নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

স্রোতের অজানা টানে সমুদ্র বালিয়াড়ি বেয়ে বোহেমিয়ান- গৃহকোন, জীবন যাপন ফেলে চলে যায়। তুমি দুহাত বাড়িয়ে আলিঙ্গনে বাঁধতে চাও জোছনা গলে হারিয়ে যায় সুখ । আছড়ে পরা ঘূর্ণিজল মনে বাজায় অচেনা সবুজ দিগন্ত ..

রোকসানা লেইস

প্রকৃতি আমার হৃদয়

রোকসানা লেইস › বিস্তারিত পোস্টঃ

নিষিদ্ধ গন্দম

১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:০২


যৌনতা খুব স্বাভাবিক একটা বিষয় মানব জীবনে। এই স্বাভাবিক বিষয়টিকে অস্বাভাবিক করে তোলা হয়েছে ভাবনা দিয়ে।
মানুষের জন্মই যৌনতার মাধ্যমে। অথচ মানুষের যত লজ্জা আড়াল রাখ ঢাক, এই যৌনতাকে ঘিরে।
যে বিষয়টা না থাকলে মানব জীবন হয়ে যাবে শূন্য মরুভূমি। যে বিষয়টাকে প্রতিটি মানুষ আকাংঙ্খা করে সে বিষয়টাকে খুব যত্নে দূরে রাখার শিক্ষাটা দেওয়া হয় সামাজিক ভাবে, ধর্মীয় ভাবে পারিবারিক ভাবে।
দূরে থাকো দূরে থাকো। ছেলেরা মেয়েদের দিকে তাকাবে না। মেয়েরা ছেলেদের দিকে তাকাবে না । মেয়েদের দেখা পাপ। ছেলেদের দিকে তাকানো পাপ। পর পুরুষ পর নারী দূরে থাকা এমন ভাবনাগুলো মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।
এই পাপ, বোধের ভাবনা মাথায় দিয়ে নিজের ভাবনা এবং শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করার শিক্ষা যতটা দেয়া হয় আমাদের সমাজে।
নিজের শরীর, ভাবনা এবং প্রয়োজনীয় বিষয়টাকে বোঝার শিক্ষা ততটা দেয়া হয় না কোথাও তেমন ভাবে, না শিক্ষা ক্ষেত্রে, না পরিবারে। স্কুলের পাঠ্য পুস্তকে ষষ্ট বা সপ্তম শ্রেণীতে একটা অধ্যায় আছে যেখানে শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গ এবং তার কার্যক্রম সম্পর্ক, শিক্ষা দেওয়া হয়। উপরের শ্রেণীতে আরেকটু বিস্তৃত আলোচনা করা হয়।
যেটা খুব স্বাভাবিক একটা বিষয় সেই বয়সের বাচ্চাদের শরীর এবং জীবন চক্র সম্পর্কে জানার জন্য।
অথচ বেশির ভাগ স্কুলে এই চ্যাপ্টারটা পড়ানো হয় না। কোন কোন শিক্ষকরা মুখ নিচু করে লাজুক ভাবে বলে দেন এই চ্যাপ্টারটা পড়ে নিও। কিন্তু এই চ্যাপ্টারের বিষয় বস্তু সম্পর্কে অভিজ্ঞ ব্যাখ্যয় শরীর, মন সম্পর্কে জানানোর প্রয়োজনীয়তা শিক্ষকরা তেমন অনুভব করেন না। পরিবারেও কিশোর কিশোরীদের সাথে অভিজ্ঞ বিষয়ে কোন ধারনা দেন না অভিভাবক। বরং এই বিষয়টি পুরোপুরি নিষিদ্ধ আলোচনার উর্ধে একটা বিষয় মনে করে দূরে সরিয়ে রাখেন।
প্রকৃতিগত ভাবে তাদের শরীর বেড়ে উঠা বা মনের মধ্যে নতুন ধরনের অনুভুতি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে কি ভাবে তার শুদ্ধ ব্যবহার করতে হবে সে সম্পর্কে জানান না। আড়ালের নিষিদ্ধ একটি বিষয় হিসাবে তারা জানে। এবং নিষিদ্ধ বস্তুর প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠে খুব স্বাভাবিক ভাবে।
আমার স্কুল পড়ার সময় দেখেছি আমার বন্ধুরা মুখ টিপে হাসা হাসি করত বইয়ে কিছু পড়ে। আমি তখনও রূপকথার রাজ্যে থাকতাম আমি কখনো বইয়ের পিছনের সে পাতা পর্যন্ত উল্টিয়ে দেখিনি। ওদের হাসাহাসির কারণ জানতে চাইলে বন্ধুরা আমাকে দেখিয়ে দিয়েছিল এটা পড়ে দেখিস। কিন্তু কোন টিচার আমাদের সেই চাপ্টার পড়াননি।
পরিচ্ছন্ন নয় আলো আঁধারির একটা ভাবনা আমাদের মনের মধ্যে নিজেরা শরীর এবং সম্ভাব্য কিছু বিষয় ভাসাভাসা ভাবে এঁকে নিতাম।
এখন ওপেনলি অনেকে লিখেন। কিশোর বয়সে নারী দেখার আগ্রহ বা লুকিয়ে নানা পর্ণ বই পড়ার বিষয়গুলি অনেকেই লিখে ফেলছেন। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় যখন প্রথম নারী দেখার আগ্রহে, দেবী মূর্তির দিকে তাকিয়ে ছিলেন, এই বিষয়টা প্রকাশ করলেন তখন বিশাল হৈচৈ হয়েছিল। দেবীকে কাম চোখে দেখেছেন বলে। অথচ এটা ছিল স্বাভাবিকতা এবং তিনি সেটা প্রকাশ করেছিলেন স্বাভাবিক ভাবে। কিন্তু বুঝতে না পারা মানুষ অনেক হৈ চৈ করেছিল বিষয়টি নিয়ে।
অথচ এমন না যে এই মানুষগুলো কামহীন। কিন্তু নিজেকে পবিত্র্ দেখানাো এক ধরনের চেষ্টা করার ভাবনাও সমাজে দেওয়া হয়।
একটা মুভি দেখেছিলাম, যেখানে একজন বৌদ্ধধর্মাবলম্বী মঙ হওয়ার সাধানায় নিজেকে পবিত্র করার জন্য নির্জনে একা জীবন যাপন করছে কিন্তু তার চোখের সামনে কেবল ভাসছে নারী। এবং শেষ পর্যন্ত সে তার ব্রত শেষ করে মঙ হতে পারল না স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল।
তেমন ভাবে নানদের যৌন সংসর্গ এড়িয়ে চলতে হয়। প্রিস্টদের দূরে থাকতে হয় নারীদের থেকে। মোল্লা মৌলভীদেরও নারী থেকে দূরে থাকার শক্ত নির্দেশ দেওয়া হয় কিন্তু দেখা যায় যত ধরনের অপকর্ম এইসব ধর্মশালাগুলোতে গোপনে হয়ে থাকে।
গত শতাব্দিতে বহু এতিম শিশু যারা অনাথ আশ্রমে এবং চার্চে লালিত পালিত হয়েছিল তাদের জীবনের ভয়াবহ ঘটনা নিয়ে তোলপাড় হচ্ছিল কয়েক বছর আগে সমস্ত মিডিয়া।
সেই সব অসহায় ছোট শিশু গুলো বয়স্ক হয়েছে কিন্তু ভুলতে পারে নাই যৌন নির্যাতন শিশুকালের। অনেকের সাথে যোগাযোগ করে এক হয়ে সবাই মিলে অভিযোগ এনেছিল প্রিস্ট এবং রক্ষকদের বিরুদ্ধে। অবশেষে শাস্তি হয়েছে অনেকের যারা বেঁচে আছে তাদের।
এখন দেশে প্রচুর মাদ্রাসা শিক্ষক বলৎকার এবং ধর্ষণের জন্য ধরা পরছে।
যত বেশি নিষিদ্ধ ততবেশি গন্দম ফলের জন্য আগ্রহ মানুষের।
একটি শিশু সাত আট বছরে আমি হয়ে উঠে যা আমাদের ধারনার বাইরে। তাদের নিজস্ব ভাবনা চিন্তা ডেভলাপ করতে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশি ধারনায় একটা শিশু কখনো সে নিজস্ব সত্বা হয়ে উঠে না। সব সময় বাবা মায়ের কাছে শিশুই থেকে যায়। তাই অভিভাবক তাদের পরিবর্তন গুলো বোঝারই চেষ্টা করেন না। সাথে তাদের নৈতিক অনৈতিক বিষয়গুলো বোঝার চেষ্টা করেন না। প্রতিটি বছরে ধাপেধাপে মানব শরীরের পরিবর্তনের সাথে মানসিক পরিবর্তন গুলো হয় এটা বিজ্ঞান। তা অস্বীকার করার উপায় নাই। অথচ সমাজিকতায় এই বোঝার বিষয়টি দূরে রাখার প্রবনতা।
অনেকের ধারনা এখনো বড় হয়নি। বিয়ের বয়স হলে বলা যাবে কিন্তু সে বয়স পর্যন্ত বাবা মা কেউ তাদের সাথে শরীর, মন নিয়ে কখনো আলোচনা করেন না, কিছু ব্যাতিক্রমী পরিবার ছাড়া। বরং বাচ্চারা শিখে বন্ধু বান্ধবের থেকে অনেক কিছু বর্তমান সময়ে খুব সহজে অর্ন্তজাল থেকে, অনভিজ্ঞতা আর কৌতুহলের বিষয় হিসাবে। যা আগ্রহের বিষয় দেখে জানে কিন্তু সঠিক ভাবে ব্যবহার শিখে না।মূল্যায়ন হয় না ভালো মন্দ । শুধু জাগে আকর্ষণ অচেনা জগতের প্রতি।
অনেকে খুব সহজে বর্তমান সময় খুব খারাপ, এই সিস্টেম ঐ সিস্টেম খারাপ প্রভাব ফেলছে এমন অনেক কিছু অভিযোগ চট জলদি করে ফেলেন কিন্তু মূল বিষয়ে আলোকপাত করে তার সঠিক সমাধানের চেষ্টা করেন না। জানার চেষ্টা করেন না সন্তান কোথা থেকে, কি শিখছে।
বিদেশের পড়ালেখার সিস্টেমে বাচ্চাদের ক্লাস সিক্সে মানব জন্মের সমস্ত প্রক্রিয়াটি চাক্ষুষ দেখিয়ে, শিখানো হয় এবং তার সঠিক ব্যবহার পদ্ধতি, উপকারিতা অপকারীতা সম্পর্কে পরিস্কার ভাবে তাদের জানানো হয়।
বাচ্চাদের যে এ বিষয়ে জানানো হবে তা অভিভাবকদের আগে থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় তাদের অনুমতি চাওয়া হয়। কিন্তু অনেক অনুন্নত দেশের অভিভাবক বিদেশের উন্নত দেশে থেকে তাদের সন্তানদের শিক্ষার এই অধ্যায়টা যেন বাচ্চাদের শিখানো না হয় তা নিয়ে আপত্তি তুলেন বা অনুমতি দেন না। অনেক সময় খবর পাওয়া যায় কমিউনিটির বয়স্ক লোক শিশু নির্যাতন করেছে। এজন্য আরো অল্প বয়সে, নিচু শ্রেণীতে শিক্ষা ব্যবস্থায় শরীর সম্পর্কে জানানোর বিষয় অর্ন্তভূক্ত করার উদ্যোগ নিলে অভিভাবক, হা রে রে রে, গেলো গেলো করে তেড়ে উঠেন। এবং বাঁধা দেন।
অনেক অভিভাবক বাচ্চাদের সহজ মেলামেশার উপর নিষেধ দিয়ে রাখেন ফলে সেই সন্তানটি গোপনে অনেক কিছুর প্রতি আগ্রহী হয়। বয়সের ধর্ম অনুযায়ী। অভিভাবক বুঝুক না বুঝুক, চান না চান শরীর মনের পরিবর্তন গুলো আসবেই। এই পরিবর্তন স্বাভাবিক সুস্থ মানুষের মধ্যে যেমন আসে, মানসিক বা শারীরিক প্রতিবন্দীর মধ্যেও হয়। এটাই সুস্থ স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। একে অস্বীকার করার কোন উপায় নাই।
এজন্য যতটা সম্ভব গাইড লাইন নিজেরা দিয়ে দিলে খোলামেলা আলাপ করলে অনেকটা হয়তো সংযত হতে পারে কোমলমতি বাচ্চারা কৌতুহলের সাথে অপকারীতার ভয়ও তাদের মনে থাকবে।
খুব বড়াই করে অনেকে বলেন এখন সব খারাপ, আগে ভালো ছিল। কিন্তু এই একটা বিষয় আদি কাল থেকে একই রকম। রাজা বাদশাদের হেরেম, বাইজী খানা থাকত। পত্নী ছাড়াও উপপত্নী অনেক থাকত। এছাড়া আদি পেশা, পতিতালয়ে মেয়েদের রাখার নিয়ম সব সময় ছিল। মেয়েদের যেহেতু নানা ভাবে দমন পীড়নের মধ্যে রাখা হয়েছে সব সময়। তাই নারীরা বাধ্য হয়ে যেমন কেউ বিয়ের সাজে রাণী হয়েছেন, আবার কেউ বেশ্যা হয়েছেন। অবস্থার উপর নির্ভর করে।
রানী কিন্তু চোখের জলে ভেসেছেন রাজা তো বাইজী বা হেরেমে বা উপপত্নীর সাথে । ঘরে ঘরেও ছিল বান্দীর ঘরের এবং বেগমের ঘরের সন্তান । যা পরবর্তিতে ঠেকেছে চাকরানী বা কাজের লোকের সাথে সম্পর্কে। আরো পরে অফিসের কলিগের সাথে। অসহায় স্ত্রীদের করুণ সংসার সব সময়।
নিয়ম করে ছোট মেয়েদের বিয়ে দেয়া হয়েছে আগের সময়ে । ছোট মেয়ে বড় হওয়ার অপেক্ষা সময়ে, স্বামী অন্যকারো বাহুলগ্না হয়ে কাটিয়েছেন।
ঐ অনেক বয়সের স্বামীটি বিয়ে করেই আবার বউ রেখে চলে যায় দূরে কাজের জন্য। বিবাহিত দুজন মানুষকে তখন থাকতে হয় নিজেদের ইচ্ছা ভুলে ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, শামসুদ্দীন, আবু জাফর, সুচিত্রা মিত্র, মৈত্রেয়ী দেবী এবং আরো অনেক লেখকের লেখা গল্প উপন্যাস্যে, রাজা জমিদার ছাড়াও সাধারন মানুষের জীবনেও যে এমন অবৈধ সম্পর্ক গুলো ছিল তা সমাজের প্রতিফলন লিপিবিদ্ধ হয়েছে।

