নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যের সন্ধানে ও শান্তির অন্বেষায় ...

সব বিষয়ে জানতে ও শিখতে আগ্রহী একজন উদার মনের মানুষ।

জোবাইর

বিনয়ী মূর্খ অহংকারী বিদ্বান অপেক্ষা মহত্তর। Copyright © Zobair

জোবাইর › বিস্তারিত পোস্টঃ

শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা

২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:১৬


শুধু একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলাই নয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে অনেকভাবে এবং অনেকবার। কখনো নিজ বাসভবনে, কখনো জনসভায় আবার কখনো তার গাড়ির বহরে। তবে তার মধ্যে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা দৃশ্যমান এবং চাক্ষোস প্রমাণসাপেক্ষ:

১। ১৯৮৮ সালে ২৪ জানুয়ারি, চট্টগ্রামে শেখ হাসিনা প্রথম হামলার শিকার হন। লালদীঘি ময়দানের আট দলীয় জোটের মিছিলে শেখ হাসিনাকে হত্যায় পুলিশ ও বিডিআর গুলি বর্ষণ করে। এতে সাত জন নিহত ও গুরুতর আহত হয়েছিল ৫৪ জন।

২। ১৯৮৯ এর ১১ আগস্ট রাতে ফ্রিডম পার্টির একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডিস্থ ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি বর্ষণ ও গ্রেনেড হামলা চালায়।

৩। ১৯৯১ এর ১১ সেপ্টেম্বর টুঙ্গিপাড়া হতে ঢাকায় ফিরে গ্রিনরোডের কাছে ধানমন্ডি স্কুলে উপনির্বাচনের ভোট প্রদানের পর গ্রিনরোডে পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র ভোটের পরিস্থিতি দেখতে যান। গাড়ি হতে নামার সঙ্গে সঙ্গেই বিএনপির কর্মীরা গুলিবর্ষণ ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটনায়।

৪। ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ঈশ্বরদী ও নাটোর রেল স্টেশনে প্রবেশের মুখে তাকে বহনকারী রেল গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়া হয়েছে।

৫। ১৯৯৫ এর ৭ ডিসেম্বর শেখ রাসেল স্কোয়ারের নিকট সমাবেশে ভাষণ দানরত অবস্থায় শেখ হাসিনার উপর গুলি বর্ষণ করা হয়।

৬। ১৯৯৬ এর ৭ মার্চ সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে শেখ হাসিনার বক্তৃতার পর হঠাত্ একটি মাইক্রোবাস হইতে সভামঞ্চ লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ ও বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে ২০ জন আহত হয়।

৭। ১৯৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পুত্রকন্যাসহ ৩১ জনকে হত্যার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করে ই-মেইল করে ইন্টার এশিয়া টিভির মালিক শোয়েব চৌধুরী।

৮। ২০০০ সালের ২০ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় জনসভাস্থলের কাছে ও হ্যালিপ্যাডের কাছে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রেখেছিল। ঘটনাস্থলের কাছে শেখ লুত্ফুর রহমান ডিগ্রি কলেজ মাঠের এক সভায় প্রধানন্ত্রীর বক্তব্য রাখার কথা ছিলো।

৯। ২০০১ সালের ২৯ মে খুলনার রূপসা সেতুর কাজ উদ্বোধন করতে যাওয়ার কথা ছিল তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। জঙ্গিরা সেখানে বোমা পুঁতে রাখে যা গোয়েন্দা পুলিশ তা উদ্ধার করে।

১০। ২০০১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেট গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। সেদিন রাত ৮ টার দিকে জনসভা স্থল থেকে ৫০০ গজ দূরে একটি বাড়িতে বোমা বিস্ফোরিত হলে ঘটনাস্থলেই দুই জনের মৃত্যু হয়।

১১। ২০০২ সালের ৪ মার্চ নওগাঁয় বিএমসি সরকারি মহিলা কলেজের সামনে শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা চালানো হয়।

১২। ২০০২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীরা সাতক্ষীরার কলারোয়ার রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে শেখ হাসিনার ওপর হামলা চালায়।

১৩। ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট শেখ হাসিনা সাতক্ষীরার চন্দনপুর ইউনিয়নের হিজলি গ্রামের এক মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে তার গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়।

১৪। ২০০৪ সালের ২ এপ্রিল গৌরনদীতে শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে গুলিবর্ষণ করে জামায়াত-বিএনপি।

১৫। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই সেনাবাহিনী সমর্থিত ১/১১ এর তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে গ্রেফতার করেছিল। তাকে রাখা হয়েছিল জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় স্থাপিত বিশেষ সাব-জেলে। সেসময় শেখ হাসিনার খাবারে ক্রমাগত পয়জন দিয়ে তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়।

