নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জেনেছি দৈন্য ঘুঁচাও এবার দীনতা

আগামি

সে এসেছিল আমার জীবনে প্রথমহয়তোবা সে-ই আমার শেষবিকেলের হলুদাভ আভায়আমি খুঁজি তারই লুন্ঠিত অবশেষ।

আগামি › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভারত কি পারবে আগামীর সুপার পাওয়ার হতে ?

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৫২

ভারত এ অঞ্চলের অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্র । স্বাধীনতার পর থেকেই ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশটা । একই সাথে স্বাধীন হওয়া পাকিস্তান বা আরো পরে পাকিস্তান থেকে নিজেদের স্বাধীন করে নেয়া বাংলাদেশেও অনেকবার গণতন্ত্র বাঁধাগ্রস্ত হয়েছে । জলপাই সার্কেলের বীরগণ কারণে অকারণে এদুটি দেশে রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে আসলেও ভারতে এখন পর্যন্ত ঐরকম সাহসী কোন সেনা নায়কের জন্ম হয়নি । আমরাও দেখেছি সেনা অভ্যুথ্থানের পেছনে সেনারা যত যুক্তিই দেখাক না কেন এতে দেশ পিছিয়েই যাচ্ছে ।



ভারতে সেনা শাসন আসেনা কেন ? এটা একটা প্রশ্ন বটে । ভারতে কি জিয়া, এরশাদ,আইয়ুব, ইয়াহিয়া, মোশাররফদের মত বীর জন্ম নেয়নি ? নাকি ভারতের রাজনীতি কখনো এমন অনিশ্চয়তায় পৌঁছেনি যেখানে পৌঁছলে সেনারা শাসন হাতে নিতে পারে ? নাকি 'র' এর মত শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতি ভারতকে অমন নাজুক পরিস্থিতিতে যেতে দিচ্ছেনা ? ছেলে খারাপ হলে মা-বাবা যেমন অপরের ছেলেকে দোষ দেয়, তেমনি এদেশে খারাপ কিছু হলেও আমরা অন্য দেশকে দোষ দেই । আমরা ভাবি 'র', সিআইএ, মোসাদ চক্রান্ত করে দেশটার বারোটা বাজাচ্ছে ।তাহলে আমরা কেন অন্য দেশের বারটা বাজাতে পারছিনা ? আমরা দুগ্ধপোষ্য বলে ? আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ঘুমের টেবলেট খেয়ে ঘুমায় বলে ?



শ্রীলংকার চীরস্থায়ী সমস্যা তামিল সমস্যা । এটা ভারতের সহায়তায় হৃষ্টপুষ্ট হয়েছে বলে আমরা জানি । আমরা এটাও বিশ্বাস করি সিকিমকে অঙ্গ রাজ্য বানানো আর হাল আমলে নেপালে রাজনৈতিক অস্থিরতা সবই 'র' তথা ভারতের কারসাজি ।বাংলাদেশের যাবতিয় সমস্যার মূলে প্রথমেই ভারতকে দায়ী করে আমাদের বিশ্বাস । তাহলে ভারতের কাজই কি প্রতিবেশীদের মধ্যে বিভেদ তৈরী করা ? ভারত কি চায় এক চীন (?) ব্যতিত তার আশপাশে কোন স্থিতিশীল দেশ না থাকুক ?



ষাটের দশকে ভারতে নকশালবাড়ি আন্দোলন বেশ আলোড়ন তুলেছিল । পশ্চিম বঙ্গে বামপন্থীরা ক্ষমতায় এলেও নকশালীদের কপালে আর গণবিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়া হয়ে উঠেনি ।এটা যতটা 'র' এর সাফল্য তার চেয়ে বেশী গণবিপ্লবীদের ব্যর্থতা ।প্রতিটি ব্যর্থতা যেমন নতুন সাফল্যের ইংগীত বহণ করে তেমনি সেই ব্যর্থতাকে পুঁজি করে ভারতে আবার সংগঠিত হয়েছে সেই বিপ্লবীদের উত্তরসুরীরা ।



বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নিষিদ্ধ ঘোষিত কিছু বিপ্লবী দলের সাথেও এই নব্য নকশালীদের আঁতাতের খবর আমরা পেয়েছি পত্রিকান্তরে ।হতে পারে গুজব,তবু আমলে নিতে দোষ কোথায় ? এদেশের মাটিতেই গজিয়ে উঠল বিপ্লবীদের আতংক জেএমবি । প্রথম প্রথম বাহবাও কুড়িয়েছিল বেশ । কিন্তু এক ঢিলে অসংখ্য পাখি মেরে জেএমবি হয়ে গেল বিষহারা সাপ । এদেশের বিপ্লবীদের ক্ষতি, ইসলামের ক্ষতি, দেশের ভাবমর্যাদা নষ্ট সহ অনেক পাখি মেরে নিজের প্রাণপাখিটাও উড়িয়ে দিল জেএমবির ঈমানদার ভাইয়েরা ।তবে কি জেএমবিও 'র' সৃষ্ট ? এক ঢিলে বহু পাখি মারা কম কথা নয় !



নেপালে মাওবাদী গেরিলারা ক্ষমতায় গেল ।ভারতের নকশালীদের সাথে কি তাদের কোন আঁতাত হবেনা ? আগামীর ভারতে সবচেয়ে আতংকজনক নাম এই নকশালদের নতুন দোসরকে কি এমনিতেই ছেড়ে দিবে ভারত ? নেপালের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আমরা লক্ষ্য করছি । প্রচন্দ ইতোমধ্যেই তার পদত্যাগের জন্য ভারতকে দায়ী করে বক্তব্য দিয়েছে । উত্তাল হয়ে উঠছে নেপাল । সবই ভারতের কারসাজি ?



প্রতিবেশীদের বিপদ কি আপনাকে কোন সমস্যায় ফেলবেনা ? প্রতিবেশীর ছেলেটা যদি ডাকাত হয় তার প্র্র্র্রভাব কি আপনার ছেলের উপর পড়বেনা ? মিয়ানমার, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, নেপাল এবং উত্তপ্ত হয়ে ওঠা পরবর্তির বাংলাদেশ কি ভারতের স্বাধীনতাকামী (নাকি বিচ্ছিন্নতাবাদী ?) দের কোন লেসন দিচ্ছেনা ? একদিকে চির অশান্তির কাশ্মীর, অন্যদিক সাত বোন, সারা শরীরে নকশালীদের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রেতাত্মা, চেন্নাই-মাদ্রাজের মত উন্নত শহরের দেশে কলকাতার মত ঘিঞ্জি এলাকা, জাতিগত বিশাল বৈচিত্র এবং তাদের সচেতন হয়ে ওঠা -এতসব পিছুটান নিয়ে ভারত পারবে তো আগামীর সুপার পাওয়ারে পরিনত হতে ?



ভারতের রাজনীতিকদের চরিত্র নিয়ে জনমনে কোন স্বস্তি নেই ।কংগ্রেস ছাড়া সর্বভারতীয় আর কোন দল নেই ।গজিয়ে উঠছে স্থানীয় দল । কেন্দ্রের প্রতি আস্থাহীনতা বাড়ছে । শিথিল হয়ে যাচ্ছে সর্বভারতীয় বন্ধন ।রাজনৈতিক দুবৃত্তায়নের কারণে স্বায়ত্বশাসন অচিরেই স্বাধীনতার দাবীতে উচ্চকিত হয়ে উঠতে পারে । ভারতের শরীর জুড়ে জমতে থাকা আগ্নেয়গিরি স্ফুলিঙ্গ উদগীরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে । ওদিকে পাকিস্তান,চীন কিংবা আমেরিকাও বসে নেই । পরবর্তি দুনিয়ায় ভারতের অবশ্যম্ভাবি আগমন নিয়ে তারা পর্দার অন্তরালে কোন নাটক প্রস্তুত করছে তা কি 'র' জানবে ?



