নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

খুবই সাধারণ

আমি খুব বানান ভূল করি , আর ভালো করে টাইপিংও করতে পারি না । আর আমার ব্লগ পেজটা আমার নিজস্ব ডিজিটাল ব্যক্তিগত ডাইরী হিসাবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি । ঘটে যাওয়া কিছু বা ভালো লাগলে কোন কিছু সংরক্ষন করে রাখবো এখানে , যেন চাইলেই পড়তে বা খুজে পেতে পারি ।

খুবই সাধারণ

Own Company at Loading... ██████████████] 99% একা থাকতেই বেশী ভালো লাগে । কেনো জানি না , যতক্ষন একা থাকি, ততোক্ষন মনে হই , আমি সাবার সাথেই আছি ... যেকোন কাজ একা করতে, একা একা ভাবতে ভালো লাগে ... মাঝে মাঝে রাতে একা একা বাস্তায় হাটতে খুব ভালো লাগে ...

খুবই সাধারণ › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাসেল

২১ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৩:৩২

#‎পর্ব_১‬

ছেলেটির নাম রাসেল ।

নিদারুন বান্দর । বন্ধুদের সাথে দিনে ১৮ ঘন্টা কাটানো , লাফালাফি , মারামারি সাইতানিতে মোটামুটি সে বস । খেলাধুলাই ভালো।

ছেলেটা শুকনা , গায়ের রঙ শ্যমলা , দামী জামা-জিন্স পড়লে মনে হয় ভালো ঘরের ছেলে, আবার একটু সস্থা পোশাকে মনে হই - রিকশাওলার ছেলে

ছেলেটার HSC - 2nd ইয়ারের ছাত্র । SSC তে D গ্রেড পেয়ে যে মজা করেছিলো, তা মানুষ ডবল A+ পেলেও তা করে না ।

ছেলেটার হটাথ একটা মেয়ে কে দেখে বেশ পছন্দ হল । মেয়েটা সবে মাত্র নিউ ফাস্ট ইয়ার, পাশের কলেজের । তারপর বব্ধুত্ত। মেয়েটার আগ্রহ বেশী ছিলো । এক পর্যায়ে শুরু হল প্রেম । সবই মোবাইল ফোন আর চোখে চোখের ইশারাই । ছেলেটির জীবনের প্রথম প্রেম ।



মেয়েটা ছিলো সম্ভ্রান্ত ঘরের মেয়ে । মেয়ের বাবা - চাচা- মামারা ছিলেন শহরের নামী-দামী রাজনীতিবীদ । বেশ ক্ষমতাবান । সে তুলোনায় ছেলে ছিলো অতি এবং অতি সাধারন ।



মেয়েটার সাথে দেখা করা , কিনবা সরাসরি কথা বলা বেশ অসম্ভব ছিলো , কারন তার বাসার লোক জন যখন তখন জেনে ফেললে অনেক সমস্যা হতে পারে ...

প্রেমের কয়েক মাস পর একটা বুদ্ধি বের করল । বুদ্ধি টা কিছু টা এমনই- রাত ১২-১ টার দিকে মেয়ের বাসার সবাই ঘুমিয়ে পডবে ,তখন ছেলেটা পাচিল টপকিয়ে – মেয়ের ঘরে আসবে , তারপর ফজরের আজান দিলে , ছেলেটা চলে যাবে । এভাবে চলবে সপ্তাহে ২-১ বার ।



শুরু হলো বুদ্ধিকে বাস্তব করা । ছেলেটা সপ্তাহে ২-১ দিন বন্ধুর ছূতা- এ ছূতা দিয়ে চলে যেত । তারপর সারা রাত গল্প, মাঝে মাঝে রোমান্টিকতাও তাদের মধ্যে চলে আসত ... ;*!



