নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি স্মৃতিকাতরতা নামক ভীষণ এক রোগগ্রস্ত, সেই সাথে বিষাদগ্রস্থ মানুষ। আমার চিকিৎসা প্রয়োজন।

স্বপ্নবাজ সৌরভ

ভীষণ রকম সাম্যবাদী , সাম্যের কথা বলে - তারায় আবার স্নান করে যায় , মগজ গলা জলে !

স্বপ্নবাজ সৌরভ › বিস্তারিত পোস্টঃ

শুকরের পালকে খামারে আটকে রাখা হয় কেন ?

২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:০৪




পাশের সিটে বসে থাকা লোকটার হাতে মোবাইল। স্কিনে বেশ ভয়াবহ একটা খবর।
সেন্ট মার্টিনে দেড় কিলোমিটারে তিন মণ প্লাস্টিক, চিপসের খালি প্যাকেট। চোখ আটকে গেল। ভয়াবহ নিউজ দেখেই কিনা জানিনা পাশে বসা লোকটি খক করে একদলা কফ ফেলল জানালা দিয়ে। হাতে চরম স্মার্ট ফোন , ফেসবুকে হয়তো একটা 'স্ট্যাটাস' আছে। সামাজিকতা বজায় রাখে। কানে ইয়ার ফোনে চমৎকার মিউজিক বাজছে হয়তো। হঠাৎ মনে হলো , রাস্তায় দাঁড়িয়ে লুঙ্গিতে নাক মোছা রিক্সাওয়ালার চেয়ে কি স্মার্ট এই লোকটি ?

মানুষের হাঁচি কাশি লেগেই আছে। হাঁচি বা কাশির সময় মুখে রুমাল চাপা দেয় না। আর রুমালই বা কোথায় রাখবে ? দুই পকেটে দুই মোবাইল।রুমাল রাখার জায়গা নেই। হাঁচি কাশি উপশমে মানুষ ওষুধ খায় না , খায় সিগারেট। খায় আর নাক মুখ দিয়ে ধোঁয়া ছাড়ে। সকাল সকাল মেজাজ টা খারাপ হতে শুরু করেছে। ভালো লাগছে না।
নিউজ পেপারের হেডলাইনটা মাথায় ঘুরছে -- দেড় কিলোমিটারে তিন মণ প্লাস্টিক, চিপসের খালি প্যাকেট। আচ্ছা সেন্টমার্টিনে মানুষ কি করতে যায় ?

ছোটবেলায় একদিন আব্বা কে জিজ্ঞেস করেছিলাম কি মনে করে জানিনা , 'শুকরের পাল কে খামারে আটকে রাখা হয় কেন ?'
আব্বা বললেন , 'শুকরের পাল ছাড়া পেলে আসে পাশে সব তছনছ করে ফেলে। মান কচুর গাছ গুলো উপরে ফেলে , আবর্জনা ঘাটে ঘাঁটে , চারপাশে নোংরা করে।'
মনে আছে। আমাদের এলাকায় হরিজন পট্টি ছিল।ওখানে ওরা শূকর পালতো। মাঝে মাঝে ওই শূকর গুলো ছাড়া পেলে ভয়াবহ কান্ড ঘটাতো।
ওরা পশু। শূকর। ওদের কে আটকে রাখতে হয়। ওদের খামারে পুরতে হয়। ছাড়া পেলে হয়তো ওরা মুক্তির আনন্দে হয়তো সব ওলটপালট করতে চায়। তারা তো পশু। শূকর। অনেক কিছুই বোঝে না।
আচ্ছা মানুষ কি খামারে থাকে ? মানুষ কি খামারে থেকে ছাড়া পেলেই সেন্টমার্টিনে যায় ?কক্সবাজারে যায় ?
মানুষ তো বোধবুদ্ধি সম্পন্ন। প্রাণী। পশু নয়। শূকর তো নয়ই।
কারণ শূকররা যেখানে যায় সেখানেই তাদের ভাগাড় বানায়।

