নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

স্বপ্নের খোঁজে দেখি তোমায় /বাঁধি সীমাহীন ভালোবাসায়/দাও কিছু সুখের বৃষ্টি / ভিজি আমি /উড়াই দিগন্তের নীলিমায় তোমার নামে / স্বপ্নের এক বিশাল ঘুড়ি।

স্প্যানকড

আমি হারিয়ে ফেলি নিজেকে ফিরে ফিরে পাই এক চিলতে হাসিতে।

স্প্যানকড › বিস্তারিত পোস্টঃ

গভীরতা নাই !

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ ভোর ৪:২৬

ছবি নেট ।

আমাদের হুমায়ুন আহমেদ এবং হুমায়ুন আজাদ দুইজন খুব ভালো বন্ধু ছিলেন। তো হুমায়ুন আজাদ হুমায়ুন আহমেদ এর উপন্যাস গুলিকে বলতেন " অপন্যাস "! আরও বলতেন, এতে গভীরতা নেই!

এ কথা শুনতে শুনতে হুমায়ুন আহমেদ এর কান খারাপ হওয়ার দশা মানে ভালো লাগছিল না। এদিকে হুমায়ুন আজাদ বন্ধু মানুষ তাই লজ্জায় হুমায়ুন আহমেদ কিছু বলতে পারছেন না।

তাই তিনি একবার করলেন কি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক মানিক বন্দোপাধ্যায়ের একখানা উপন্যাসের হুবহু কপি করলেন শুধু নাম গুলি মুসলিম করে দিলেন।

তারপর হুমায়ুন আজাদ সাহেবকে পড়তে দিলেন। হুমায়ুন আজাদ সাহেব পড়ে বললেন, ঠিক আছে কিন্তু গভীরতা নাই ! এ শোনার পর হুমায়ুন আহমেদ আর হুমায়ুন আজাদ সাহেব এর সাথে কোনরকম যোগাযোগ রাখেন নি!
এ গল্প বলার উদ্দেশ্য আছে। অনেকে ধরে ফেলেছেন কেন এই গল্প বর্ননা করলাম। অনেকে আছেন বা কেউ আছেন যিনি বা যাহারা আজকের ব্লগ পড়ে গভীরতা খুঁজতে যাবেন শেষমেশ হতাশ হয়ে বলবেন গভীরতা নাই !

তাদের কে বা তাকে বলছি, আমি ভাই! অত গভীরে যেতে চাই না। গভীরে না হয় গেলাম সেখান থেকে টেনে তুলবে কে? তুলবেন আপনারা বা আপনি? কেউ নাই!

আর আপনারা বা আপনি হুমায়ুন আজাদ হলে না হয় বুঝতাম ! আপনারা বা আপনি তো উনার বাল কি নজদিক ভি গায়ি নেহি! হিন্দি টেরাই করলাম। ভুল হলে ঠিক কইরা লইয়েন নিজ দায়িত্বে !

এরচেয়ে ভালো আমি হালকার উপর দিয়া ঝাপসা দেখে চলে ফিরে খাচ্ছি, ঘুমাচ্ছি, প্রেম করছি শুধু গভীরে যেতে পারছি না দুঃখিত তাই !

আচ্ছা, একটা প্রশ্ন করি বলেন তো ১৯৭২ সনে দেশে কোটিপতি কতজন ছিলেন ? নানান জায়গা ঘেঁটে যাহা পাইলাম তাতে তো শরীরের বাল দাঁড়ায় গেছে গা !

দাঁড়ান আমি বলে দিচ্ছি মাথা চুলকাবেন না মাথায় খুসকি থাকলে আরেক বিপদ! শ্যাম্পুর কিন্তু দাম আছে মাথায় রাইখেন! কত ছিল জানেন, মাত্র পাঁচজন!

এরপর ১৯৭৫ এ দাঁড়ায় ৪৭জন , ১৯৮০ তে দাঁড়ায় ৯৮জন , ১৯৯০ এ ৯৪৩ জন , মাত্র দুই বছরে এই হাল! ১৯৯৬ এ ২,৫৯৪ জন, পাঁচ বছরে এই হাল! ২০০১ সালে ৫,১৬২ জন,২০০৬ সালে ৮,৮৮৭ জন  ২০০৮ সালে ১৯,১৬৩ জন এবং ২০১৫ সালে ৫৭,৫১৬ জন! আর এখন? সংখ্যা জানা নাই তবে আগের রেকর্ড ব্রেক মানে বহুগুণ !

এখন দেখছেন এ সংখ্যা কেমন লাফ দিয়া লাফ দিয়া বাড়ছে আর ওদিকে গরীবের সংখ্যা ও লাফ দিয়া লাফ দিয়া বাড়ছে !

