নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন আইজুদ্দিন

আমি বরাবরই নিজের। নিজের চিন্তা চেতনায় শিদ্ধ পুরুষ হতে চাই বলেই মানুষকে সম্মান জানাই, শ্রদ্ধা করি।

আইজুদ্দিনের খেরো খাতা

আলো ছড়াতে চাই

আইজুদ্দিনের খেরো খাতা › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটি চাপা পড়া ইতিহাস খোঁজার প্রত্যয়ে

০৮ ই জুলাই, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১৮

ভাবছি কি নিয়ে লিখি!



রাজনীতির শরীর থেকে পলেস্তারা খশে কঙ্কাল বেরিয়ে গেছে,

তিরিশ লাখ কংকালের গায়ে সংবিধানের পলেস্তারা আর জোড় লাগছে না।

রক্ত মাংশে যেটুকু বালি সিমেন্টের কারুকাজ ছিল সেটিও ঘশে তুলেছে দুর্বৃত্ত-রা,

নগ্ন বাংলাদেশের আব্রু নিয়ে কানামাছি খেলে স্বজাত শকুন।



না, লিখে আর কাজ নেই!



লিখতে গেলেই চোখে ভাসে দলীয় মেসো আর নির্দলীয় পিসে,

স্বজনরা সব মেথরের মতো ময়লা ঘাঁটে দিনরাত,

বলে, কে যেন হারিয়েছে ময়লার স্তুপে একখণ্ড সোনালি ইতিহাস!

-ওটা খুজতেই হবে।

দিনশেষে তাই দুর্গন্ধ-পুঁতিময় শরীর আর আক্ষেপ নিয়ে ঘরে ফেরা,

সারা রাত জেগে আবার সেই এক খণ্ড সোনালি ইতিহাস খোঁজার স্বপ্ন!



কি হবে এসব লিখে?



কেউ পায়নি কিম্বা কেউ পাবে না।

লোভে পড়ে যারা মাখছে গায়ে দিনান্তের স্বপ্ন আর সমৃদ্ধ অতীতের স্মৃতি,

তারা নিরাশ হবেই, হবেই এ কারনে যে তারা ইতিহাস পড়ে নি।



আজো ছড়িয়ে ছিটিয়ে কঙ্কাল।

সে কংকালের উপরে চড়ে ভাইয়ে ভাইয়ে লড়াই চলছে, এ আমার ভাইয়ের কঙ্কাল।

লড়াই শেষে দুজনেই দেখবে তাদের পায়ের তলায় পিষ্ট তাদের ভাইয়ের কঙ্কাল,

তবুও মালিকানা চাই সে কংকালের, প্রয়োজনে আরেকটি যুদ্ধ হবে!



আমাদের গলাবাজিতে চাপা পড়ে যায় আমার ধর্ষিতা মায়ের ক্রন্দন,

আমাদের চাপাবাজিতে মুখ থুবড়ে বিলাপ করে আমার বোনের সম্ভ্রম,

তবুও আমাদের চাপাচাপি চলে-

এ ওর ঘাড়ে, ও এর ঘাড়ে!

আমার মা ক্রন্দন ভুলে হাপুশ নয়নে চেয়ে দেখে তার সন্তানের লড়াই,

সম্ভ্রমহারা বোনেরা বিলাপ ভুলে দেখে ভাইদের নির্লজ্জ আত্মকলহ।



কে লিখতে বলেছে এসব?

এসব ছাইপাঁশ লিখে কাজ নেই, এসো অস্ত্র ধর, এসো লড়াই করি।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.