মন্তব্য ৫০ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৫০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৩৩

সৈয়দ মোজাদ্দাদ আল হাসানাত বলেছেন: মনে হচ্ছে শুকরের পালে দেশ ভরে গেছে। যেখানে সেখানে কফ থুথু ফেলা । সিগারেট এর অবশিষ্ট অংশ, বিস্কুট, চিপস, চকলেট আইসক্রিম এর মোড়ক, পানির বোতল যত্র তত্র ফেলে নোংরা করা। পানির ড্রেইন তো বন্ধই হয়ে গেছে এই ময়লা আবর্জনার ফলে। অল্প বৃষ্টি হলে রাস্তায় পানি জমে গেলে সরকারকে গালি দিয়ে পাড়া মাথায় তুলি । অথচ আমরা সচেতন হলেই অনেকাংশেই সমস্যার সমাধান হয় ।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:২৮

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:


এই মানসিকতা পরিবর্তনের কোন আশা দেখছি না। আপনার চমৎকার গঠনমূলক মন্তব্যে অনেক ভালো লাগা রইলো। মূল পোষ্টের অনেক না বলা কথা আপনি বলে দিয়েছেন।
অনেক ধন্যবাদ। আপনি ভালো থাকবেন এই জঞ্জালে।

২| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৩৬

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: মানুষ দিন দিন অনুভূতি শূন্য হয়ে যাচ্ছে

দেখছি আর অবাক হচ্ছি

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৩০

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

এই মৌসুমে রাস্তায় তাকালেই গা ঘিন ঘিন করে। :(
ঠিক বলেছেন - দেখছি আর অবাক হচ্ছি !
ভালো থাকবেন ছবি আপু। অনেক ধন্যবাদ।

৩| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৫৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ঘনবসতিপূর্ণ এই দেশে রাস্তার পাশে ডাস্টবিন রাখা, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা, রাস্তার পাশে ড্রেইনেজ থাকা সর্বত্র সম্ভব না। এমনকি, ডাস্টবিন থাকলেও প্লাস্টিক বোতলটি ফেলবো ডাস্টবিনের বাইরে কোথাও, থুথু ফেলবো রাস্তার মাঝখানে।

সর্বোপরি, আমাদের সিভিক সেন্সের খুব অভাব। জাতীয় ভাবেও এমন উদ্যোগের খুব অভাব রয়েছে।

ভালো প্রসঙ্গ।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৩৭

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

ডাস্টবিন থেকে দশ হাত দূরে আবর্জনা ফেলবে কিন্তু দশ হাত এগিয়ে যাবে না। জাতির জন্য এই দশ হাত সীমাহীন দুর্ভোগের কা রণ। রাস্তায় থুথু ফেলা জাতি 6G এর অপেক্ষায় আছে।
মন্তব্যে অনেক ভালো লাগা জানবেন।

সিভিক সেন্স বা নাগরিক বোধ বা অনুভূতি বলতে আমরা যা বুঝি, তার বিন্দুমাত্র কি আমাদের মধ্যে দেখতে পাই?

৪| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৩

ইসিয়াক বলেছেন:
আমরা আসলে দিন দিন কোন পথে হাটছি , তা মনে হয় নিজেরাই জানিনা। কারো কোন কিছুতেই যেন দায়বদ্ধতা নেই।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৪৭

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

আমাদের হাতে একটা কোদাল আছে। ঐটা দিয়ে শুধু আমরা আমাদের কবর খুঁড়তেই জানি , কিন্তু ওটার যে আরো ব্যবহার হতে পারে সেটা চিন্তা করি না।
সেই চিন্তাকে সেন্স বলে। যেহেতু আমাদের সেন্স টুকু কাজে লাগানোর ইচ্ছা / ক্ষমতা নেই তাই আমাদের গন্তব্য আমাদেরই খোঁড়া কবরে।

চমৎকার মন্তব্যে ভালো লাগা জানবেন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৫| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


সাধারণ মানুষকে শিখতে হয়।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৫০

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

কোথা থেকে শিখবে ? কারা শিখাবে ?
আপনার থেকে আরো বিস্তারিত আশা করেছিলাম।একলাইনে আমার মন ভরছে না স্যার।আমি জানি আপনার আরো বলার আছে।

৬| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: উন্নয়নের খুশিতে ঠেলায়... এম্নি এম্নি ...

