নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাঝে মাঝে লিখি

আফনান আব্দুল্লাহ্

কি বোর্ড এ বক বক করি।

আফনান আব্দুল্লাহ্ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভারত বা সৌদিরা আমাদের খুন করলে আমাদের ইগোতে লাগে কেন!

১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৩৪

টুপটুপ রেস্তোরাঁ অ্যান্ড রিসোর্টটা টিন আর বোর্ড দিয়ে বানানো। নিচতলায় রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ করা ছিল। ভালো মানের বোমার উপর রঙচঙে এসি রুমে ছয়-সাত হাজার টাকার রাত প্রতি ভাড়া। তো টুপটুপ মানুষ মারার এই আয়োজন নিশ্চয়ই একা করেনি। উপরে-নিচে, ডানে-বামে ভাগবাটোয়ারা দিয়ে এই যজ্ঞ চালিয়েছে।



এখন কয়দিন দৌড়াদৌড়ি হবে। যারা এতদিন টুপটুপের টাকা খেয়েছে তারাই বেশ চোখ রাঙাবে। ফলাফল হবে, টুপটুপের মতো বাকি যেসব হোটেল আছে তাদের মাসোহারা বেড়ে যাবে। কিন্তু নিশ্চিতই সবগুলোই টিকে থাকবে। যেমন নিমতলী বা চুড়িহাট্টা অগ্নিকাণ্ডের পর বিশাল বিশাল শিরোনাম হলেও গুদামগুলো এখনো ওখানেই বিভিন্ন নামে রয়ে গেছে। আর গুরুতর বিষয় হলো এই দুর্ঘটনাগুলোতে দায়ী লোকগুলোও কিন্তু ভিকটিম হয়। নিমতলীতে যেমন যারা কেমিক্যাল মজুদ করছিল নিজেরই বাসার নিচে তারা নিজেরাও পরিবারশুদ্ধ পুড়ে গেছে। নিজেরাই নিজের জীবন নিয়ে এমনই ক্যালাস। জীবনযুদ্ধে যাহাই ঘটুক কোনো চেঞ্জ অ্যাডপ্ট না করার একটা দুর্দমনীয় ক্ষমতা আমাদের ডিএনএ-তে বিল্ট-ইন আছে।

টুপটুপের আগুন।

নিমতলীর আগুন, ঢাকা - ২০১০ সাল।
.
এই একই জনপদের কিছু মানুষকে সৌদি তাদের ব্যক্তিগত শরিয়াহ আইনে কুপিয়ে মেরে ফেলল। বা ভারতীয় বাহিনী গুলি করে তার কাঁটায় ঝুলিয়ে দিলে আমাদের ইগোতে বেশ লাগে। এই ইগোটা আমাদের কোথা থেকে আসে তা নিয়ে নিশ্চয়ই আমাদের সরকার, তার প্রশাসনের বেশ টাস্কি লাগে।
সৌদিতে মৃত্যুদন্ড কার্যকরের পর দুই বাংলাদেশীর লাশ।

সৌদিরাও নিশ্চয়ই এইসব শুনলে অবাক হয়। যে তোমাদের সরকার তোমাদের নিজ দেশের ভেতরে নিজেদের আইনকানুন নিয়েই এত ক্যালাস হয়ে থাকে। সেই সরকারকে তার দেশের দুই মিসকিন আদমকে কুপিয়ে মারার আগে আমার দেশের শেখতান্ত্রিক আইন নিয়ে জানানোর কী আছে!! জেনে তারা করবেটাই বা কী!!

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমাদের জীবনের মূল্য দেশেই নাই আর বিদেশে কিভাবে থাকবে ?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.