| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৌরভ (জ্যাকরেবিট)
একজন স্বাধীনচেতা শালিক, যে সীমান্তে আবদ্ধ নয়!
আমরা যখনই সেন্ট্রালাইজড করে কিছু ভাবি তখনই আমরা এতে এতোই বিভোর হয়ে যাই যে আশেপাশের সবকিছুর বলয় থেকে বেরিয়ে (এখানে ছিটকে পড়া বলাটা বোধহয় ঠিক হবে) সেই বিষয় নিয়েই ভাবতে থাকি এবং এর নেগেটিভিটি নিয়ে কখনোই চিন্তা করি না। কিন্তু দিনশেষে সবকিছু পজেটিভ হবে এটা ভাবারও কোনো কারণ নেই। আমাদের জীবনে পজেটিভ থিংস নেগেটিভ থিংস পাশাপাশি এক্সিস্ট করে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো কেন্দ্রীভূত হয়ে ভাবার কারণে পারিপার্শ্বিক বাকী সবকিছু আমরা বাদ দিয়ে দেই, অনেকটা নিজের অজান্তেই।
কিন্তু একটা সময় ঘোর ভাঙ্গে, আমাদের কেন্দ্রীভূত ভাবনা আমরা যেভাবে ভেবেছিলাম সেভাবে বাস্তবায়িত হয় না। আর তখনই আমরা ফ্রাস্টেইটেড হয়ে পড়ি এবং যেকোনভাবেই আগের অবস্থানে ফিরে যেতে চাই। কারণ যেকোন ভাবনা থেকেই আশার সঞ্চার হয়, এবং আশা একটা ভয়ংকর ব্যাপার, এটা মানুষকে কখনো কখনো উন্মাদেও পরিণত করতে পারে।
ডিসেন্ট্রালাইজেশনের দরকারটা এখানেই। আমাদের আবেগ, অনুভূতি, ভালোলাগার কাজ, প্যাশন এসব একমূখী করে ফেলা উচিত নয়। তাহলে আমাদের ক্ষেত্রটা ছোট হয়ে পড়ে, ভাবনা চিন্তাও একই কক্ষপথেই ঘুরতে থাকে। তখন আমরা আমাদের ব্রেইন কে ড্রাইভ করতেও পারি না। হ্যা, এটা ঠিক যে যেকোনো স্ট্রং ফিলিং আমাদের আমাদের বিচারিক ক্ষমতা কমিয়ে দেয় কিন্তু চুড়ান্ত কোনোকিছুর জন্য মনস্তাত্ত্বিক প্রিপারেশনের দরকারটা সবচেয়ে বেশী এবং আমরা তখনই প্রিপেয়ার্ড হতে পারি যখন আমরা সার্টেইন কিছু নিয়ে না ভেবে অনেক অনেক বিষয় নিয়ে ভাবতে থাকি। এতে করে যেটা হয় সেটা হচ্ছে, আমাদের শিফট করতে সুবিধে হয়। আমাদের ব্রেইন কে আমরা এক চিন্তা থেকে অন্য চিন্তায় ডাইভার্ট করতে পারি। নলেজ গেদার করা, ইমেইজ করা এসব মূলত চিন্তা থেকেই জেনারেটেড হয়ে আসে। তাই চিন্তার গুরুত্ব অপরিসীম।
তাই ভাবুন, চিন্তা করুন, প্রশ্ন করুন,
জানার চেষ্টা করুন তবে শুধু এক বিষয়েই নয়;
অনেক বিষয়ে।
কাজ করুন ডিফারেন্ট ফিল্ড নিয়ে।
শুভকামনা।।
©somewhere in net ltd.