ভারতের সুপ্রতিবেশী সুলভ আচরণ এ অঞ্চলের অনেক সমস্যার যেমন স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে পারে তেমনি পারে তার নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে । কোন দেশেরই উচিত নয় অন্য দেশের ব্যাপারে নাক গলানো - ভারত যত তাড়াতাড়ি নিজের ভুল বুঝতে পারবে ততই তার মঙ্গল । এ অঞ্চলের জন্যও তা মঙ্গলজনক ।

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৯

শিট সুজি বলেছেন: বিরাট ঘ্যানী পোস্ট।

তয় "ভারতের সুপ্রতিবেশী সুলভ আচরণ এ অঞ্চলের অনেক সমস্যার যেমন স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে পারে তেমনি পারে তার নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে"
-একদম হাচা কতা।

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:০১

আগামি বলেছেন: বড়রা অনেক সময় ছোটদের গোনায় ধরেনা । যখন তখন ছোটদের উপর নিজেদের ইচ্ছা চাপিয়ে দেয় - এটা মারাত্মক আত্মঘাতি প্রবণতা ।

২| ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:০৫

সজল শর্মা বলেছেন: ভাল লাগলো।

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:২৪

আগামি বলেছেন: ধন্যবাদ ।

কেমন আছেন ?

৩| ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:০৯

ঝর্ণা চৌধূরী বলেছেন: হয়তো পারবে তবে আমরা কিন্তু বটগাছের নীচের লতাগাছ হয়ে যাব এইটা মাথায় রাখবেন।

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:২৮

আগামি বলেছেন: ভারত এগিয়ে যাচ্ছে । বাংলাদেশ পিছিয়ে যাচ্ছে ।

আমরা বটগাছের নীচের লতাগাছ হয়ে যাব এটাও সত্য । আবার এইসব লতার জালে আটকা পড়ে বটগাছেরও ত্রাহি অবস্থা হতে পারে ।

৪| ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:০৯

যুগান্তকারী বলেছেন: ভাই ভারত ভালো করেই জ়ানে ছোট ছোট বালু কনা দিয়েই মহাদেশ গড়া সম্ভব তেমনি আশপাশের ছোট ছোট দেশ কিন্তু সম্ভাবনাময় দেশগুলোকে কায়দাকরে মারছে।ভাই যে দেশ চানক্যর পররাস্ট্রনীতি মেনে চলে তাদের কাছথেকে সুপ্রতিবেশী সুলভ আচরণ পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষিন।

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৩০

আগামি বলেছেন: সেটা ভারতের জন্যই ফাঁস হয়ে দাঁড়াবে ।আশপাশে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে গেলে ভারতের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকেও দুর্বল করার জন্য সেখানকার বিচ্ছিন্নতাবাদীরা চেষ্টা চালাবে ।

৫| ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:১৩

চাঙ্কু বলেছেন: কইতাম পারি না :(

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৩১

আগামি বলেছেন: না পারলেও একটু কন !

৬| ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৪৪

সোনার বাংলা বলেছেন:

ভালা লিখছেন। +

ভারত ভাঙবে তবে একটু সময় নিতেছে। ভারতের পাশের দেশ বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকার সাথে অমানবিক আচরনের ফলাফল পাইবে। হাসিনা গং, কৈরালা গং, জারদারি গং এরা চির দিন থাকবে না।

দেখেন দশ ট্রাক অস্ত্র নিয়ে কেমন খেল দেখাইতেছে "র"। উলপার প্রথম আলো আজকাল এন্টি উলপা হয়ে কাজ করে টাকা এবং গোপন মুখোশ প্রকাশের ভয়ে। আমার প্রশ্ন আমাদের সন্তু লারমাদের কেড়ায় অস্ত্র দিয়ে ছিলো? যারা সন্তু লারমাদের অস্ত্র দিয়ে ছিলো তাদের কি বিচার হয়েছে বা হাসিনা খালেদা চেয়ে ছিলো কি? ভারত কি তার গোয়ান্দা সংস্হা "র" এর কোন কর্মকর্তা কে হ্যান্ডক্যাপ পরাইয়া টানা হেছড়া করে ছিলো? হাসিনায় কি দেখে ছিলো? বাংলাদেশে হাজার হাজার টনের সুশীল ফেনসিডিল আসতেছে ভারতের বোর্ডারের কারখানা গুলি থেকে সে বিষয়ে কি হাসিনায় তার মামাদের কিছু বলেছে? ভারতীয় সরকার কি আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্হা নিয়েছে? সীমান্তে পশু পাখির মানুষ শিকার করা হচ্ছে অথচ মুক্তিচেতনা এবং জাতীয়বাদের সরকার মুখের মধ্যে কলা দিয়ে বসে থাকে। পারলে হাজার সরি বলে!!!

