| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আহমেদ রুহুল আমিন
“ কাউকে জ্ঞান বিতরণের আগে জেনে নিও যে তার মধ্যে সেই জ্ঞানের পিপাসা আছে কি-না। অন্যথায় এ ধরণের জ্ঞান বিতরণ করা হবে এক ধরণের জবরদস্তি। জন্তুর সাথে জবরদস্তি করা যায়, মানুষের সাথে নয়। হিউম্যান উইল রিভল্ট ।”- আহমদ ছফা ।
আমরা সবাই কমবেশী জুতা আবিস্কারের গল্প জানি। সেই নাসিরুদ্দিন হোজা আর বাদশা হারুণের রাজ্যের প্রজাবৎসদের খালিপায়ে হাটার কস্ট লাঘবের গল্প । রাজ্যজুড়ে চামড়ার প্রলেপ ঢাকার পরিবর্তে নিজ নিজ পা চামড়ায় মুড়ানোর সহজ সমাধানের গল্প। তদরুপ, আমরা আমাদের বিশাল আমানত ‘ভোট’ যখন দেই তখন ‘ভোট-ব্যালট’ এর প্রমানক হিসেবে আইডি নম্বরের মতো একটা নম্বর কপি ( ব্যাংকের চেক বা জমা স্লিপের মুড়ির মতো যাতে একটা সিরিয়াল নাম্বার থাকে ) নিজের কাছে রেখে তার একটি স্ক্রীণশট বা কপি সংশ্লিষ্ট এলাকার দলীয় কার্যালয়ের মাধ্যমে দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে প্রেরণ করার ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। এখানে যে ভোটার যে দলের সমর্থক বা যাকে ভোট দিয়েছে তা ব্যাংক ব্যবস্থায় যেমন টোটাল লেন-দেনের হিসাব না মিলানো পর্যন্ত কার্যক্রম সমাপ্ত হয়না তদরুপ ইলেকশন কমিশন ও দলীয় কমিশনের হিসাবের মিল বা সমন্বয় না হওয়া পর্যন্ত ভোট গ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন হবেনা। ফলে, ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং এর সম্ভাবনা একেবারেই থাকবেনা। বিষয়টি নিয়ে এখন ভাবার সময় এসেছে।
------------------------------------------

©somewhere in net ltd.