এত কিছু ঘটনা মানুষরা ঘটাচ্ছে আবার মানুষরা এক প্রক্রিয়ায় জন্ম নেয়া শিশুকে বৈধ অবৈধ নাম করণ করছে।
যত গুলো দেশ বেশি রক্ষণশীল নারী পুরুষের সম্পর্কে, সহজ মেলামেশায়, সেসব দেশের পুরুষ অনেক বেশি বিকৃত ভাবে আকৃষ্ট নারীর প্রতি।
আর এক ধরনের মানুষ নিজেদের পেশা করে নিয়েছে, নারীর শরীরকে মূলধন করে। তাদের তৈরি করা ছবি যা নীল ছবি নামে খ্যাত। ছবিতে যা দেখা যায় বাস্তব তার চেয়ে বহু দূরে অথচ ব্যাটম্যান, সুপারম্যানের দালানের উপর থেকে ঝাঁপ দেয়া দেখে আকৃষ্ট হওয়া আর পর্ন মুভি দেখে সে রকম আচরণ করার চিন্তাটা অনেকটা একই রকম। কোনটাই বাস্তব নয় কিন্তু মানুষ নেশায় বুদ হয়ে যায় ছবির মতন হিরো হওয়ার স্বপ্ন দেখে।
আকাম কুকাম করার চিন্তা মাথায় ঘুরঘুর করে।
তবে নীল ছবি ছাড়াও প্রকৃতগত ভাবে মানুষ বিচিত্র স্বভাবের হয়। কারো মাথায় জৈবিক চিন্তা সব সময় থাকতে পারে। কারো এর জন্য কোন ইচ্ছা জাগে না এমনও আছে উল্টো ভাবে । অনেক অবাধে মেলামেশার সুযোগ আছে এমন দেশগুলোতে ইদানিং অনেকেই এত ব্যাস্ত নিজের কাজ ক্যারিয়ার জীবন নিয়ে, তাদের যৌন বিষয় নিয়ে ভাবার মতন সময়ও থাকছে না, ত্রিশ পয়ত্রিশ বছরের পর । নারী পুরুষ কেউ আগ্রহী নয় যৌনতায়। ফলে কমে যাচ্ছে সংসার এবং সন্তান সংখ্যা। বিষয় গুলো ভাবলে কেমন গোলমেলে লাগে সব কিছু । আবার অনেক দেশের দরিদ্র মানুষদের মধ্যে একমাত্র বিনোদন যৌনতা। মানুষ বড় বিচিত্র প্রাণী। তাদের ভাবনা চিন্তা অনেক রকম পার্থক্য।
বিয়ে একটি বৈধ যৌন আচরণের আইন। এই পন্থা অবলম্বন করলে সব দোষ মাপ। কিন্তু এই অবস্থায় যাওয়ার জন্য দিনদিন অবস্থা কঠিন হয়ে যাচ্ছে । পড়ালেখা শেষ করতেই জীবনের পাঁচিশ বছর চলে যায়। ভালো একটি কাজ পেয়ে বিয়ে করার অবস্থায় যেতে মানুষের আয়ু ত্রিশ থেকে আটত্রিশের ঘরে ঢুকে যায়।
স্বাভাবিক হরমোন গুলো যখন শরীরের কিছু কাজ করার জন্য মানুষকে পাগল করে তোলে সে সময় তাদের থাকতে হয় নির্বিকার, অবস্থার কারণে। বেশির ভাগ মানুষই সমাজ এবং আইন মেনে ধর্মর কথা শুনে, পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে, নিজেকে বিরত রাখে শারীরিক মেলা মেশা করা থেকে। তবে অনেকেই নানা অবৈধ উপায়ে বিয়ের অনেক আগেই নিজের জীবনের প্রয়োজন মেটানোর চেষ্টা করে এবং সব সময় এক ধরনের পাপ বোধে ভোগে।
সমাজ, ধর্মীয় প্রেক্ষাপটে কার সাথে কে মিশল কে কি করল এসব নিয়ে মানুষ খুব সোচ্চার প্রয়োজন বোঝার চেয়ে। নারীদের ব্যবহার করা হয় যৌনতায় আবার নারীকেই মেরে ফেলা হয় দোররা, পাথর মেরে।
নারীরা তো নিজেদের যৌন চাহিদা আছে বলেই জানে না আমাদের সমাজে। এমনটাই শিক্ষা দেওয়া হয়। ভাবাও হয়। অথচ চাহিদা নারী পুরুষ সবার জন্যই সমান। অনেক ক্ষেত্রে নারীর চাহিদা পুরুষের চেয়ে বেশি। ঘরে ঘরে অনেক নারী অতৃপ্তির যৌন জীবন যাপন করে যা পুরুষ সঙ্গীও অনেক সময় জানে না। বা জানলেও পাত্তা দেয় না। বরং একজন নারীকে রেখে অন্য নারীর প্রতি আকর্ষণ তাদের মাঝে বেশি দেখা দেয়। এটা যে তাদের যৌনতার প্রয়োজনে তা কিন্তু নয় বেশির ভাগ, কিছু ফ্যাণ্টাসি ধারনা কাজ করে। অনেক নারীরে সঙ্গ করেছে এমন এক ধরনের আহম্মকি অহমিকা তাদের তাড়িয়ে বেড়ায়।
আজকাল অনেক নারীরাও প্রকাশ্যে অনেকের সাথে সর্ম্পক করছে। পুরানো দিনের মহিলাদের মতন তারা মনে চাইলেও মুখে না বলায় বিশ্বাস করেন না। এটা তাদের মৌলিক চাহিদা এবং ফ্যাণ্টাসি দুরকমই হতে পারে।
আবার অনেক নারীর কাছে আদি পেশায় প্রেমের ছলনায় নিজস্ব ব্যবসা করা। এ ক্ষেত্রে স্বার্থক সে সব নারী । আগের মতন রাজা বাদশা জমিদার নেই এখন কিন্তু প্রচুর ধনী আছে যারা টাকা পয়সা হয়ে গেলে নিত্য নতুন নারী সঙ্গ খোঁজে।
এসব প্রয়োজনের চেয়ে, বেশি মনের ফ্যাণ্টাসি। এরা নারী পুরুষ উভয়ে পরিবার সমাজের অবক্ষয় করে তাদের অসততা দিয়ে।
টাকাওলা কামুকপুরুষদের ভেড়া বানিয়ে নারীরা কামাই করে নিচ্ছে, দু হাতে সহজে। বিত্তশালীদের এক ধরনের পতিতা বৃত্তি ঘরের ভিতর চালু হয়েছে এখন। রাস্তা থেকে মেয়ে নিয়ে সস্তা হোটেলে যাওয়ার মতন নয় কিন্তু একই ঘটনা ঘটছে বিলাস বহুল বাড়ির ভিতর । পাপিয়াদের মতন নারীরা নিজেদের পাশাপাশি এখন অন্য মেয়েদের দালাল হয়ে যায় এই সুযোগে, সভ্যতার আভরণে।
আরো একদল আছে যারা ধরি মাছ না ছুঁই পানি এমন ভাবে নিজেদের খুব সামাজিক অবস্থানে ভালো সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করে কিন্তু একই কাজ করে। এরা টাকা দিয়ে সঙ্গী নেয় না কিন্তু এরা করে প্রেমের ছলনা।
হুমায়ুন আহমেদ হতে পারে উৎকৃষ্ট উদাহরণ। যখন খুব কায়ক্লেশে অনটনে জীবন যাপন চলছিল তখন তিনি গুলতেকিনের সাথে ভালোই ছিলেন। কিন্তু অর্থ প্রতিপত্তি হওয়ার সাথে নারী সঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট হন তিনি। নাটকে নিয়ে আসা নতুন নতুন কিশোরীদের তাঁর প্রতি ভয়ানক আকর্ষণ, ভালোবাসার উন্মাদনার সুযোগ নিয়ে ব্যবহার করেছেন অনেককে দিনের পর দিন। কিন্তু শেষমেষ বাচ্চা মেয়ে শাওনের কাছে আর ছাড়া পেলেন না।
পুরুষদের পাশাপাশি এমন প্রেমের ছলনায় বেঁধে ফেলাতে নারীরাও ওস্তাদ এখন। বহু মানুষের ক্ষতি করছে, সংসার ভাঙ্গছে এই সব নারী। আমার এক পরিচিত কিছু দিন আগে জানালেন তিনি সাত নাম্বার স্বামী হয়েছিলেন এক ধড়িবাজ নারীর। অথচ বুঝতেই পারেননি, কি ভাবে তার মায়ার জালে জড়িয়ে পরেছেন। যখন সব কিছু উল্টে যেতে থাকল, তাকে নিজস্ব গণ্ডি থেকে দূরে সরিয়ে ফেলার ষড়যন্ত্র হলো তখন উনার নেশা কাটল এবং কোন রকমে ধড়িবাজ নারীকে আইনের জালে আটকাতে পারলেন। বড় বড় পেশায় নিয়োজিত অনেকেই তার মতন ঐ মায়াবীর মায়ার খেলায় ধরা পরে অর্থ সম্পত্তি অনেক কিছু খুঁয়েছেন।
কিন্তু মুখ বন্ধ করে থাকেন অনেকে সামাজিক লজ্জায়।
১৯৫০-৬০ সালের দিকেও ইউরোপ আমেরিকার পশ্চিমা সমাজে মেয়েদের অবস্থা আমাদের দেশের বর্তমান অবস্থার মতনই ছিল । ঘরে ঘরে ধর্ম পালন , সামাজিক নিয়ম পালন দেখাশোনার মাধ্যমে বিয়ে দেওয়া প্রচলিত ছিল । কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সময় থেকে যুদ্ধউত্তর সমাজে নারীরা ঘর ছেড়ে বাইরের কাজে যোগ দেওয়ার পর থে্কেই সমাজ চিত্র বদলাতে থাকে।
নারীরা নিজেদের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করতে থাকেন প্রতিটি ক্ষেত্রে। অনেক জোর জবরদস্তি করেই তাদের পূর্ণ স্বাধীনতা পাওয়ার অবস্থায় আসতে হয়েছে। এখনও অনেক ক্ষেত্রে নারী, পুরুষদের অনেক পার্থক্য রয়েছে। যদিও নারীরা প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজ করছেন এখন। অনেকটাই যেমন আমাদের বেগম রোকেয়াকে পদে পদে লাঞ্চিত হয়ে মেয়েদের পড়া লেখার জন্য ঘরের বাইরে আনতে হয়েছিল। উনার সেই সময়ের কষ্ট বর্তমানের সুযোগ পাওয়া অনেক নারী বুঝতেই পারবে না। কিন্তু অপব্যবহারে করছে অবলীলায়।