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:০৭

আগামি বলেছেন: ছোট রাস্ট্রের নীতিটা সাধারণত বড় রাষ্ট্রের তোষন নীতি হয়ে থাকে । সেটা দোষের কিনা সে মন্তব্য করছিনা । তবে আমরা ভারতবিদ্বেষী সেটা ভারত দাদাগিরি ফলায় বলে নাকি এখানে ধর্ম জড়িত এটা কিন্তু বিশ্লেষনের দাবি রাখে ।

যাইহোক সমস্যা জিইয়ে রেখেই আগাচ্ছে ভারত । সব সমস্যা একসাথে সামলাতে পারবেতো ?

৭| ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:০৮

দিগন্ত বলেছেন: প্রতিবেশী সুলভ আচরণ আর দাদাগিরির মধ্যে দ্বিতীয়টাই ভারত বেশী করে করে সেটা কোনো সন্দেহ নেই। সাম্প্রতিক নেপালের ঘটনাবলী সেটার আরো প্রমান দেয়। কিন্তু প্রতিবেশীরাও তাদের যেকোনও সমস্যার জন্য ভারতকেই দোষারোপ করে সেটাতেও সন্দেহ নেই। নেপালের সমস্যার একটা বড় অংশ যে নেপালেই বিদ্যমান, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। প্রচণ্ড আর নেপালের আর্মির মধ্যে ফাটল অনেকদিনের। প্রচণ্ড নিজেও তা জোড়া লাগানোর চেষ্টা করেন নি। বাংলাদেশের বাংলাভাই প্রথমে "মিডিয়ার সৃষ্টি", তারপরে এখন "র' এর সৃষ্টি"। এটাও বাংলাদেশের নিজস্ব সমস্যা।

৮| ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:১৯

দিগন্ত বলেছেন: আর সুপার পাওয়ার, বিচ্ছিন্নতাবাদ, দাদাগিরি - এই তিনের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই। আমেরিকা সুপার পাওয়ার - প্রচুর দাদাগিরি করে ও করেছে। তার মধ্যে অনেক দাদাগিরি একেবারে ঘরের কাছে - কিউবা, নিকারাগুয়া বা হন্ডুরাস। তাতেও তার দেশে লোকে আলাদা হতে চায় না।

চিন ভবিষ্যত সুপার পাওয়ার। তারও দাদাগিরির রেকর্ড আছে ভালই - তাইওয়ান, মঙ্গোলিয়া, ভারত আর ভিয়েতনামের সাথে। তাতেও তার আলাদা কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয় নি - তিব্বত, উইঘুর আর দেশে গণতন্ত্রকামীদের সমস্যা নিয়েও দেশটা সুপার পাওয়ার হওয়ার দিকে এগোচ্চছে।

ভারতের ক্ষেত্রেও তাই। উত্তর-পূর্ব, কাশ্মীর আর মাও/নকশালবাদীদের সমস্যা ভারতে স্বাধীনতার পর থেকেই কমবেশী আছেই। নতুন কোনো সমস্যা তৈরী হয় নি।

সবশেষে বলি রাজনৈতিক দাদাগিরি একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। আমি দেখেছি একসময় ভারত যখন আমেরিকার দাদাগিরির কথা বলত তখন নিজেই শ্রীলঙ্কায় দাদাগিরি করত। পাকিস্তান ভারতের দাদাগিরির কথা বলে আর নিজে আফগানিস্তানে দাদাগিরি করে। নেপাল একই কাজ করে ভুটানের সাথে। বাংলাদেশের আশেপাশে সেরকম কোনো ছোটো রাষ্ট্র থাকলে বাংলাদেশেও তাদের সাথে তাইই করত।

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১৮

আগামি বলেছেন: ভারত চীন আর আমেরিকা এক মেরুতে দাঁড়িয়ে নয় ।

আমেরিকার সুপার পাওয়ার হয়ে ওঠার আগে দাদাগিরির রেকর্ড পাবেননা ।এমনকি প্রথম এবং দ্বিতীয় মহাযুদ্ধেও তাদের অংশগ্রহণ ঠেকায় পড়ে ।আর তাদের নিজস্ব প্রাকৃতিক প্রাচুর্যের ধারে কাছে আছে কোন দেশ ?