১৬। ২০১১ সালে শ্রীলংকার একটি সন্ত্রাসবাদী গ্রুপের সাথে বাংলাদেশের শত্রু রাষ্ট্র এবং আর্ন্তজাতিক সন্ত্রাসী চক্র সুইসাইড স্কোয়াড গঠন করে শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য চুক্তি করে এবং সেজন্য আগাম পেমেন্টও প্রদান করা হয়।

১৭। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত ও হত্যা করার লক্ষ্যে একটি সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টার পরিকল্পনা করা হয়েছিল যা পরে ব্যর্থ হয়ে যায়।

১৮। ২০১৪ সালের শেষে দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র এবং অভ্যুত্থানের পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেফতার জঙ্গি শাহানুর আলম ওরফে ডাক্তার।

১৯। ২০১৫ এর ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার সময়ে কাওরানবাজারে তার গাড়িবহরে বোমা হামলা চালানোর চেষ্টা চালায় জেএমবি।

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:২৬

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: শেখ হাসিনাকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। উনি নিশ্চয়ই এটা পড়বেন :D

২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:৪৯

জোবাইর বলেছেন: শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ঈদ মোবারক!

২| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:২৬

বাকপ্রবাস বলেছেন: রাখে আল্লাহ মারে কে

২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:৫৩

জোবাইর বলেছেন: কথাটা ঠিক, তারপরেও হত্যাকারীরা চেষ্টা চালিয়ে যাবে। তাই সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে।
ধন্যবাদ।

৩| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:৫৮

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
এটিও পড়ুন
গ্রেনেড হামলার মুল হোতা যারা

২২ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:০২

জোবাইর বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়েছি। নতুন কিছু তথ্য জানলাম। লিঙ্কটা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

৪| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:২৯

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:



দেশের কোটি ককোটি মানুষ উনাকে ভালবাসে... ভয়টা এখানেই। এদেশের মানুষ যাকে ভালবাসে তার শত্রুর অভাব হয় না... প্রমাণ পোষ্টেই দেখছি...

২২ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:০৬

জোবাইর বলেছেন: চমৎকার মন্তব্য করেছেন!
যার ভালোবাসার মানুষ বেশি, তার শত্রুও বেশি। তাই ভালোবাসার মানুষগুলোকে শত্রুদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে।
ভালো থাকুন।

৫| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:৩৯

কলাবাগান১ বলেছেন: She is Chosen

২২ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:১০

জোবাইর বলেছেন: Yes, She is. Thanks!

৬| ২২ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:০৫

আরণ্যক রাখাল বলেছেন: শেখ মুজিব ভুল করেছিলেন বাঙালিকে বিশ্বাস করে৷ তার কণ্যর উচিৎ হবে না তা করা। নিজের নিরাপত্তার ব্যাপারে তার হওয়া উচিৎ সোচ্চার। আর একরোখা

২২ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:২০

জোবাইর বলেছেন: চরম একটা সত্য কথা বলেছেন আপনি।
শেখ হাসিনা কিছুটা আবেগপ্রবন। 'আমার চাওয়ার কিছু নেই, আমি মৃত্যুকে ভয় করি না।' এইসব কথা বলে লাভ কী! তাই বলে কি জেনেশুনে হত্যাকারীদের সুযোগ দিতে হবে! নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। হত্যাকারীরা সুযোগ নেওয়ার আগেই ওদরকে সমূলে উৎপাটন করতে হবে।
শুভেচ্ছা রইলো, ভালো থাকুন।

৭| ২২ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:১৪

Mohammad Israfil বলেছেন: এটা স্বাভাবিক। একটি দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধানদের হত্যার জন্য চেষ্টা করা হয়ে থাকে। সব দেশেই হয়ে থাকে। কেউ সফল হয়, আবার কেউবা সফল হতে পারে না। এখানে মূলত দল প্রধানদের দূরদর্শীতার প্রমাণ পাওয়া যায়।

২২ শে আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১:৩৫

জোবাইর বলেছেন: এটা মোটেই স্বাভাবিক নয়! পারষ্পরিক ঘৃণা, অসহিষ্ণুতা, উগ্রবাদী মানসিকতা, বাক স্বাধীনতার অভাব, মগজ ধোলাই, মানসিক অসুস্থতা ইত্যাদি অনেক কারণে মানুষ হত্যার মতো গর্হিত কাজ করে। উন্নত বিশ্বে যেখানে সুষ্টু গণতন্ত্রের চর্চা হয় সেখানে হত্যার রাজনীতিকে সবাই ঘৃণা করে। সুতরাং 'হত্যার রাজনীতি'-কে স্বাভাবিক বলে সর্বজনীন করার চেষ্টা করা ঠিক না।

