নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এই ব্লগের বাইরে মহাপুরুষের কোনো অস্তিত্ব নেই।

আমার আপন কিংবা আমার পর, আমারে খুঁজিলে দিবস ভর। পাইলে দেখা অবশেষে, তখন চলেছি আকাশপথ।

অজ্ঞাত মহাপুরুষ

আমার সম্পর্কে আমি নিজেই জানি না। কিছুই বলার নেই, কেবল একবুক ভরা হতাশা।

অজ্ঞাত মহাপুরুষ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে একজন ভিন্ন ধর্মাবলম্বীর কিছু কথা

১০ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ২:১৯

আমার কিছু বন্ধু আমাকে বড়ুয়া বলে সম্বোধন করে। আমি মুচকি হাসি। আমার নাম কখনো সেটা ছিল না। আমার অন্য নাম আছে। তারা হয়ত এটা করে, আমাকে মনে করাতে সাহায্য করে আমি তাদের ধর্মের নই। আমি সর্বোচ্চ ধর্মগ্রন্থ কোরআন শরীফ নিয়ে রিসার্চ করে দেখার চেষ্টা করলাম, আসলে ইসলাম অন্য ধর্ম সম্পর্কে কি বলে।



" ধর্ম নিয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। " (কোরআন ২:২৫৬)

বুঝতে পারলাম, এরা যা করে সেটা ভুল। অথবা তারা কোরআন শরীফ সম্পর্কে অজ্ঞ। আমার কিছু বন্ধু তারা জোর করে আমাকে বলে আমি অন্য ধর্ম কেন পালন করি অথবা আমি কেন মুসলিম হয়ে যাচ্ছি না। আমি ঘেঁটে ঘেঁটে বের করলাম হযরত মোহাম্মদ (সঃ) বলেছেন,



" আপনারা যারা বিশ্বাস করেন না! আমি যার উপাসনা করি, আপনারা তার উপাসনা করেন না। সুতরাং আমি যার উপাসনা করছি আপনারা তার উপাসনা করছেন না। তাই আমার ধর্ম আমার, আপনার ধর্ম আপনার। " (চ্যাপ্টারঃ- ১০৯)



সুতরাং আমি এটায় উপনিত হলাম, তারা জোর করে আমাকে আমার ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করতে পারে না যদি তারা সঠিকভাবে কোরআন শরীফ পড়ে থাকে।



এবার আসা যাক, ২০১৩ সালের মার্চ মাসের ২৭ তারিখে। ৩৭ জেলার ৪৭ টি হিন্দু বাড়িতে হামলা অথবা রামুর বৌদ্ধপল্লীতে। চারিদিকে হাহাকার। যারা করেছে তারা মুসলিম হতে পারে বলে মনে করি না।



" সাবধান! তোমরা কেউ যদি অমুসলিমদের প্রতি নিষ্ঠুর এবং কঠিন হও অথবা তাদের অধিকার ক্ষুন্ন করো অথবা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাদের থেকে কিছু নাও; আমি(হযরত মোহাম্মদ (সঃ) ) শেষ বিচারের দিন আমি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিবো।" (আবু দাউদ)



রামুর হামলার সময় হাজার হাজার ধর্মীয় সম্পত্তি নষ্ট হলো। আমরা কাঁদলাম, সে সময় ফান্ড বানিয়েছিলাম। অনেক মুসলিম ভাইয়েরা সাহায্য করেছিলেন। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা সম্মান। আসলে ইসলাম যারা মন থেকে পালন করে অথবা ইসলাম যারা অন্তরে ধারন করে, তারা অন্য সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে। আবার অনেকে পথভ্রষ্ট হয়। পৃথিবীতে ইসলাম ধর্ম নিয়েই সবচেয়ে বেশি ধর্মব্যবসা হয়। কিছু ভালো মানুষ বলে তারা ইসলাম রক্ষার জন্য যুদ্ধ করো। অথচ কোরআনে উল্লেখ আছে,