সভ্যতায় দায় নেই কারো! কেবলই ক্ষমতার নেশা মাথায় যখন এমনই নেশা আমজনতা হারায় দিশা

সাংস্কৃতিক মিডিয়াগুলো স্থুল পরকিয়া আর বিজ।ঞাপনেই সাফল্যের মাপকাঠি!
সেই আদি যুগে চার্লি চ্যাপলিনের হাস্যরসের মাঝে যে সামাজিক সুশিক্ষার বীজ দিয়েছিল
আজকে গোবর মাথা সো কলড মিডিয়া মুঘলরা কি তা ভাবতে পারে???

পরিবারের সুশিক্ষার ভিত হারিয়ে যাচ্ছে।
ধর্মের ধ্বজাধারী পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অংগ বলেই খালাস- বাস্তব চর্চার উদ্যোগ নেই!

সুশীল সমাজের তো বালাই ষাট! চেতনা ছাড়া কিসসু নেই মগজে!

ফলে জাতি হাটছে বেড়ালের উল্টো পায়! ভিনদেশীরা আমাদের লজ্জ্বা দেয় পরিচ্ছন্নতায় নিজেরা হাত লাগিয়ে
তারপরও আমরাতো আমরাই................
দু:খজনক!

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৫৯

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

স্বভাব সুলভ জ্বালাময়ী মন্তব্য। কয়েকলাইনে যা বললেন আমার দীর্ঘ পোষ্টেও সম্ভব ছিল না। ++
ভালো থাকবেন। অনেক ধ্যন্যবাদ।

৭| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৭

ফয়সাল রকি বলেছেন: জীবনে একবার সিংগাপুর যাবার সৌভাগ্য হয়েছিল। গিয়ে জানলাম, রাস্তা ঘাটে থু থু ফেললে ৩০০ ডলার (সিংগাপুর ডলার) জরিমানা! এবং মামারা নাকি ক্যামেরা নিয়ে আশেপাশেই ঘোরাফেরা করে। এটা জানার পর থেকে সমানে মুখে থুথু জমতে শুরু করলো। ব্যাপারটা এমন না যে, আমি যেখানে সেখানে যখন তখন থু থু ফেলি। কিন্তু সেদিন থু থু ফেলার জন্য জায়গা খুঁজতে থাকলাম আর আশেপাশে মামাদের দেখতে থাকলাম। তবে সাহস করে একবারও নির্ধারিত স্থান ছাড়া অন্য কোথাও থুথু ফেলিনি! এটাই বলতে চাই যে, ডলা-র উপর কোনো ওষুধ নাই।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:০৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

ডলা-র উপর কোনো ওষুধ নাই। হমম , প্রয়োজনে ডলা ও দরকার আছে। ভালো বলেছেন।
আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন , সেটা এই পোষ্টের ক্ষেত্রে খুবই জরুরি। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন।

৮| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৪৯

নেওয়াজ আলি বলেছেন: চরম বাস্তব

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:১০

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

ঠিক বলেছেন। নোংরা বাস্তব। :(
পাঠ আর মন্তব্যে ভালোবাসা নিন । ভালো থাকবেন।

৯| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:১০

মুক্তা নীল বলেছেন:
এই প্রতিবাদী ছোট লেখায় অর্থ অনেক । মানুষের চেয়েও অমানুষের সংখ্যাই বেশি । মনুষ্যত্ব ও মানবতা কোথায় ?

