নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন।

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন

আমি মানুষের কথা বলি। মানবতার কথা বলি। স্বপ্ন দেখি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের। নিরাপদ একটি ভূখন্ডের।

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন › বিস্তারিত পোস্টঃ

আশান্বিত হওয়ার কোন কারণ নেই!

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ৯:৫০



এরশাদ, কাদের সিদ্দিকীসহ কয়েকজন নেতার বি চৌধুরীর বাসভবনে মিলিত হওয়ার ঘটনায় মহাজোট এবং ১৮ দলীয় জোটের বাইরে একটি বিকল্প জোট তৈরী হচ্ছে বলে অনেকেই আশান্বিত হয়েছেন। এই আশান্বিত হওয়ার পেছনে যৌক্তিকতা কতটা তা আলোচনা সাপেক্ষ। তবে মানুষের এই আশান্বিত হয়ে ওঠা যে তাদের আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।



আমাদের বড় দুই দলের মাত্রাতিরিক্ত ক্ষমতা লিপ্সা, এক নায়ক তন্ত্র সুলভ আচরণ, দলীয়করণ আর লাগামহীন দুর্নীতির কারণে চরম ত্যক্ত-বিরক্ত মানুষ কায়মনোবাক্যেই অনেকদিন ধরেই এই দুটি দলের বিকল্প খুঁজছিল। এমনকি এর বিকল্প হিসেবে তারা এক সময় ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিনের সরকারের মত একটি অবৈধ সরকারকেও অভিনন্দন জানিয়েছিল যদিও তাদের সে ভুল অচিরেই ভেঙ্গেছিল। কিন্তু এটা তো ঠিক সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠিয়ে ছেড়েছে আমাদের বর্তমান নেতৃত্ব। যার থেকে পরিত্রাণ পেতে সাধারণ মানুষও বেপরোয়া।



বর্তমানে দেশ যে চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তার দায়ভারটাও শুধুমাত্র এ দুটি দলেরই। তাদের চলমান বৈরিতাকে ক্ষমতা কেন্দ্রিক মনে হলেও মূলত এই বৈরিতা শুধুমাত্র ক্ষমতা কেন্দ্রিক নয় বরং তার থেকে অনেক বেশি নিশ্চিহ্ন করে ফেলার। এতদিন কিছুটা রাখ ঢাক রাখলেও এখন ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে তাদের একে অন্যকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার প্রবণতা। যা দল দুটিকে পরস্পরের প্রতি আরও বেশি বৈরী করে তুলেছে। এবং মুখোমুখি অবস্থানে এনে দার করিয়েছে।



একটি দেশে যখন বিপরীতমুখী আদর্শের সমান দুটি শক্তি বিকাশ লাভ করে তখন সংঘাত অনিবার্য হয়ে পরে। ৭৫ পরবর্তী আওয়ামী লীগ এতদিনে পূর্নশক্তিতে আবির্ভূত যা ঠিক এর বিপরীত আদর্শের ধারক বিএনপির পক্ষে মেনে নেয়া একেবারেই অসম্ভব। কারণ পঁচাত্তরের বেনিফিসিয়ারী এ দলটির একচ্ছত্র আধিপত্য প্রথম খর্ব হতে শুরু করেছিল এক এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় থেকেই যার ষোলকলা পূর্ণ করতে ব্যস্ত বর্তমান সরকার। এত দিনের প্রভাব প্রতিপত্তি যৌক্তিক কারণেই এক লহমায় হারিয়ে বসতে নারাজ বিএনপি। কেননা প্রশ্নটা অস্তিত্বের। কিন্তু আওয়ামী লীগ নিজেরাই কি জানে যে তারা মূলত ছায়ার সাথে যুদ্ধ করছে?



আওয়ামী লীগ সম্ভবত আরেকটি ঐতিহাসিক ভুল করে চলেছে। বিএনপি নয় আওয়ামী লীগের আসল পতি পক্ষ তারাই যারা বিএনপিকে আশ্রয় করে এ দেশে নিজেদের শেকড় বিস্তৃত করে চলেছে ক্রমাগত



রাজনীতির এই জটিল খেলা আমার আলোচ্য নয়। আসন্ন সাধারণ নির্বাচন নিয়ে এ দেশের শতভাগ মানুষের মতই আমরাও সমান উদ্বিগ্ন। আসলেই কি যথাসময়ে নির্বাচন হচ্ছে? হলেও তা কি সব দলের অংশগ্রহণে নাকি এক তরফা নির্বাচন হবে। আর সে নির্বাচনই বা কতটা গ্রহণযোগ্য হবে এমনি নানান প্রশ্ন যখন জনমনে তখনই নতুন একটি খবর অনেককেই উতসাহি করে তুলেছে। আর তা হল এরশাদের নেতৃত্বে কি নতুন জোট হচ্ছে?



খবরটিকে অনেকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে এই ভেবে যে এতে দেশের রাজনীতিতে শক্তির ভারসাম্য তৈরি হবে। কিন্তু কথা হল রাজনীতিতে অচল বা বক্তৃতা সর্বস্ব নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত জোট মানুষের কাছে কতটা আস্থা অর্জনে সক্ষম হবে। এরশাদের সাথে যে সব নেতাদের নাম পত্রিকায় এসেছে তারা ব্যক্তি হিসেবে, বক্তা হিসেবে এমনকি পরামর্শদাতা হিসেবেও গ্রহণ যোগ্যতা পেতে পারেন কিন্তু বড় দুটি জোটের বিকল্প নেতৃত্ব হয়ে উঠতে পারবেন কিনা সে ব্যাপারে ঘোরতর সন্দেহ রয়েছে। তাদের অতীত কর্মকাণ্ড প্রত্যেকের নিজস্ব বলয় সৃষ্টিতে সক্ষম হলেও তার বিস্তৃতি বড় বেশি কম। যাকে অন্তত জাতীয় করে তুলতে সক্ষম হয়নি। তথাপিও এদেরকে নিয়ে আশাবাদী হতে গিয়ে যখন কানাঘুষা শোনা গেল যে এখানেই শেষ নয় আরও কথা আছে। আর সে কথাটি হল এর পেছনেও রয়েছে ঐ দুই দলের কোন একটির কারসাজি। যেখানে অঙ্গুলি নির্দেশিত হচ্ছে দুটি দলের প্রতিই। যা পরিষ্কার হতে সময় লাগবে আরও কটি দিন। অর্থাৎ তাদের পরবর্তী কর্মকাণ্ডই বলে দেবে এই জোট কাদের স্বার্থ সংরক্ষণে এবং কাদের ইশারায় তৈরি। সে প্রশ্নের উত্তর আমরাও না হয় দুদিন পরেই নিলাম কিন্তু এটা বোঝা গেল এই জোট দেখে আশান্বিত হওয়ার কোন কারণ নেই। যারা সর্বদাই নিজেদের স্বার্থটাকেই এগিয়ে রাখেন তারা দেশের স্বার্থে যে বড় কোন উদ্যোগ গ্রহণ করতে সমর্থ হবেন না তা বলাই বাহুল্য।



[email protected]

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:০৬

মহিদুল বেস্ট বলেছেন: যদি এমনটিই হত... ইশশ!

২| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:২১

নূর আদনান বলেছেন: =p~ =p~ কি আর বলবো এদেশের রাজনীতি যে কি....

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.