" এবং তোমরা আল্লাহর কথানুসারে তার সাথেই যুদ্ধ করো যারা তোমার বিপক্ষে যুদ্ধ করতে চায়। তবে তোমরা আক্রমনাত্মক হবেনা। অবশ্যই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না। (২:১৯০)



এরপর যদি বলেন, যারা ধর্মের জন্য যুদ্ধ করছে তারা সঠিক আমি দুঃখিত। পৃথিবীতে অনেক মুসলিম নির্যাতিত হয়ে আসছে। কিন্তু বাংলাদেশের মতো একটা দেশে যেখানে ৯৫% মুসলিম সে দেশে নির্যাতিত হয়ে আসছি আমরা সংখ্যালঘুরা। আমরা কোনো যুদ্ধে যাই না, আমরা মিলেমিশে থাকতে চাই। ঈদে কোলাকুলি করি, মা প্রতি ঈদে সকালে সেমাই রান্না করে। আমরা তৃপ্তি ভরে খাই। আমি কেবল এটা বলতে চাই, ধর্ম দেখানোর ব্যাপার না, ধর্ম ধারণ করতে হয় অন্তরে। আপনি যেই ধর্মেরই হোন না কেন, আপনার বিশ্বাস করতে হবে ঈশ্বর আছেন, অবশ্যই আছেন! তাহলেই আপনি ধার্মিক।



" যদি তুমি ভালো করো, তবে নিজের আত্মার পরিশুদ্ধির জন্য করো। আর যদি তুমি খারাপ করো, তবে সেটাও তাদের জন্যেই। (১৭:৭)



আপনারা যারা সত্যি আল্লাহর উপরে আস্থা রাখেন, আল্লাহকে বিশ্বাস করেন আল্লহকে ভয় করেন। আপনারা প্রকৃত ইসলাম থেকে বহুদূরে সরে এসেছেন। ভালোভাবে জানুন, ইসলাম অন্য ধর্ম সম্পর্কে কি বলে। আর যদি কিছু ভুল বলে থাকি দয়া করে এই মালাউনকে ক্ষমা করবেন।



একটা গল্প দিয়ে শেষ করি। মারা যাওয়ার পর একলোক ঈশ্বরের সম্মুখীন হলেন। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো তুমি কিভাবে মারা গেলে? সে বললো, আমি আমার স্ত্রীর জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিহত হয়েছি। ঈশ্বর তখন বললেন, তুমি তোমার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছো। তোমার স্ত্রীর জীবন তুমি রক্ষা করতে পারোনি। সুতরাং তুমি ব্যর্থতার দায়ে অভিযুক্ত!



ধর্ম এমনই। এখানে ব্যর্থতার কোনো অবকাশ নেই...

মন্তব্য ২৩ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:২৯

খাটাস বলেছেন: ভাই অজ্ঞাত। আপনার পোস্ট পড়ে সত্যি ই মুগ্ধ। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি বক ধার্মিক রাই করে। তারা না জানে ধর্ম, না জানে মানবতা। জানে নিজ স্বার্থ। তবে অনেকেই না জেনে ই ধর্ম ব্যবসায়ীদের মুল জ্বালানী হয়ে যান। এই অশিক্ষিত ধার্মিক দের জন্য সমাজে এখন ধর্ম নিয়ে সংঘাত হয়।
আপনার পোস্ট প্লাস সহ প্রিয়তে। মনে কষ্ট রাখবেন না ভাই। যা সত্যি তাই তুলে ধরুন। অনেক শুভ কামনা আপনার জন্য।

১০ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:২৪

অজ্ঞাত মহাপুরুষ বলেছেন: ধন্যবাদ। আসলে আমরা নিজেরাই জানি না আমরা ধর্ম রক্ষা করতে গিয়ে উল্টে ধর্ম বিকৃত করে বসি। ধন্যবাদ

২| ১০ ই আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:৩২

লেখোয়াড় বলেছেন:
আপনার পোস্টি ভাল হয়েছে।
কিন্তু ওদের মানে ধর্ম ব্যবসায়ীদের এসব বলে কোন লাভ নেই।