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:০৯

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

চমৎকার মন্তব্যে একটা অমূল্য প্রশ্ন রেখে গেছেন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন।

''কবার তুমি অন্ধ সেজে থাকার অনুরাগে?
বলবে তুমি দেখছিলে না তেমন ভাল করে।
প্রশ্নগুলো সহজ আর উত্তরওতো জানা......''

১০| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:১৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: স্বপ্নবাজ সৌরভ,




আমরা শুকরের চেয়েও অধম.................

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:১২

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

আমাদের স্বভাব কিন্তু সেটাই প্রমান করতে চায়। :(

ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন স্যার।

১১| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:৫৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




মানুষ অমানুষ হতে পারে।
পশু অপশু হতে পারে না।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:১৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

একেবারে ঠিক। দ্বিমতের কোন অবকাশ নাই। ++
আপনি কেমন আছেন স্যার। অনেকদিন পাইনি।

১২| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:১২

নিভৃতা বলেছেন: অন্তর মম বিকশিত করো. অন্তরতর হে। নির্মল করো উজ্জ্বল করো,. সুন্দর করো হে।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:১৭

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

আমাদের একজন রবীন্দ্রনাথ ছিলেন .... কিন্তু , তারপরেও। :(

১৩| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ ভোর ৫:৫৮

অধীতি বলেছেন: ডারউইন যখন বিবর্তনবাদ প্রকাশ করেন তখন ভূমিকায় বলেছিলেন এটা কষ্ট হলেও মানতে হবে।বিষয়টা এরকমেরই মনে হচ্ছে

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:২০

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:


ডারউইনের বিবর্তনবাদের আদি পুরুষরাও আমাদের থেকে উন্নত। ওরা সব কিছুই আমাদের অনুকরণ করতে পারে। তবে কখন রাস্তায় কফ থুথু আর নাক ঝাড়তে দেখিনি। :)

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন।

১৪| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মন্তব্যটি মুছে ফেলা হলো কেন??
খুব কি কঠোর মন্তব্য করেছি?
যাই হোক সাবধান থাকবো।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:২৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
আমি এই মাত্র রাতে অফ লাইনে দেখলাম। আপনার মন্তব্যটা নেই। মুছে ফেলা হয়েছে। কি লিখছিলেন সেটাও জানি না। :(

১৫| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:২৮

নীল আকাশ বলেছেন: সিম্বোলিক এই লেখার দিয়ে যেটা বুঝাতে চেয়েছেন সেটার ভিতরের অর্থ অনেক বিস্তৃত।
বিভিন্ন ধর্ম অনুশাষন এবং বিধি নিষেধ এই জন্যই আরোপ করা হয়েছে।
একজন মুসলিম হাঁচি দেয়ার সময় বাম হাত তার মুখের সামনে অবশ্যই ধরবে এবং আল-হামদুল্লিলাহ বলবে যেন আশে পাশে সবাই জানে।
পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ধর্মের অঙ্গ। আমরা যতই আধুনিক হই না কেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দেইয়া নিয়ম থেকে বের হয়ে কিংবা দূরে সরে যেয়ে কোন লাভ নেই।
ধন্যবাদ।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৫১

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ধর্মের অঙ্গ। এরপরে আর কথা থাকে না। ++

১৬| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:২৭

নতুন বলেছেন: কমন সেন্স ততটা কমন না যতটা আমরা আশা করে থাকি।

দেশে মানুষ আধুনিক হতে চায় কিন্তু ভালো জিনিসগুলি অনুসরন করেনা।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৩০

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:


দেশে মানুষ আধুনিক হতে চায় কিন্তু ভালো জিনিসগুলি অনুসরন করেনা। ++

চমৎকার মন্তব্য রেখে যাওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। মন্তব্য তো পোষ্টের প্রাণ।
ভালো থাকবেন আপনি।