যখন ক্লাস সেভেনে পড়া আমার ছেলে আমাকে জানাল ক্লাস ফোরে থাকতে তার বন্ধুরা সিগারেট খায় এবং স্কুলের ব্যাগে মদের বোতল নিয়ে আসত। আমি অবাক হয়ে জানতে চাইলাম মদ তারা কই পায়। ও জানাল বন্ধুদের বাড়িতে মদপান অবারিত ছিল। আমি অবাক হয়ে গেলাম । ছেলে মদ এবং সিগেরেট কোনটাই খায় নাই কারণ সে এসবের গন্ধই সহ্য করতে পারত না। গন্ধ সমস্যা না করলে সে হয় তো চেখে দেখত সেই অল্প বয়সে বন্ধুদের পাল্লায় পরে। ঘটনা বিদেশের নয় কিন্তু আমি জানতে পারলাম বেশ কিছু সময় পরে বিদেশের পরিবেশে । যখন মাকে না লুকিয়ে অনেক কথা মাকে বলা যায় এবং মায়ের সাথে শেয়ার করাটা ভালো সে বুঝতে পারে, বিদেশের পরিবেশে এসে। আমি অবাক হয়ে ভাবছিলাম আমার জানার বাইরে কত কিছু ঘটে থাকে। আমার বোধ উদয় হওয়ার পর তাকে বলে রেখেছিলাম যে কোন ঘটনাই যেন আমাকে জানায়। এবং আমরা প্রতিটি বিষয়ে খুব খোলাখুলি আলাপ করি।
কিন্তু দেশে আমি ভাবতাম ছেলের সব কিছুই আমি জানি, বাচ্চা ছেলে কি আর করবে। এমন অগাধ বিশ্বাসে, অভিভাবক থাকেন সেটা তাদের দোষ না। কিন্তু এখন সময় সচেতন হওয়ার। আর সেটা সম্ভব যদি মা বাবা হওয়ার আগে তারা নিজেরা আরো বিষয়ে ভালো জানেন তা হলেই। আমাদের দেশে বাচ্চাদের তো কোন সমস্যার মুখোমুখি হতে দেওয়া হয় না। বাবা মা সব সামলে নিতে চান। বাচ্চাদের আলগে রাখেন। ফলে একটু বোকাবোকা ভাবে বাস্তব বুদ্ধিহীন হয়েই বড় হয় অনেক সুখি পরিবারের সন্তান। তবে স্ট্রাগল করা পরিবারের সন্তানরা চালাক চতুর হয়। বাস্তবতার কষাঘাত তাদের জানিয়ে দেয় জীবনের কুলষিত পথঘাট।
বিদেশে দেখেছি, পরিবারের সমস্যা নিয়ে সব বিষয়ে বাচ্চাদের সাথে আলোচনা করা হয় তাদের বয়স অনুযায়ী। এ ছাড়া তারা অনেক কিছুতে অভিজ্ঞ হয়ে উঠে শিক্ষায়।

বিদেশে ছেলে মেয়েরা নিজেদের মধ্যে খুব স্বাভাবিক সুন্দর বন্ধুত্ব করে। কারো শারীরিক, মানসিক ক্যামেস্ট্রি কাজ করলে একে অন্যকে চাইলে সহজে তারা মেলামেশা করে এটা হতে পারে দীর্ঘ বন্ধন হতে পারে খানিক মোহ। তারা বুঝতে পারে তাদের একশতে একশ না হলেও সত্তর আশি ভাগ পছন্দ কাজ করছে। তারা সেখান থেকে নিজেদের সঙ্গী বেছে নেয়। মেলামেশার শুরুতেই তারা ঠিক করে ফেলে না, এই আমার জীবনের একমাত্র সঙ্গী যার সাথে আমার সারা জীবন কাটাতে হবে। মানুষের জীবন, তাদের পছন্দ অপছন্দ এবং প্রয়োজনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। চলতে চলতে অনেকেই এক সাথে ঘর বেঁধে সারা জীবন কাটিয়ে দেয়।
আমাদের দেশের অনেকের ভুল ধারনা আছে, বিদেশের কোন সংসার দীর্ঘস্থায়ী হয় না। আমার নিজের পরিচিত বহু দম্পতিকে দেখেছি পঞ্চাশ ষাট বাৎসর বা তারচেয়ে বেশি সময় এক সাথে এক স্বামী, স্ত্রীর সাথে আনন্দের জীবন কাটাচ্ছেন।
তবে আমাদের দেশের প্রধান এবং প্রথম ধারনা দেওয়া হয় বাধ্যতামূলক ভাবে একজন সঙ্গীর সাথে এক জীবন কাটানোর ।
অনেক সংসার পেতে বসেন ভুল মানুষের সাথে। যেহেতু সম্পর্কে জড়িয়ে গেছেন একজনের সাথেই জীবন যাপন করতে হবে এই সামাজিক ধারনা থেকে। একজন মানুষের সাথে সারা জীবন ধরে থাকার সিদ্ধান্ত খুব যত্ন করে নিতে হয়। অথচ এখানেও আমাদের ধারনা ভুলের উপর করা হয়। মনের মিলের চেয়ে চোখের দেখা সুন্দরের আকর্ষণ মোহ, বেশি দেখা হয় বিয়ের জন্য। অনেক ছেলেরা অনেক নারী সঙ্গ করার পর বিয়ের জন্য চায় ভার্জিন। মানসিকতায় দ্বৈত ধারনা খুব যত্নে ধারন করা হয়।
মানুষের চাওয়া, পছন্দ ইচ্ছা অনিচ্ছা অনেক কিছু সভ্যতার প্রয়োজনে বদলে যাচ্ছে। জোড় করে আটকে রাখা যাবে না সময়ের স্রোত।
এখন আমাদের অনেকের ভাবনা চিন্তা পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে, সময়ের সাথে। যদিও নানা রকম রক্ষণশীলতা দিয়ে বেঁধে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে কিন্তু অনেক রকম বাঁধা নিষেধ মানতে অনেকেই চাচ্ছে না। লিভটুগেদার থেকে সমকামিতা বা বিয়ের আগে শারীরিক ভাবে মেলামেশা করা এসব বিষয়ে অনেক বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে মানুষ।
খুব স্বাভাবিক ভাবে এই দ্রুত পরিবর্তনের, নেতিবাচক প্রভাব পরছে । পরিবার থাকার পরেও অনেকে জড়িয়ে পরছে পরকীয়ায় যা একটি অপরাধ। আগে যে অপরাধ শুধু পুরুষরা করত এখন অনেক নারী আবার নানারকম নারী স্বাধীনতার নামে পুরুষদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে নাকানি চুবানি খাওয়াচ্ছে এই অবাধ সহজ মেলামেশার সুযোগ পেয়ে। কথায় কথায় পশ্চাত্যের দোষ দেয়া হচ্ছে কিন্তু পশ্চাত্যের অনুসরন সঠিক ভাবে করা হচ্ছে না। পশ্চাত্যে যে পরিবর্তন শুরু হয়েছিল উনিশ চল্লিশের দশকে ধীরে ধীরে এতটা পথ আসার পরও আগের কিছুটা রক্ষণশীলতা এখনও অনেক গ্রাণ্ডামা, গ্রাণ্ডপা বা তাদের পুত্র কন্যা ধরে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এবং দেশের নিয়ম আইন করা হয়েছে অনেক বেশি সুক্ষ বিচার বিশ্লেষণের মাধ্যমে।
কিন্তু আমাদের দেশে খুব দ্রুত হচ্ছে পরিবর্তন অল্প সময়ে। বোঝে উঠার আগে তাই নানারকম অপরাধে জড়িয়ে যাচ্ছে পরিবর্তনে যাওয়া মানুষরা।
সুস্থ ভাবে অনেক কিছু হচ্ছে না। পরিবারে মা বাবা দুজনের ব্যস্ততা । সন্তানের একা বাড়িতে থাকা । অর্ন্তজালে ঘোরাফেরার অবাধ সুযোগ নানা রকম প্রভাব বিস্তার করছে পরিবারে সদস্যদের অজানায়।
নেই সঠিক শিক্ষাদানের পদ্ধতি এবং আইন কানুন।
সন্তানের সাথে কাছাকাছি হওয়ার প্রবনতা খোলামেলা কথা বলা সুন্দর পারিবারিক সম্পর্ক এবং স্কুলের সুষ্ঠ সুস্থ শিক্ষা অনেকটাই পরিবর্তন করতে পারে অবস্থা। তারপরে থাকতে হবে আইন। যা জানা থাকবে সবার সব সময়। কারো ইচ্ছা ছাড়া কাউকে স্পর্শ করা বড় রকম অপরাধ। এই কাজ করলে জীবনে চৌদ্দ শিকের বাইরে আসা যাবে না এই একটা ভয় মনে থাকলে অনেক কিছু কন্টোল হয়ে যাবে।
ধর্মের নামে, নারীদের বিকৃত ভাবে পরিচয় না করিয়ে, মানুষ হিসাবে পরিচয় করাতে হবে শিশুকাল থেকে। যাতে অযথা নারীর শরীরের কিছু অংশের জন্য নারীকে অন্য রূপে দেখে তাদের উপর হামলা না করে কেউ।
প্রতিটি মানুষকে সমান ভাবে সম্মান দিতে শিখলে, মানুষ ভাবলে, সমাজে অনেক রকম বৈষম্য নির্যাতন অনেকটাই কমে যাবে।
যৌনতাকে এড়ানো যাবে না তবে এটা যেন কোন পরিবারের কান্নার কারণ না হয় তা বোঝানোর চেষ্টা যত আগে নেয়া হবে ততটাই মঙ্গল হবে।
রক্ষণশীলতার ভয়াবহতা, দিয়ে না বেঁধে ফেলে সহজ করে ভাবলে সমস্যা কম হবে ।





















মন্তব্য ৫৪ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৫৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:৫৪

এমেরিকা বলেছেন: গন্দমের সাথে সেক্সের কি সম্পর্ক?