ধন্যবাদ।

১০ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:২৬

অজ্ঞাত মহাপুরুষ বলেছেন: আমরা চাই সবাই ভালোভাবে থাকতে। পৃথিবীতে যখন জন্মেছি তখন যেভাবেই হোক নিজের কাজগুলো গুছিয়ে নিতে হবে। ধর্ম আপনাকে কেবল পথ দেখায় কিভাবে নিজের এই কাজগুলো পবিত্রতার সাথে শেষ করতে হয়। ধন্যবাদ

৩| ১০ ই আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৪:০১

প্রথম বাংলা বলেছেন: সুন্দর কথা বলেছেন। ইসলাম কখনোই জোড় করে কারো সম্পত্তি কেড়ে নিতে বলেনি। ববং নিষেধ করেছে কঠোর ভাবে। কাওকে জোড় করে ধর্মান্তরীত করতে ও ইসলাম উৎসাহিত করেনা। কারণ সেখানে সে মনোগত খাবে ইসলাম গ্রহন করেনা। তাই নবীজি বলেছেন কাওকে জোড় করে ধর্মান্তরীত করোনা। ধর্মের উপর কোন জোড় চলেনা। একথায় এটি প্রমান করেনা যে সকল ধর্মই সত্য। এখানো বোঝানো হয়েছে যে, “মানুষকে বুঝিযে ধর্মের দাওয়াত দিয়ে ধর্মে আনতে পাড়লে সে মনথেকে ইসলাম গ্রহন করবে, ইসলাম ধারণ করার ব্যাপার, বিশ্বাস করার বেপার” প্রদর্শনের বেপার না। ” জোড় করে কাউকে ইসলামে বাধ্য করা যায় তার মনে ইসলামের বিশ্বাস থাপন করা যায়না।

আর আপনি যে সকল রেফারেস্ন দিয়েছেন সেগুলি সত্য। তবে আযাত গুলার আগে পাছে তাথে অবতির্ণ হবার প্রেক্ষাপট।
যেমন আপনি নিচোর যে কয়েকটি কথা বলেছেন তা সুরা কাফিরূন এর বঙ্গানুবাদ।

" আপনারা যারা বিশ্বাস করেন না! আমি যার উপাসনা করি, আপনারা তার উপাসনা করেন না। সুতরাং আমি যার উপাসনা করছি আপনারা তার উপাসনা করছেন না। তাই আমার ধর্ম আমার, আপনার ধর্ম আপনার। "

এখানে কাফের দের (মানে বিধর্মীদের ) অমান্যতা এবং কপট মানুসিকতা আর নবিজি সম্পর্কে তাদের ঠাট্টা মসকারা সম্পর্কে তখনকার সময়ের প্রেক্ষাপটে এই সুরাটি নাজিল হয়েছিলো।

সুরাটি হলো
**ক্বূল ইয়াআইযু হালকাফিরূন। লা-- আ’বুদু মা তা’বুদুন। অলা আনতুম আবিদুনা মা আ’বুদ। অলা আবিদুম মা আবাত্তুম। অলা আনতুম আবিদুনা মা আ’বুদ। লাকুম দিনুকুম ওয়ালিয়াদিন।****

যার অর্থ
(বলো) হে কাফের গণ আমি যা বিশ্বাস করি তোমরা ত কখনোই রেবেনা (করোনা নয়) । আমি যে মাবুদের উপাসনা করি তোমরা তার উপসনা কখনুই করবেনা। তাই আমার ধর্ম আমার আর তুমাদের ধর্ম তোমদের।
এখানে আল্লাহ পাক নবীজিকে বলতে বলেছেন কাফের দের উদ্যেশ্যে, যে, বলো (আল্লা) , আমি(নবী) যার উপাসনা করি তুমরা তা কখনোই করবেনা। এই ”করবেনা” কথাটা কাফের দের প্রতি নির্দেশ অর্থের ব্যবহৃদ হয়নি। ব্যবহৃদ হয়েছে কাফেরদের অপারগতাা অর্থে। অর্থা আমার বিশ্বাস উত্তম ওয়াও সত্বেও তোমাদের মনের অবস্থা এমন যে তোমরা এই উত্তম বিশ্বটি কখনোই করবেনা।
এমন নয় যে তাদের কে নির্দেষ দেয়া হয়েছে , যাও তোমরা তোদের ধর্ম পালন করো সব ধর্মই সত্য।
এমনটা যদি হতো তাহেল তো আর আলকোরআন নাজিল করার দরকার পড়তোনা।

