পারলেন না। অর্থের অভাব নেই তার, অভাব শুধু শিক্ষার, অভাব একটি সার্টিফিকেটের। তিনি তৎক্ষনাত রবার্টের কাছ থেকে একটি পিএইচডি ডিগ্রির সার্টিফিকেট কিনতে চাইলেন। রবার্ট জানান, রাজনীতি বিষয়ক পিএইচডি সার্টিফিকেটের দামটা অন্যান্য ডিগ্রির চেয়ে বেশি। বাঙ্গালীটি এ কথা শুনে সাথে সাথে আসল মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্য দিয়ে সার্টিফিকেট নিয়ে নিলেন। তিনি এখন রাজনীতি বিষয়ক পিএইচডিধারী মানুষে পরিণত হলেন।
রবার্টের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ঘোড়ায় চেপে বাঙ্গালীটি মনের আনন্দে লন্ডন ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এমন সময় মনে হলো তার কোথায় যেন একটু ভুল হয়েছে। তিনি মনে মনে নিজেকে প্রশ্ন করলেন, আমার তো টাকার অভাব নেই। তবে কেন প্রিয় ঘোড়াটির জন্য একটি পিএইচডি ডিগ্রি কিনলাম না? তিনি এবার ঠিক করলেন, টাকা যত যায়, যাক। তবুও ঘোড়াটিকেও পিএইচডি সার্টিফিকেটধারী করতে হবে।
বাঙ্গালী সাহেব দ্রুত রবার্টের কাছে গেলেন। তিনি ইতস্ততার সাথে রবার্টকে জানালেন, ঘোড়াটির জন্য একটি পিএইচডি ডিগ্রি কেনা যায় কিনা। টাকা যত লাগুক, তিনি দিতে রাজি আছেন।
রবার্ট জানালেন, আমি ঘোড়াকে ডিগ্রি দেই না। আমার পিএইচডি ডিগ্রি শুধু গাধাদের জন্যই বরাদ্দ।