সবচেয়ে প্রাচীন রষ্ট্রগুলোর একটি চীন । মাওসেতুং এর সময় থেকে কমিউনিষ্টরা দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে গেলেও তাদের সামরিক এবং অন্যান্য প্রতিপত্তি বহু পুরানা ।

ভারত সে তুলনায় নবীন । তবু এগিয়ে যাচ্ছে ভারত ।কিন্তু তার সমস্যা অন্য দুই দেশের তুলনায় ব্যাপক । সম্পদও কম । জাতিগত বিভক্তিও বেশি । বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের প্রকোপও বেশি ।

চীনা মুসলিমরা বহির্বিশ্বের নজর কাড়তে পারেনি । কিন্তু ভারতে প্রচুর পরিমানে খ্রীষ্টান আচ্ছে-যারা বিচ্ছিন্নতাবাদী ।

৯| ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১৫

ধইঞ্চা বলেছেন: ষাটের দশকে ভারতে নকশালবাড়ি আন্দোলন বেশ আলোড়ন তুলেছিল । পশ্চিম বঙ্গে বামপন্থীরা ক্ষমতায় এলেও নকশালীদের কপালে আর গণবিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়া হয়ে উঠেনি ।এটা যতটা 'র' এর সাফল্য তার চেয়ে বেশী গণবিপ্লবীদের ব্যর্থতা ।
বাংলাদেশের জন্মটাকে কেন আমলে আনেননি বুঝলাম না ।

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২০

আগামি বলেছেন: বাংলাদেশের অভ্যুদয় কি গণবিপ্লবীদের সাফল্য ? আপনার জিজ্ঞাসাটা ক্লিয়ার না আমার কাছে ।

১০| ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২৮

দেশী পোলা বলেছেন: একটু আগ বাড়ায় বলেন যে মুজিব, জিয়া, এরশাদ, খালেদা, হাসিনা সবাই র' এর এজেন্ট

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৩

আগামি বলেছেন: আমি কি কাউরে 'র' এর এজেন্ট কইছি ?

১১| ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২৯

দিগন্ত বলেছেন: ভারত চীন আর আমেরিকা এক মেরুতে দাঁড়িয়ে নয় ।

- সঠিক, আমিও একই কথা বলেছি। সবাই যার যার মত আলাদা, তাই সুপার পাওয়ার হবার হলেও তাদের একেকজন একেকরকম হবে।

আমেরিকার সুপার পাওয়ার হয়ে ওঠার আগে দাদাগিরির রেকর্ড পাবেননা ।
- নিতান্তই বাজে কথা। আমেরিকা কি ভাবে প্রতিবেশী দেশগুলোকে গ্রাস করেছে তা আপনি জানেন না। স্বাধীন টেক্সাস আমেরিকায় যোগদান করেছে আর কানাডা আর মেক্সিকোর সাথে যুদ্ধ করে অনেকগুলো প্রদেশ যোগাড় করেছে আমেরিকা।

কিন্তু তার সমস্যা অন্য দুই দেশের তুলনায় ব্যাপক । সম্পদও কম । জাতিগত বিভক্তিও বেশি । বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের প্রকোপও বেশি ।
- সে তো বটেই। সমস্যা একেকজনের একেকরকম। চিনের আশেপাশের দেশগুলো সবাই চিনের থেকে উন্নত, ভারতের ক্ষেত্রে উলটো। সম্পদও একেকরকম। পৃথিবীতে ব্রিটেনের মত সুপার পাওয়ারদের দিন শেষ। এখন সুপার পাওয়ার হতে গেলে অর্থনীতি আগে কথা বলে - চিন আর আমেরিকার ক্ষেত্রে সেটাই মূল। ভারতেরও তাই। ওইখানে কেমন করে সেটাই বিবেচ্য।

০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৮

আগামি বলেছেন: স্বাধীন টেক্সাস আমেরিকায় যোগদান করেছে আর কানাডা আর মেক্সিকোর সাথে যুদ্ধ করে অনেকগুলো প্রদেশ যোগাড় করেছে আমেরিকা । -ঠিক বলেছেন ।এটা বিবেচনায় ছিলনা ।আরো বিবেচনায় ছিলনা রেড ইন্ডিয়ানদের বাস্তুচ্যুত করার বিষয়টি ।