তবে আপনার কিছুটা কোরআনের জ্ঞান আছে দেখে আমি অনেক খুশি। অবশ্যই বিভিন্ন ধর্ম সম্পর্কে মানুষের জানা দরকার। যারা ঈশ্বরে বিশ্বাস করে আমরা যারা ঈশ্বরে বিশ্বা কর্ আমরা ত শেষ বিছার স্বর্গ নরক ইত্যাদিও মানি । তাই আমাদের সত্য ধর্ম কোনটা সেটিও জানি বাঞ্চনীয়।
তবে আপনার প্রতি অনুরোধ সুরার অর্থ পড়ারসাথে সাথে সুরা নাজিলের সমসাময়ীক ঘটনাবলি পড়বেন।
কোরআন সরিফের প্রতি পাতায় দুই পাশের দেড় ইঞ্চি কলামে সুরা এবং আয়াতের নাজিলের প্রেক্ষাপট দেয়া থাকে।

তবে এই কথাটি জেনে রাখবেন ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম। কখনোই সেখানে কাউকে গায়ের জোড়ে আনা যাবেনা। উপযুক্ত জ্ঞান দিয়ে আনতে হবে। আর জ্ঞান পেয়ে যে আসবে সেই মুসলমান।

১০ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:৩১

অজ্ঞাত মহাপুরুষ বলেছেন: আমি আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। যেহেতু আমার ধর্ম ইসলাম নয়, এবং আমি যতটুকু জানি অন্য ধর্মের কেউ কোরআন শরীফ ছুঁতে পারে না। সেহেতু আমার কোনো অবকাশ নেই। আমি ইন্টারনেট থেকে রিসার্চ করে যতটুকু সম্ভব লেখার চেষ্টা করেছি এবং যারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে তাদের ভুলগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আমার ভুলগুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি। ধন্যবাদ

৪| ১০ ই আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৫:১০

গুড্ডু বাবু বলেছেন: শেষ গল্পটায় কিছু সমস্যা আছে। ভালো করে পড়েন।

১০ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:২৮

অজ্ঞাত মহাপুরুষ বলেছেন: জ্বী আমি বুঝতে পেরেছি। আমি কেবল এটাই বোঝাতে চেয়েছি, ধর্মে পালনে ব্যর্থতার কোনো সুযোগ নেই। ধন্যবাদ

৫| ১০ ই আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৫২

নিষ্‌কর্মা বলেছেন: ধর্ম নিয়ে যারাই ফন্দি ফিকির করে, তারা সবাইই স্বার্থান্বেসী। এরা সাধারণ ভাবে নিজে ভালো ছাড়া অন্যের কোন ভাল চায় না, দেখতেও পারে না।

১০ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:৩৩

অজ্ঞাত মহাপুরুষ বলেছেন: সবার মনেই কোনো না কোনো স্বার্থ লুকিয়ে থাকে। তবে ধর্ম নিয়ে যারা স্বার্থ খোঁজে তারা অবশ্যই মানুষের পর্যায়ে পড়ে না। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৬| ১০ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:২০