১৭| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৪৫

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
বঙ্গপোসাগরে ০১টি তিমি পাওয়া গেছে যার পেটে ১০৬ কেজি পলিথিন। অন্তঃসত্ত্বা থাকায় মাছটি মারা গেছে। ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্জয় ডেকে আনছি আমরা।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৪৯

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
কি করুন আর ভয়ঙ্কর সংবাদ।
আসলে একটা সময়ে আমাদের আর কিছুই করার থাকবে না। :(

কিন্তু আমাদের হাতে স্মার্ট ফোন আছে , আমরা 6G এর অপেক্ষায় আছি। জাতির জন্য এইটা বিশাল এক পাওয়া। :(

মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।



১৮| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৫৫

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আপনার এই লেখায় কি মন্তব্য করবো বুঝতে পারছি না। 'বাকরুদ্ধ' বলতে পারেন।
একবার আমার এক কোরিয়ান ফ্রেন্ডকে খুব হাউশ করে আমােদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম বছর ১২ আগে। কলাভবন ঘুরে টিএসসি হয়ে আমরা যখন মোকাররম ভবনের পাশে তিননেতার মাজারের উল্টাদিকের ফুটপাথে, তখন মেরি ফিয়াত আমাকে জিজ্ঞাসা করলো, বাংলাদেশের মানুষ যেখানে সেখানে থুথু ফেলে?
আমি পুরোই বেকুব হয়ে গেলাম। আরেকটু এগুলেই ওই ফুটপাথের উপরেই মনুষ্যবর্জ্য থাকে, সেটা দেখলে এই মেয়ে কি জানতে চাইবে সেটা ভেবে খুবই আতংক বোধ করতে লাগলাম।

সৈয়দ মুজতবা আলীর একটা লেখায় আফগান পাচক আব্দুর রহমানের কথা ছিলো, যে শহরে পাচকগীরি করতে আসলেও সারাক্ষণ তার গাঁয়ের মোহে আচ্ছন্ন থাকে। একদিন লেখক তাকে জিজ্ঞাসা করলেন- এই শহর থেকে তোমার গ্রামের কোন জিনিসটা ভালো? আব্দুর রহমান যখন ভালো কিছু দেখাতে পারলো না, তখন একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো 'ইনহাস্ত ওয়াতনাম' বা এই তো আমার দেশ.....

আমাদেরও তা-ই বলতে হবে। কি আর করা।

ভালো থাকবেন, শুভ ব্লগিং।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:০২

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: অসাধারণ মন্তব্য রেখে গেলেন। অনেক ভালো লাগলো। পানের পিকের কথা বাদ ই দিলাম।
পরিশেষে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলতেই হয় -- 'ইনহাস্ত ওয়াতনাম' বা এই তো আমার দেশ.....

আপনিও ভালো থাকবেন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৯| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৪৬

করুণাধারা বলেছেন: ‌পরিচ্ছন্ন ভাবনার সুন্দর প্রকাশ... আমরা সুন্দর সেন্টমার্টিনেকে তছনছ করতেই যেন যাই। আমরা শিক্ষিত মানুষ, তবু এই বোধটুকু আমাদের নেই যে নোংরা করা একটা অপরাধ।

আবরারের মৃত্যুর পর এই কটা লাইন পড়েছিলাম, মনে গেঁথে আছে। এটাই শেয়ার করছি।

দুমড়ে মুচড়ে স্বপ্নের মালা, আকাশ ছোঁয়ার সাধ
প্রিয় বাবা তুমি প্রস্তুত কর তোমার চওড়া কাঁধ।
আগে চড়েছিল ছোট্ট আমিটা, এবারে আমার লাশ
মুখোশে মুখোশে মানুষের সাথে শুয়োরের বসবাস!!