গত ১২ বছরে দেশে কোটিপতি ব্যাংক হিসাবধারীর সংখ্যা তিনগুণেরও বেশি বেড়েছে।করোনা'র কারণে কিছু মানুষ যেমন গরিব হয়েছে, তেমনি ধনীরা আরও বেশি ধনী হয়েছেন। এ হচ্ছে দেশের হাল !

এমন একটা ভারসাম্যহীন রাষ্ট্রে যার পয়সা আছে সে মেলা কিছু করতে পারে খুন, গুম, ধর্ষণ, মাদক ব্যবসা আরও মেলাকিছু। যা খুবই ভয়ের ব্যাপার !

এই যে এসব নয়া কোটিপতি দিনকে দিন বাড়ছে এরা সবাই রাজনীতির সাথে জড়িত বা রাজনীতি নেতাদের আত্মীয় স্বজন অথবা কোন না কোনভাবে এদের সাথে জড়িত!

আবার অনেকে আছেন পিছন থেকে খেলছেন এবং নানান প্রজেক্টে ইনভেস্ট করে আরও মাল কামিয়ে নিচ্ছেন। মনে করছেন, এতে কি মন্ত্রী মহোদয়রা কিছু টু পাইস পাচ্ছেন না? আলবত পাচ্ছেন! এত সাধু কেউ না!

তাইতো ফকরউদ্দিন সরকার এর সময় দেখছি দামী গাড়ি রাস্তায় পড়ে ছিল কোন মালিক নাই। লেপ তোষক বালিশের ভেতর টাকা !

এখনো সরকার যদি অমন একখান চিরুনি অভিযান চালায় দেখবেন একই সিন আবার কিন্তু সরকারের আদৌ কি সেই হিম্মত আছে?

মনে হয় নাই ! এ জায়গায় আইসা গাব্বার এর ডায়ালগ মনে পড়ল " জো ডর গায়া সামঝো মর গায়া! "

সরকার আরো নাড়া দেয় না কারণ এতে নিজেদের লোকজন ধরা খাবে বেশী ! আবার যে একদম দেয় না তা কিন্তু না নাড়া দেয় যেমন শাহেদ, সম্রাট, হেলেনা, পাপিয়া এসব কিন্তু খোঁয়াড়ে আছে।

তবে বাতাসে ভাসে খবর এরা কারো চোখের কাঁটা হয়ে গিয়েছিল বা কাউরে মানতে চাইছিল না তাই সিস্টেমে ফালায় দিছে বা বলা যায় ফাঁটা বাঁশের চিপায় অন্ডকোষ আটকে গেছে একটু নড়াচড়া করলেই এখন আহ ঃ উহঃ ও মাগো লাগছে শোনা যায়!

কিন্তু হেলেনা, পাপিয়ার তো অন্ডকোষ নাই। তাইলে কোন চিপায় পড়ছে?এ রহস্য হয়তো বারমুডা ট্রায়াংগেল এর মতন। শোনা যাবে কিন্ত ধরা বা ছোঁয়া যাবে না!

দেখছেন কত গভীরতা ! যাক মেলা রাইত হইছে নয়া কোটিপতিদের শুভেচ্ছা! ভালো থাকবেন সকলে।

মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ ভোর ৫:৫৪

কামাল১৮ বলেছেন: প্রেম করছেন কিন্তু ছোট বলে হয়তো গভীরে যেতে পারছেন না।আপনি কোন সালের দলে আছেন।ভালো লিখেছেন।

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:২৬

স্প্যানকড বলেছেন: গভীরে যেতে ছোট বা বড় কিছু লাগে না। ইচ্ছে লাগে আমার সে ইচ্ছেটা কমে যাচ্ছে এই হলো ব্যাপার। আমি কোন দলে নেই ছিলাম ও না। ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

২| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ৯:১৬

ইসিয়াক বলেছেন: হা হা হা .......। আপনি আপনার মত লেখেন যে যা বলে বলুক।


পোস্ট কিন্তু দারুণ হইছে।

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:২৮

স্প্যানকড বলেছেন: ধন্যবাদ ইসিয়াক ভাই। উহা করেই যাচ্ছি। নলখাগড়ার কথায় কিচ্ছু আসে যায় না। ভালো থাকবেন।

৩| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ৯:২৫

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: চুনোপুটি পুকুরে থাকেন, সমুদ্রের গভীরতা
মাপতে গিয়া বেঘোরে প্রাণ হারাইয়েন না।

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৩০

স্প্যানকড বলেছেন: ভাই, আমি এরচেয়ে ক্ষুদ্র ! পুকুর সমুদ্র লাগে ! হুম, একদম সত্যি বলেছেন, সব কোটিপতি হয়ে যাক আমার কি ! ভালো থাকবেন।

৪| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ৯:৩২

গফুর মিয়া১৯১ বলেছেন: টাকা কি মানুষ কে ধনী বানায়?