আবদুল্লাহ ১৩ হোসেন বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে ভাল লাগলো। রেফারেন্স গুলো দেখে বুঝলাম আপনি ইসলাম সন্মন্ধে পড়াশোনা করেছেন। আপনি হয়ত জানেন না যেকোন ধরনের অন্যায় দেখলেই একজন মুসলিমের হৃদয় কাদে তা না হলে সেত মুসলিম হতে পারেনা।যখন অন্যান্য ধর্মালম্বিদের উপর আক্রমন হয় তখনও অধিকাংশ মুসলিম ব্যাথিত হয়। কিছু স্বার্থান্বেসী নামধারি মুসলিম এই ধরনের আপকর্ম করে ধর্মের দোহায় দিয়ে কিন্তু সে ইসলাম সন্মন্ধে কিছুই জানেনা। আর আমাদের ব্যার্থতা অন্যান্য ধর্মের মানুষদের কাছে আমরা ইসলামের সৌন্দর্য তুলে ধরতে পারিনি। আমি আশা করব আপনি আরো ইসলাম সম্পর্কে জানবেন (ডাঃ জাকির নায়েকের লেকচার এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারে) আর পবিত্র কোরআন শরিফ এসেছে সমগ্র মানব জাতির জন্য শুধুমাত্র মুসলিমদের জন্য নয় তাই পবিত্র কোরআন শরিফ আপনি নির্দ্বিধায় পড়তে পারেন যেহেতু মুসলিমরা পবিত্র কোরআন শরিফকে আল্লাহর বানী বলে বিশ্বাস করে তাই তারা পবিত্র কোরআন শরিফ ধরার আগে পবিত্র হয়ে নেয়। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

১১ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১:২৩

অজ্ঞাত মহাপুরুষ বলেছেন: আমার লেখা সময় দিয়ে পড়ার জনয আপনাকেও ধন্যবাদ। :)

৭| ১১ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৩:৪৩

প্রথম বাংলা বলেছেন: অন্য ধর্মের মানুষ কোরআন ধরতে পারেনা কথাটা ঠিক না। আল কোরআন আল্লাহ পাক সমস্ত মানব জাতির জন্য নাজির করেছেণ। এবং সর্ব শেষ নবী (ইশ্বরের অবতার, কিংবা মেসেঞ্জার যাই বলেন) হজরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলেন সমস্ত মানব জাতির যন্য প্রেরিত। আপনি বা অন্য যে কোন অমুসরিম কোরআর যদি না ধরে না পড়ে তাহলে তারা জানবে কি করে কোনটা সত্য ধর্ম। আপনি কেবল আমার কথার উপর বিশ্বার করে মুসলিম হতে পারেননা। আপনাকে নিজে থেকে যান্তে হবে। তবে কোরআন ধরা বা ছোঁয়ার একটি নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। আপনাকে পবিত্র হতে হবে। অজু করা লাগবে এমনকেন কথা নেই। তবে আপনার শরির এবং জামা অবশ্যই পবিত্র হবে হবে। পাশাপাশি ওজু থাকলে উত্তম। আর নেতে অনেক ভূল তত্বও থাকে। এত বড় একটা কিতাব নেটে আপলোড করাওত একটা দক্ষতার ব্যপার, কিবলেন?

১১ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১:২৫

অজ্ঞাত মহাপুরুষ বলেছেন: জ্বী আপনি ঠিক বলেছেন। আমি ভালোটা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আমি ইসলাম ধর্মের বিপক্ষে নই। যাদের ধর্ম ইসলাম হয়েও ইসলাম শব্দের মানে জানে না আমি তাদের বিপক্ষে। ধন্যবাদ

৮| ১১ ই আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:২৬

মুদ্রা সংগ্রাহক বলেছেন: বেশ গুছিয়ে আপনি আপনার কথা লিখেছেন সেজন্য ধন্যবাদ অবশ্যই প্রাপ্য।

আপনি যে কথাগুলো বললেন আমি বিশ্বাস করি বেশীরভাগ বাংলাদেশী নাগরিক ই কোরআন এর আলোকে না জানলেও মানবিকতার কারণে জানে।

গুটি কয়েক মানুষ ধর্মকে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার কারণে আমার মনে হয় সকলকে গণহারে দোষ দেয়া ঠিক হবে না। তবে সময় এসেছে যখন যেকোন মানুষ - সে যে ধর্মের ই হোক না কেন নির্যাতিত হয় তখন তার পাশে দাঁড়ানোর।