১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৪২

রোকসানা লেইস বলেছেন: আপনি এখনো রূপকথার গল্প বা কার্টুন জগতে আছেন তাই বুঝতে পারছেন না

২| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:০৬

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: কোন একটা বিষয়ের উপর আপনি আপনার বক্তব্য ফোকাস করেন নাই।বিক্ষিপ্তেভাবে বিভিন্ন বিষয় বলে অকারন লিখাটাকে লম্বা করেছেন।
আপনার মূল বক্তব্যের সাথে একমত।যৌনশিক্ষা স্কুল থেকে দিতে হবে এবং প্রশিক্ষিত শিক্ষকের মাধ্যমে।সমাজেও পরিবর্তন আনতে হবে এবং আধুনিক হতে হবে।মা বাবাকে ছেলে মেয়েদের সাথে বন্ধুর মতো মিসতে হবে।

১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:১৬

রোকসানা লেইস বলেছেন: লেখাটা লম্বা হওয়ার পরও আপনি পড়েছেন এবং লেখার মূল বিষয়টা বের করার চেষ্টা করেছেন জেনে ভালোলাগছে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখাটা আপনার কাছে অকারণ লম্বা মনে হলেও আমার কাছে মনে হয়নি। বরং আরো বহু বিষয় বাদ দিয়েছি। সরাসরি দুই লাইনে শিক্ষা ব্যবস্থায় যৌন শিক্ষা চালু করার কথা বলার জন্য লেখাটা লিখিনি। শুধু শিক্ষা ব্যবস্থা তেমন কোন উন্নতি করতে পারবে না। যতক্ষন শিক্ষাটাও সুন্দর ভাবে দেওয়া এবং গ্রহণ করার মন মানসিকতা গড়ে না উঠবে।
চারপাশে অসংখ্য ভাবনা নানা ভাবে প্রভাবিত করছে বিভিন্ন পরিবেশের মানুষকে বিভিন্ন ভাবে।

৩| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:১৫

সুমন জেবা বলেছেন: লেখককে ধন্যবাদ
সময়োপযোগি বিষয়টি খুউবই দুঃসাহসিকতার সহিত সুন্দর ও সাবলিল ভাবে উপস্হাপন করার জন্য।
কিছু কিছু যায়গায়তো চরম সাহসিকতা দেখিয়েছেন আপনি..
যেমন লিখেছেন_
"একদল আছে যারা ধরি মাছ না ছুই পানি এমন ভাব, সামাজিক অবস্হানে নিজেদের অবস্হান সুন্দর ও শ্রদ্বাভাজন হিসেবে,
কিন্তু যৌনতায় ঐ একই স্বভাব..এরা টাকা দিয়ে সঙ্গী নেয় না,এরা করে প্রেমের ছলনা..হুমায়ুন আহম্মেদ হতে পারে এর উৎকৃষ্ট উদাহরন"
আরেক যায়গায়_
"অনেক ছেলেরা অনেক নরী সঙ্গ করার পরও বিয়ের জন্য খোঁজে ভার্জিন পাত্রী"
সত্যিই, মানসিকতার দ্বৈত ধারনা খুউব যত্নে ধারন ।

১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:২৩

রোকসানা লেইস বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সুমন জেবা।
দুঃসাহসিকতার কিছু নেই যে ঘটনা ঘটছে আমরা সবাই জানি এবং ভালো মন্দের পার্থক্য করতে পারি । কিন্তু বলি না। এটাও আমাদের সামজিক ধামা চাপা দিয়ে রাখার এক কু প্রথা।
ভাবনা চিন্তার বিশাল পরিবর্তন দরকার অনেক জায়গায়। শুধু এক বিষয়ে মনোযোগ দিলে হবে না।
শুভেচ্ছা থাকল

৪| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৪৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
লেখাটা পড়লাম। নিষিদ্ধ জিনিষের প্রতি মানুর্ষের আকর্ষণ চিরকালীন।

জৈবিক চাহিদা মিটাতে পরিবার, পরিবেশ, সমাজ , ধর্ম বিড়াট ভূমিকা রয়েছে তাই বৈধ -অবৈধ উপায়ের দিকে মানুষ হেটে যায়।

সময় মত সবকিছুর সুন্দর ধারনা পাওয়া/নেওয়া জরুরী ।

১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:৪৮

রোকসানা লেইস বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
নিষিদ্ধ জিনিস সহজ লভ্য করে দিলে আকর্ষণ কমে যাবে।
মানুষের স্বাভাবিক একটা অবস্থাকে অস্বাভাবিক করে ফেলা হয়েছে নানা রকম নিষেধের বেড়া জালে।
মানুষের চেয়ে নিয়ম বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সময় পেরিয়ে যায় সাধন হয় না তাই নানা রকম চোরাগুপ্তা আকর্ষণ আর অজৈবিক ব্যবহার বেড়ে যাচ্ছে।

৫| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:০৫

আতিকুররহমান আতিক বলেছেন: যাদের কে আমরা এসব যৌনতার জন্য উদাহরন হিসেবে নেই তারা হল গুটিকয়েক। কিন্তু তারা সমাজের নীতির বাইরে গিয়ে অপকর্মগুলো করেন বলেই সবার ফোকাসে পড়ে যান। এবং আমরা তাদেরকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা করি। তাই তাদের সংখ্যাটা অনেক বেশী মনে হয়।
যেমন, ‍দিহান আনুষকার মত জুটি হয়ত বাংলাদেশে খুজলে কয়েক লাখ পাওয়া যাবে। কিন্তু আমাদের দেশে শিক্ষার্থী আছে কয়েক কোটির উপরে। আর মাদ্রাসায় অনৈতিক কাজ হয় কিন্তু সেটা ধরে কে? সেখানকার হুজুর বা শিক্ষার্থীরাইতো। সেখানেতো আর পুলিশ বা সাংবাদিক গিয়ে কাউকে দোষী শনাক্ত করে না। অর্থাৎ, সেখানে অপরাধগুলোকে প্রশ্রয় দেয়া হয় না। তাই অপরাধী ধরা পড়ে। শুধু এখানে কেন দেশের বা বিশ্বের সব জায়গায় অন্যায় অপরাধ হয়। কিন্তু সেটার জন্য দরকার আইনের কঠোর প্রয়োগ।

১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:০৩

রোকসানা লেইস বলেছেন: যত ঘটনা ঘটে আমরা তার খুব কম খবর পাই। ঘরে ঘরে প্রচুর নিরব ঘটনা থাকে যার খবর কেউ জানতে পারে না।
এখন মানুষ মুখ খুলছে তাও সবাই না। তবে মুখ খোলার জন্য মানুষ জানছে অল্প হলেও তার প্রভাবে অনেকের মধ্যে বিশাল পরিবর্তন হচ্ছে।
সতর্কতামূলক কিছু বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়ায় কিছু প্রতিবাদ লেখালেখি হয় । সে সবের মাধ্যমে ভালো প্রভাব পরে। দুষ্টরা সাবধান হয় ভয় পায়।
একজন হুজুর যখন অপরাধ করে সাথে সাথে কিন্তু ধরা পরে না। ধরা পরে অনেকের সর্বনাশ করার পরে। কোন একটা বাচ্চা হয় তো সহ্য করতে পারে না তখন।
একটি অপরাধ করার সাহস যেন সে না করে সে ব্যবস্থা করতে হবে।
আমাদের দেশে আরো একটা সমস্যা হচ্ছে পদাধীকারী মানুষ নিজেদের সাঙ্ঘাতিক কিছু ভাবে। এবং তাদের কোন জবাবদিহীতা থাকে না।
ধন্যবাদ মতামতের জন্য আতিকুররহমান আতিক

৬| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:০৭

আতিকুররহমান আতিক বলেছেন: গতকাল এই আর্টিকেলটি পড়েছিলাম। একজন ডাক্তারের লেখা। পড়ে দেখতে পারেন। কপি করে দিচ্ছি:
তথাকথিত সেক্স এডুকেশন যখন থিউরেটিকাল ফ্যান্টাসি।
খুব অদ্ভুত আর অপরিচিত টপিক নিয়ে কথা বলব আজ। হয়ত বিষয়টাকে ঠিক এই এঙ্গেলে কেউ ভেবেও দেখেনি। কারেন্ট সোশাল সেট আপের সাথে যাবে না যদিও। লেট আস এজিউম সামথিনং ডিফারেন্ট।
ক্লাস সিক্সে থাকতে প্রথম আমার ক্লাসমেটের কাছ থেকে শুনেছলাম তার মাস্টারবেটের গল্প। এন্টেনার ওপর দিয়ে গেলেও পরে বুঝেছি।
তখন ধারণা ছিল বিয়ে করলে আসমান থেকে আল্লাহ সন্তান দিয়ে দেয়।
তখন আমার আরেক বন্ধু বলেছিল, না দোস্ত, মেয়েদের আরেকটা ফুটা থাকে। ওইদিক দিয়া ঢুকাইলে বাচ্চা হয়।
সেটা আরো বেশি এন্টেনার ওপর দিয়ে গিয়েছিল।
কেন বলছি কথাটা?
সেটা নব্বই দশকের ঘটনা। ইন্টারনেট ছিল না। ইউটিউব গুগল ছিল না। কিন্তু ফিমেল বডি নিয়ে ওই বয়েসের একটা বাচ্চা তখনই অনেক কিছু জানে, হয়ত চটি বই থেকে। বাট জানে তো।
এখন ২০২১। আমদের এখন ফোর জি আছে, ইউটিউব গুগল আছে।
সো বডি এনাটমি একটা বাচ্চা জানবে না সেটা হয়? কিন্তু সেই জানার মধ্যে থাকে লুকোচুরি, ফ্যান্টাসি, নিষিদ্ধের মজা। এখানে প্রগতিশীলরা বলবে - হ্যাঁ হ্যাঁ, এজন্যই পাঠ্য বইয়ে সেক্স এডুকেশন ঢুকাও (যাতে মজাটা আরো সহজ হয়ে যায়)।
মেডিকেলের স্টুডেন্টদের থেকে আর কার বেশি সেক্স এডুকেশন থাকতে পারে বলে মনে হয় আপনার? নিজের ব্যাচমেটদের মধ্যে যখন কাউকে কাউকে দেখি ব্যাচের মেয়ে বান্ধবীর বডি পার্টস নিয়ে মজা করে বা পিরিওড নিয়ে মজা করে তখন সেক্স এডুকেশন যে একটা শুভঙ্করের ফাঁকি সেটা ক্লিয়ার হয়ে যায়।
ক্ষুধার্ত যৌবনের কাছে সেক্স এডুকেশন স্টিল আ ফ্যান্টাসি। মাথায়ই ঢুকবে না এটার ডীপ থটস।
ছেলেরা একত্র হলে যে তাদের গল্পের টপিক জুড়ে ব্যাচের বান্ধবীর শরীর থাকে এটা একটা ছেলে থেকে আর কে বেশি জানে।
বাট, মুখ খুললেই এডাল্ট জোক বের হওয়া বন্ধুটিকেই তার বিয়ের পর দেখেছি তার সামনে সেইসব এডাল্ট জোক করলে অস্বস্তিতে চেহারা মলিন হয়ে যায়, কমফোর্ট ফিল করে না।
কারণ যে ফিমেল বডি ছেলেদের কাছে বিয়ের আগ পর্যন্ত একটা মজা নেওয়ার ফ্যান্টাসি টপিক হিসেবে থাকে, সেই ফিমেল বডি আর পিরিওড - সেই ছেলেটার জীবনের অংশ হয়ে যায় বিয়ের পর। এগুলো নিয়ে জোকস সে হজম করতে পারে না, কারণ সে তার সহধর্মিণীর পাশে শুয়ে চাক্ষুস দেখে একটা মেয়ে কিভাবে পিরিওডের পেইন নিয়ে ছটফট করে নির্ঘুম রাত পার করে।
এই যে একটা ছেলের পরিবর্তন, এটা তো তখনই আসা দরকার যখন থেকে তার মধ্যে নিষিদ্ধ ফ্যান্টাসিগুলো কাজ করে, নিষিদ্ধ গল্পে সে যখন মজা পায়।
একটা সিনারিও কল্পনা করেন, স্কুলে বা কলেজে ছেলে মেয়েরা যাচ্ছে, সবাই ম্যারিড। জামাই বউ হাতে হাত ধরে ক্লাসে যাচ্ছে এক্সাম দিচ্ছে।
প্রগতিশীলরা ভাবছেন - এইত পাইসি উইক পয়েন্ট।
ওয়েট ব্রো এন্ড সিস, আই স্টিল হ্যাভ লজিক টু এক্সপ্লেইন। রিল্যাক্স উইথ পপকর্ন।
বিয়ের পর সংসারের ঘানি টানা লাগবে এটা পুরাতন থিওরি। দিস ইজ ২০২১। কলাবাগানের ঘটনায় ছেলেমেয়ে দুটো কিন্তু সংসারের ঘানি টেনে যায়নি। তাহলে বিয়ের পর সংসারের ঘানি টানা লাগবে এই থট কেন ২০২১ এ এসেও আমাদের ভাবা লাগে।
এই জাস্ট ফ্রেন্ডরা কেন জাস্ট ম্যারিড হয়ে সহপাঠি সহধর্মিণী হতে পারে না। কেন দুটো ফ্যামিলি মিলে এই দুইজনকে প্রতিষ্ঠিত হয়ে সহযোগিতা করবে না।
আমরা আর কতদিন নিজের প্রিন্স বা প্রিন্সেস হিসেবে বড় করা অথর্ব সন্তানের জন্য পারফেক্ট রেডিমেড পার্টনার খুঁজে বিয়েকে কঠিন করে রাখব? একটা ছেলেকে অল্প বয়েস থেকেই রেসপন্সিবল হতে শেখান প্লেবয় বা ফাকবয় হয়ে ওঠার আগে।
লেট আস এজিউম আ সিনারিও।
ক্লাস এইট নাইনে একটা ছেলে মেয়ের মধ্যে বিয়ে হল। এখন আসব সেই আপনাদের সেক্স এডুকেশনে।
বিয়ের আগে একটা ছেলেকে বা মেয়েকে কিভাবে সেক্স এডুকেশন দেবেন? যা দেবেন তার মধ্যে লুকোচুরি থাকবে। ম্যারিড লাইফের বিষয়গুলো আসলে আপনি এক্সপ্লেইন করতে পারবেন না ওপেনলি। করলেও সেটা তার ফ্যান্টাসি জগতে নিষিদ্ধ টপিক হিসেবেই থাকবে।
বাট আপনার ক্লাস সিক্সের সন্তান যদি ম্যারিড হয়, ইউ ক্যান এক্সপ্লেইন এভরি লিটল ডিটেইলস উইদাউট হাইডিং এনিথিং।
যদি তারপরেও সংশয় থেকেই যায়, আপনি গাইনেকোলজিস্টের কাছে পাঠিয়ে দেবেন। সেই গাইনেকলজিস্ট দুইজনকে শিখিয়ে দেবে এই বয়েসের সেইফ ম্যারিটাল লাইফ, সেইফ সেক্সুয়াল লাইফ কেমন হবে, কি কি ডেন্জার থাকবে যদি এখনই ইন্টারকোর্সের ট্রাই করে, বাট স্টিল হাউ দে ক্যান এঞ্জয় ইচ আদার। এখানে কোন লুকোচুরি থাকবে, থাকবে না নিষিদ্ধ ফ্যান্টাসি।
এবং তখন গার্ল্ফ্রেন্ডরে খায়া দিলাম - টাইপের এটিচ্যুডও থাকবে না। কারণ আনম্যারিড ছেলেরা আমার মত কনজারভেটিভ ছেলের কাছে এসে গল্প করে কিভাবে সে গার্লফ্রেন্ডকে খেয়ে দিয়েছে।
বাট কোন ম্যারিড ছেলেকে আজ পর্যন্ত কিভাবে বউকে খেয়ে দিয়েছে - এইরকম গল্পের ধারেকাছেও যেতে দেখি নাই।
এখন যে ছেলেটা নিষিদ্ধ এডাল্ট জোক করে বন্ধুদের আড্ডায়, সেই জোক করবে তার লিগাল ওইয়াইফের সাথে। এডাল্ট অথচ সম্পূর্ণ হালাল, লিগাল সুস্থ জোক।
আমি আর আমার সহধর্মিণী পার্সোনালি এমন সব এডাল্ট জোক আর মিমি ইনবক্সে শেয়ার করি যেগুলো জিগরিদের সাথেও করতে পারি না।
কলাবাগানের ঘটনাটাকে এবার এই সিনারিওতে ফেলে দেখেন, তারা একান্তে মিলিত হচ্ছে নিজ ঘরে লিগাল ওয়েতে, জানা আছে এই বয়েসে সেইফ সেক্সুয়াল লাইফ কি, কারণ তাদের বাবা মা শিখিয়েছেন। অথবা ব্লিডিং হলেও হেল্প করার জন্য দুই ফ্যামিলির সবাই হাজির থাকত। ইনস্ট্যান্ট ম্যানেজ হত। মেয়েটাকে এভাবে জীবন দিতে হত না।
শেষ করব আমার নবী (সাঃ) এর কথা দিয়ে। হজরত আয়িশা (রাঃ) কে তিনি যখন বিয়ে করেন তখন তাঁর বয়স মাত্র নয়। কই তিনি তো ব্লিডিং হয়ে মরে যাননি। বরং উনার থেকে মুসলম জাহান পেয়েছে অসংখ্য সহী হাদিস।
নবীজির কাঁধে ভর দিয়ে পেছন থেকে পর্দার আড়াল থেকে সাহাবাদের তলোয়ার যুদ্ধ খেলা দেখতেন। নবিজির এক পা ব্যথা হয়ে গেলে আরেক পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াতেন। কিন্তু বাচ্চা মেয়েটার (রাঃ) খেলার সোমাহীন খেলা দেখার আগ্রহকে দাম দিতেন।
এই ছোট্ট মেয়েটাকে(রাঃ) নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতা করে হেরে গেছেন নবিজি(সাঃ)।
এরপর আয়েশা (রাঃ) এর বয়েস হলে শরীর ভারি হলে আরেকবার দৌড় প্রতিযোগিতা করে জিতে বলেন - এটা আগেরবারের প্রতিশোধ।
how wonderful husband he was 1400 years back then.
©ডা. যুবায়ের আহমেদ