তবে আমি বুঝাতে চেয়েছি আমারিকা যেই মজবুত ভুমিতে দাঁড়িয়ে দাদাগিরি শুরু করেছে ভারত সেই শক্ত জমিতে দাঁড়ানোর আগেই দাদাগিরি শুরু করেছে ।

শক্ত অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত সন্দেহ নেই ।তবে ইউরোর আগমন যেমন ডলারকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে তেমনি আরো একটা মেসেজ দিচ্ছে বিশ্ব নেতৃত্বকে । তা হচ্ছে - আগামীর বিশ্বে বিভেদ নয় ভ্রাতৃত্বই জয়লাভ করবে ।

১২| ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৪

দিগন্ত বলেছেন: Click This Link

আমেরিকার গ্রাস দেখুন :)

১৩| ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৪

আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: ভালো পোস্ট........ প্লাস...........

০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:২১

আগামি বলেছেন: ধন্যবাদ । ভাল থাকুন । সবসময় ।

১৪| ০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৪

দিগন্ত বলেছেন: তবে আমি বুঝাতে চেয়েছি আমারিকা যেই মজবুত ভুমিতে দাঁড়িয়ে দাদাগিরি শুরু করেছে
- আমি যে দেখালাম আমেরিকা কিভাবে আশেপাশের ভূমি গ্রাস করেছে ... সেটা শক্ত জমির ওপর দাঁড়িয়ে নয়। জাপান আক্রমণ করার পরে চিনের অবস্থাও শক্ত ছিল না। জাপানকে দেখুন, এককালে তারাও উপনিবেশ তৈরী করেছে, শোষণ করেছে একের পর এক। তখনও তাদের শক্ত জমি ছিল না। দাদাগিরি করাটা স্বাভাবিক প্রবণতা। দুঃখের বিষয় বাংলাদেশের পাশে দাদাগিরি করার জন্য কেউ নেই ...

১৫| ০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

দিগন্ত বলেছেন: ভাতৃত্বের মধ্যেও দাদা-ভাই থাকবেই। ;)

০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:০০

আগামি বলেছেন: হ্যাঁ আপনার যুক্তিগুলা আমার মনে ধরেছে । স্বাভাবিক প্রবনতা সবার মধ্যেই দাদাগিরি ফলানোর ।আর এই স্বাভাবিক প্রবণতার কারনেই সে ক্ষতির দিকে এগিয়ে যায় ।

আমেরিকার আশপাশ দখল করার সময় আর এখনকার সময়ে অনেক তফাৎ । আমেরিকার জন্মই এক পরাশক্তিকে পরাস্ত করে ।তার আশপাশে যখন সে সাম্রাজ্য প্রসারে ব্যস্ত কে ছিল তাকে টেক্কা দেবার ? আর সে সময় সাম্রাজ্যবাদ ভূমি দখলেই সিমাবদ্ধ ছিল ।

জাপান যখন ওসব করেছে তখন তাদের ভুমি শক্ত ছিলনা এটা কি ঠিক বললেন ? জাপান চীন আক্রমন করার পর চীনের অবস্থা খারাপ হলেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরাজিত শক্তির একটি জাপান হওয়ায় চীনের অবস্থা তেমন খারাপ হয়নি ।

যাইহোক, আগের সময়ে যেটা করে জাপান বা চীন বা আমেরিকা পার পেয়ে গেছে তা করে এখন ভারত পার পেয়ে যাবে এমনটা ভাবা বোধহয় ঠিক নয় ।

১৬| ০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:০১

সোনার বাংলা বলেছেন:














০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৭
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন: ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: ছোট রাস্ট্রের নীতিটা সাধারণত বড় রাষ্ট্রের তোষন নীতি হয়ে থাকে । সেটা দোষের কিনা সে মন্তব্য করছিনা । তবে আমরা ভারতবিদ্বেষী সেটা ভারত দাদাগিরি ফলায় বলে নাকি এখানে ধর্ম জড়িত এটা কিন্তু বিশ্লেষনের দাবি রাখে ।

যাইহোক সমস্যা জিইয়ে রেখেই আগাচ্ছে ভারত । সব সমস্যা একসাথে সামলাতে পারবেতো ?