মালাউন শব্দটির ব্যবহার ব্যক্তিগত ভাবে আামি ঘৃণা করি যদিও এই শব্দটার প্রায়োগিক রূপ ঠিক যবন এর মত ঘৃণ্য নয়। পোস্টের শিরোনামে এ শব্দটার ব্যবহার আমার কাছে কিছুটা দৃষ্টিকটু মনে হয়েছে কারণ সকল ইসলাম ধর্মাবলম্বী ভিন্ন ধর্মাবলম্বী কাউকে মালাউন নামে আখ্যায়িত করেন না। আশা করব লেখক শিরোনাম এ মালাউন শব্দটি পরিবর্তন করে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী করবেন।

পরিশেষে লেখক কে পুনরায় ধন্যবাদ জানাই সুন্দর পোস্টটির জন্য।

১২ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৪৬

অজ্ঞাত মহাপুরুষ বলেছেন: আপনার কথাই রাখলাম। আপনার মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৯| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১১:৩৮

সুস্মিতা শ্যামা বলেছেন: তথ্যবহুল। ভাল লাগল।
তবে, বিধ্বংসীর কোন জাত ধর্ম থাকে না। ওরা ধ্বংস করতে চায়, তাই করে। অন্যের উপর অত্যাচার করে, নিজের মত অন্যের উপর চাপিয়ে দিয়ে পৈশাচিক আনন্দ পায়। সে কারণেই এসব করে। আর নিজেদের পাশবিকতাকে জায়েজ করার জন্য ধর্মের রেফারেন্স খোজে। সব ধর্মেই এরকম বর্বর অত্যাচারীর দেখা মিলবে বোধহয়।
যারা সংখ্যালঘু, তারা দুর্ভাগা নয়, আমরা যারা সংখ্যাগুরু, তারাই আসলে দুর্ভাগা। এতজন থাকা সত্ত্বেও আমরা আমাদের ভাইবোনদের নিরাপত্তা দিতে পারছি না। বাংলাদেশটা মুসলমান বা হিন্দুর বা বৌদ্ধের বা খ্রীষ্টানের একার সম্পত্তি নয়-এটা বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের সম্পত্তি।
আপনি ভাল থাকবেন।

১৫ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:২২

অজ্ঞাত মহাপুরুষ বলেছেন: আপনার কথাগুলো ভালো লাগলো। আপনিও ভালো থাকুন।

১০| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:৪৫

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: আপনি সঠিক বলেছেন, প্রকৃত মুসলমান কখনো অন্য ধর্মের কারো ক্ষতি করবে না, বরং উপকার করবে।

আপনি যাদের দেখছেন, ধর্মের নামে অমুসলিমদের উপর অত্যাচার করছে তারা কেউই প্রকৃত মুসলিম নয়।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সহি বুঝ দান করুন, আমিন।

১৫ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:০৩

অজ্ঞাত মহাপুরুষ বলেছেন: আমিন।

১১| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:২২

মাতব্বর বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ! আপনি অন্য ধর্মালম্বী হয়েও যা জানেন, অধিকাংশ নামধারী মুসলমান তা জানে না। আপনার এই জ্ঞানার্জন অব্যাহত থাকুক।

১৫ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৩৫

অজ্ঞাত মহাপুরুষ বলেছেন: আপনার কথাটা পুরোপুরি মেনে নিতে পারলাম না। আমি একজন কৌতুহলী মানুষ। ইসলাম কখনৈ আমার ধর্ম নয়। আমি চাইলেও মন থেকে পালন নাও করতে পারি।

কিন্তু সব মুসলমান নামাজ পড়ে, শবে বরাত, শবে কদরে মসজিদে আল্লাহর কাছে দুহাত তুলে মোনাজাত করে। কিন্তু তারা কেবল গোঁয়ার্তুমির বেলায় কেমনে কেমনে যেন একত্রিত হয়ে যায়।

ধন্যবাদ

১২| ১৭ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:৪২

ইহসান আকসার মাহমুদ বলেছেন: https://www.alislam.org/
http://www.ahmadiyyabangla.org/
সকল মুসলমানের কাছে অনুরোধ, শুধু একবার ঘুরে আসুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.