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৩০

স্প্যানকড বলেছেন: বর্তমানে টাকাই সব ! ভালো থাকবেন।

৫| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ৯:৪০

বিটপি বলেছেন: হুমায়ুন আজাদ এরকম গর্দভ শ্রেণীর সাহিত্যিক ছিলেন যে হুমায়ুন আহমেদ মানিক ব্যানার্জির উপন্যাসের চরিত্রগুলোর নাম চেঞ্জ করেই তাকে মুলাখোর বানিয়ে দিলেন? আমি হলেও তো পড়ে বুঝে যেতাম যে সেটা হুমায়ুন আহমেদের লেখা নয়।

কোটিপতির সংখ্যা তো বাড়বেই। ১৯৭২ সাল থেকে এখনকার মুদ্রামান কমেছে ২৫০ গুণেরও কম। তার মানে এখনকার কোটি টাকা মানে ১৯৭২ সালের মাত্র চল্লিশ হাজার টাকা। ১৯৭২ সালে চল্লিশ হাজার টাকার মালিক ছিল এরকম সংখ্যা কত?

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৩৩

স্প্যানকড বলেছেন: সংখ্যা উল্লেখ করা আছে পাঁচ জন ! মুলা একটা ভালো সবজি তবে গ্যাস উৎপাদন করে অনেকের! ভালো থাকবেন।

৬| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১০:১৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আমার লেখাতেও গভীরতা নাই

সহজভাবে ভাসা ভাসা থেকেই জীবন কাটাতে চাই

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৩৫

স্প্যানকড বলেছেন: আমারটাতে ও নাই। এত গভীরে যেয়ে যদি হারিয়ে যাই ডর লাগে ! এর চেয়ে ভালো হালকার উপর ঝাপসা দেখে চলা। তাই করে যাচ্ছি। ভালো থাকবেন আপু।

৭| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১০:২৩

ইসিয়াক বলেছেন:




আমার লেখার ও গভীরতা নাই ;)

#এমনেই পানিরে ডরাই। বেশি গভীরে গেলে আর আমারে খুঁইজ্যা পাওন যাইবো না। হের লাইগ্যা উপরেই ভাসি :D

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৩৮

স্প্যানকড বলেছেন: হা হা হা.... আমিও তাই করছি। এত গভীরে যাওয়ার চেয়ে উপরে ভেসে ভেসে চলাই উত্তম ! যা দিনকাল পড়ছে । ভালো থাকবেন।

৮| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১০:৪০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
হুমায়ুন আহমেদের বই সুপাঠ্য কিন্তু গভীরতা নাই। এটাই বাস্তব।
হুমায়ুন আজাদের বইতে গভীরতা আছে অবস্যই।

দেশে কোটিপতি বহুগুন বেড়েছে সত্য।
সারাদেশে হতদরিদ্র মানুষের অবস্থা ভাল হয়েছে এটাও সত্য। বাংলাদেশে টাকার মান ভাল। মুদ্রাস্ফিতি সন্তোষজনক। ভারত পাকিস্তান থেকে অনেক ভাল।
৮০র দশকে বাংলাদেশী ১০০টাকা = ৫০ পাকি রুপি
বর্তমানে বাংলাদেশী ১০০টাকা = ২০০ পাকি রুপি

গ্রামে যান, সব পাকা রাস্তা। পাকা ভিটি, দামী টিনের ঘর, কেউ একবেলা নাখেয়ে আছে চিন্তাই করা যায় না। প্রত্যেকের হাতে মোবাইল, ১০০% বাড়িতে বিদ্যুৎ। চ্যালেঞ্জ দিয়ে বললাম প্রতিটি বাড়িতে ফ্রিজ পাবেন।
আগে যে গ্রাম্য বাজারে সপ্তাহে একঝুড়ি ডিম আসতো সেই বাজারে এখন সপ্তাহে ৩ ট্রাক ডিম আসে। আসে ট্রাকবোঝাই চীনা আপেল কমলা। এসব কোটিপতিরা খায় না, গ্রামবাসিরাই খায়।

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৪২

স্প্যানকড বলেছেন: হুম, আপবার কিছু অংশ মেনে নিচ্ছি আবার কিছু মানতে পারছি না এই যেমন দুই হুমায়ুন এর ব্যাপারটা । দুইজন দুইজনের জায়গায় সেরা ! ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন।