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ২:১৯

রোকসানা লেইস বলেছেন:
ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য
উনি উনার মতন করে বলার চেষ্টা করেছেন। আমি আমার মতন। তবে বিষয়ের ভাবনার মিল আছে।
আসলে যত কঠিন করে রক্ষণাবেক্ষণ এবং দূরে রাখার চেষ্টা হচ্ছে তত বেশি আকর্ষণ উপচে পরছে। অনেকে বিয়ে সাদী করে ফেলার পরও কিশোর জীবনের ভাবনা থেকে ফ্যাণ্টাসি জগত থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন না তাই নানা সঙ্গ করার চেষ্টা করেন। এখন আবার সহজ লভ্য অনেক কিছু।
কিন্তু বিষয়টা জীবনের অঙ্গ। সহজ হয়ে যাবে যদি একে স্বাভাবিক ভাবার সুযোগ দেয়া হয়। অনেক নিজেকে দূরে রাখবে স্বাস্থ্য সচেতনতা থেকে। কার কাছ থেকে কোন রোগ আসবে এই বিষয়গুলো জানা থাকলে মানুষ ইচ্ছা হলেও বিরত থাকবে।


৭| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:২৭

অধীতি বলেছেন: নাম করনটা যথার্থ হয়েছে। আমরা অধিকাংশই পর্ণ দেখে বিকৃত রুচি লাভ করি। চাকরিকেই আমাদের দেশে প্রতিষ্ঠিত হবার একমাত্র মাধ্যম মনে করা হয়। যে কোন কাজই উত্তম এবং এর থেকে উপার্জিত টাকায় সাংসারিক হওয়া যায় এটা আমাদের সমাজে এখনো ট্যাব্যুই বলা যায়। আমরা তো বিসিএস এর জন্য বসে আছি।অথছ এর ভেতরেই প্রেম হচ্ছে,যৌনতা হচ্ছে তাতে কোন সমস্যা পাচ্ছিনা। বিয়েটা এক ধরনের ভয় হয়ে দাড়িয়েছে আমাদের কাছে।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ২:৩৩

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ অধীতি । নিষিদ্ধ গন্দমের জন্যই যদি মানুষের পৃথিবীতে বাস করা হয় স্বর্গ ছেড়ে তবে এই সমাজে নিষিদ্ধ যৌনতার জন্য ঘটে যাচ্ছে কত র্দূঘটনা- পরিবারের ভাঙ্গন, শিশু হত্যা, ধর্ষণ, বলৎকার, অসুস্থতা, ট্রমা আরো কত কিছু; সব জড়িয়ে আছে সমাজে এই একটি কারণে। তাই এই নামটাই পছন্দ হলো।
মানব জীবনকে নিয়ম দিয়ে এমন বাঁধার চেষ্টা করা হয়েছে যেখানে অনেক স্বাভাবিকতা চাপা পরে যাচ্ছে।
সঠিক সময়ে সঠিক কাজ অনেক ইচ্ছা থাকলেও হয়ে উঠছে না।
সামাজিকতার এমন একটা অবস্থান দাঁড়িয়ে গেছে, মানুষ তা ভাঙ্গতে পারছে না। মানুষ শুধু সাফার করছে।
যারা বুঝতে পারেন তাদের সমস্যা হচ্ছে না।
শুভেচ্ছা রইল

৮| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:১৭

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: নিষিদ্ধ জিনষের প্রতি মানুষের আকর্ষন দূর্নিবার এটা চিরন্তন সত্য।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কল্যানে মানুষ তথা ছেলে-মেয়েরা তাদের পরিণত বয়সের আগেই অনেক কিছু জানতে পারছে বা জানছে। সব কিছুরই একটা সঠিক সময় আছে ।তা সে মানুষ কিংবা প্রকৃতি যাই হোক।আর সেই সঠিক সময়ের ধারনা বা শিক্ষা কিভাবে দেয়া হবে বা মানুষ পাবে তার একটা রুপরেখা থাকলে ভাল । এ ক্ষেত্রে ধর্ম এবং সমাজের প্রচলিত মূল্যবোধ ধারনা দেয় মাত্র এবং তাতে ন্যায়-অন্যায়ের সীমারেখা টেনে তাতে একটা সময় অবধি কিছু জানাতে বা বলতে নিরুৎসাহিত করে।আর এর ফল যে পুরোটাই ভাল বা খারাপ তা বলা যাবেনা।হয়ত তা সমাজে এবং ব্যক্তিগত জীবনে দুই ধরনের প্রভাব ই ফেলে। আর তা নির্ভর করে যার পারিবারিক শিক্ষা,বিবেক,নীতি-নৈতিকতার উপর।

যৌনতার সম্পর্কে বা বিষয়ে অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। কারন তা মানুষের মৌলিক মানবিক চাহিদার একটির মাঝেই পরে।আর সামাজিক রীতি-নীতি,মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় অনুশাসনের দিকে লক্ষ্য রেখে যতটা সম্ভব জাননো এবং জানার মাঝেই মানব জাতীর কল্যাণ নিহিত। তবে সময়ের আগে বা সবধরনের রীতি-নীতি ও সামজিক - ধর্মীয় মূল্যবোধ বিসর্জন দিয়ে নয়।আর সেই জানার পদ্ধতি হওয়া উচিত শালীন ও মার্জিত।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ২:৪৯

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ মোহামমদ কামরুজজামান
সুন্দর মন্তব্য করেছেন
একটা সময় সীমার মধ্যে সুস্থ নির্দেশনায় জানানো দরকার। সে জন্যই বিদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং তাদের পারিবারিক জীবন কেমন এটা জানানোর চেষ্টা করলাম।
আমাদের দেশে স্বাভাবিক ভাবে কোন আলোচনা হয় না কোথাও।
ধর্মীয় অনুশাসন খুব বেশি দূরে রাখার চেষ্টা করে স্বাভাবিকতা থেকে তাই ধর্ম গুরুতের কুকর্ম সব জায়গায় সেটাও উল্লেখ করেছি।
নারী পুরুষ আলাদা প্রাণী এই ধরানায় আকর্ষণীয় করে তুলছে ধর্ম বেশি।
হিন্দু ধর্মের কথা লেখা হয়নি। বিধবাদের জীবন শেষ হয়ে যায় বাচ্চা বয়স থাকলেও। এসব ধর্মের নিয়ম।
মানুষ জন্মের স্বাভাবিক বিষয়টাকে সহজ করে দিলে আলাদা আকর্ষণ থাকবে না।
যেমনটা হয় বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর।
শুভেচ্ছা থাকল

৯| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৫:২১

রাজীব নুর বলেছেন: এত এত কথার ভিড়ে দরকারী কিছু কথা বলেছেন।
অপ্রয়োজনীয় কথা কিছু মুছে পোষ্ট টা ছোট করা যেত।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ২:৫৪

রোকসানা লেইস বলেছেন: ভালো মন্তব্য করেছো রাজীব নুর
একটা বিষয়ের সাথে অনেক কিছু জড়িত। তাই আমার মতন আমি লিখেছি।
অপ্রয়োজনীয় কথা কোন গুলো মনে হলো একটা লিষ্ট দিয়ে মন্তব্য করো। আলোচনা করতে ভালোলাগবে আমার।
শুভেচ্ছা জেনো

১০| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৪৬

স্থিতধী বলেছেন: পাশ্চাত্যে রাষ্ট্র জানে সে কি চায়, পাশ্চাত্যের বেশীরভাগ অগ্রসর দেশ মানবিক মর্যাদা বিষয়টিকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে ধারাবাহিক সংগ্রাম আর কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে। ফলে তাঁদের সমাজে, সংস্কৃতিতে, রাজনীতিতে, নীতি প্রনয়ন ও আইনে সেটার প্রতিফলন ঘটে । সমাজের আকাঙ্খা, গতিময়তা অনুযায়ী আইন পরিমার্জিত, পরিবর্ধিত হয় । প্রাচ্যে আমাদের মতো দেশগুলোতে মানবিক মর্যাদা আজো বইয়ের বুলি কেবল। ফলে সমাজে অস্থিরতা, শঠতা, বৈষম্য, দুর্নীতি, নির্যাতন এসবের তীব্রতা প্রকট হয়ে ওঠে। নারী- পুরুষের মাঝের স্বাভাবিক সম্পর্কটিও এ সব কিছুর বিষাক্ত প্রভাবে একটা বিকৃত রূপ নিতে থাকে ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:৫০