এভাবে চলল দেড় মাসের মত ।



একরাতে মেয়েটার ফোন পাবার পর,ছেলেটা বাসায় কোন একটা ছুতা দেখিয়ে , বেরিয়ে গেলো রাত ১২ টাই বাসা থেকে ।তারপর পাচিল টপকালো , যখন মেয়েটার ঘরের সামনে আসলো , তখন দেখলো , মেয়েটা কল করেছে । প্রায় সে ফোন দিত – “আর কত দূর, কই তুমি “ এমন ধরনের কথা শোনার জন্য ।

প্রতিবার মেয়েটার রুমের কাছে যাবার পর, ছেলেটা আসতে আসতে রুমের দরজা খুলত । তারপর মেয়েটা ছেলেটাকে ঘরে ঢূকিয়ে ,দরজা বন্ধ করত । প্রতিবারের মত , এবারো সে তাই করলো ।

কিন্তু এবার ঘটল ব্যতিক্রম কিছু ।

ছেলেটা দরজা খোলার সাথে সাথেই ভক ভক করে সিগারেটের ঘন্ধ বেরিয়ে আসলো । ;O তার ভেতরে বসা একজন লোক তার দিকে তাকালো। চোখা-চুখি হল... ছেলেটা স্তব্ধ হয়ে গেলো। Oo কি করবে বুঝতে পারলো না । ভয়ে কাপতে শুরু করলো । দৌড়াবে , নাকি কি করবে কিছু ভেবে ওঠার আগেই, লোকটা বল্লো ... ওই দাড়া ।



পাথর হয়ে গেলো ছেলেটা । মুখ বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো ।

বিদ্যুতের গতিতে লোকটা এসে , সজোরে চড় কষে দিলো ............ !

‪#‎পর্ব_২‬

আমি ছেলেটার গল্পটা এখানেই শেষ করলাম ।



এবার আসি রাসেলের বন্ধুদের গল্পে ।



সকাল থেকে রাসেলের কোন খোজ নেই ।

রাসেলের বাসা থেকে ফোন , রাসেল রাতে বের হয়েছে, এখনো ফিরে নি ।

রাসেলের বন্ধুরা এত দিন জানতো না, রাতে ওরা দেখা করে । রাসেলকে খোজা খুজি শুরু হলো । কোথাও পাওয়া যায় না ।

সকাল গড়িয়ে দুপুর ।

থানায় খোজ নেওয়া হলো , পেলো না ।

হাসপাতালে খোজ নেওয়া হলো , তাকে পাওয়া গেলো ।



হাত-পা কোথাও কোথাও নীল হয়ে রক্ত জমে গেছে , কোথাও বা ফেটে গেছে । হাতের আংগুল গুলো আর হাতের কবজি ভেঙ্গে গেছে । ঠোট ফেটে, , দাত ভেঙ্গে গেছে । সারা পিঠ আর পায়ে রক্তের জমাট বেধে কালো হয়ে গেছে । এখনো জ্ঞান ফেরেনি । একটা জীবন্ত লাশ শুয়ে আছে, হাতে পায়ে ব্যন্ডেজ, মেঝেতে একটা সাদা চাদরে ।



তার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলে চোখের পানি কেউ ধরে রাখতে পারবে, এমন শক্ত মনের মানুষ হয়ত নেই ।



ডাক্তরদের জিঙ্গাসা করলে বলে - কে যেন মাঝ রাতে হাসপাতালের বারান্দায় ফেলে গেছে ওকে ।



এখনো পর্যন্ত শুধূ বন্ধুরাই ওকে খুজে পেয়েছে । তার পরিবারকে কিভাবে জানাবে কিচ্ছু বুঝতে পারলো না ।

তারপরেও সাহস করে জানালো । রাসেলের বাবা মা আসলো , তারপর যা হই , মা বাবা পাগলের মত হয়ে গেলো ।