৯| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১০:৫০

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদের নামে প্রচলিত ও বহুল প্রচারিত মিথগুলোর মধ্যে এইটা একটা। হুমায়ূন আজাদ ত্রিশ বছর বাংলা পড়িয়েছেন। লেখার প্যাটার্ন দেখেই বুঝে যাওয়ার কথা এটা কার লেখা।ত্রিশ বছর পড়ানোর পরও তিনি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা চিনবেন না সেটা অবিশ্বাস্য। আর গভীরতা নাই এই কথাটি যদি হুমায়ূন আহমেদ দ্বারা পরিবর্তিত লেখাটার ওপর মন্তব্য করে থাকেন তাও তাঁর কথা ঠিক আছে। নাম হিন্দু থেকে মুসলিমে পরিবর্তন করেছেন শুধু,সমাজ,প্রেক্ষাপট,আশেপাশের কিছুই পরিবর্তন করেন নি। ফলে অসামঞ্জস্য থাকাটাই স্বাভাবিক। আর অসামঞ্জস্য লেখায় গভীরতা থাকে না মোটেও।

আপনার পোস্টে আপনি অহেতুক সমালোচনার বিরুদ্ধে বলেছেন।ওসব সমালোচনায় কান দেবেন না। কেউ যদি বলে গার্বেজ তাহলে সেখানে গুরুত্ব দেয়ার কিছু নেই। এখন কেউ যদি গার্বেজ হবার যুক্তিযুক্ত কারণসহ মন্তব্য করে তাহলে সেখানে গুরুত্ব দেয়া যায়। গঠনমূলক সমালোচনা ছাড়া বাকি সমালোচনা উপেক্ষা করে নিজের মতো করে লিখতে থাকুন। শুভকামনা রইলো।

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৪৬

স্প্যানকড বলেছেন: ধন্যবাদ মূল্যবান পরামর্শ দেয়ার জন্য। ওসব গার্বেজ নিয়া ভাবি না নিজেরে নিয়া ভেবেই কুল পাই না। হয়তো হুমায়ুন আহমেদ আরও কিছু পরিবর্তন করে ছিলেন। আমরাতো সেই লেখা পড়িনি। মিথ হোক আর যাই হোক জিনিসটা কিন্তু বাজারে চলছে। ভালো থাকবেন।

১০| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১২:২১

বংগল কক বলেছেন: "হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু "
------------------------------

এই লেখাটা মানবজমিনে (সম্ভবত) "হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু " শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছিল। লেখক আমাদের প্রিয় আহমেদ ছফা। নাস্তিকগুরু হুমায়ুন আজাদ যে আসলে একটা নোংরা চোর ছিল এই লেখাটা পড়লে সেইটা বুঝতে পারবেন। আজকে ব্লগ জুড়ে ইসলাম ধর্ম নিয়ে গালাগালির পথ প্রদর্শক ছিলেন হুমায়ুন আজাদ। হুমায়ুন আজাদকে নিয়ে লেখা অনেক পোষ্টে নাস্তিকদের মায়াকান্না আর এই পোষ্টের বিষয়বস্তু পাশাপাশি রেখে তুলনা করলে বুঝবেন ব্লগের নাস্তিকদের আসল চরিত্র।

একটা নিম্নশ্রেনীর চোরের জন্য যাদের নাকের পানি চোখের পানি এক হয়, তারা কতবড় মানুষরুপি শয়তান সেইটা বিচারের ভার আমি পাঠকদের উপরেই ছেড়ে দিলাম। মূললেখা: হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) হুমায়ুন আজাদ দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন রবীন্দ্রনাথ, নজরুল সহ অনেকেই। এই তালিকায় আছেন আহমদ ছফাও। আজাদ রবীন্দ্রনাথকে বড় মানের কবি বলে মনে করতেন না। নজরুলকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতেন।

তার বচন বাচন দেখে মনে হতো বাংলা সাহিত্যে তার চেয়ে শক্তিশালী লেখকের জন্ম গত এক হাজার বছরে ঘটে নাই এবং আগামী এক হাজার বছরেও ঘটবে না। কিন্তু আহমদ ছফা গুমুর ফাঁক করে দিয়েছেন তার একটি লেখায়। নিজের মৌলিক রচনা বলে হুমায়ুন আজাদ যেগুলো দাবি করেছেন তার অধিকাংশই তার চৌর্যবৃত্তির ফল। বাইরের লেখকদের বঙ্গীয় সংস্করণ। আহমদ ছফার এ সংক্রান্ত লেখাটি ছাপা হয় ১৯৯৮ সালের ১ ডিসেম্বর, মানবজমিন পত্রিকায়।