রোকসানা লেইস বলেছেন: পাশ্চাত্য রাষ্টে নিয়ম অনেকদিনের চেষ্টায় সংশোধনে একটা অবস্থায় এসেছে এখন। তবে ক্রমাগত সংশোধন চলছে। আরো উন্নত করার জন্য।
আজ একটা খবর জেনে শোকাহত হয়ে গেলাম। আয়ারল্যাণ্ডে ১৯১৭ থেকে ১৯৯৯ পর্যন্ত বিভিন্ন চার্চ এবং এতিমখানায় ৯০০০ কুমারি মায়ের সন্তানকে হত্যা করে স্যুয়েরেজ ট্যাঙ্কের ভিতর ফেলে দিত।ভয়াবহ ধর্মের নিয়মই এই কাজগুলো করেছে মানুষ।
মাত্র কয়েক বছর আগে এই ঘটনা জানাজানি হয় এবং তদন্ত আইন আদালত চলছিল। আজ ঘটনাটা বিশ্ববাসী জানল।
এই বাচ্চাগুলো যৌনাতায় জন্ম হয়েছিল।
বর্তমানে তারা মানবিক মূল্যবোধের উপর কাজ করার চেষ্টা করছে। তবে পিছনের ইতিহাস ভয়াবহ।
ধন্যবাদ স্থিতধী সুন্দর আলোচনার জন্য।

১১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২১ ভোর ৫:৪৭

সোহানী বলেছেন: চমৎকার এবং সময়পযোগী লিখা। লিখাটি বড় হলেও প্রাসঙ্গিক। সেক্স এডুকেশান যে খুব দরকারী সেটা সবাইকে বুঝতে হবে। বাবা-মা সন্তান টিচার...... সবারই দরকার সঠিক শিক্ষা। এখন আর আগের মতো অন্ধ নয় বাচ্চারা। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না পেলে ইন্টারনেট থেকে শিখবে বা বন্ধু-বান্ধব থেকে। তবে সেটা হবে কু-শিক্ষা।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:০৪

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ সোহানী সুন্দর মন্তব্য করেছো।
শুধু এক জায়গায় সমস্যা না। তাই শুধু একটা বিষয়ে ফোকাস করলে হবে না। চারপাশ থেকে এক সাথে পরিশুদ্ধ করতে হবে।

শিক্ষা চালু করলেই তা যে বাবা মা মেনে নিবেন তা তো নয়। সে জন্য বিদেশে থেকেও রক্ষণশীল অন্যদেশের মানুষ যে জন্মের নিয়ম এবং শরীর জানার শিক্ষায় আপত্তি জানান এবং কমিউনিটিতে যে সব ঘটনা ঘটে তার অভিজ্ঞতা কিছুটা টানতে হলো।
প্রযুক্তি অনেক আগে থেকে ব্যবহার হয় বিদেশে কিন্তু বাচ্চারা কতটা ব্যবহার করবে তার সঠিক মাপটা নির্ধারন করে দেয় স্কুলে। আমাদের দেশে তো তেমন ব্যবস্থা নেই কিন্তু অবাধে সব কিছু দেখার সুযোগ আছে।
শিক্ষার পাশাপামি ধর্ম পরিবারের কিছু গোড়ামি পরিচ্ছন্ন করতে হবে।
শুভেচ্ছা রইল

১২| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২১ ভোর ৬:২৯

স্প্যানকড বলেছেন: আপনার লেখা পড়লাম ভালো লাগলো। সমাজের কয়জন ভাবছে এমন? কত পার্সেন্ট? হয়তো হাতে গোনা! যৌনতা বাদ দিয়ে কেউ চলতে পারে না। কেউ ই প্রফেট গোত্রের বা দরবেশ না। আসলে খোলামেলা আলাপ হলে সহজ হয়। ভুল হওয়ার চান্স কম। তারপর মানুষ তো ! আমি নিজেই একটা ঘটনা জানি, প্রেমের নামে দুজন দিনের পর দিন সেক্স করছে যা রুম ডেটিং নামে পরিচিত। এক সময় ছেলেটি দেশের বাইরে এসে পেপারস এর প্রয়োজনে একজন বিদেশি বিয়ে করে সে মেয়েকে ভুলে যায়। মেয়েটি ও আরেকজনকে বিয়ে করে সংসারী হয়। খুব কমন বিষয় দেশের। তাও আমি বললাম, নব্বই দশকের কথা। এখন তো পাপ পূণ্য সব ই মোবাইলে। তবে নিজেকে শাসন নিজেকেই করতে হবে। চিকিৎসা নিজেরই করতে হবে। পরিবার থেকেই আগে শুরু করতে হবে। শারীরিক চাহিদা মেটাতে ভুল কিছু না করা যেন না হয় যা দুনিয়া এবং আখেরাতে বিপদ হয়ে দাঁড়ায় জাস্ট এটা মন মগজে বাঁধাই করে দিতে হবে। বাকিটা আল্লাহর হাতে। ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:১৪

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ spanked
যথার্ত উপলব্ধি করেছেন। আসলে ভাবনার সীমারেখাকে বেঁধে রাখা হয় নিয়মে। বেশির ভাগ মানুষই নিজস্ব ভাবনা ভাবতে পারেন না। আর যারা ভাবেন তারা হয়ে যান বখে যাওয়া ।
কিছু মানুষ নিজের মতন চেষ্টা করছেন কিছু মানুষ তাতে প্রভাবিত হচ্ছেন।
তবে সবচেয়ে ভালো ভাবে পালিত হবে যদি রাস্ট্র কিছু নির্দেশনা মানুষের জন্য রাখে। সবাই মানতে বাধ্য হবে।
আপনি যে ঘটনা উল্লেখ করেছেন তেমন ঘটনা এখন বহু গুণ বেড়ে গেছে ঘরে ঘরে। অনেক ঘটনা উল্লেখ না করে তাই কিছু সাহিত্যিক যে লিখেছেন সমাজের ছবি সেটা উল্লেখ করেছি। অথচ কাকের মতন চোখ বন্ধ করে থাকা মানুষ এসব মানতে চায় না।
সহজ করে দিলেই সহজ হয়ে যাবে এবং সেটা হওয়া খুব জরুরী তা হলে অহেতুক আগ্রহ কমবে মানুষের।
শুভেচ্ছা থাকল

১৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৭:২১

বলেছেন: বাহ —-চমৎকার ভাবনা

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:১৪

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ ল

১৪| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন:
নির্মোহ বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। ভালো লেগেছে লেখাটি।++
5 নম্বর কমেন্টকারী আতিকুররহমান আতিক ভাইয়ের শেয়ার করা মন্তব্যটিও ভালো লেগেছে।

শুভেচ্ছা নিয়েন।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৫১

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ পদাতিক চৌধুরি
চারপশে অকারণ বাড়াবাড়ি মানুষের সাথে জড়িত একটা সহজ বিষয় নিয়ে।
হ্যাঁ উনার ভাবনাও সুন্দর। অনেকেই নিজের মতন ভাবছেন। কিন্তু পুরো ব্যবস্থাটা ঠিক করতে পারে রাষ্ট্র নিয়ম করে।


১৫| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:০৩

মিরোরডডল বলেছেন:



লেইস আপু চমৎকার লিখেছেন । প্রপার এডুকেশনের বিকল্প কিছু নেই । সব সেক্টরের জন্য এটা প্রযোজ্য ইনক্লুডিং সেক্স এডুকেশন । পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সব জায়গাতেই ফ্রেন্ডলি আর ওপেন লার্নিং মেথডের মাধ্যমে এ ধরণের সমস্যা কমানো সম্ভব । পোষ্টের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সহমত ।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৫৭

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ মিরোরডডল
শিক্ষাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এ বছর যারা শিক্ষা নিবে তাদের বড় হয়ে আসতে আসতে অনেক দেরি। যারা নানারকম ফ্যাণ্টাসিতে এবং রক্ষণশীলতায় ভুগছে বড় হয়ে।
সমাজের এই বড় মানুষদের জ্ঞান বিতরনের জন্য সহজ করে তোলার জন্যে একটা পদ্ধতি কিছু চালু করা দরকার এখনই। যাতে আগামীর সবাই সুস্থতায় সহজ হতে পারে।

১৬| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১২:৫৬

স্প্যানকড বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন। @ রোকসানা লেইস

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৫৯

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ ফিরে আসার জন্য আবারও
আপনিও ভালো থাকবেন।

১৭| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:১০

রানার ব্লগ বলেছেন: নারী যে মানুষ আগে এটা বুঝতে হবে , বিভিন্ন গ্রন্থে নারী কে সহযোগী হিসেবে বর্ননা করা হয়েছে মানুষ রুপে নয়। সেখানে লেখাই আছে নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে পুরুষের সেবার জন্য, সেবা দাসি হিসেবেই নারীর আবির্ভাব, অদ্যাবধি নারীকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয় নাই বা করার চেস্টা ও হয় নাই। আমরা নারী অধিকার নারী স্বাধীনতা নিয়া আলোচনা করেছি কিন্তু মানুষ রুপে নারীর অবয়ব কি কখন ভেবে দেখেছি? আগে এটা আমাদের মাথায় আনি যে নারী সে আমার সেবাদাসী নয় সে মানুষ এবং সৃস্টির আদি উৎস এইটুকু ধারনা আমাদের মাথায় ধারন করতে পারলেই দেখেবন সব মুস্কিল আসান।

আর যৌনতা নিয়ে যারা অহরহ নাক সিটকায় দেখেবেন এদের ভেতরেই সব থেকে বেশি যৌন বিকৃতি।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:০২

রোকসানা লেইস বলেছেন: নারী গর্ভে জন্ম নিয়ে নারীকে এত অবমাননার নির্দেশ কেন সব সব ধর্ম গ্রন্থে।
কি সুবিধা পাওয়ার জন্য এত অত্যাচারিত নারী সব সময়। এই মনসতত্ত্ব বোঝা কঠিন।
এত বেশি মর্যাদাহীন থাকতে থাকতে অনেক নারীই বুঝতে পারে না মানুষের মর্যাদা।
আমি অনেক গুলো লেখায় উল্লেখ করেছি নারী মানুষ ভাবো নিজেকে।
একটা লেখার লিঙ্ক দিলাম নিচে দেখতে পারেন।
নিজেকে বেশি পবিত্র করে রাখার জন্য নারী থেকে দূরে থাকার প্রচেষ্টা। অথচ আরো বেশি আগ্রহী হয়ে উঠে। অথচ সহজ মেলামেশায় আগ্রহ কমে যেত।
শুভচ্ছা রানার ব্লগ

১৮| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৫৯

রোকসানা লেইস বলেছেন: view this link

১৯| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৭:৪৫

স্প্যানকড বলেছেন: যৌনতা যখন মগজে
লিখে লাভ নেই কাগজে
ভুলে যান ওসব
কথা তুলে লাভ নেই।

ধর্ষিতা বাড়বে
বিচার মিলবে সাধুর
অপরাধী তো সকলেই!

ভুলে যান,
একদম খেয়ে ফেলুন
ছিঁড়ে ফেলুন
সারা দেশে কাম চলছে সেই !

ভুলে যান
নারী মানুষ!
নরম মাংসের খনি
সংগা এখন এই !

ভুলে যান !

