![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বর্তমানে বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। আগে বজ্রপাতে মৃ্ত্যুর কথা তেমন শোনা যেত না। অনেকে গল্পের মত করে তার জীবনে কোন এক সময় দেখা বা শুনা বজ্রপাতের মৃত্যুর কথা বলতেন। কিন্ত বর্তমানে প্রায়ই বজ্রপাতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। কয়েকদিন আগে পত্রিকায় দেখলাম ১৮জন একদিনে বজ্রপাতের মারা গেছে। এছাড়া প্রায়ই বজ্রপাতের মৃত্যুর ঘটনা আছে। কথিত আছে- বৃটিশরা যখন এদেশ শাসন করেছে তখন নাকি সিমানার প্রান্তে এক ধরণের শক্তিশালী চুম্বকওয়ালা পিলার স্থাপন করেছে। তাছাড়া জমিদার বাড়িগুলোতে ছিল বজ্রপাত নিষ্ক্রিয় করা উপকরণ। কিন্তু এগুলো মুল্যবান হওয়া মানুষ এগুলো চুরি করে নিয়ে যায়। তাই বর্তমানে বজ্রপাত গুলো সৃষ্টি হয় সেগুলো নিষ্ক্রিয় না হয়ে ভূমিতে পড়ে যার ফলে বজ্রপাতে এত মৃত্যু। ঘটনা যদি তাই হয় তাহলে সরকারের এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞদের সহাযতায় প্রতি উপজেলা অথবা কতটুকু দুরত্বে স্থাপন করা যাবে তার পরিমাপ করে বজ্রপাত নিয়ন্ত্রনের কিছু একটা করা উচিত। তাহলে মানুষের অকাল প্রানহানি থেকে রক্ষা পাবে। এবিষয়ে জরুরী ভাবে বিবেচনা করে সঠিক সিন্ধান্ত নেওয়া উচিত।
২| ২৭ শে জুন, ২০১৩ রাত ৯:৩৩
নতুন বলেছেন: কথিত আছে- বৃটিশরা যখন এদেশ শাসন করেছে তখন নাকি সিমানার প্রান্তে এক ধরণের শক্তিশালী চুম্বকওয়ালা পিলার স্থাপন করেছে। তাছাড়া জমিদার বাড়িগুলোতে ছিল বজ্রপাত নিষ্ক্রিয় করা উপকরণ। কিন্তু এগুলো মুল্যবান হওয়া মানুষ এগুলো চুরি করে নিয়ে যায়। তাই বর্তমানে বজ্রপাত গুলো সৃষ্টি হয় সেগুলো নিষ্ক্রিয় না হয়ে ভূমিতে পড়ে যার ফলে বজ্রপাতে এত মৃত্যু। ঘটনা যদি তাই হয় তাহলে সরকারের এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
কথিত ঘটনায় কান দেওয়ার দরকার নাই...
শিমানায় চম্বুক স্থাপনের সাথে বজ্রপাতের কোন সম্পক` থাকার যৌক্তিকতা নাই....
খোদ আমেরিকাতেও প্রতি বছর ৬৭ জন বজ্রপাতে মারা যায়...
তবে সরকারের উচিত মানুষকে সচেতন করা.... আর উচু দালানে বজ্রনিরোধন লাগানো ...
জনসংখ্যা বেশি তো তাই বজ্রপড়লেরই কারুর না কারুর মাথায় পড়ে... কি করবেন কন?
৩| ২৭ শে জুন, ২০১৩ রাত ৯:৫৩
আহলান বলেছেন: মোবাইলের টাওয়ার ও বিদ্যুতকে কাছে টানে। এটাও ভাব্বার বিষয়।
৪| ২৭ শে জুন, ২০১৩ রাত ১০:১১
অদ্ভুত স্বপ্ন বলেছেন: পত্রিকায় ১৮ জনের মৃত্যু সংবাদটা আমাকে খুব পীড়া দিয়েছিল। একদিনে একসাথে এতজন বজ্রপাতে মারা গেল অথচ মেইনস্ট্রিম মিডিয়া নিউজটাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করল না। বিষয়টা খুবই দুঃখজনক।
বজ্রপাতে প্রাণহানি কমাতে সরকারের উচিত এখনই বিষয়টাকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
এতগুলো মানুষের এভাবে মৃত্যুবরণ কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না।
৫| ২৭ শে জুন, ২০১৩ রাত ১১:০২
একাকী বালক বলেছেন: কেয়ামতের একটা আলামত হল বজ্রপাতে অনেক মানুষের মৃত্যু হবে। কেয়ামতের আগে আগে এমন অবস্থা হবে মানুষ বাজারে বসে গল্প করবে গতকাল কার এলাকায় কতজন বজ্রপাতে মারা গেছে।
৬| ২৭ শে জুন, ২০১৩ রাত ১১:০৪
একাকী বালক বলেছেন: আহলান বলেছেন: মোবাইলের টাওয়ার ও বিদ্যুতকে কাছে টানে। এটাও ভাব্বার বিষয়।
>>> হা হা হা। প্রত্যেক বিটিএসে আর্থিং থাকে। খুব কড়া ভাবে চেক করা হয় এইটা। নইলে থান্ডারস্টমে পুরা বিটিএস জ্বইলা যাবে।
৭| ২৮ শে জুন, ২০১৩ ভোর ৬:৩৫
আলফা-কণা বলেছেন: ay typer sochetonota mulok, post aro dorkar...onek dhoonobad sundor lekah jonno,,itz very important to think about the remedy...
৮| ২৮ শে জুন, ২০১৩ ভোর ৬:৩৯
রোজেল০০৭ বলেছেন: সহমত।
আশা করছি যথাযথ কতৃপক্ষ এ ব্যপারে সু-দৃষ্টি দিবেন।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে জুন, ২০১৩ রাত ৯:১৯
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: বজ্রনিরোধে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ জরুরী। আমরা কবে দূরদর্শী হবো?
বৃটিশরা দেখুন সেই শত বছর আগে বীজ রোপন করে, মানুষৈর উপকারও করেছে নিজেদের সম্পদও বানিয়েছে।
আজ সেই সব গণহারে শুধু তোলাই হচ্ছে, বিকল্প আয়োজন না করে!!!!!