লেখাটি নিম্নরুপঃ '২১ ফেব্রুয়ারি এগিয়ে আসছে বোঝা গেল। হুমায়ুন আজাদ 'মানবজমিন' এ একটা উত্তেজক সাক্ষাৎকার দিলেন। ২১শে ফেব্রুয়ারির বাংলা একাডেমীর বইমেলায় যে আসল কনসার্ট শুরু হবে, এ সাক্ষাৎকারে তার শিক্রিনিধ্বনি শোনা গেল মাত্র। এটাও একরকম অবধারিত, মেয়ায় আজাদ সাহেবের একটা কিংবা একাধিক বই প্রকাশিত হবে। এ সাক্ষাৎকারটি সে অনাগত গ্রন্থ বা গ্রন্থাদির শুভ জন্মবার্তা যদি ঘোষণা করে, তাতে অবাক বা বিস্মিত হওয়ার খুব বেশি কিছু থাকবে না।

মোটামুটি বিগত ৮/১০ বছর ধরে তিনি দিগ্বিজয়ের যে কলাকৌশলগুলো ব্যবহার করে আসছেন, সেগুলো সকলের কাছে সুপরিচিত। প্রাচীনকালে রাজারা অশ্বমেধযজ্ঞের মাধ্যমে নিজেদের একচ্ছত্র প্রতাপ ঘোষণা করতেন। আমাদের কারে যাঁরা রাজা হয়ে থাকেন, তাঁদের ভূখা-নাঙ্গা মানুষের ভোটের ওপর নির্ভর করতে হয়। আমাদের যুগে রাজা নেই, কিন্তু হুমায়ুন আজাদ রয়েছেন। বাক্যের মাধ্যমে ব্যক্তিত্ব হত্যার যে অভিনব কৌশলটি তিনি বেশ কিছুদিন ধরে সাফল্যের সঙ্গে ব্যবহার করে আসছেন, যা তাকে এমন একট ৗদ্ধত্যের অধিকারী তুলেছে, তাঁর সামনে সাহিত্য ব্যবসায়ী সমস্ত মানুষকে থরহরি বলির পাঁঠার মতো কম্পমান থাকতে হয়।

এ সাক্ষাৎকারটিতেও হুমায়ুন আজাদ অনেক নামিদামী মানুষের উষ্ণীষ বাক্যের খড়-খড়গাঘাতে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়েছেন। যাঁরা হুমায়ুন আজাদের আক্রমনের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন, এক সময়ে তাঁদের অনেককে তিনি ওপরে ওঠার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করেছেন। উপকার করলে অপকারটি পেতে হয়- এই আপ্তবাক্যটি হুমায়ুন আজাদের ক্ষেত্রে পুরোপুরি সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়ে গেল। শুয়োরের বাচ্চার যখন নতুন দাঁত গজায়, বাপের পাছায় কামড় দিযে শক্তি পরীক্ষা করে। হুমায়ুন আজাদের কোন উপকার আমি কোনদিন করিনি, তথাপি কেন তিনি অনুগ্রহটা করলেন, সেটা ভেবে ঠিক করতে পারছিনে।

সত্য বটে, একবার তাঁকে আমি সজারুর সঙ্গে তুলনা করেছিলাম। সেটা একটুও নিন্দার্থে নয়। আসলেই হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু। বাঘ, সিংহ কিংবা অন্যকোন হিংস্র প্রাণী নয়। লেখক হিসেবে আমি যে কত সামান্য সেটা অনেকের চাইতেই আমি অনেক বেশি ভাল জানি।

অনেকে আমার নাম উল্লেখই করেন না। অন্তত হুমায়ুন আজাদ গাল দেয়ার জন্য হলেও আমার অস্তিত্বটা অস্বীকার করেননি, সেজন্য হুমায়ুন আজাদের কাছে আমার কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। আর এটা একটুও মিথ্যে নয় যে, আমি জন্তু-জানোয়ার নিয়ে কাটাই। আমার জন্তু-জানোয়ারের সংগ্রহশালাটি যদি আরো বড় হত, সেখানে আজাদের জন্যও একটা স্থান সংরক্ষণ করতাম। হুমায়ুন আজাদ এ সাক্ষাৎকারে নিজের অনেক পরিচয়ের কথা উল্লেখ করেছেন।