>> আমার মনে হয় না এখানে ধর্ম কাজ করে। কারন তুলনা মূলক ভাবে ভারত এবং বাংলাদেশে মুসলিম প্রায় সমান সমান। বরং বাংলাদেশের মুসলিমেরা পাকিস্তানী চেয়ে ভার‌তীয় মুসলিমদের বেশী পছন্দ করে। ভারতের একচোখা আগ্রসী নীতির কারনেই বাংলাদেশের মানুষ ভারত বিরুদ্ধী। যাই হোক অনেকেই ৭১রে ভারতের সাহায্যোর কারনে বর্তমানের অন্যায় রাষ্ট্রীয় অপরাধের পরে ও চুপ থাকে। এদের ৯৫ ভাগই আ.লীগ পন্হি।


সবার কাছে আমার প্রশ্ন শুধু ১৯৭১ রের যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ কে সাহায্য করা ছাড়া আর কি কি উপকার বা বন্ধুত্ব মূলক সাহায্য করেছে??????




>> উপরের মন্তব্যটা মুছে দিন। একটা লাইনে ভুল লিখেছি.....

০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:২৮

আগামি বলেছেন: কোন আগ্রাসী শক্তিকেই কেউ পছন্দ করেনা- এটা চিরন্তন সত্য । আপনাকে ছাড়া হয়তো কোন একটা কাজ হবেনা, তাই সবাই আপনাকে তেল দিবে কাজটা করে দেবার জন্য । কিন্তু যখনই আপনি ঔদ্ধত্যভরে/অহংকার করে সবাইরে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাবেন যে আপনারে ছাড়া তারা অচল তখন আর আপনার প্রতি ভালবাসা থাকবেনা । আপনার বিকল্প পাবার সাথে সাথে আপনার সাথে সম্পর্ক শেষ কইরা দিতে চাইব ।

আমি বলতে চাইছি ভালবাসার মাধ্যমে যা আদায় করা যায় ভয় দেখিয়ে বা প্রেসার করে তা আদায় করা যায়না । সেখানে একটা বড় প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায় ।

১৭| ০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:১৪

দিগন্ত বলেছেন: বরং বাংলাদেশের মুসলিমেরা পাকিস্তানী মুসলিমদের বেশী পছন্দ করে।

:)

১৯৭১ রের যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ কে সাহায্য করা ছাড়া আর কি কি উপকার বা বন্ধুত্ব মূলক সাহায্য করেছে?

- আপনি একই উদাহরণ আমেরিকা, সৌদি, পাকিস্তান, মায়ানমার বা চিনের জন্য দেখান - তারা কে কি কি করেছে? বন্ধুরাষ্ট্র ব্যাপারটাই একটা মিথ।

১৮| ০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩৭

আতিকুল হক বলেছেন: ভারতের সুপার পাওয়ার না হওয়ার কারন দেখছি না। ভারত ভেঙ্গে গেল, গেল বলে কিছু তরল চিত্তের মানুষ কিছুটা আত্মপ্রসাদ লাভ করতে পারেন। কিন্তু বাস্তবতাটা ভিন্ন বলেই আমার মনে হয়।

ভারতে জাতিগত বিভক্তি ছিল, আছে। ভারত তাদের কঠোরভাবেই দমন করছে। রাজনৈতিকভাবে ভারতে একটা শক্তিশালি সরকার হওয়া প্রায় অসম্ভব। কোয়ালিশনই অবশ্যম্ভাবি। কিন্তু ভারতের জাতিগত ঐক্য বাড়ছে বলেই আমার মনে হয়। যেমন, পশ্চিমবঙ্গের বাঙ্গালি ক্রমশই বাঙ্গালিত্ব বিসর্জণ দিয়ে ভারতীয় হয়ে উঠছে। তবে তারচেয়েও বড় কথা সরকার বদলালে ভারতের নীতি বদলায় না। আমেরিকা, পাকিস্তান বা প্রতিবেশিদের সাথে আচরন বিজেপি বা ক্ংগ্রেস নির্ভর নয়। যে সরকারই আসুক টিপাইমুখ বাধ বা বিএসএফের নিরীহ গ্রামবাসী মারা বন্ধ হবে না। উন্নতির জন্য ভিশন আর স্ট্যাবিলিটিই বড় কথা। ভারতের সেটা আসে।