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৫৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

গতবার সেন্টমার্টিন গিয়ে দেখেছিলাম মানুষ সিগারেট খাচ্ছে আর সমুদ্রে ফেলছে। ডাবের খোসা ছুড়ে ফেলছে এখানে ওখানে। ব্যাগ ভরে ঝিনুক কুড়াচ্ছে। অদ্ভুত লাগে , অবাক হই। সামান্য বোধ টুকু নেই ?

অনেক সুন্দর মন্তব্য করেছেন আপনি , সাথে কবিতাটা । ভালো থাকবেন।

২০| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৫১

রানার ব্লগ বলেছেন: বড় আফসসের কথা বললেন রে ভাই, যেই দেশে কোন এলাকায় ঢোকার মুখে বড় বড় দুইটা ডাস্টবিন থাকে যার ভেতরে ময়লা কতবছর আগে ভরে গেছে তার খোজ কেউ রাখে না সেই দেশে আপনি আশা করেন কি করে তারা পরিচ্ছন্ন থাকবে।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:০৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
"গলির মুখেই নোংরা-আবর্জনা
আস্ত নরকে নাগরিক আনমনা।

বাজারের শাক-সবজির অবশিষ্ট
নালায় ভাসছে কবেকার উচ্ছিষ্ট
ইটে মুখ ঘষে কাক দেয় ঠোঁটে শান
তোমার জন্য লিখছি প্রেমের গান। '' -- কবির সুমনের গান।

রাস্তার দুপাশে অপরিচ্ছন্ন ডাস্টবিন রাখা মানুষ গুলো খক খক করে কফ ফেলা জাতির প্রতিনিধিত্ব করে। :(

চমৎকার মন্তব্য। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। এই নগরকে আমার নরক হিসাবেই ধরে নিয়েছি। স্বর্গ বানানোর কোন ইচ্ছাও নেই হয়তোবা । ভালো থাকবেন।

২১| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৫৯

রূপম রিজওয়ান বলেছেন: এই লেখাটা অন্য লেভেলের ছিল।
হ্যাটস অফ......

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:০৬

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

অল্প কথায় মূল বক্তব্য প্ৰকাশ করার চেষ্টা করেছি। ব্লগে অনেক বিষয় নিয়ে লেখার থাকে , শেষ পর্যন্ত আর লেখা হয় না।
ভালো থাকবেন আপনি। পাঠ ও মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ।

২২| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৩৫

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
জাতিসংঘের একটি সমীক্ষা বলছে, প্রতি বছর ৫০ লাখ থেকে দেড় কোটি টন প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্রে প্রবেশ করে। এর একটা বড় অংশ যায় মাছ ও সামুদ্রিক পাখিদের দেহে। এমনকি সমুদ্রের তলদেশে থাকা প্রাণীদের শরীরেও প্লাস্টিকের সন্ধান মিলেছে। প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থার (আইইউসিএন) মতে গাড়ির টায়ার ও বিভিন্ন টেক্সটাইল কারখানা থেকে নিঃসৃত ছোট ছোট প্লাস্টিকের বর্জ্য বিশ্বের বিভিন্ন এলাকায় সমুদ্র দূষণের মূল কারণ। মোট দূষণের প্রায় ৩০ শতাংশই প্লাস্টিকের কারণে হয়ে থাকে। অথচ আমরা যে অক্সিজেন গ্রহণ করি তার অর্ধেকই উৎপাদন করে সমুদ্র, অর্থাৎ সমুদ্রের শৈবাল এবং ফিটোপ্লাঙ্কটন নামক এককোষী উদ্ভিদ। সাগর আমাদের আবহাওয়ামন্ডল থেকে পঞ্চাশ গুণ বেশি হারে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাস করে থাকে। সাগরের বৈচিত্র্য এবং উৎপাদনশীলতা সমগ্র মানবজাতির জন্য অপরিহার্য। আমাদের প্রয়োজনেই সাগরকে সুরক্ষা দিতে হবে। ৮ জুন ছিল বিশ্ব সমুদ্র দিবস। এই দিনে আমাদের জীবনে সমুদ্রের গুরুত্ব অনুধাবনের প্রয়াস থাকারই কথা। চলতি বছর ঈদের ছুটির মধ্যে বিশ্ব সমুদ্র দিবস পড়ায় এ নিয়ে বিশেষ কোন আয়োজন দৃষ্টিগোচর হয়নি। তবে আগামীতে সমুদ্র রক্ষা এবং সমুদ্রসম্পদ আহরণের গুরুত্ব বিবেচনা করে ধারাবাহিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে আশা করতে পারি। সমুদ্রের দূষণ রোধে যেমন ব্যবস্থা নিতে হবে, তেমনি এর সম্পদ আহরণেও বিশেষ উদ্যোগী হতে হবে।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:০১