যেমন তিনি একজন কবি, ভাষাবিজ্ঞানী, অধ্যাপক, উপন্যাস লেখক, প্রবন্ধকার, সমালোচক ইত্যাদি ইত্যাদি। তিনি তাঁর অনেকগুলো পরিচয় ঢেকেও রেখেছেন। সেগুলো হল- হুমায়ুন আজাদ হলেন একজন স্ট্যান্ডবাজ, পরশ্রীকাতর এবং অত্যন্ত রুচিহীন নির্লজ্জ একজন মানুষ। হুমায়ুন আজাদ কী পরিমাণ নির্লজ্জ সে সম্পর্কে তাঁর নিজের কোন ধারণা নেই। আমি কয়েকটা দৃষ্টান্ত দেব।

একবার হুমায়ুন আজাদ ভাষাবিজ্ঞানের ওপর থান ইটের মত প্রকান্ড একখানা কেতাব লিখে বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশ করলেন এবং যত্রতত্র বুক ফুলিয়ে বলে বেড়াতে লাগলেন যে, আমার সমান ভাষাবিজ্ঞানী বাংলাভাষায় কস্মিনকালেও আর একজন জন্মাননি। তার অনতিকাল পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. মিলন কান্তি নাথ নামে আর একজন অধ্যাপক প্রবন্ধের পর প্রবন্ধ লিখে অকাট্য প্রমাণ হাজির করে দেখালেন যে, হুমায়ুন আজাদের এ ঢাউস বইটা আগাগোড়াই চৌর্যবৃত্তির ফসল। ওই রচনা যাঁরা পড়েছেন, বাংলা একাডেমীর কাছে কৈফিয়ৎ চেয়ে বসলেন, আপনারা এমন একটা বই কেন প্রকাশ করলেন, যার আগাগোড়া চৌর্যবৃত্তিতে ঠাসা? বাংলা একাডেমী হুমায়ুন আজাদের বই বাজার থেকে পত্যাহার করে নিলেন এবং বিক্রয় বন্ধ করলেন আর হুমায়ুন আজাদের কাছে ব্যাখ্যা দাবি করলেন, আপনি দায়িত্বশীল ব্যক্তি হয়েও কেন আগাগোড়া একটি নকল গ্রন্থ একাডেমীকে দিয়ে প্রকাশ করিয়ে একাডেমীকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেললেন? হুমায়ুন আজাদের 'নারী' বহুল আলোচিত গ্রন্থ। আমি নিজেও এক কপি কিনেছিলাম। কিন্তু কিনে মুশকিলে পড়ে গেলাম।

বইটি এতই জীবন্ত যে, মাসে মাসে রক্তশ্রাব হয়। অগত্যা আমাকে বইটি শেলফ থেকে সরিয়ে রাখতে হল। হুমায়ুন আজাদ দাবি করেছেন, এটা তাঁর মৌলিকগ্রন্থ। আমার একটুখানি সংশয় জন্ম নিয়েছিল তাহলে সিমোন দ্যা বোভেয়ার কী করছিলেন? পরবর্তী গ্রন্থ 'দ্বিতীয় লিঙ্গ' প্রকাশিত হওয়ার পরে আমার সব সংশয় ঘুচে গেল। হুমায়ুন আজাদ অত্যন্ত বিশ্বস্ততারসহকারে সিমোন দ্যা বোভেয়ারের বই বাংলাভাষায় নিজে লিখেন।

সমস্ত মাল-মসলা সিমোন দ্যা বোভেয়ারের। হুমায়ুন আজাদ এই বিদূষী দার্শনিক মহিলার পরিচ্ছন্ন রুচি এবং দার্শনিক নির্লিপ্ততা কোথায় পাবেন? কুরুচি এবং অশ্লীলতাটুকুই এই গ্রন্থে হুমায়ুন আজাদের ব্যক্তিগত বিনিয়োগ। এ বিষয়ে আরো একটা কথা উল্লেখ করতে চাই। 'নারী' গ্রন্থটি যখন বাজেয়াপ্ত করা হল আমরা লেখকরা মিলে প্রস্তাব করলাম এ ধরসের গ্রন্থ নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে মিছিল করে প্রতিবাদ জানাব। আদালতে মামলা করব।

কিন্তু হুমায়ুন আজাদ পিছিয়ে গেলেন। তখন ধরে নিয়েছিলাম হুমায়ুন আজাদের সৎসাহসের অভাব আছে। 'দ্বিতীয় লিঙ্গ' প্রকাশিত হওয়ার পর আসল রহস্য বুঝতে পারলাম। মামলায় লড়ে 'নারী' গ্রন্থটি বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা করা গেলেও আর্থিকভাবে হুমায়ুন আজাদের লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা অল্প। কারণ এই লেখার যতটুকু চমক প্রথম বছরেই তা নিঃশেষ হয়েছিল।