১৮ জানুয়ারী ২০২১।

২০| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ ভোর ৬:৩৪

রোকসানা লেইস বলেছেন: মগজ দখল করে থাকলে কোন থেরাপিতে কাজ হবে না। ঠিক বলেছেন।
ওরা তো দেখবে ঐ সব ছবি এবং আরো আগ্রহী হবে। কাগজের লেখা কথাগুলো কে পড়বে আর জানাবে তাদের।
ভালো লিখেছেন এমনটাই ঘটছে সব জায়গায়।
কিন্তু চুপিচুপি

২১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:৩১

স্প্যানকড বলেছেন: হুম! আসলে বাংলাদেশের সমস্যা আমাদের নিজেদের তৈয়ার করা। এই ধরেন একটা ছেলে কলেজ ভার্সিটি পাশ দিয়া বেকার।ততদিনে বয়স কত! শরীর তো দেখবে না বা হরমোন মানবে না আপনি বেকার! তার খিদা আছে। সেইটা মিটাতে কেউ বেছে নেয় পর্ণ আবার কেউ পথ ধরে অন্য।

একটা মেয়ে চাইলেই এমন কাউরে বিয়ে করতে পারে না যার বয়স খুব বেশী না। একটা স্টাবলিশ ছেলে খোঁজে। অমন ছেলে পেতে অপেক্ষা করতে হয় সুন্দরী হলে বড় জোর কলেজ তারপর বিয়ে। ছেলের তো ততদিনে শরীরে জং ধরে গেছে কারণ দেশী বডি কতদূর আর দৌড়ায়! তাই মেয়ে যায় পরকীয়ায়। আরেকটা বিষয় বিদেশি পাত্র! সে পাত্র প্রবাসে এসে পেপারস করতে করতে দেহ মন দুইটাই ক্ষয় কইরা বসে। সে গিয়ে পাত্রী খোঁজে ৫০০ সিসির। চালানের ক্ষমতা কিন্তু ৫০ ঠেলে ঠুলে ৮০/৯০ সিসি। পরিণতি সেই পরকীয়া সিস্টেম আধুনিক হইছে হাসব্যান্ড প্রবাসে আসার পর ছেলে মেয়ের প্রাইভেট টিউটর এর কথা বলে পুরানো বয়ফ্রেন্ডের সাথে লটর পটর! পরিণতি বিচ্ছেদ! অথবা কামলীলায় ডুব!

এই চলছে আগে একটা ছেলের পর্ন দেখতে যেতে হতো ভিডিও ক্লাবে ক্যাসেট আনতে তারপর কেউ দেখে ফেলল কি না সেই ডর।বন্ধুর বাসা খালি থাকলে তারপর। এহন তো মোবাইলে চাইলেই হয়।

একটা মেয়ের ক্ষেত্রে আগে হইত কি তার বিবাহিত বান্ধবীর বাসায় ভি সি আর থাকলে সুযোগ হইত। এহন মোবাইল আছে না, চাইলেই হয়। এই চাইতে চাইতে ই সব যাচ্ছে রসাতলে!
আসলে এগুলি চারপাশ দেখে বলা। যৌনতার দাস হয়ে গেছে সকলে। আমাদের সব কিছুতেই সফট পর্ণ আছে যা খুব সহজে ই চলছে ঘরে ঘরে। আর চুপেচাপে সবাই কামসুত্রে পি এইচ ডি করা বয়স ক্লাস ফোর ফাইভ থেকেই।
তাইলে এর নিয়ন্ত্রণ করার সিস্টেম আপাতত দেশে নাই। সরকার পর্ন সাইট বন্ধ করে পোলাপাইন ভি পি এন চালায়। আসলে সবার আগে নিজের প্রতি নিজের সম্মান থাকলে এ জিনিস এত বেড়ে যেত না। আর রক্ষণশীল সমাজ দেখে আরও চাহিদা বেশি। কি জানি কি জিনিস টা অতি আগ্রহ! অনেক দীর্ঘ করে ফেললাম দুঃখিত। ভালো থাকবেন।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৩:০৯

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ সমস্যাগুলো নিয়ে আসার জন্যে মন্তব্যে।
যৌনতা বিষয়টার মধ্যেই মানুষের জীবনযাপন। কিন্তু সামাজিক সভ্যতার এমন এক বিধি নিষেধের নিয়ম দাঁড়করানো হয়েছ। স্বাভাবিক বিষয় অস্বাভাবিক অবস্থায় পৌঁছে গেছে।
যত দিন যাচেছ সমাজে অপকর্ম বাড়ছে মানুষের অপারগতার জন্য। অথচ পরিত্রাণের ব্যবস্থা সহজ হচ্ছে না।
শেখ হাসিনা মেয়েদের বিয়ের বয়স পনের করে দিয়েছেন । আমিও এর বিরোধীতায় একটা লেখা লিখেছিলাম, বিয়ের বয়েস পনের নামে। পনের বছরে একটি মেয়ের শরীর পরিপূর্ণ তৈরি হয় না। কিন্তু সামাজিক অবস্থানে ধনী ঘরের মেয়ে এবং গরিবের ঘরের মেয়ের মধ্যে বিশাল পার্থক্য।
দেশে কিছু সাধারন মানুষের সাথে কথা বলে বুঝতে পেরেছি। একটা মেয়ে দশ বারো বছর বয়সের হয়ে গেলে তাকে টিজ করা থেকে প্রেম নিবেদন এবং নানা ধরনের বখাটে উৎপাত থেকে বাঁচাতে বিয়ে দিয়ে দরিদ্র অভিভাবক রক্ষা পেতে চায়।
কিনতু বিয়ে সব সময় সমাধান না । একটা মেয়ের জীবন চলার জন্য। সুস্থ ভাবে সুন্দর পারিবারিক জীবন যাপন করার জন্য যে পারিবারিক সহায়তা প্রয়োজন তা সবাই পায় না। শিক্ষা, অনটন এবং স্বাভাবের আচরণের উপর নির্ভর করে একটা পরিবারের সুখ ।
যৌনতার প্রতি আগ্রহ স্বাভাবিক ভাবে হয় শরীরে। তাই অন লাইনে যখন সুযোগ আছে দেখার জানার তা দেখে। কিন্তু শিখে অসুস্থ ভাবে এটাই বড় সমস্যা।অআর প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হয়ে যায় ফ্যান্টাসি মনে। তখন বিকৃত সব কাজ হয়। সঠিক শিক্ষায় যদি শরীর জানার সুযোগ পেত মানুষ তবে অনেকটাই সংযত হতো।

২২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১১:১৯

নীল আকাশ বলেছেন: বেশ তো খুল্লাম খুল্লা স্ট্যাইলে পাশ্চাত্যদেশগুলির মতো চলার উপদেশ দিচ্ছেন !
পাশ্চত্য দেশগুলিতে যে এই খুল্লাম খুল্লা স্ট্যাইলে চলার কারণে অসংখ্য মেয়েরা ধর্ষন, নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছে সেটা নিশ্চয়ই আপনি জানেন! আমেরিকাতে শুধু ১৮ বছরের নীচে মা হওয়া মেয়েদের সংখ্যা ইন্টারনেট থেকে থেকে দেখে নেবার অনুরোধ করছি। প্রমের নামে যা করে বেড়ায় সেটাও খোজ নিয়েন।
শুনুন, যৌনতা কাউকে শিখিয়ে দিতে হয় না। পর্ণ ইন্ডাস্ট্রীজ আসার আগেও সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে, না থাকলেও করবে। তবে খুল্লাম খুল্লা স্ট্যাইলে অল্প বয়সী ছেলেমেয়েদের যৌনতা জ্ঞান দেবার ফলাফল হবে দেশের আনুশকা এবং দিহানে মতো।

১৯৮৭ সালে অ্যামেরিকান ম্যাগাযিন ‘গাইড’ এর নভেম্বর সংখ্যায় প্রকাশিত হয় মার্শাল কার্ক এবং হান্টার ম্যাডসেনের লেখা প্রায় ৫০০০ শব্দের একটি আর্টিকেল। দু’বছর পর নিউরোসাইক্রিয়াট্রি রিসার্চার কার্ক এবং পাবলিক রিলেইশান্স কনসালটেন্ট ম্যাডসেন একে পরিণত করেন ৩৯৮ পৃষ্ঠার একটি বইয়ে। কার্ক ও ম্যাডসেনের এই আর্টিকেল উপস্থাপিত ধারণা ও নীতিগুলো পরবর্তী ৩ দশক জুড়ে সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করে রাজনীতি, মিডিয়া, অ্যাকাডেমিয়া, বিজ্ঞান, দর্শন ও চিন্তার জগতে। সারা বিশ্বজুড়ে। ম্যাগাযিন গাইডে প্রকাশিত মূল আর্টিকেলটির নাম ছিল “The Overhauling of Straight America ”। এটা আগে পড়ে দেখবেন কিভাবে পাশ্চত্য সমাজ ধংশ প্রাপ্ত করা হয়েছে।

আজ যৌনতার নামে শিক্ষা দেবেন, কাল এরাই হোমো হবে, লেসবিয়ান হবে। কিছুদিন পরে আলফ্রেড চার্লস কিনসের কুখ্যাত এক স্কেল এনে যৌন স্বাধীনতা চাইবে। সাবাস!

পৃথিবীর কোন ধর্মেই মেয়েদের নির্যাতন করার কথা উপদেশ দেয়া হয়নি। কারো ব্যক্তিগত নোংরামীর জন্য ধর্ম দায়ী নয়। যেটা আল্লাহর বিধান সেটা অতিক্রম করলে ধংশ অনিবার্য। পাশ্চাত্য সমাজ অনেক আগে নষ্ট হয়ে গেছে। লেজকাটা শিয়ালের মতো এরা এখন বাকি দেশগুলির লেজ কাটতে চাইছে শিক্ষাব্যবস্থায় অল্প বয়সীদের যৌনতা জ্ঞান দিয়ে।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৩:৪৬

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তবের জন্য। বিপরীত ভাবনার মন্তব্য পেয়ে ভালোলাগল। আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করলেন আপনি আপনার মন্তব্যে।
ব্যাক্তিগত ভাবে আপনার ধারনায় পশ্চিমা বিশ্ব ধ্বংস হয়ে গেছে এমনটাই মনে হলো। কোন আর্টিকেল পরে উপলব্ধি করার চেয়ে সেই পরিবেশে থেকে তার উপকার উপলব্ধি করছি বেশি। পশ্চিমা বিশ্ব উন্নতিই করছে নানা ভাবে। এবং ্ই সব খুল্লাম খুল্লা বাচ্চারাই আবিষ্কার করছে জিনিয়াস সব কিছু।
আপনার ভাষায় খুল্লাম খুল্লা হয়ে ব্রা আর পেন্টি পরে আরামসে বিচে শুয়ে থাকেন এখানে মেয়েরা। সামারে গায়ে ভিটামিন ডি লাগানোর প্রয়োজন হয় তাই। কেউ ফিরেও দেখে না সেদিকে।
রাত বিরাতে একা নিজের প্রয়োজনে রাস্তায় বের হন কাজ করেন বাড়ি ফিরেন নারীরা। তাদের কখনো কোন ভয়ে থাকতে হয় না। কখনো একদুটো ঘটনা ঘটে নারীদের উত্যাক্ত করার। তবে কঠিন আইনে তাদের বিচার করা হয়। ধর্মের প্রয়োজন পরে না। বরং ধর্মের কারণে যে সব যাজক নানরা অত্যাচার করে গেছে অনেক বছর পরে তাদের ধরে এনে বিচার করা হচ্ছে।
পশ্চিমা বিশ্বে গ্রেড সিক্সে যৌনতার বৈজ্ঞানিক শারীরিক প্রয়োজনিয়তার বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হয়।
শতভাগ বাচ্চারা যৌনতায় শুয়ে পরে না তারপর এই শিক্ষা পেয়ে। বরং তারা সাবধান হয় । যৌন ব্যাধী এবং সঠিক পন্থুা ব্যবহারে। দিহানের মতন ফ্যান্টাসি জগত থেকে শিখে ঠেসে কিছু ঢুকিয়ে মেরে ফেলেনা একটা মানুষকে।
যৌনতা একটা স্বাভাবিক আচরণ। এটা লুকিয়ে রাখার কিছু নাই। আপনার জন্মও যৌনতার মাধ্যমে। যৌনতা শুধু বাচ্চা উৎপাদনের জন্য না। এর সঠিক ব্যবহারে মানুষ সুস্থও থাকে তাই খুব বেশি জানা প্রয়োজন সঠিক ব্যবহার। যত লুকিয়ে রাখবেন তত আগ্রহ বাড়বে এর প্রতি এবং হয়ে যাবে নিষিদ্ধ গন্দম। আর মুখ বন্ধ করে রাখার তরিকায় বলৎকার ধর্ষনের শিকার হবে অবুঝ অসংখ্য বালক বালিকা। যারা সারা জীবন ধরে বয়ে বেড়াবে একটা দুঃসহ যন্ত্রনার ট্রমা। কিন্তু শুরুতেই যদি বুঝতে পারে এই স্পর্শটা স্বাভাবিক না। তবে তারা জীবন নষ্ট হওয়ার আগে ছোট হয়েও প্রতিবাদ করতে পারবে।
হোম এবং লেসবিয়ান শব্দ দুটো আপনি নিয়ে এলেন। এটাও কারো জন্য স্বাভাবিক আচরণ। কেউ হবে না। যাদের ভিতরে আছে তারা হবে। তবে কেউ এটাকে নিয়ে ফ্যান্টাসি করতে পারে সে সংখ্যা খুব বেশি না। কিন্তু যাদের ভিতরে আছে তারা এটাকে নিবৃত করতে পারবে না।
আমাদের দেশে তৃতীয় লিঙ্গকেও তো স্বাভাবিক মানুষ ভাবা হয় না। একটা নিয়ম দাঁড়িয়ে গেছে তাদের পরিবার থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার এই নিয়ম কি ঠিক?
এমন অস্বাভাবিক জন্ম তাদের ইচ্ছায় হয়নি বরং বায়লজিক্যাল সমস্যার জন্য তাদের শরীর পূর্ণ বিস্তার লাভ করেনি। এই সহজ হিসাবটা বোঝা কঠিন কিছু মানুষের ধারনা বদ্ধ চিন্তায়।
যারা বিশ্বাস করেন না তাদের কাছে অস্বাভাবিক মনে হবে। যা নির্ধারিত হয়ে আছে তার বাইরে আচরণ করলেই তাকে খারাপ ভাবার মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
স্বাভাবিক আচরণকে অস্বাভাবিক করা হচ্ছে রক্ষণশীলতার পর্দা দিয়ে। কিন্তু মানুষ এই বিষয়টা জানবেই। তবে খোলাখুলি জানালে সমস্যা কি।

