নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আড্ডা

বাংলাদেশ নিয়ে ভাবনা, প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার সংগ্রহমালা

আড্ডাবাজ

আড্ডাবাজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

সুখ নামক পাখির সন্ধানে:

০৬ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ১০:১৪

ছুটির দিনের আজকের কড়চা সুখ বিষয়ক। সুখ ভাবনা নিয়ে আজকের আলাপন। জীবণে সবাই সুখী হতে চায়, কিন্তু, কেউ কি একজন সুখী মানুষের ছবি চিএপটে তুলতে পারবেন? না,আমরা কেউ পারব না। আশ্চর্য, কি অদ্ভূত অক্ষমতা!!! আসলে সুখ কি? সন্তুষ্টি, আনন্দ, হাসি, তৃপ্তি, সাফল্য, সমৃদ্ধি, সম্মান, স্বীকৃতি, ভালবাসা, যত্ন -এগুলো কি সুখের অবয়ব? কি দিয়ে সুখের ছবি আঁকা যায়? আমি সুখ খুঁজি অনুভূতিতে, ভাবনায়, না পাওয়ার এ পৃথিবীতে কিছু পাওয়ার মাঝে। হয়তোবা, অন্যরা ভাববে ভাবুক মানুষ, ভাবনায় সুখ খুঁজে নেন। জীবণের চৌহদ্দিতে কোন চমক নেই, কোন অর্জন নেই, তারপরেও ভাবে সুখী। এখানেই জীবণের বৈচিএ্য। একেক মানুষ একেক ভাবে দেখে।



সুখ কি প্রজাপতি, প্রেয়সীর মিস্টি হাসি, ভোর রাতের মিস্টি স্বপ্ন, চায়ের কাপে উষ্ণ চুমুক, কর্মব্যস্ত দিনের শেষে রবীন্দ্রসংগীত, রিমঝিম বৃস্টির শব্দ, তপ্ত সন্ধ্যায় দক্ষিণা বাতাসের আলতো ছোঁয়া, মুঠো ফোনের সেই রিংটোনটি, জোৎস্না রাতে রূপালী আলোর বন্যা, কিন্নরীর সুর, অপেক্ষার অকস্মাৎ অবসান, নিস্পলক দৃস্টি, অপ্রশস্ত বারান্দায় পদচারিতার পদধ্বনি? আসলে কি জানেন, সুখ আপনার খুব কাছাকাছি বসবাস করে, খুঁজে নিতে হয় তাকে, আপন মনের মাধুরী মিশিয়ে তাকে লালন করতে হয়। সুখ সোনার হরিণ নয়। আমি সুখী। দু:খ আমায় ছোঁয় না। এরকম প্রত্যয়ী ভাবনায় জীবণ সাজাতে পারলেই সুখ নামক পাখিটি বাস করবে প্রতিটি জীবণে। আমার আজকের সকালের নিস্তরঙ্গতায় তাই সুখের শান্তিধারা বইছে। আসুন, আমরা সুখ পাখিটাকে মনের খাঁচায় বন্দী করে তাকে লালন করি আমৃতু্য।



"...আজি বহিতেছে

প্রাণে মোর শান্তিধারা। মনে হইতেছে

সুখ অতি সহজ সরল, কাননের

প্রস্ফুট ফুলের মতো, শিশু-আননের

হাসির মতন, পরিব্যাপ্ত, বিকশিত,

উন্মুখ অধরে ধরি চুম্বন-অমৃত

চেয়ে আছে সকলের পানে বাক্যহীন

শৈশববিশ্বাসে চিররাএি চিরদিন।

বিশ্ববীণা হতে উঠি গানের মতন

রেখেছে নিমগ্ন করি নিথর গগন।

সে সংগীত কী ছন্দে গাঁথিব! কি করিয়া

শুনাইব, কী সহজ ভাষায় ধরিয়া

দিব তারে উপহার ভালোবাসি যারে,

রেখে দিব ফুটাইয়া কী হাসি-আকারে

নয়নে অধরে, কী প্রেমে জীবনে তারে

করিব বিকাশ! সহজ আনন্দখানি

কেমনে সহজে তারে তুলে ঘরে আনি

প্রফুল্ল সরস! কঠিন-আগ্রহ-ভরে

ধরি তারে প্রাণপণে-মুঠির ভিতরে

টুটি যায়! হেরি তারে তীব্রগতি ধাই_

অন্ধবেগে বহুদূরে লঙ্ঘি চলি যাই,

আর তার না পাই উদ্দেশ

চারি দিকে

দেখে অজি পূর্ণপ্রাণে মুগ্ধ অনিমিখে

এই স্তব্ধ নীলাম্বর, স্থির শান্ত জল_

মনে হল, সুখ অতি সহজ সরল



বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:০৪

হিমু বলেছেন: বোধহয় প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির মধ্যে সমন্বয়। আমি অল্প চাই, অল্প পেলেই সুখী, আরো যদি পাই তাহলে আরো সুখী, না পেলে সুখের অভাব বোধ করি। এভাবে সুখকে দেখতে পারছি, এ-ও তো একটা সুখ, কী বলেন ঃ)?

২| ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:০৪

শাহানা বলেছেন: আমি নিজেকে নিজে বলি "আমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখি মানুষ"

৩| ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ২:০৪

শাওন বলেছেন: ভাইয়া http://www.somewhereinblog.net/shaon/post/6426 এখানে যেয়ে আপনার ভুলটা শুধরিয়ে নেন প্লিজ । :( বড়ই দুঃখ পেলাম ।

৪| ০৮ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ২:০৪

অতিথি বলেছেন: হিমু ও শাহানা,
অন্তত: দু'জন সুখী মানুষের খবর পেয়ে ভাল লাগল। সুখ বিষয়টি বড়োই আপেক্ষিক। সেজন্যই সুখ অনুভব করতে হয় বাস্তবতার নিরিখে। একজন গরীব মানুষ একবার মসজিদে খালি পায়ে হেঁটে যাচ্ছে, জুতো নেই বলে বড়ই দু:খ। পথে দেখল, একটা লোক খোঁড়া, কোন পা নেই। গরীবের জুতোর দু:খ চলে গেল। তাই, সে এখন জুতো ছাড়াই সুখী।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.