| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস
বন্ধে টেকনোলজির ব্যবহার
আরো উন্নতি করতে হবে।
পাশাপাশি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায়
অভিযুক্ত ও জড়িতদের শাস্তির
আইনকে কঠোরভাবে প্রয়োগ
করতে হবে। অভিযুক্তদের যথাযথ
শাস্তির দাবি জানান তিনি।
বুধবার
সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রষণালয়ের
সভাকক্ষে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম
নাহিদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ
দাবি করেন তিনি। প্রশ্নপত্র ফাঁস
নিয়ে বিভিন্ন মহলের সমালোচনার
মধ্যে শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের
সঙ্গে এ বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী।
অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। ফাঁস
হওয়া প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়ে
উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষার্থীদের
দিকে যখন কেউ আঙ্গল
তুলে কথা বলে সেটা আমার
চোখে দৃষ্টিকটূ মনে হয়েছে। এ
কারণে বিবেকের তাড়নায়
আমি প্রশ্নপত্র ফাঁসের
বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি। দেশে এ
বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো আইন না থাকায়
দ্রুত সময়ের মধ্যে আইন প্রণয়নের
দাবি জানিয়েছি। পাশাপাশি বেশ কিছু
প্রস্তাবনাও দেয়া হয়েছে।
ড. কাজী খলিকুজ্জমান আহমদ বলেন,
শিক্ষাব্যবস্থাকে বিকেন্দ্রীকরণ
করা প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষক
নিয়োগের বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রণালয়ের
হাতে না রেখে তা স্থানীয়
পর্যায়ে ছেড়ে দেয়া প্রয়োজন।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের
উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন,
পরীক্ষার চলমান পদ্ধতির সংস্কার
করা প্রয়োজন। বিশেষ করে বাজেট
বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রাথমিক
শিক্ষাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান
জানিয়েছেন।
কথাসাহিত্যক সেলিনা হোসেন বলেন,
দেশে জিপিএ পাওয়া অনেক
ছেলে মেয়েরা রাস্তাঘাটে যেভাবে আড্ডা
দেয় তা আমার ভালো লাগে না।
এক্ষেত্রে তাদের নৈতিক
শিক্ষা দিতে হবে। শিক্ষাব্যবস্থারও
পরিবর্তন করা জরুরি।
অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত
বলেন, বর্তমানে দেশে মানসম্পন্ন
শিক্ষার অভাব রয়েছে। এ জন্য
আগামীতে আর নতুন
করে কোনো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়
এবং প্রাইভেট মেডিকেল কলেজের
অনুমোদন দেয়া উচিত নয়।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে অধ্যাপক ড.
সালাহউদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক জিল্লুর
রহমান সিদ্দিকী, অধ্যাপক রেহমান
সোবহান, ইমেরিটাস অধ্যাপক রফিকুল
ইসলাম, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
চৌধুরী, অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার
হোসেন, অধ্যাপক মেজবাহ উদ্দিন,
অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ,
অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, অধ্যাপক
মোঃ আব্দুল খালেক, অধ্যাপক
মুস্তাফা নুরুল ইসলাম, অধ্যাপক
মোহাম্মদ কায়কোবাদ, অধ্যাপক
নজরুল ইসলাম, প্রফেসর ড. এ.
কে আজাদ চৌধুরী, অধ্যাপক ড. এ এম
এম সফিউল্লাহ, ড. মঞ্জুর আহমেদ,
আবুল মোমেন, এম. এম. আকাশ,
অধ্যাপক মুনতাসির উদ্দিন খান মামুন,
অধ্যাপক ড. আক্তারুজ্জামান,
অধ্যাপক ড. খোন্দকার সিদ্দিক-ই-
রব্বানী, প্রফেসর ড. এস. এম. নজরুল
ইসলাম, ড. অনুপম সেন, ড.
ফারজানা ইসলাম, শিল্পী হাশেম খান,
অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার মন্ডল,
অধ্যাপক মেহতাব খানম, ড. মুহাম্মদ
ইব্রাহীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
©somewhere in net ltd.