নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি একটি পথ, আপনি চাইলে হেঁটে দেখতে পারেন....

জীয়ন আমাঞ্জা

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দর্শন হল হিসাব বিজ্ঞানের ডেবিট এবং ক্রেডিট । সবসময় যতখানি ডেবিট, ঠিক ততখানিই ক্রেডিট হয় । পরকালের হিসেব যা-ই হোক, এই ইহকালে আমরা ঠিক যেভাবে শূন্য হাতে পৃথিবীতে এসেছি, সেভাবে শূন্য হাতেই পৃথিবী ছেড়ে যাব । এটাই পৃথিবীর আবর্তনিক নিয়ম । অনেকে আমরা এটা বুঝতে ব্যর্থ হই ।আপনি কারো ক্ষতি করবেন তো আজ অথবা কাল আপনার ক্ষতি হবেই হবে । ভালো করলেও তার ফল আপনি জীবদ্দশাতেই পাবেন ।অনেকে দেখবেন রাস্তাঘাটে অযথা হোঁচট খায়, অসুখে ভোগে- এসব এমনি এমনি নয়, হয় এর অতীত, নয়তো ভবিষ্যৎ প্রসারী কোন কারণ আছে । যদি আপনি কারো ক্ষতি না করেন, তবে আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি, আপনার কোন ক্ষতি হবে না । কেউ চেষ্টা করলেও আপনার ক্ষতি করতে পারবে না ।শুদ্ধ থাকুন, শুদ্ধতার শুভ্রতাকে উপভোগ করুন । জীবন সুন্দর হবে ।আমি সবার মতের প্রতিই শ্রদ্ধাশীল।আশা করি আপনিও তাই।সৌজন্যবোধ ও মানবতার জয় হোক !

জীয়ন আমাঞ্জা › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটি তারার গল্প

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:১০

হাহাকারভরে কলঙ্কে সাজিয়ে মুখ

কেঁদে বলে চাঁদ, আমি কেন একা ?

চোখের জল তার

জোছনার ফোটা হয়ে ঝরে

সবুজাভ কলাপাতার আঁচলে,

শান্ত দীঘির জলে, এই পৃথিবীর পরে!



সম্বুদ্ধ দূর নক্ষত্ররা মিটিমিটি হাসে,

শেয়ালের হরিসভা বসে সান্দ্র হিম ধান বনে ।

হয়ত ঝোলা কাঁধে হেঁটে যায় মুগ্ধ যুবক এক, জোছনায় পথ চিনে ।

কিংবা জানালার কাঁধে মাথা রেখে

ফুঁপিয়ে কাঁদে কোন বিরহী বধু—



চাঁদ তার কিছুই জানে না

শুধু তার হাহাকার জোছনায় ঝরে যায়

দূরে নক্ষত্ররা মিটিমিটি হাসে,

সে হাসির কুটিল শ্লেষ ঘুমন্ত পৃথিবীর কানে এসে পৌঁছয় না ।



অতঃপর সাহস করে এগিয়ে আসে

গোঁফ না ওঠা পাশের বাড়ির কিশোর ছেলেটি,

কাঁচুমাচু স্বরে বলে, রেণুদি, চলো আমরা পালিয়ে যাই,

এই ভূষণ্ডির গ্রাম ছেড়ে ওই দূর দূরের শহরে ।

ছোট্ট দু'হাত মুঠো করে বলে,

এ হাতে খাটব আমি বাবুদের মিলে,

বার্ধক্যের শেষ চুলটি পেকে গিয়ে

ঝরে যাওয়া পর্যন্ত আমি রবো

তোমার পাশে, তোমাকে ছুঁয়ে,

কেবলই তোমার হয়ে ।



কিছু মেঘ উড়ে যায় আচমকা

বাতাসে, ফের উঁকি দেয় চাঁদ,

থমথমে মুখে বলে, তুমি ছোট্ট তারা,

কী দিয়ে আগলাবে এই বহুগুণ বড়ো

চাঁদের শরীর ?



ছোট্ট তারাটি শরীর বোঝে না

সে শুধু ভালোবেসে ধেয়ে আসে চাঁদের পানে

যুগ যুগ ধরে রাখে তার প্রেমের

প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হবে জেনেও,

দূরত্ব ঘোচে না কভু ।



রেণুদি'র সমাধির পাশে

প্রতি রাতে ছেলেটি এসে

রাখে কিছু বুনো ফুল,

নিরবে চোখ মুছে দাঁড়িয়ে রয়

অনন্তকাল ।



শুধু তার হাহাকার জোছনায় ঝরে যায়

দূরে নক্ষত্ররা মিটিমিটি হাসে ।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৪৪

জাহাঙ্গীর.আলম বলেছেন:
অনেক ভাল লাগলো ।

২| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ২:৫৯

জীয়ন আমাঞ্জা বলেছেন: অজস্র ধন্যবাদ আপনাকে, আলম ভাই ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.