ব্লগার দিগন্ত ঠিকই বলেছেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ঔচিত্যবোধ কোন বিবেচনার বিষয় নয়। বন্ধুরাষ্ট্র বুলশিট ছাড়া কিছুই না। বাংলাদেশের সাথে ইচ্ছেমত আচরন ভারতকে কোন সমস্যাতেই ফেলবে না, যদি না বাংলাদেশ যেমন কুকুর তেমন মুগুর দিতে শুরু করে। কিন্তু বাংলাদেশের সবার সাথে বন্ধুত্বের নপুংশক পররাষ্ট্রনীতিতে মুগুর হাতে নেয়াই পাপ। সমস্যা আমাদের মধ্যেই। ভারতের দিকে আংগুল তোলার কোনই প্রয়োজন নাই।

০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৫১

আগামি বলেছেন: অতীতের অনেক কিছুই এখন অচল । তেমনি অচল হয়ে পড়বে বিভক্তি এবং শক্তি প্রয়োগ নীতি । বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এখন একীভুত হচ্ছে । আগামীর বিশ্বে যেহেতু অর্থনীতিই দুনিয়া চালাবে তাই ভারতকে এই দিকটায় নজর দিতে হবে ।

অন্যের শরীরে আগুণ ধরিয়ে নিজের নিরাপদ থাকার চিন্তা এখন বাতিল হতে চলেছে । ভাল সম্পর্কের মাধ্যমেই কেবল এগিয়ে যেতে পারে ভারত ।

তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়া আমার একখান নিজস্ব পর্যবেক্ষণ ছিল । যদি সম্ভব হয় মতামত জানাবেন ।

Click This Link

১৯| ০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:২৭

দিগন্ত বলেছেন: আগামীর বিশ্বে যেহেতু অর্থনীতিই দুনিয়া চালাবে তাই ভারতকে এই দিকটায় নজর দিতে হবে
-- এটা ভারত-বাংলাদেশ সহ সবার জন্যই ঠিক।

আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ঔচিত্যবোধ কোন বিবেচনার বিষয় নয়।
-- একমত। :)

ভাল সম্পর্কের মাধ্যমেই কেবল এগিয়ে যেতে পারে ভারত ।
-- আমেরিকার সাথে সম্পর্ক গত দশ বছরে অনেক উন্নতি হয়েছে। :) আরো সোজা কথায় সোভিয়েত বিরোধী সব দেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক অনেক উন্নতি হয়েছে।

০৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:৪২

আগামি বলেছেন: হুম । রাঘব বোয়ালদের সাথে ভাল সম্পর্ক গড়ে তুলেছে সেটা দেখেছি । দেখেছি ইস্রাইলের সাথেও ভাল সম্পর্ক গড়ে তুলতে ।ঠিক পথেই আছে-আপাত দৃষ্টিতে তাই মনে হচ্ছে । এই কারণে ভারত সুপার পাওয়ার হয়ে ওঠা সময়ের অনিবার্য পরিণতি মনে হচ্ছে আমার কাছে ।

যে সময়টা আপনি আপনার এগিয়ে যাবার কাজে ব্যয় করবেন, যে শক্তি আপনাকে আরো থিতু হতে সাহায্য করবে সেটা যদি আশপাশের ছোট দরিদ্র দেশগুলোর বারটা বাজানোর ফন্দি ফিকিরে ব্যয় করেন- কিছুটা হলেও কি পিছিয়ে যাবেন না ?

আর এই দেশগুলো যদি প্রকৃত অর্থেই কোন ক্যারিশমাটিক নেতৃত্ব পেয়ে যায়, তাদের মানসিকতা যদি ভারত বিদ্বেষি হয় ভারতকে কি চরম মূল্য দিতে হবেনা ?

২০| ০৮ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৫২

যুগান্তকারী বলেছেন: আমি মনে করি ধর্ম কোন ম্যাটার না কারন নেপালের মত হিন্দু আস্ট্রকে এরা প্রায় গোলাম বানিয়ে রেখেছে।

০৯ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৪

আগামি বলেছেন: হুম । আগ্রাসী লোক আপন ভাইকেও বাস্তুচ্যুত করতে ভাবেনা ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.