নতুন সংস্করণ প্রকাশিত হলেও পাঠকের বিশেষ চাহিদা থাকবে না। 'নারী' গ্রন্থটি নিষিদ্ধ হওয়ার সুযোগ গ্রহণ করে হুমায়ুন আজাদ নতুন একটা জালিয়াতি করলেন। সে একই বই ভিন্ন নামে ভিন্ন মোড়কে প্রকাশ করলেন। বাংলাদেশে মহাজ্ঞানী-মনীষী হতে হলে এই ধরনের কত রকম ফন্দি-ফিকির করতে হয়! কত রকম ফন্দি-ফিকির শিখতে হয়! হুমায়ুন আজাদ একটা দাবি অত্যন্ত জোরের সঙ্গে করে আসছেন, তিনি পশ্চিমা ঘরানার পন্ডিত। এতদঞ্চলের নকলবাজ, অনুকরণসর্বস্ব পল্লবগ্রাহী বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে তাঁর কোন সম্পর্ক নেই।

তাঁর 'আমার অবিশ্বাস' গ্রন্থটি প্রকাশিত হওয়ার পর এই দাবির যথার্থতা প্রমাণিত হল। প্রয়াত বৃটিশ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল ঊনত্রিশ বছর বয়সে যে গ্রন্থটি 'Why I am not a christian' লিখেছিলেন, তার বঙ্গীয় সংস্করণ প্রকাশ করে সর্বত্র আস্ফালন করে বেড়াতে লাগলেন এটা তার মৌলিক কীর্তি। কী করে পশ্চিমা ঘরানার পন্ডিত হতে হয়, এ সময়ের মধ্যে হুমায়ুন আজাদ তার এক সহজ ফর্মুলা উদ্ভাবন করে ফেলেছেন। স্বর্গত পশ্চিমা লেখকদের লেখা আপনার মাতৃজবানে অনুবাদ করবেন এবং তার সঙ্গে খিস্তি-খেউর মিশিয়ে দেবেন। তাহলেই আপনি পশ্চিমা ঘরানার পন্ডিত বনে যাবেন।

হুমায়ুন আজাদ উপন্যাস, কবিতা অনেক কিছু লিখেছেন। সেগুলো সবটা একেবারে খারাপ সেকথাও আমি বলব না। মাঝে মাঝে নাড়াচাড়া করে দেখেছি, চিবানোর যোগ্য পদার্থ তাতে অধিক খুঁজে পাইনি। তথাপি হুমায়ুন আজাদ একজন সুপরিচিত লেখক। ভ্যালু তৈরি করতে না-পারুন, ন্যুইসেন্স ভ্যালু তৈরি করার ক্ষমতা তাঁর অপরিসীম।

আমাদের উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে যে নৈরাজ্য, সন্ত্রাস এবং দুর্বৃত্তায়ন প্রক্রিয়া কার্যকর রয়েছে, হুমায়ুন আজাদের লেখার মধ্যদিয়ে সেগুলোরই অভিব্যক্তি ঘটেছে। এক কথায় হুমায়ুন আজাদকে আমি এভাবেই সংজ্ঞায়িত করতে চাই- 'স্বভাবে কবিতা লেখে, পেশায় জল্লাদ, খিটিমিটি মানবক হুমায়ুন আজাদ। ' মানবজমিন ১ ডিসেম্বর, ১৯৯৮ সংক্ষেপিত -- By সাদাত হাসান

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ২:০৬

স্প্যানকড বলেছেন: মেলাকিছু জানলাম। আপনি একটা পোস্ট দিতে পারেন এর উপরে তাহলে ভালো হয়। আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে একটা গল্প শুনেছিলাম। ও একবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় হুমায়ুন আজাদ এর সাথে ওর দেখা হয়েছিল। তখন হুমায়ুন আজাদ সাহেব ওকে জিজ্ঞেস করেছিলেন " পরীক্ষা কেমন হয়েছে ? " উত্তরে ও বলেছিল ইন শা আল্লাহ ভালো। এ শুনেই নাকি তিনি চটে গেলেন বলতে লাগলেন, " ইন শা আল্লাহ আবার কি! তুমি যা লিখেছ তাই হবে ফেরেস্তা এসে কি পরিবর্তন করে দিবে বা তোমার পাস ফেইল পরিবর্তন করে দিবে? " এমন শুনেছিলাম। সে যাই হোক উনি আমাদের মাঝে নেই তাই বেশি কিছু না বলাই উত্তম । ভালো থাকবেন।

১১| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৩৯

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: ভাই , সমস্যা এটাই । সবাই গভীরতা খুজে কিন্তু সবজায়গায়-সব গভীরতা যে সুবিধাজনক হয়না তা সবাই বুঝতে চায়না।

সাগরের গভীরতা খোজা ঠিক আছে । এখন সাগরের গভীরতা যদি কেউ পুকুরের কাছে খুজে তা যে কতটা বেমানান এটা বুঝার মত চিন্তার গভীরতা কয় জনের আছে বলেন?

আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তারা যে গভীরে গিয়েছিল সেই গভীরতায় দলীয় সরকার না যাবে না তাদের কাছে আশা করা উচিত। কেন যাবেনা সেই গভীরে ? এই প্রশ্ন যে করবে তার গভীরতা নিয়ে সন্দেহ থাকলেও এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই যে - সে নিজেই হারিয়ে যাবে গভীরে (কোন এক অজানা জায়গায় যেখানে তার লাশ ও খুজে পাওয়া যাবেনা বা দায়ী কে তাও বের হবেনা)।

আর যদিও কারো কারো গভীরতা অনেক বেশী বলে আমরা দেখি তবে সময়ে সময়ে তাদের গভীরতা দেখে আমার মনে হয় তারাও লজ্জা পায় (যখন মাইনকা চিপায় পড়ে ) - বাকীদের কথাত বাদ।

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৪৮

স্প্যানকড বলেছেন: হুম, ঘটনা সত্য সাক্ষী দূর্বল ! ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন।

১২| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৫৭

অপু তানভীর বলেছেন: হুমায়ুন আজাদের গল্পটা সত্য না । গল্পের বাস্তবতা আছে সমাজে। এমন পাব্লিক আছে সব জায়গাতেই ।
নিজে সাহিত্যের 'স' টাও বুঝে না, বই পড়ে না, লিখতে জানে না ঘোড়ার আন্ডাটাও সে আবার অন্যের লেখার গভীরতা খুজে বেড়ায় ! এরা সাহিত্যের মান খুজে বেড়ায় লেখা পড়ে নয়, মুখ দেখে । নিজের পছন্দের মানুষের লেখা যত জঘন্য হোক না কেন সেটা তাদের কাছে উচ্চ মানের সাহিত্য আর নিজে যাদের পছন্দ করে না তাদের সাহিত্য গভীরতা নাই । এই রকম পাব্লিক হচ্ছে সমাজের আস্তা কুড়ে পড়ে থাকা মানুষদের দলে । এই রকম পাব্লিকদের শরীরের পেছন দিকে কাঁচা কঞ্চি দিয়ে সকাল বিকাল পেটাতে সাহিত্য বিশারদ হওয়া বের হবে !

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ২:১০

স্প্যানকড বলেছেন: সত্য নয় কিন্তু বাজারে চালু আছে। অবশ্য বহু মিথ্যে হাদিস যেখানে চলমান তার কাছে এ কিচ্ছু না। পিটাইব ক্যাডা ? ভালো থাকবেন অপু ভাই । ধন্যবাদ।

১৩| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ২:১৫

*আলবার্ট আইনস্টাইন* বলেছেন: হুমায়ুন আহমেদ প্রো-ডানপন্থী ঘরানার ঔপন্যাসিক ও লেখক।
হুমায়ুন আজাদ অশ্লীল নাস্তিকতাবাদি লেখক।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রো-মার্ক্সবাদী ঔপন্যাসিক ও লেখক।

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৪:১৩

স্প্যানকড বলেছেন: তাই নাকি ! ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

১৪| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৪:২৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: যতো গভীরে যাইবেন, অক্সিজেন ততোই কম হইবো। আমরা তো আর মৎস্য প্রজাতি না, মানব সম্প্রদায়। হুদাহুদি বিপদে পড়ার দরকার কি? যার গভীরতা নিয়া টেনশান, তারে টাইন্যা গভীরে নিয়া ছাইড়া দেন.......আর জীবনেও গভীরতার নাম মুখেও নিবো না। =p~

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৫

স্প্যানকড বলেছেন: হা হা হা...কথা সত্য! ভাইজান যে কইতে আইসা আচমকা খেইল দেহাইয়া চইলা যান ভাবতেই ভাল লাগে। ঠিক কইছেন এইটাই করা দরকার। এমন গভীরে হান্দায় দিমু উইঠা আসতে যাতে আরেক জনম লাগে ! মানে মুমকিন নেহি নামুমকিন ! গভীরতা যেন তার চিন্তা চেতনা যাপিত জীবনের কোথাও আর দেখা না যায়। ভালো থাকবেন ভাইজান !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.