‪#‎পর্ব_৩‬

রাসেলের ২ দিন পর জ্ঞান ফিরলো । রাসেল কথা বলতে পারছে না ।

এত আস্তে আস্তে কথা বলছে আর এত কষ্ট করে যে , তা বোঝাই যাচ্ছে না ।

সে কারণে , সেদিন রাতে কি হয়েছিলো এ কারণে তাকে কেউ জিজ্ঞাসাও করছে না ।

তাছাড়া, রাসেলের বয়স্ক মা - খালারাদের কেউ কেউ তথাকথিত কুসংষ্কার ধরে বসে আছে,- "জিনের আসর, পেতনির জুলুম, ইত্যাদি " ।

আবার কেউ কেউ ছিনতাইকারীর আক্রমন , ইত্যাদি ইত্যদি ।



কিন্তু রাসেলের মা চেরেকে ফিরে পেয়েছেন - এতেই খুশি । আর বন্ধুরা এটাও জানে য়ে রাসেলের এমন কোন শত্রু নেই যে, এর হাল এমন করবে ।



কয়েকদিন পর রাসেল সামান্য সুস্থ । এখনো সে হাসপাতালে । রাসেল চুপচাপ থাকে , কাওকে কিচ্ছু বলে না । তাকে কি হয়েছিলো - জিজ্ঞাসা করলে , চুপ করে থাকে । কখা বলতে কষ্ঠ হচ্ছে , এমন একটা রূপ ভেসে ওঠে ।



হাসপাতালে থাকতে থাকতে, সেদিন বন্ধুরা রাসেলের বেডের পাশে বসে , মাথাটা কোলের উপর রেখে , জিজ্ঞাসা করলো আবার ।



রাসেল কিচু সময় চুপ করে থেকে - চি্থকার করে কেদে উঠলো । হাওমাও বন্ধুদের জঢ়িয়ে ধরে কেদে উঠলো । বাচ্চাদের মত করে কেদে বলে উঠলো - "আমি ওকে কোনদিন মাফ করবো না, কোনদিন না ।"

বার বার একই কথা বলতে থাকলো, কিছুসময় কেদে কেদে, সে বলতে শুরু কররো ....



‪#‎পর্ব_৪‬

এবার আর কারোর গল্প না , না সেই কলেজের বা না সেই মেয়ে বা বন্ধুদের কথা ...

এবার রাসেল কেদে কেদে যা বলেছলো ...



ঘরের মধ্যে ছেলেটাকে দেখার পর , সে দেৌড়াবে নাকি দাড়াবে , সেটা ভাবার আগেই, লোকটা জামার কলার ধরে ফেললো ।



প্রথম চড় খাবার পর হমভম্ভ হয়ে গিয়েছিলো রাসেল। জীবনের প্রথম এমন ধরনের পরিস্থিতিতে সে কি করবে বা করা উচিত সে বুদ্ধিঞ্জান হারিয়ে ফেললো ভয়ে ।



লোকটি তার জামার কলার চেপে ধরে-

“ কি রে ? চুরি করতে এসেছিস???”

না , আমি চোর না , শুনেনে …

কুত্তার বাচ্চা এত রাতে কি ? কি করে ঢুকলি????

না, মানে ………….

( সে সব বলতে গেলো , কিন্তু কি বলবে সে , আপনার বাসার মেয়ের সাথে আমি দেখা করতে আসি … , বলতে যেয়েও সে বলতে পারলো না , মুখ বন্ধ হয়ে গেলো লজ্জায় )))

চুপ কেনো … বলে লাগিয়ে দিলো সজরো আরো দু একটা চড় …



রাসেল পুরো হকচকিয়ে গেলো ।

রাসেল হঠাথ চিন্তা করলো , চুরি বেশী অপরাধ , নাকি তার বোনের সাথে যেৌনতা ??? সেকি বলবে ,