'একটি দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধানদের হত্যার জন্য চেষ্টা করা হয়ে থাকে। সব দেশেই হয়ে থাকে।'
এটা আপনার সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। হাতেগোনা কয়েকটি দেশ যেখানে গণতন্ত্রের চর্চার বদলে জঙ্গি, সন্ত্রাস ও একনায়কত্বের রাজত্ব সেখানে হত্যার রাজনীতি হয়, অন্য কোথাও নয়।
বাংলাদেশেও বড় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধানদের হত্যার জন্য চেষ্টা করা হয় না, একমাত্র ব্যতিক্রম শেখ হাসিনা। খালেদা জিয়া, এরশাদ এদেরকে তো কেউ হত্যার চেষ্টা করেনি। এর মানে এই নয় যে শেখ হাসিনার দূরদর্শীতার অভাব। একমাত্র শেখ হাসিনাকে কেন এবং কারা হত্যার চেষ্টা করছে তা এদেশের সচেতন জনগণ বুঝতে পারে।

৮| ২২ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ২:৪৪

চাঁদগাজী বলেছেন:

১৯তম প্রচেষ্টায় জিয়ার পতন হয়েছিলো

২২ শে আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১:৩৯

জোবাইর বলেছেন: শেখ হাসিনার বেলায় যখন ১৯তম হত্যা প্রচেষ্টা সফল হয়নি তাহলে আমরা মোটামুটি আশাবাদী হতে পারি তিনি আরো অনেক দিন বেঁচে থাকবেন। ভিকটিম যেই হোক হত্যার রাজনীতি মোটেই কাম্য নয়।

৯| ২২ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:০২

রাজীব নুর বলেছেন: শেখ হাসিনা আরও ১০০ বছর বেঁচে থাকুক।

২২ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:৩৩

জোবাইর বলেছেন: আপনার দোয়া কবুল হোক, আমীন!

১০| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৩

Mohammad Israfil বলেছেন: প্রিয় ব্লগার, আমার কমেন্ট এর প্রতি উত্তরে আপনি আরো কিছু যোগ করেছেন, তাই আবার আপনার কথার উত্তর না দিয়ে বসে থাকতে পারলাম না।
আপনি এখানে এক পক্ষীয় সমর্থন নিয়ে বসে আছেন। বলছেন, শুধুমাত্র শেখ হাসিনাকেই হত্যার চেষ্টা করা হয়, অন্য কাউকে হত্যার চেষ্টা করা হয় না। এই ধারণা টা আপনার সম্পূর্ণ ভূল। ছোট একটা উদাহরণ দেই আপনাকে, মাওয়া মুন্সিগঞ্জ রাস্তায় দিয়ে খালেদা জিয়া গাড়ি বহরে স্থানীয় উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা শাহিন রাজেন্দ্রপুর এলাকায় থেকে হামলা চালায়, খালেদা জিয়ার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। আর সেটা তিন চার এলাকার মানুষ সহ সবাই জানে। যার প্রমাণও আছে।
সেই নেতা এখন প্রভাবশালী উপজেলা চেয়্যারমান।
আবার একুশে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় যে বিএনপি জড়িত সেটা আমি চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে পারি।
আপনি দয়া করে পূর্ববর্তী রাজনৈতিক ইতিহাস পড়ে দেখবেন।
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত যতগুলো শাসক এসেছে সবাই একনায়কতন্ত্র করতে চেয়েছে। এটা অস্বীকার করতে পারবেন? যদি অস্বীকার করেন, তাহলে আপনাকে বলবো, ১৯৪৭ পর্ববর্তী থেকে আজ পর্যন্ত্র রাজনীতির ঘটনাপঞ্জী অনুসন্ধান করুন।
তাহলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন, গণতন্ত্র কতটা ছিলো এখন বর্তমানে কতটা আছে!!!
আপনার কথাই ধরে নিলাম, যদি গণতন্ত্র না থাকলে হত্যার রাজনীতি হয়। তাহলে তো সেটাই হচ্ছে, কেননা, গণতন্ত্র তো নেই ভাই।
তাই ভাইকে অনুরোধ করবো, রাজনীতি করেন বা না করেন। দলপক্ষপাতিত্ব ছেড়ে রাজনীতি অনুসন্ধান করুন। তাহলে রাজনীতি ব্যক্তিদের আসল চরিত্র আপনার সামনে হাজির হয়ে যাবে।

ধন্যবাদ।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৮

জোবাইর বলেছেন: 'মাওয়া মুন্সিগঞ্জ রাস্তায় দিয়ে খালেদা জিয়া গাড়ি বহরে স্থানীয় উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা শাহিন রাজেন্দ্রপুর এলাকায় থেকে হামলা চালায়, খালেদা জিয়ার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়।'-এটা আমার জানা ছিল না। এখন জানলাম, ধন্যবাদ।
সবাই কমবেশি একনায়কত্ব করতে চেয়েছে, অন্যের মতকে গুরুত্ব না দিয়ে দলবাজি ও জোর-জুলুম করার চেষ্টা করেছে। শেষ পর্যন্ত তা খুনাখুনিতে গড়িয়েছে। আমার লেখার উদ্দেশ্য বা চেষ্টাই রাজনীতিক ব্যক্তিদের আসল চরিত্র মানুষের সামনে হাজির করা।
মন্তব্যের জন্য আবারো আপনাকে ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.