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
মন্তব্যে জরুরি তথ্য প্রদান করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। এতো কিছুর পরেও আমরা সচেতন হবো না। শুকর ই থেকে যাবো।

ভালো থাকবেন আপনি।

২৩| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:১৩

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: সহজ সরল সুন্দর একটা ছোট্ট একটা লেখা। কিন্তু প্রতিবাদের ধরণটা আলাদা। আসলেই আমরা নামে শিক্ষিত হচ্ছি, কার্যত আদিম মানুষের মতো চলছি।

এই ২০২০ সালের ১১ তারিখ আমাদের শেষ পরীক্ষা দিয়ে বেরোয়। কলা কিনি। বন্ধুরা খাচ্ছি। বাকল কোথায় ফেলবো? কলা খাওয়া শেষ কিন্তু বাকল হাতে নিয়ে হাটছি। বন্ধুদের দুই একজন ফেলে দিয়েছে চলার পথেই। মানুষ পা পিছলে পড়তে পারে। তাঁদেরকে ধমকি টমকি দিলাম।

তারপর কিছুক্ষণ হাটার পরও ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট স্থান পেলাম না। পরে একটা জায়গা দেখে ফেললাম যেখান দিয়ে মানুষ চলাচল করে না।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:০৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

চমৎকার মন্তব্য করেছেন। সমস্যা আসলে সেখানে। পর্যাপ্ত ডাস্টবিন পাওয়া যায় না অনেক জাগায়। অস্থায়ী ডাস্টবিন বসালেও চুরি হয়ে যায়।

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

২৪| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১২

ময়ূরী বলেছেন: চমৎকার বলেছেন। আমরা মানবেরাই এখন পশুর চাইতেও ভয়াবহ হয়ে গিয়েছি!!!

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:০৬

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
ঠিক বলেছেন। আমরা পশুর অধম।
মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন। পরিচ্ছন্নতায় থাকুন। শুভকামনা।

২৫| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০১

জহিরুল ইসলাম সেতু বলেছেন: একবার একটা সচিত্র নিউজ দেখেছিলাম, জাপানিজ ট্যুরিস্ট ঢাকার রাস্তায় ময়লা পরিস্কার করছে। লজ্জায় কুন্ঠিত হয়েছি।
শুকরেরও কিছু নীতি-ধরণ রয়েছে, আমাদের তাও নেই। শিক্ষিত হলেও সুশিক্ষার চরম ঘাটতি রয়েছে আমাদের মাঝে। তবু আমি আশাবাদী, একদিন হয়তো মোড় ঘুরবে, সুবোধ ফিরে আসবে।
শুভেচ্ছে স্বপ্নবাজ সৌরভ ভাই। আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে আবারো দেখালেন।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:০৮

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
শুকরেরও কিছু নীতি-ধরণ রয়েছে, আমাদের তাও নেই। শিক্ষিত হলেও সুশিক্ষার চরম ঘাটতি রয়েছে আমাদের মাঝে। তবু আমি আশাবাদী, একদিন হয়তো মোড় ঘুরবে, সুবোধ ফিরে আসবে।


পুরোপুরি একমত। ভালো থাকবেন। অনেক ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.