কিন্তু কাজগুলো এত দ্রুত হচ্ছে যে কোন ভাবনায় শেষ করতে পারছে না ।



ততক্ষনে বাড়ির আরো ৩-৪ জন পুরুষ চলে আসলো ,

কি হয়েছে রে ,

চোর পাইছি …

মার শালারে …

কেমন যেন , তারা বিদ্যুতের গতিতে ছুটে এলে । পাগলা কুকুরের মত তাকে নিয়ে টানা হেচড়া শুরু করলো । কেউ কেউ তাকে চড়-কেউ গালি, যে যার মত ব্যবহার করতে শুরু করলো ।



এমন সময় রাসেল মেয়েকে এক পলক দেখলো , সে বারেন্দায় এসেছে । তাকে দেখে সে কিছুটা সস্থি পেলো ।

কিন্তু মুহূর্তেই মেয়েটা দেৌড়ে আবার ভেতর চলে গেলো ।



রাসেল এই সময় দেখলো কে যেন ওর দিকে ক্রিকেট খেলার ষ্টাম্প নিয়ে বেশ গতিতে আসছে ।



রাসেল ভয়ে বলে উঠলো – “ আমি লিজার কাছে ……………….

কথা শেষ করার আগেই , ষ্টাম্প দিয়ে সজরো বাড়ি মাররো রাসেলের পায়ে , আর বলে উঠলো , “ নেশা করিস খা**কির পো*….



রাসেল কথাটা আর শেষ নামাতে পারলো না আর “নেশা করিস” এর কথার তীব্রতায় হারিয়ে গেলো , তার সত্যতা …



রাসেল মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে…



রাসেল মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে… শুরু হলো অত্যাচার

রাসেলের গায়ে একটার পর একটা বাড়ি পড়ছে । রাসেলের মুখ বন্ধ হয়ে গেলো । হাজার চেষ্ঠা করেও রাসেলের মুখ দিয়ে শব্দ উচ্চারণ করতে পরছে না । তার শরীল যেন সব কাজ বন্ধ করে দিয়েছে ভয়ে আর আঘাতে…



একটা চোর কে যেভাবে মারা হয় সেভাবে সেভাবে একটা সাধারণ ১৮-১৯ বছরের ছেলেকে মারা হলে , তা সহ্য করা সম্বব নয় । আরো শুনেছি , চোরেরা চুরি করার আগে , একপ্রকার নেশা করে , যাতে সে ধরা পড়লে , কেউ মারলে ব্যথা কম লাগে । আর রাসেল তো সেন্ট্রাল ফ্রুট খেতে-খেতে আসিছিলো ।



রাসেল আর্তনাথ করতে থাকলো , লিজা , আমাকে বাচাও, আমি মরে যাবো …

কিন্তু সে শব্দ এতই ক্ষীর্ণ যে, নিজের কানে , লাথি, চড় আর ষ্টাম্পের শব্দই ছিলো তীব্র ।

রাসেলের একসময় আর কিছু মনে নেই ।





‪#‎পর্ব_৫‬

রাসেল , লিজার অনেক কথা হলো , এবার আমার কথা বলবো ।



রাসেলের মোটামুটি সুস্থ হতে ৪-৫ মাস লেগে গিয়েছিলো ।



সেদিন ভেবে নিয়েছিলাম , মেয়েকে দেখে নিবো । প্রতিটি চোখের পানির হিসাব নেব ।

কিন্তু কিছুই করতে পারিনি , কারণ মাত্র ৩ মাসের মধ্যে লিজার বিয়ে হয়ে যায় র্যছবের এক উদ্ধতন কর্মকর্তার সাথে । একজন সম্ভ্রান্ত রাজনৈতিক পরিবার এবং ব্যবের এক উদ্ধতন কর্মকর্তার সাথে আমাদের মত সাধারণ ছেলেরা কখনোই পারবো না ।



