নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ওয়াসীম সোবাহানের ভাবনা

ওয়াসীম সোবাহান চৌধুরী

ওয়াসীম সোবাহান চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

বড় কাটরা - মুগল আমলের সরাইখানা

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:৪৭



বড় কাটরা ঢাকার চক বাজারের কাছে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে অবস্থিত। এটি মুগল স্থাপনা। কাটরা আরবি ও ফারসি সাহিত্যে ‘ক্যারাভান সরাই’ বা ‘সরাইখানা’ বা 'অবকাশযাপন কেন্দ্র' হিসেবে উল্লেখিত আছে।

বাংলার সুবাদার শাহ সুজার বসবাস করার কথা থাকলেও পরে এটি মুসাফিরখানা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। পথচারী, বিশেষ করে প্রভাবশালী বনিকরা এসে এখানে থাকতেন।

শাহ সুজা ছিলেন সম্রাট শাহজাহানের পুত্র। ১৬৩৯ থেকে ১৬৬০ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলার সুবাদার ছিলেন। বাবার মতন স্থাপত্যকর্মের প্রতি তাঁরও বিশেষ অনুরাগ ছিল



বড় কাটরায় ফারসি ভাষায় লিখিত দুটি শিলালিপি আছে। এর একটিতে লেখা আছে যে, এ দালান আবুল কাসেম কর্তৃক ১৬৪৪ সালে নির্মিত হয়েছে। অন্যটিতে দেখা যায় যে, ১৬৪৬ সালে শাহ সুজা স্থাপত্যটি কাটরা হিসেবে ব্যবহারের জন্য মীর আবুল কাসেমকে দিয়েছিলেন এই শর্তে যে, কাটরায় অবস্থান করা কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো ভাড়া গ্রহণ করা হবে না। কাটরার ব্যয় নির্বাহের জন্য ২২ টি দোকান ওয়ক্ফ করে দেওয়া হয়।

বর্তমানে বড় কাটরা হোসাইনিয়া আশরাফুল উলুম মাদ্রাসার তত্ত্বাবধানে রয়েছে। ফটকের নিচে গড়ে উঠেছে খাবার হোটেলসহ বিভিন্ন দোকান।





শাহ সুজা বাংলা শাসন করেছেন সুশাসনকর্তার মতো কিন্তু সম্রাট শাহজাহান অসুস্থ হয়ে যাবার পর চার ভাইয়ের যে লড়াই শুরু হয় দিল্লীর মসনাদ দখলের, তাতে তিনি পরাজিত হন আড়ঙ্গজেবের কাছে এবং পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় আরাকান রাজ্যে। শাহ সুজার চূড়ান্ত পরিণতি ধোঁয়াশা ঘেরা, কবে তার মৃত্য হয়েছে তা জানা যায় না, উপায়ও নেই। কারো কারো মতে আরাকান রাজা তাকে ধাওয়া করে জঙ্গলে পালিয়ে যেতে বাধ্য করে, কারো কারো মতে তাকে শেষ জীবনে মক্কায় দেখা গেছে, কারো কারো মতে তিনি আরাকান থেকে ফের পালিয়ে চট্টগ্রামে এসে সাধারণ মানুষ হিসাবে জীবন পার করেন।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো লাগলো পোষ্ট টি।

২| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১৬

নয়া পাঠক বলেছেন: সুন্দর তথ্য ও ছবি যুক্ত পোষ্টটি ভালো লাগলো সঙ্গে ফ্রীতে পেলাম ইতিহাস ও পুরোনো আমলের দুটি ছবি।

৩| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৩২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: রক্ষনাবেক্ষনের অবস্থা তো দেখি ভয়াবহ!!
এসব ঐতিহাসিক স্থাপনার মুল্য আমরা কবে বুঝবো? :(

৪| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৬

এম. বোরহান উদ্দিন রতন বলেছেন: এই ভাবে জরারজির্ণ পরিত্যাক্ত অবস্থায় থাকলে একদিন হারিয়ে যাবে এসব ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো

৫| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:১৪

গড়ল বলেছেন: ঐতিহাসিক ভবনগুলো সংরক্ষন জরুরী, ভালো লাগল পোষ্টটা।

৬| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: গুড পোস্ট ++++

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.