২৩| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:২৯

নীল আকাশ বলেছেন: আপনার মন্তব্য পড়লাম। আপনি বলেছেনঃ
পশ্চিমা বিশ্বে গ্রেড সিক্সে যৌনতার বৈজ্ঞানিক শারীরিক প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হয়।
শতভাগ বাচ্চারা যৌনতায় শুয়ে পরে না তারপর এই শিক্ষা পেয়ে। বরং তারা সাবধান হয় । যৌন ব্যাধী এবং সঠিক পন্থুা ব্যবহারে।
পশ্চিমা বিশ্বে গ্রেড সিক্সে যৌনতার বৈজ্ঞানিক শারীরিক প্রয়োজনিয়তার বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হয়।
রাত বিরাতে একা নিজের প্রয়োজনে রাস্তায় বের হন কাজ করেন বাড়ি ফিরেন নারীরা। তাদের কখনো কোন ভয়ে থাকতে হয় না। কখনো একদুটো ঘটনা ঘটে নারীদের উত্যাক্ত করার। তবে কঠিন আইনে তাদের বিচার করা হয়। ধর্মের প্রয়োজন পরে না। বরং ধর্মের কারণে যে সব যাজক নানরা অত্যাচার করে গেছে অনেক বছর পরে তাদের ধরে এনে বিচার করা হচ্ছে।


অথচ ইন্টারন্যাশনাল নিউজ বলছে এটাঃ
The United States has a rape rate of 27.3. As in many other countries, rape is grossly under-reported in the United States due to victim shaming, fear of reprisal, fear of family knowing, cases not being taken seriously by law enforcement, and possible lack of prosecution for the perpetrator. Only 9% of rapists in the US get prosecuted, and only 3% of rapists will spend a day in prison. 97% of rapists in the United States will walk free.
Source:

NCVS 2018
Thirty-seven (37%) of the total violent victimization experienced was identified as rape, sexual assault, robbery, or aggravated assault.
The self-reported incidence of rape or sexual assault more than doubled from 1.4 victimizations per 1,000 persons age 12 or older in 2017 to 2.7 in 2018.
Based on data from the survey, it is estimated that 734,630 people were raped (threatened, attempted, or completed) in the United States in 2018.
Despite the increase in self-reports of rape and sexual assault, there was a decrease in reporting to police from 2017 to 2018. Forty-percent (40%) of rapes and sexual assaults were reported to police in 2017, but only about 25% were reported to police in 2018.
Source:

আপনার লেখার সাথে তো নিউজের বক্তব্য মিলছে না। এত সুন্দর যৌন শিক্ষা দেবার পরও তাহলে এইসব জঘন্য ঘটনা কেন?
চার্চের ফাদারদের আর রসময় কাহিনী লিখলাম না। সারা বিশ্বের তথাকথিত রোল মডেল সুইডেনে মেয়েদের যৌন নির্যাতনের ডাটা তো দিলাম না।

এবার আসুনঃ হোম এবং লেসবিয়ান শব্দ দুটো আপনি নিয়ে এলেন। এটাও কারো জন্য স্বাভাবিক আচরণ। কেউ হবে না। যাদের ভিতরে আছে তারা হবে। তবে কেউ এটাকে নিয়ে ফ্যান্টাসি করতে পারে সে সংখ্যা খুব বেশি না। কিন্তু যাদের ভিতরে আছে তারা এটাকে নিবৃত করতে পারবে না।
এইগুলি হচ্ছে মানসিক রোগ। এইগুলি স্বাভাবিক হতে যাবে কেন? আজ পর্যন্ত কোন গে জ্বীন আবিষ্কার করতে পেরেছে কেউ? ডীন হ্যামারের মিথ্যাচার অনেক আগেই ভুল প্রমানিত হয়েছে।

আমাদের দেশে তৃতীয় লিঙ্গকেও তো স্বাভাবিক মানুষ ভাবা হয় না।
কেন মানা হবে তারা কি স্বাভাবিক? অস্বাভাবিক শারীরিক গঠন নিয়ে যেহেতু জন্মগ্রহণ করেছে তারা কোন ভাবেই স্বাভাবিক মানুষ হতে পারে না। অস্বাভাবিক মানুষ হিসেবেই তাদের পূর্ণবাসনের কাজ করতে হবে। এটা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব।

রক্ষণশীলতার পর্দার নির্দেশ সৃষ্টিকর্তা দিতে বলেছে। এখন সারা বিশ্বে স্বাভাবিক এই প্রকৃয়াকে অস্বাভাবিক করা হচ্ছে সৃষ্টিকর্তা আদেশের বিরোধিতা করে। আপনি মানুন বা না মানুন, এটাই হচ্ছে আসল কারণ।
ধন্যবাদ।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ২:৪৬

রোকসানা লেইস বলেছেন: যে বক্তব্যগুলোর উত্তর দেয়া হয়েছে তা নিয়ে কপচা কপচি করছেন, আরো করবেন কারণ অন্যদের ভাবনা নেয়ার মতন সামর্থ আপনার নেই।
আমার সময় নষ্ট করে বারেবারে একই উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করছি না।
আপনার মন্তব্যকেও কোড করে উত্তর দিতে চাচ্ছি না। কারন আপনার হাস্যকর যুক্তিগুলো ব্লগাররা আপনার মন্তব্য দেখেই বুঝতে পারবেন। কারো বুদ্ধি সীলগালা দিয়ে আটকানো থাকলে সেখানে আলো ঢুকো সহজ হবে না।
জন্মের স্বাভাবিক রীতিনীতি খুব গোপন করে রাখেন আপনার পরিবারের কাছে।
এটুকু লিখছি যেন মনে না করেন আপনার উত্তর দেয়ার মতন কিছু জানা নাই আমার ।
ধন্যবাদ

২৪| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:০০

নীল আকাশ বলেছেন: এটা হচ্ছে আপনার দেয়া তথাকথিত সভ্য দেশের যৌনতা শিক্ষা দেয়ার ফলাফলঃ
Welcome to the child sex capital of Europe

২৫| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:৪৩

রানার ব্লগ বলেছেন: রোকসানা লেইস @ বাদুরের স্বভাব অন্ধকারে থাকা তাকে যদি আলোয় আনেন সে চোখ বুজে থাকবে, বেশি জোর করলে আপনাকে খামচি দিবে।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ২:৪৮

রোকসানা লেইস বলেছেন: মজা পাচ্ছিলাম।
ধন্যবাদ রানার ব্লগ

২৬| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:২১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
এক নজর দেখে ভাল লাগা রেখে গেলাম ।
পরে সুবিধামত সময়ে ফিরে আসার ইচ্ছা রইল ।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:০৯

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ ডঃ এম এ আলী
আপনার উপস্থিতিই অনেক
পড়ে মন্তব্য দিলে ভালো লাগবে।

২৭| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:১৭

অনেক কথা বলতে চাই বলেছেন: Dhormo grontho gulo narider obomanona kore bollen. Kichu mone korben na. Apnar cheleke dhormo shikkha deben na?

২৮ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:১১

রোকসানা লেইস বলেছেন: মানব ধর্ম সবচেয়ে বড় ধর্ম অনেক কথা বলতে চাই

২৮| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:৫৪

সাসুম বলেছেন: চমৎকার লিখা। সুন্দর সব কমেন্ট। বেশিরভাগ মানুষের কমেন্ট ই পজিটিভ,

দুই একটা আগাছা, পরগাছা, মৌলবাদী, বেদুঈন, ইব্রাহিমস্টাইন, চন্দ্রপুরী থাকবেই, তারাই এদেশের নিউজ পোর্টাল এর নীচে ধর্ষন এর জন্য মেয়েদের দায়ী করে কমেন্ট করে বাসায় গিয়ে মাস্টারবেশানে মত্ত হওয়া ছাগ পাল। এদের পাত্তা দেয়ার কিছু নাই।

সেক্স এজুকেশান জরুরি। খুবই জরুরী। বাচ্চাদের কে কন্সেন্ট শেখানো জরুরী। গুড টাচ, ব্যাড টাচ শেখানো জরুরী।

মোদ্দা কথা, পশ্চিমা বিশ্ব এগিয়ে গেছে, আর আমরা এখনো পিছিয়ে আছি হাজার বছর। পুরা দুনিয়া সামনে যাচ্ছে, আমরা চাচ্ছি পেছনে যেতে। মানুষ এখন ইন্টারস্টেলার স্পেস ছেড়ে ছড়িয়ে পড়ছে বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে আর আমাদের কিছু কূপমন্ডুক টেনে নামাতে চাচ্ছে অন্ধকার সময়ে হাজার বছরর পেছনে।

যতদিন এই মৌলবাদ, ধর্মীয় গোঁড়ামি আর কুশিক্ষা অশিক্ষা দূর হবেনা ততদিন এদেশে ছাগশিশু তে ভর্তি হবে মানবশিশুর পরিবর্তে।

লিখার বিষয় টা জরুরী। তবে বেশি বড় এবং আরো ছোট করা যেত বক্তব্য।

২৯| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:১৮

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ সাসুম সুন্দর মন্তব্য করেছেন।
বাংলাদেশ শিল্প সংস্কৃতি ধর্ম সব কিছুতে মিলে মিশে যতটুকু উদার ছিল আগে। যত দিন যাচ্ছে তা যেন পিছনে হাঁটছে ভয়াবহ ভাবে।
সরকারী ভাবে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে গত কয়েক দশক ধরে। এখন সরকারী ভাবে এই সব নির্মূল না করলে। আগামী অন্ধকার হবে।
দেশের মানুষের বড় উচ্চ ধারনা সব কিছুতে যার কোন ভিত্তি নেই।
প্রয়োজন অনেক রকম পরিবর্তন এক দম আইন করে খুব দ্রুত করে ফেলা।
শুভ কামনা।

৩০| ০২ রা জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৯:৫০

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল সামাজিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। আমি পুরোটা পড়েছি। অল্প বয়সী বাচ্চারা অনেক সময় সেক্সুয়ালি এবিউজ হয়। যে বয়সে তারা এবিউজ হয় তখন তারা ভালো করে জানেই না যৌনতা কি। তাদেরকে যদি পরিবার থেকে সতর্ক করা হত তাহলে এইভাবে এবিউজ হতো না।

সব বিষয়ে না হলেও আপনার লেখার অনেক বিষয়ে আমি একমত। এই সুন্দর একটা শিক্ষণীয় পোস্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। অনেক আগে এই পোস্টের কিছু অংশে আমি চোখ বুলিয়ে ছিলাম বলে মন হোল এখন। পুরোটা না পড়ার কারণে তখন মন্তব্য করিনি।

৩১| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ১২:২৯

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ সাড়ে চুয়াত্তর । লেখাটা ঠিক এক বছর আগের, তাই দেখা স্বাভাবিক।
সব বিষয়ে না হলেও অনেক বিষয়ে একমত হয়েছেন এটাও মন্দ না।
শুভেচ্ছা রইল

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.