রাসেলের অনেক প্রশ্নের উত্তরে উঠে এসেছিলো, রাসেল যখন প্রথম লোকটাকে দেখেছিলো , টোবিলে তখন কয়েকটা ফেনসিডিলের বোতল ছিলো ।

তাতে বুঝেছিলাম , লোকটা সম্পূর্ন নেশার ঘোরে ছিলো ।



রাসেলের কথায় যুক্তি পাচ্ছিলাম না , কারণ ঐ দিন মেয়েটা কেনো ওকে দেখে চলে গিয়েছিলো , মেয়েটা তো ওকে বাচাতে পারতো । আবার মেয়েটা তো কল করেছিলো , তাহলে রাসেলকে কি মারা হয়েছিলো কোকন শত্রুতার কারণে ।



খুব রেগে আর সাহস করে , একদিন লিজাকে প্রশ্নের সম্মুখীন করেছিলাম …

মানুষ এতটা আত্নকেন্দ্রিক আর স্বর্থপর হতে পারে , সেদিন আমি প্রথম বুঝেছিলাম ।



লিজা বলেছিলো ,

তাকে কল করার পর , ওর ভাই ওকে বলেছিলো কিচ্ছুক্ষন উপরের ঘরে থাকতে । মাঝে মাঝেই ওর ভাই এভাবে বাইরে যেতে বলে – নেশা করত, ২-১ টা সিগারেট টেনে আবার চলে যেত । কিন্তু লিজা আবার কল করেছিলো রাসেলের কাছে, কিন্তু রাসেল ফোন ধরে নি ।



রাসেল কে যখন প্রথম ধরা হয় , লিজা ভেবেছিলোম ২-১ টা চড় মেরে হয়ত ছেড়ে দেবে ।সব সমস্যা মিটে যাবে ।



কিন্তু ওর পরিবারের এমন কান্ড দেখে সে নিজেই ভয় পেয়েছিলো । তার বাবা-মা – পরিবারের সবাই তাকে অনেক আদর আর অঘাত বিশ্বাস করে । তাই সে লজ্জায় কিছু বলতে পারি নি ।

সে নিজের যেৌনতার কুর্মের কথা কাউকে জানাতে চাচ্ছিলো না আর যদি সবাই জেনে যাই , তাহলে সে মুখ দেখাবে কি ভাবে … তা্ই সে চুপ করেছিলো , কিন্তু সে অনেক কষ্ট পেয়েছিলো ।



---- এই ছিলো লিজার কথা এর পর আর কিছু শুনতে চাইনি আমি ।



পরবর্তী রাসেলের প্রতিবাদে কোন বিচার হয়নি …

কারণ, ক্ষমতাবানদের একটা ক্ষমতা থাকে , সেটা হলো – “যা হয়েছে, হয়ে গেছে, এখন একটা ভূল তো হয়ে গেছে বাবা, এই নাও কিছু টাকা , সব বাদ দাও”…. ক্ষমতাবানদের এই সামান্য কথাই - অনেক কথাকেই নিমিশেই হারিয়ে যায় । …



রাসেলের মত হাসিখুশি ছেলেগুলোর ভালোবাসার যন্ত্রনা, হেরে যাবার যন্ত্রনা, লজ্জায় নিস্থব্ধ হয়ে যায় , ধুলোই চাপা পড়ে যায় সব কিছু । যেৌনতা মানুষেরই সৃষ্টি, আর মানুষের জন্যই সৃষ্টি , থাক না লিজার মত সুন্দরীরা যেৌবনের সম্মান নিয়ে আর

রাসেলরা মারা যাক, তাতে এমন ভালোবাসা আর সৃষ্টি হবে না ।



সবাই যখন মারছিলো, তখনো রাসেল লিজার ঘরের দরজার দিকে ঝাপসা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আশা করেছিলো ছিলো যে, লিজা এসে ওকে জড়িয়ে ধরবে, আর সবাইকে বলবে, আমি রাসেলকে ভালোবাসি …

_______________________________

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.